Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

বাংলাপিডিয়া

স্রষ্টা/অবদানকারী

এই নামের সাথে যুক্ত সব রিসোর্স একসাথে দেখুন।

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

রিসোর্সসমূহ

৬৯

Matin, Abdul

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

ভাষা মতিনের জীবন ও ভাষা আন্দোলনে তার কেন্দ্রীয় ভূমিকাকে বোঝার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জীবনীমূলক উৎস।

Adina Mosque

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

বাংলা সালতানাতের স্থাপত্য ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে আদিনা মসজিদ সম্পর্কে বাংলাপিডিয়া রেফারেন্স।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯৬৮ সালের আগরতলা মামলার কাঠামো, বিচারপ্রক্রিয়া এবং ১৯৬৯ গণঅভ্যুত্থানের সাথে এর সম্পর্ক নিয়ে বাংলাপিডিয়া নিবন্ধ।

Alauddin Husain Shah

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

বাংলায় হোসেন শাহী রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা আলাউদ্দিন হোসেন শাহের জীবন ও শাসন প্রসঙ্গে বাংলাপিডিয়া পরিচিতি।

আসাম

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৮৭৪ সালে বাংলার প্রশাসনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে আসাম আলাদা হওয়া এবং সিলেট-কাছাড় প্রসঙ্গ বোঝার রেফারেন্স।

বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল)

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

বাকশাল সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত encyclopedic reference। দ্রুত factual overview-এর জন্য useful.

Bangladesh Awami League

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও রাস্তাভিত্তিক এরশাদবিরোধী ভূমিকা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

Bangladesh Nationalist Party

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯৯০-এর রূপান্তরে পৌঁছানো জোট রাজনীতিতে বিএনপির ভূমিকা বোঝার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

বাংলাদেশ রাইফেলস

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

বাংলাপিডিয়ার এই রেফারেন্সে বাংলাদেশ রাইফেলসের প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাস, পরবর্তী সময়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে রূপান্তর, এবং ২০০৯ সংকটের প্রাথমিক প্রেক্ষাপট পাওয়া যায়।

Baro-Bhuiyans

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

বারো-ভূঁইয়া জোটসমূহ এবং ষোড়শ শতকের শেষভাগ থেকে সপ্তদশ শতকের শুরু পর্যন্ত বাংলায় তাদের প্রতিরোধ ভূমিকা নিয়ে বাংলাপিডিয়া সারসংক্ষেপ।

Battle of Rajmahal

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

১৫৭৬ সালের ১২ জুলাইয়ের রাজমহল যুদ্ধ ও দাউদ খান কররানির পরাজয় নিয়ে বাংলাপিডিয়া সারসংক্ষেপ।

বাংলায় রাষ্ট্রগঠন

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

বাংলাপিডিয়ার রাষ্ট্রগঠন নিবন্ধ, যেখানে বাংলা সালতানাত পর্যায় ও তার প্রাতিষ্ঠানিক বৈশিষ্ট্য আলোচিত।

বেঙ্গল টেন্যান্সি অ্যাক্ট ১৮৮৫

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

ঔপনিবেশিক বাংলায় জমিদার-প্রজা সম্পর্ক পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ কৃষি-আইন নিয়ে বাংলাপিডিয়া রেফারেন্স।

ক্যালকাটা রায়ট, ১৯৪৬

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে-পরবর্তী ক্যালকাটার হত্যাযজ্ঞ এবং হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কের উপর তার প্রভাব বোঝার জন্য একটি কেন্দ্রীভূত রেফারেন্স।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক কাঠামো, ২০০৬-২০০৮ সংকট এবং জরুরি অবস্থাকালীন রাজনৈতিক রূপান্তর বোঝার গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স।

Chittagong Hill Tracts Peace Accord

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

বাংলাদেশ সরকার ও পিসিজেএসএসের মধ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত চুক্তির বাংলাপিডিয়া সারসংক্ষেপ, যা সংঘাতপর্বের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি নির্দেশ করে।

Communist Party of Bangladesh

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

এরশাদবিরোধী আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক জোটে সংগঠিত বাম রাজনীতির ভূমিকা বোঝার জন্য উপযোগী।

শাহ জালাল ও সিলেট বিজয়

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

শাহ জালাল ও সিলেট বিজয় সম্পর্কে বাংলাপিডিয়া আলোচনা, যেখানে ঐতিহাসিক ও কিংবদন্তিমূলক ধারার পার্থক্যও উল্লেখ আছে।

সংবিধান

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯৭২ সালের সংবিধানের গ্রহণ, কাঠামো, মূলনীতি এবং পরবর্তী সংশোধন-ইতিহাস বোঝার জন্য বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক রেফারেন্স।

সাংবিধানিক বিকাশ

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

গণপরিষদ, খসড়া কমিটি এবং ১৯৭২ সালের সংবিধান গ্রহণের প্রক্রিয়া বোঝার জন্য একটি বিশদ রেফারেন্স।

হেয়ার, ডেভিড

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

ডেভিড হেয়ার ও কলকাতার প্রারম্ভিক ঊনবিংশ শতকের শিক্ষাসংস্কার নিয়ে বাংলাপিডিয়া জীবনী।

ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৬ আগস্ট ১৯৪৬-এর হরতাল, ক্যালকাটার সহিংসতা এবং দেশভাগের পথে তার ভূমিকা বোঝার জন্য বাংলা-কেন্দ্রিক রেফারেন্স।

Diwani

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

দেওয়ানি ব্যবস্থা, ১৭৬৫ সালের চুক্তিসমূহ এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে রাজস্ব কর্তৃত্ব সরে যাওয়ার প্রক্রিয়া বোঝার জন্য বাংলা-প্রাসঙ্গিক একটি মৌলিক রেফারেন্স।

১৯৫৪ সালের নির্বাচন

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

পূর্ববঙ্গের ১৯৫৪ সালের নির্বাচন, যুক্তফ্রন্টের প্রচার এবং ফলাফলের ব্যাপকতা নিয়ে বাংলাপিডিয়ার সারসংক্ষেপ।

এরশাদ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন এম.

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জীবন, সামরিক পটভূমি, রাষ্ট্রক্ষমতা ও ১৯৮৩–১৯৯০ শাসনকাল বোঝার জন্য concise encyclopedic reference.

আহমেদ, ফখরুদ্দীন

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

ফখরুদ্দীন আহমেদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্বগ্রহণ, ২০০৭–২০০৮ governance ও election transition বোঝার জন্য useful biographical reference.

দুর্ভিক্ষ

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষের কারণ, মৃত্যুসংখ্যা নিয়ে বিতর্ক, এবং সামাজিক অভিঘাত বোঝার জন্য বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক রেফারেন্স।

ফরায়েজি আন্দোলন

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

বাংলায় ফরায়েজি আন্দোলনের সময়রেখা, নেতৃত্ব ও বিস্তার নিয়ে বাংলাপিডিয়া সারসংক্ষেপ।

Haque, ANM Gaziul

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর ঐতিহাসিক আমতলা সভার সভাপতিত্বকারী গাজীউল হকের ওপর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স উৎস।

১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচন

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফলাফল, ভোটার উপস্থিতি, এবং পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগের বিপুল গণরায় বোঝার জন্য বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক রেফারেন্স।

ইতিহাস

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

এরশাদের ক্ষমতাদখল ও আশির দশকের কর্তৃত্ববাদী পর্বের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা বোঝার জন্য সহায়ক সাধারণ বাংলাদেশ-ইতিহাস রেফারেন্স।

বাংলায় পর্তুগিজ ও ১৬৩২ সালের হুগলি আক্রমণ

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

বাংলায় পর্তুগিজ উপস্থিতি এবং ১৬৩২ সালে হুগলি/হুগলিতে মুঘল আক্রমণ নিয়ে বাংলাপিডিয়া আলোচনা।

হোসেন শাহ

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

আলাউদ্দিন হোসেন শাহ সম্পর্কে বাংলাপিডিয়া প্রোফাইল, যা বাংলার হোসেন শাহী রাজবংশ, শাসকক্রম ও রাজবংশীয় ধারাবাহিকতা বোঝার জন্য উপযোগী।

Jagat Sheth

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

মুর্শিদাবাদের দরবারি অর্থনীতি ও পলাশী-পর্বের রাজনৈতিক অর্থশক্তি বোঝার জন্য জগতশেঠ গোষ্ঠী বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধ।

জাতীয় পার্টি

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯৮২ সালের অভ্যুত্থান-উদ্ভূত শাসনব্যবস্থাকে বেসামরিক রূপ ও বৈধতা দিতে এরশাদ যে দল গড়ে তুলেছিলেন, তার ওপর একটি রেফারেন্স।

Ahmed, Justice Shahabuddin

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

এরশাদের পতনের পর তত্ত্বাবধায়ক ক্ষমতা হস্তান্তর বোঝার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

Mahbub, Kazi Golam

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক কাজী গোলাম মাহবুবকে বোঝার জন্য একটি প্রাসঙ্গিক জীবনীসূত্র।

Zia, Begum Khaleda

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

এরশাদ শাসনের অবসান ঘটানো জোট-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানে খালেদা জিয়ার ভূমিকা বোঝার জন্য একটি রেফারেন্স।

লাহোর প্রস্তাব

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯৪০ সালের প্রস্তাব, তার ভাষা, বাংলার ভূমিকা এবং পরবর্তী সাংবিধানিক পুনর্ব্যাখ্যা বোঝার জন্য বাংলাদেশ-সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স।

Language Movement

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

ভাষা আন্দোলনের সূচনা, ধাপ, সংঘর্ষ এবং দীর্ঘমেয়াদি তাৎপর্য বোঝার জন্য একটি মৌলিক রেফারেন্স নিবন্ধ।

১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

ছাত্র আন্দোলন থেকে গড়ে ওঠা ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, তার রাজনৈতিক পটভূমি এবং আইয়ুববিরোধী সংগ্রামে এর ভূমিকা নিয়ে বাংলাপিডিয়ার সারসংক্ষেপ।

Military Rule

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

সামরিক শাসন, এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং ১৯৯০-এর ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স।

Mir Jafar Ali Khan

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

মীর জাফরের দরবারি-সামরিক ভূমিকা, পলাশীপূর্ব সমীকরণ এবং পলাশীর পর ক্ষমতায় অধিষ্ঠান বোঝার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স।

বুজুর্গ উমেদ খান ও চট্টগ্রামে মুঘল বিজয়

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

বুজুর্গ উমেদ খান এবং চট্টগ্রামকে মুঘল বাংলার অধীনে আনা সামরিক অভিযানের বিষয়ে বাংলাপিডিয়া আলোচনা।

Chowdhury, Munier

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

“কবর” নাটকসহ ভাষা আন্দোলনের সাহিত্যিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিক্রিয়া বোঝার জন্য একটি প্রাসঙ্গিক উৎস।

Murshid Quli Khan

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

১৭১৭ সালে মুর্শিদ কুলি খানের নিয়োগ এবং বাংলায় প্রশাসনিক কেন্দ্রায়ন সম্পর্কে বাংলাপিডিয়া রেফারেন্স।

ঢাকার নবাব পরিবার

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে ঢাকার নবাব পরিবারের রাজনৈতিক ভূমিকা বোঝার জন্য সহায়ক রেফারেন্স।

Hossain, Shahid Nur

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

নুর হোসেন সম্পর্কে একটি জীবনীসূত্র, যার মৃত্যু স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রতীকে পরিণত হয়।

পাকিস্তান

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯৭০ সালের সাংবিধানিক কাঠামো, আসন বণ্টন এবং দুই অংশের নির্বাচনী ফল বোঝার জন্য সহায়ক রেফারেন্স।

Palashi, The Battle of

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

পলাশীর যুদ্ধের প্রেক্ষাপট, ষড়যন্ত্র, যুদ্ধের ধারাবাহিকতা ও রাজনৈতিক ফলাফল বোঝার জন্য বাংলা-প্রাসঙ্গিক একটি মৌলিক রেফারেন্স।

বঙ্গভঙ্গ

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপট, বাস্তবায়ন এবং রাজনৈতিক পরিণতি বোঝার জন্য একটি বাংলা-কেন্দ্রিক রেফারেন্স নিবন্ধ।

Partition of Bengal, 1947

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯৪৭ সালে বাংলা কীভাবে ভোট, কমিশন ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ভাগ হলো, তার একটি বিশদ রেফারেন্স নিবন্ধ।

Partition Politics

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

বাংলার দেশভাগের পেছনের রাজনীতি, সাম্প্রদায়িকতা, এবং ঐতিহাসিক বৈপরীত্য বোঝার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স নিবন্ধ।

Permanent Settlement, The

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৭৯৩ সালের বন্দোবস্ত, জমিদারি সম্পত্তি-অধিকার এবং রাইয়ত ও কৃষি-সম্পর্কের ওপর এর প্রভাব বোঝার জন্য বাংলা-প্রাসঙ্গিক একটি মৌলিক রেফারেন্স।

কাজী ইমদাদুল হক

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

বাঙালি মুসলিম সমাজসংস্কার ও সাহিত্যিক আধুনিকতার গুরুত্বপূর্ণ লেখক কাজী ইমদাদুল হক সম্পর্কে বাংলাপিডিয়া প্রোফাইল।

Raja Ganesha

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

পঞ্চদশ শতকের শুরুতে বাংলায় রাজা গণেশের ক্ষমতা দখল ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বাংলাপিডিয়া পরিচিতি।

Revenue Sale Law, 1793

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

খাজনা-বকেয়া, নিলাম-বিক্রয় এবং রাইয়তদের প্রথাগত অধিকার কীভাবে দুর্বল হয়েছিল তা বোঝার জন্য চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক রেফারেন্স।

Shaheed Minar

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯৫২ সালের স্মৃতিকে কীভাবে স্থায়ী স্মারক ও রাজনৈতিক প্রতীকে রূপ দেওয়া হয়েছিল, তা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

Hasina, Sheikh

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

এরশাদবিরোধী আন্দোলন ও ১৯৯০ সালের জোট রাজনীতিতে শেখ হাসিনার ভূমিকা বোঝার জন্য একটি প্রাসঙ্গিক রেফারেন্স।

Sirajuddaula

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

নবাব সিরাজউদ্দৌলার জীবন, দরবারি রাজনীতি, কোম্পানির সঙ্গে সংঘাত এবং পলাশী-পরবর্তী পতন নিয়ে প্রামাণ্য জীবনীমূলক নিবন্ধ।

ছয় দফা কর্মসূচি

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

শেখ মুজিবুর রহমানের ছয় দফা, ১৯৬৬ সালে এর উত্থাপন এবং পরবর্তী রাজনৈতিক গণসংগঠনে এর প্রভাব নিয়ে বাংলাপিডিয়ার সারসংক্ষেপ।

স্পেশাল পাওয়ার্স অ্যাক্ট, ১৯৭৪

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

প্রতিরোধমূলক আটক ও ব্যতিক্রমী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা বৃদ্ধির এই আইনের রাজনৈতিক তাৎপর্য বোঝার জন্য একটি রেফারেন্স।

সূর্য সেন (মাস্টারদা)

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

সূর্য সেনের জীবন, চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন, এবং সংশ্লিষ্ট বিপ্লবী নেটওয়ার্ক সম্পর্কে বাংলাপিডিয়া রেফারেন্স।

স্বদেশী আন্দোলন

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

বয়কট, দেশীয় পণ্য, এবং বঙ্গভঙ্গবিরোধী রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিকাশ বোঝার জন্য একটি মৌলিক রেফারেন্স।

সৈয়দ আমীর আলী

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

সৈয়দ আমীর আলী সম্পর্কে বাংলাপিডিয়া প্রোফাইল; তার রচনা মুসলিম ইতিহাস-চেতনা ও আধুনিক পরিচয় নির্মাণে প্রভাবশালী।

Titu Mir

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

তিতুমীরের জীবন, নেতৃত্ব এবং ১৮৩১ সালের বাঁশের কেল্লা বিদ্রোহ নিয়ে বাংলাপিডিয়া সারসংক্ষেপ।

যুক্তফ্রন্ট

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট জোট, তাদের ২১ দফা কর্মসূচি এবং পূর্ববঙ্গে বিপুল বিজয় নিয়ে বাংলাপিডিয়ার সারসংক্ষেপ।

মুক্তিযুদ্ধ

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯৭০-এর গণরায় অস্বীকার কীভাবে ১৯৭১ সালের যুদ্ধে গড়ায়, তা বোঝার জন্য বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক রেফারেন্স।

ইয়ং বেঙ্গল

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

হিন্দু কলেজকেন্দ্রিক ডিরোজিয়ান বৃত্ত এবং উনিশ শতকের বুদ্ধিবৃত্তিক ভিন্নমতের ইতিহাস নিয়ে বাংলাপিডিয়া রেফারেন্স।

সম্পর্কিত ইভেন্ট

১১৪

১৯৫২

ভাষা আন্দোলন

১৯৪৭-এর পর প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নকে ঘিরে যে সংকট তৈরি হয়, ভাষা আন্দোলন তারই ধারাবাহিকতা। গণপরিষদে বাংলা ভাষার দাবি, শিক্ষা ও প্রশাসনে বাংলার মর্যাদা, এবং পাকিস্তানি রাষ্ট্রের উর্দু-একক নীতির সংঘর্ষ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-তে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়; ছাত্র-জনতার ১৪৪ ধারা ভঙ্গ ও পুলিশি গুলিবর্ষণ ভাষাকে বাঙালির রাজনৈতিক আত্মপরিচয়ের নৈতিক কেন্দ্রে পরিণত করে।

১৩৫২

বাংলা সালতানাতের স্বাধীনতা ও একীকরণ

চতুর্দশ শতকের মধ্যভাগে, বিশেষত শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের ক্ষমতা সংহতির প্রেক্ষাপটে, বাংলা একটি একীভূত ও কার্যত স্বাধীন সুলতানি রাষ্ট্রে রূপ নেয়। বিচ্ছিন্ন আঞ্চলিক ক্ষমতা কাঠামো থেকে বেরিয়ে এই পর্যায়ে বাংলা নিজস্ব রাজনৈতিক কেন্দ্র ও দীর্ঘস্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় অর্জন করে।

১৯৬৮

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা

১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সরকার শেখ মুজিবুর রহমানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে, যেখানে ভারতের সহায়তায় পূর্ব পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ আনা হয়। মামলাটি দ্রুত রাজনৈতিক ক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়, ছাত্র ও জনসমাজে সংহতি বাড়ায়, এবং সরাসরি ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের পথ প্রশস্ত করে।

১৪৯৪

বাংলায় আলাউদ্দিন হোসেন শাহের হোসেন শাহী শাসনের সূচনা

১৪৯৪ সালে আলাউদ্দিন হোসেন শাহ বাংলার ক্ষমতা দখল করে হোসেন শাহী রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর সিংহাসন গ্রহণ বাংলা সালতানাতের রাজবংশীয় ধারায় একটি বড় পরিবর্তন আনে এবং প্রশাসনিক সংহতি, আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার, ও পারসিক-বাংলা দরবারি পৃষ্ঠপোষকতার এক গুরুত্বপূর্ণ যুগের সূচনা করে।

১৮৭৪

আসাম পুনর্গঠন ও সিলেটের প্রশাসনিক বিচ্ছিন্নতা

১৮৭৪ সালে ব্রিটিশ প্রশাসন আসামকে বাংলার প্রশাসন থেকে আলাদা করে এবং সিলেট ও কাছাড়কে নতুন চিফ কমিশনারশিপ অব আসামের অধীনে আনে। প্রশাসনিক সুবিধার যুক্তি দেখানো হলেও এই পরিবর্তন ভাষা, শাসন ও আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিচয়ের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে।

১৯৪৭

সিলেট গণভোট

১৯৪৭ সালের সিলেট গণভোটে সিলেটের বড় অংশ আসাম থেকে পূর্ব বাংলা (পাকিস্তান)-এ যুক্ত হয়; ফলে জনসংখ্যা, জেলা-ভিত্তিক ভোট এবং সীমান্ত নির্ধারণের সম্পর্ক কেন্দ্রীয় হয়ে ওঠে।

১৯৭৫

বাকশাল প্রতিষ্ঠা ও পতন

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ এক ঐতিহাসিক মোড়ে দাঁড়ায়: বাকশাল কাঠামোর দিকে অগ্রসর হওয়া, রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড, এবং ৩ নভেম্বর জেলহত্যা। এই ধারাবাহিক ঘটনা রাষ্ট্র, দলীয় রাজনীতি ও সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদে বদলে দেয়।

১৯৪৯

আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা

১৯৪৯ সালে ঢাকায় আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিতে একটি সংগঠিত বিরোধী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। পরবর্তীতে দলটি আওয়ামী লীগে রূপান্তরিত হয়ে স্বায়ত্তশাসন-সংগ্রাম ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার রাজনৈতিক ধারায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।

১৯৫৪

পূর্ববঙ্গের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়

১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে পূর্ববঙ্গে যুক্তফ্রন্ট মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে বিপুল বিজয় অর্জন করে। প্রতিনিধিত্ব, ভাষার অধিকার এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য নিয়ে দীর্ঘদিনের জনঅসন্তোষ এই ফলাফলে প্রতিফলিত হয় এবং আঞ্চলিক গণতান্ত্রিক দাবির রাজনীতি নতুন গতি পায়।

১৯৫৮

পাকিস্তানে সামরিক আইন

১৯৫৮ সালের অক্টোবরে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি হয়; সংসদীয় রাজনীতি স্থগিত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা কেন্দ্রীভূত কর্তৃত্ববাদী কাঠামোয় চলে যায়। পূর্ব পাকিস্তানে এই সামরিক আইন প্রাদেশিক গণতান্ত্রিক পরিসর সংকুচিত করে, আমলাতান্ত্রিক-সামরিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে, এবং প্রতিনিধিত্ব ও স্বায়ত্তশাসন নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অসন্তোষকে আরও গভীর করে।

১৯৬৬

ছয়-দফা কর্মসূচি ঘোষণা

১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ছয়-দফা কর্মসূচি উপস্থাপন করেন, যা পাকিস্তানের কাঠামোর ভেতরে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের সুস্পষ্ট সাংবিধানিক দাবি হিসেবে সামনে আসে। প্রতিনিধিত্ব, আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং ফেডারেল পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করে এই কর্মসূচি দ্রুত বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়।

১৯৬৯

গণঅভ্যুত্থান

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘ সামরিক-সমর্থিত কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে ছাত্র, শ্রমিক, বিরোধী রাজনীতি ও সাধারণ মানুষের যুগপৎ প্রতিবাদের শীর্ষ পর্ব। এই আন্দোলন আইয়ুব শাসনের ভিত্তি নড়বড়ে করে, গণতান্ত্রিক অধিকার ও আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্নকে মূলধারায় আনে, এবং ১৯৭০-এর নির্বাচন ও পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের জন্য রাজনৈতিক জমিন তৈরি করে।

১৯৯০

গণঅভ্যুত্থান

১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল বাংলাদেশে সামরিক-সমর্থিত কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে বহু বছরের প্রতিরোধের চূড়ান্ত পর্ব। ছাত্ররাজনীতি, ১৯৮৭-তে নূর হোসেনের শহীদ হওয়া, বিরোধী জোটগুলোর সমন্বয়, এবং পেশাজীবী-নাগরিক চাপ মিলিয়ে এমন এক শেষ ধাক্কা তৈরি হয়, যা এরশাদের পদত্যাগ ঘটায় এবং শাহাবুদ্দীন নেতৃত্বাধীন রূপান্তর ও ১৯৯১-এর সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ খুলে দেয়।

২০০৯

বিডিআর বিদ্রোহ / পিলখানা হত্যাকাণ্ড

২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বাংলাদেশ রাইফেলসের কিছু সদস্যের বিদ্রোহ বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংকটগুলোর একটিতে পরিণত হয়। বাহিনীতে প্রেষণে থাকা বহু সেনা কর্মকর্তা নিহত হন, পরিবারের সদস্যরা সদর দপ্তরের ভেতরে আটকা পড়েন, এবং জরুরি শাসন শেষে সদ্য ক্ষমতায় আসা নির্বাচিত সরকার তাৎক্ষণিকভাবে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হয়।

১৫৯৯ (প্রায়)

ভাটিতে বারো ভূঁইয়া প্রতিরোধ

প্রায় ১৫৯৯ সালের দিকে ভাটি অঞ্চলে বারো ভূঁইয়া জোট রাজমহল-পরবর্তী বাংলায় মুঘল অন্তর্ভুক্তির বিরুদ্ধে সবচেয়ে সংগঠিত আঞ্চলিক প্রতিরোধে পরিণত হয়। ঈসা খানের নেতৃত্বে নদীপথভিত্তিক যুদ্ধ, দুর্গ-কেন্দ্রিক প্রতিরক্ষা এবং পরিবর্তনশীল মিত্রতা মুঘল সংহতিকে বারবার বিলম্বিত করে।

১৬১২

বাংলায় মুঘল বিজয় পর্বের মূল সমাপ্তি

১৬১২ সালের মধ্যে বাংলায় মুঘল বিজয় প্রক্রিয়ার প্রধান পর্ব কার্যত সম্পন্ন হয়; রাজমহল-পরবর্তী যুগে বারো-ভূঁইয়া-সহ আঞ্চলিক প্রতিরোধ শক্তির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের ফলেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়ভাবে কিছু ভিন্নতা থাকলেও সামগ্রিক ক্ষমতার ভারসাম্য তখন স্পষ্টভাবে মুঘল প্রাদেশিক শাসনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

১৬১০

রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর (জাহাঙ্গীরনগর)

১৬১০ সালে ইসলাম খান চিশতী বাংলার মুঘল প্রাদেশিক রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সরকারি ব্যবহারে এর নাম জাহাঙ্গীরনগর করেন। এতে ভাটি অঞ্চলের প্রতিরোধ-ফ্রন্টের কাছাকাছি প্রশাসনিক ও সামরিক সমন্বয় সহজ হয়।

১৫৭৬ (১২ জুলাই)

রাজমহলের যুদ্ধ

১৫৭৬ সালের ১২ জুলাই রাজমহলের যুদ্ধে মুঘল বাহিনী দাউদ খান কররানিকে পরাজিত করে। এই বিজয়ের মাধ্যমে কররানি শাসনের পতন ঘটে, যা স্বাধীন বাংলা সালতানাতের শেষ পর্যায়ের অবসান হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বাংলাকে মুঘল সাম্রাজ্যিক প্রশাসনিক কাঠামোয় অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া দ্রুততর করে।

১২০৪-১২০৫

বখতিয়ার খলজির নদীয়া বিজয়

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজির নদীয়া দখল (সাধারণভাবে ১২০৪-১২০৫ হিসেবে ধরা হয়) বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বড় মোড়। সেন শাসনের রাজধানীকেন্দ্র ভেঙে পড়া এবং পরে গৌড়/লখনৌতিমুখী ক্ষমতা পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে বাংলায় নতুন তুর্কি-নেতৃত্বাধীন রাষ্ট্রগঠনের ধাপ শুরু হয়।

১৪১৪

বাংলায় রাজা গণেশের ক্ষমতা দখল

১৪১৪ সালে উত্তর বাংলার প্রভাবশালী হিন্দু জমিদার রাজা গণেশ দুর্বল রাজবংশীয় পরিস্থিতির সুযোগে বাংলা সালতানাতের কার্যকর রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করেন। এর মাধ্যমে হাউস অব গণেশ পর্বের সূচনা হয়, যা ইলিয়াস শাহি শাসনের ধারাবাহিকতায় সাময়িক বিরতি এনে দরবারি রাজনীতিকে নতুনভাবে বিন্যস্ত করে।

1873-1876

পাবনা কৃষক বিদ্রোহ

১৮৭৩ সাল থেকে পাবনার কৃষকেরা জমিদারি খাজনা-বৃদ্ধি ও নানা আদায়ের বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিরোধ ও আইনি আন্দোলন গড়ে তোলেন। সম্মিলিত সংগঠন, মামলা-মোকদ্দমা এবং বাড়তি খাজনা দিতে অস্বীকৃতি এই আন্দোলনকে ঔপনিবেশিক বাংলার প্রধান কৃষক আন্দোলনগুলোর একটিতে পরিণত করে।

১৮৮৫

বেঙ্গল টেন্যান্সি অ্যাক্ট

১৮৮৫ সালের বেঙ্গল টেন্যান্সি অ্যাক্ট স্থায়ী বন্দোবস্তের কাঠামোর অধীনে দীর্ঘ কৃষক-জমিদার সংঘাত ও আইনি অনিশ্চয়তার পর বাংলার জমিদার-প্রজা সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো বিধিবদ্ধ করে।

১৯৪৬

ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে ও গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং

১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট ক্যাবিনেট মিশনভিত্তিক সমঝোতা ভেঙে যাওয়ার পর পাকিস্তানের দাবিকে জোরদার করতে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে পালন করে। বাংলায়, যেখানে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার প্রধান ছিলেন, ক্যালকাটার হরতাল ও জনসমাবেশ দ্রুত বৃহৎ সাম্প্রদায়িক হত্যাযজ্ঞে পরিণত হয়। ক্যালকাটার এই সহিংসতার পর ১৯৪৬ সালের পরবর্তী সময়ে নোয়াখালি ও বিহারসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বড় আকারের সাম্প্রদায়িক সহিংসতা দেখা যায়, যা অন্তিম ঔপনিবেশিক ভারতে সহাবস্থানের সংকটকে তীব্র করে এবং দেশভাগের পথকে আরও কঠোর করে তোলে।

১৯৪৬

নোয়াখালি দাঙ্গা

১৯৪৬ সালের অক্টোবর মাসে পূর্ব বাংলার নোয়াখালি ও সংলগ্ন অঞ্চলে ব্যাপক সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং কিছু এলাকায় জবরদস্তিমূলক ধর্মান্তরের অভিযোগ দেখা যায়। ক্যালকাটার হত্যাযজ্ঞ-পরবর্তী উত্তেজনা ও উপমহাদেশজুড়ে প্রতিশোধমূলক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে নোয়াখালি ঘটনাবলি সাম্প্রদায়িক নিরাপত্তাহীনতাকে গভীর করে এবং অন্তিম ঔপনিবেশিক ভারতে সহাবস্থান ভেঙে পড়ছে—এই রাজনৈতিক যুক্তিকে শক্তিশালী করে।

২০০৬-২০০৮

তত্ত্বাবধায়ক সংকট ও জরুরি শাসন

২০০৬ সালের শেষভাগ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত বাংলাদেশ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থাকে ঘিরে তীব্র সংকট অতিক্রম করে। বিতর্কিত নির্বাচন-প্রস্তুতি, রাজপথের সংঘাত, ১১ জানুয়ারির জরুরি অবস্থা এবং দীর্ঘ অনির্বাচিত প্রশাসনের পর দেশ আবার নির্বাচনী রাজনীতিতে ফিরে আসে।

২০০৭-২০০৮

জরুরি আমলের তত্ত্বাবধায়ক শাসন

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির জরুরি ঘোষণার পর বাংলাদেশ দীর্ঘ তত্ত্বাবধায়ক শাসনপর্বে প্রবেশ করে, যা নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় সমর্থনে পরিচালিত হয়। দুর্নীতিবিরোধী অভিযান, রাজনৈতিক আটক এবং প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস একটি অনির্বাচিত কাঠামোর মধ্যে চলতে থাকে; পরে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারে প্রত্যাবর্তন ঘটে। সমসাময়িক বাংলাদেশের সবচেয়ে বিতর্কিত রূপান্তরগুলোর একটি হিসেবে এই সময়কাল এখনও আলোচিত।

২০১৪

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন

বাংলাদেশের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়, যখন নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার অধীনে হবে কি না তা নিয়ে কয়েক মাসের তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত চলছিল। প্রধান বিরোধী জোট ভোট বর্জন করে, বহু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি, এবং নির্বাচন-দিনসহ এর আগে-পরে প্রাণঘাতী সহিংসতা ঘটে; ফলে এই নির্বাচন ১৯৯০-পরবর্তী বাংলাদেশি রাজনীতির সবচেয়ে বিতর্কিত মোড়গুলোর একটিতে পরিণত হয়।

১৯৯৬

ত্রয়োদশ সংশোধন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার

১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ত্রয়োদশ সংশোধন গ্রহণ করে, যার মাধ্যমে সংসদীয় নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। বিরোধী দলের বয়কট, বিতর্কিত ফেব্রুয়ারি নির্বাচন, এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন প্রশাসনের দাবির প্রেক্ষাপটে নির্বাচনী বিশ্বাসযোগ্যতা এক সাংবিধানিক প্রশ্নে পরিণত হয়।

১৯৭৬-১৯৯৭

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিবাহিনী বিদ্রোহ

১৯৭৬ সালের শুরুর দিক থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্বায়ত্তশাসন, ভূমি ও রাজনৈতিক স্বীকৃতির দাবি ঘিরে রাষ্ট্রীয় বাহিনী এবং পিসিজেএসএসের সশস্ত্র শাখা শান্তিবাহিনীর মধ্যে সংঘাত তীব্র হয়। এই সংঘাতে দীর্ঘমেয়াদি অনিরাপত্তা ও বাস্তুচ্যুতি তৈরি হয়; পরে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১,৩০৩

সিলেট বিজয়

সিলেট বিজয় সাধারণত ১৩০৩ সালের কাছাকাছি সিলেট অঞ্চলে মুসলিম রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক নেটওয়ার্কের বিস্তারের সঙ্গে যুক্ত; পরবর্তী স্মৃতিতে শাহ জালাল কেন্দ্রীয়। ঘটনাটি ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, তবে কালানুক্রম ও সামরিক ঘটনার বিস্তারিত পরবর্তী ঐতিহ্য ও আঞ্চলিক ইতিহাসের ওপর নির্ভরশীল।

১৯৭২

রাষ্ট্রগঠন ও ১৯৭২-এর সংবিধান

১৯৭২ সালে বাংলাদেশ যুদ্ধজয়ের পর রাষ্ট্রগঠনের কঠিন পর্যায়ে প্রবেশ করে। জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফিরে এসে নতুন সরকারকে নেতৃত্ব দেন, এপ্রিলে গণপরিষদ কাজ শুরু করে, এবং ৪ নভেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়ে ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হয়। এই বছর মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে সংসদীয় সরকার, মৌলিক অধিকার, এবং জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার চার রাষ্ট্রীয় মূলনীতির মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।

১,৯৮৮

অষ্টম সংশোধনী ও রাষ্ট্রধর্ম

অষ্টম সংশোধনী ও রাষ্ট্রধর্ম বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১৯৩৫

গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট ১৯৩৫

গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট ১৯৩৫ দেরি-ঔপনিবেশিক ভারতে সবচেয়ে বড় সাংবিধানিক পুনর্গঠনের একটি, যেখানে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন সম্প্রসারণ এবং নির্বাচনী কাঠামো বিস্তৃত করা হয়। বাংলায় এই নতুন বিধান জোট-রাজনীতি, আইনসভা প্রতিযোগিতা এবং প্রতিনিধিত্বের রূপ পাল্টে দেয়; ১৯৩৭-এর প্রাদেশিক নির্বাচন ও পরবর্তী বিভাজন-পর্বের সাংবিধানিক সংঘাতের ভিত এখানেই তৈরি হয়।

১৯৫৬

পাকিস্তান সংবিধান ও পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব

১৯৫৬ সালে পাকিস্তান প্রথম প্রজাতান্ত্রিক সংবিধান প্রণয়ন করে এবং উপনিবেশিক আইনি কাঠামোর পরিবর্তে নতুন সংসদীয় ব্যবস্থা চালু হয়। তবে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য প্রতিনিধিত্ব, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন এবং দুই অংশের ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী বিরোধ পুরোপুরি মেটেনি।

১৯৬২

পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষা আন্দোলন

১৯৬২ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ছাত্রসমাজ শরীফ কমিশন-সংশ্লিষ্ট শিক্ষা নীতি ও সামরিক শাসনের বিস্তৃত নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে বড় আকারের আন্দোলন গড়ে তোলে। এই আন্দোলন ক্যাম্পাসভিত্তিক গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে নতুন গতি দেয় এবং শিক্ষাগত দাবি ও সাংবিধানিক অধিকারের প্রশ্নকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করে।

১৯৬৫

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ও পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তা-অনিশ্চয়তা

১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে প্রধান সামরিক সংঘর্ষ পশ্চিম ফ্রন্টে কেন্দ্রীভূত থাকলেও পূর্ব পাকিস্তান তুলনামূলকভাবে সীমিত প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি নিয়ে অনিরাপদ অবস্থায় ছিল। পূর্ব পাকিস্তানে এই বৈষম্য নিরাপত্তা, প্রতিনিধিত্ব ও পাকিস্তানের ক্ষমতার কাঠামো নিয়ে জনআতঙ্ক ও অসন্তোষ বাড়ায়।

১৮২৬-১৮৩১

ইয়ং বেঙ্গল ও ডিরোজিয়ান আন্দোলন

১৮২০-এর দশকের শেষ থেকে ১৮৩০-এর দশকের গোড়ায় হিন্দু কলেজে হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর প্রভাবে গড়ে ওঠা ছাত্রসমাজ ইয়ং বেঙ্গল নামে পরিচিত হয়। যুক্তি, প্রথা, শিক্ষা ও জনসমালোচনা নিয়ে তাদের বিতর্ক বাংলা নবজাগরণের প্রারম্ভিক পর্বকে চিহ্নিত করে।

১৭৬৪

বক্সারের যুদ্ধ

১৭৬৪ সালের বক্সারের যুদ্ধ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে মীর কাসিম, শুজাউদ্দৌলা ও শাহ আলম দ্বিতীয়ের সম্মিলিত শক্তির বিরুদ্ধে নির্ণায়ক সামরিক সুবিধা দেয়। পলাশী বাংলায় প্রভাবের দরজা খুলেছিল, কিন্তু বক্সার সেই প্রভাবকে বৃহত্তর আঞ্চলিক বলপ্রয়োগী ক্ষমতায় রূপ দেয়। এর ফল ১৭৬৫ সালের দেওয়ানি বন্দোবস্ত এবং গভীরতর ঔপনিবেশিক রাজস্ব-নিয়ন্ত্রণের পথ তৈরি করে।

১৭৬৫

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি অধিকার পায়

১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি, অর্থাৎ রাজস্ব আদায়ের অধিকার, লাভ করে। এই বন্দোবস্ত পলাশী-পরবর্তী প্রভাবকে আনুষ্ঠানিক আর্থিক ক্ষমতায় রূপ দেয়। মুঘল ও নবাবি প্রতিষ্ঠান আংশিক বহাল থাকলেও রাজস্ব আহরণ, প্রশাসনিক প্রভাব ও রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ক্রমে কোম্পানির দিকে সরে যায়।

১৭৬০-১৮০০

ফকির-সন্ন্যাসী প্রতিরোধ

ফকির-সন্ন্যাসী প্রতিরোধ ছিল বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে মুসলিম ফকির ও হিন্দু সন্ন্যাসীদের দীর্ঘস্থায়ী সশস্ত্র আন্দোলন। ১৭৬০ সালে শুরু হয়ে ১৭৬৩ সালে তা তীব্রতা পায়। আলমস-সংগ্রহে বিধিনিষেধ, রাজস্বচাপ, এবং কোম্পানি-শাসনের সামাজিক ভাঙন এই আন্দোলনের পেছনে কাজ করে। দুর্ভিক্ষের বছরগুলো ও অষ্টাদশ শতকের শেষভাগের দমনাভিযান পেরিয়ে এটি একাধিক পর্যায়ে চলতে থাকে এবং বাংলার প্রথম দিককার দীর্ঘমেয়াদি ঔপনিবেশিক প্রতিরোধগুলোর অন্যতম হয়ে ওঠে।

১৭৭০

মহা বাংলা দুর্ভিক্ষ

১৭৭০ সালের দুর্ভিক্ষ বাংলাকে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে ফেলেছিল। ফসলহানি, খাদ্যবাজারের বিকৃতি এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কঠোর রাজস্ব আদায় একত্রে পরিবেশগত সংকটকে সামাজিক ধসের দিকে ঠেলে দেয়। এই অধ্যায় দেখায়, ঔপনিবেশিক রাজনৈতিক অর্থনীতি কীভাবে দুর্বল জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

১৯৭৪

দুর্ভিক্ষ, জরুরি নিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রীয় সংকট

১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পরের সবচেয়ে গুরুতর সংকটগুলোর একটির মুখোমুখি হয়। বন্যা, খাদ্যবাজারের ব্যর্থতা, যুদ্ধোত্তর অর্থনৈতিক বিপর্যয়, মূল্যস্ফীতি এবং দুর্বল প্রশাসন মিলে 'চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ' তৈরি করে, যার সবচেয়ে ভয়াবহ অভিঘাত পড়ে গ্রামীণ বাংলায়। একই বছর স্পেশাল পাওয়ার্স অ্যাক্ট এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার আরও কঠোর প্রয়োগ দেখায় যে মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী আশার জায়গা ধীরে ধীরে ভয়, অভাব এবং দমনমূলক শাসনে রূপ নিচ্ছে।

১৮১৮

পূর্ব বাংলায় ফরায়েজি আন্দোলনের সূচনা

১৮১৮ সাল থেকে হাজী শরীয়তুল্লাহর ফরায়েজি আন্দোলন পূর্ব বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তৃত হতে শুরু করে। এটি একদিকে ছিল ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন, অন্যদিকে ঔপনিবেশিক ও জমিদারি কাঠামোর অধীনে কৃষক-সমাজের অসন্তোষের সঙ্গেও যুক্ত ছিল। আন্দোলনটি ইসলামের ফরজ পালনের ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি সংগঠিত গ্রামীণ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।

১৯৭০

ভোলা ঘূর্ণিঝড় ও ১৯৭০-এর নির্বাচন

১৯৭০ সালের শেষভাগে পূর্ব পাকিস্তান প্রথমে ১২ নভেম্বরের ভয়াবহ ভোলা ঘূর্ণিঝড়ে এবং তারপর ৭ ডিসেম্বরের সর্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারভিত্তিক পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে গভীরভাবে কেঁপে ওঠে। ঘূর্ণিঝড় প্রশাসনিক অবহেলা, ত্রাণ ব্যর্থতা ও আঞ্চলিক বৈষম্যের নির্মমতা উন্মোচন করে, আর নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমানের আওয়ামী লীগ বিপুল গণরায় পায়। পরিবেশগত বিপর্যয় ও অস্বীকৃত গণরায় - এই দুই মিলেই স্বায়ত্তশাসনের রাজনীতিকে মুক্তিযুদ্ধের পূর্বমুহূর্তে এক তাৎক্ষণিক সাংবিধানিক সংকটে রূপ দেয়।

১৯৭১

মুক্তিযুদ্ধ

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ জন্ম নেয় ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সংখ্যাগরিষ্ঠ রায় অস্বীকার, মার্চের অসহযোগ আন্দোলন, এবং ২৫ মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দমন অভিযানের প্রেক্ষাপটে। পরবর্তী অধ্যায়টি শুধু যুদ্ধক্ষেত্রের সংঘর্ষ নয়; এখানে ছিল অস্থায়ী সরকার, সেক্টরভিত্তিক সশস্ত্র প্রতিরোধ, ভারতে গণশরণার্থী প্রবাহ, এবং ডিসেম্বরের সামরিক পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্ম।

১৯৩০

চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন

১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল সূর্য সেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীরা চট্টগ্রামে ব্রিটিশ অস্ত্রাগার ও যোগাযোগব্যবস্থার ওপর সমন্বিত আক্রমণ পরিচালনা করে। সামরিকভাবে দীর্ঘস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হলেও এটি বঙ্গের ঔপনিবেশিক-বিরোধী সংগ্রামের অন্যতম প্রতীকী অধ্যায়ে পরিণত হয়।

১৯৬৪

পূর্ব পাকিস্তানে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা

১৯৬৪ সালে পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে নগরকেন্দ্রিক অঞ্চলে, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে; এতে প্রাণহানি, বাস্তুচ্যুতি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র অনিরাপত্তা তৈরি হয়। এই দাঙ্গা প্রশাসনিক দুর্বলতা উন্মোচন করে এবং নাগরিক নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের সমান সুরক্ষা দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে জনমনে গভীর প্রশ্ন তোলে।

১৯৭৬

ফারাক্কা লং মার্চ

১৯৭৬ সালের ১৬ মে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী রাজশাহী থেকে ফারাক্কা সীমান্তমুখী এক গণ-লং মার্চের নেতৃত্ব দেন। লক্ষ্য ছিল উজানে গঙ্গার পানি প্রত্যাহারের প্রতিবাদ এবং বাংলাদেশের ন্যায্য নদীপানি অধিকার দাবি। এই কর্মসূচি পদ্মা অববাহিকার পরিবেশগত উদ্বেগকে স্বাধীনতাউত্তর গণরাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করে।

১৯৮২

এরশাদের অভ্যুত্থান ও সামরিক শাসনের প্রত্যাবর্তন

১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন, প্রেসিডেন্ট আবদুস সাত্তারের নির্বাচিত সরকারকে অপসারণ করেন, সংবিধানের অংশবিশেষ স্থগিত করেন এবং সামরিক আইন জারি করেন। এই অভ্যুত্থান দেরি-সত্তরের অস্থিরতার পর গড়ে ওঠা ভঙ্গুর বেসামরিক পরীক্ষার ইতি টানে এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার কেন্দ্রে সামরিক বাহিনীকে আবার সরাসরি ফিরিয়ে আনে। এর পরের সময়টি শুধু শাসকবদল নয়; এটি ছিল নতুন এক কর্তৃত্ববাদী পর্বের সূচনা, যা প্রতিষ্ঠান, দলীয় রাজনীতি এবং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধের ভাষাকে নতুনভাবে গড়ে তোলে।

c. ৭০০-৭৫০

পাল উত্থানের আগে মৎস্যন্যায় পর্ব

পাল বংশের উত্থানের আগে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতা দেখা যায়, যাকে প্রায়ই মৎস্যন্যায় পর্ব বলা হয়; খণ্ডিত ক্ষমতা, স্থানীয় সংঘাত এবং দুর্বল কেন্দ্রীয় শাসন সামাজিক শৃঙ্খলাকে বিঘ্নিত করে।

c. ১০৯৫-১২০৫

সেন উত্থান ও লক্ষ্মণ সেনের দরবারি সংস্কৃতি

সেন যুগে রাজবংশীয় সম্প্রসারণ, উচ্চবর্ণকেন্দ্রিক দরবারি সংস্কৃতির সংহতি এবং বিশেষত লক্ষ্মণ সেনের সময়ে সংস্কৃত ও বাংলা সাহিত্য-বৌদ্ধিক চর্চার উল্লেখযোগ্য পৃষ্ঠপোষকতা দেখা যায়।

১৩৩৮-১৩৫২

ইলিয়াস শাহ-পূর্ব আঞ্চলিক বাংলা সুলতানাত

শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের একীকরণের আগে লখনৌতি, সোনারগাঁ ও সাতগাঁকে ঘিরে একাধিক আঞ্চলিক সুলতানি কেন্দ্র কার্যকর ছিল; এতে খণ্ডিত হলেও গতিশীল রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা তৈরি হয়।

১৪১৫-১৪৩৩

রাজা গণেশ-জালালউদ্দিন মুহাম্মদ শাহ রূপান্তর পর্ব

রাজা গণেশের ক্ষমতা দখলের পর জালালউদ্দিন মুহাম্মদ শাহে রূপান্তর বাংলায় রাজকীয় বৈধতা, ধর্মীয় সম্পর্ক এবং দরবারি শাসনের এক সমঝোতাভিত্তিক পুনর্গঠনকে নির্দেশ করে।

১৫১৯-১৫৩৩

নুসরাত শাহের শাসনকাল

নুসরাত শাহের শাসনে বাংলা দরবারি শাসন, কূটনীতি ও হুসাইন শাহী রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য আঞ্চলিক অবস্থান ধরে রাখে।

১৬৬৪-১৬৮৮

শায়েস্তা খানের বাংলার সুবাদারি

শায়েস্তা খানের দীর্ঘ সুবাদারি শাসনে সামরিক অভিযান, নগর-বাণিজ্যিক বিস্তার এবং মুঘল প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের দৃঢ়তা বৃদ্ধি পায়; চট্টগ্রাম প্রশ্নও এই পর্বে গুরুত্বপূর্ণ।

১৬৯০

কলকাতায় ইংরেজ বসতি স্থাপন

১৬৯০ সালে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কলকাতায় বসতি সুসংহত করে; এটি বাংলায় পরবর্তী ঔপনিবেশিক বিস্তারের প্রাতিষ্ঠানিক-বাণিজ্যিক ভিত্তি তৈরি করে।

১৭৫৬

সিরাজউদ্দৌলার কলকাতা দখল

১৭৫৬ সালে কোম্পানির দুর্গায়ন ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় সিরাজউদ্দৌলা কলকাতা দখল করেন; এতে উত্তেজনা বেড়ে অচিরেই পলাশীর দিকে পরিস্থিতি গড়ায়।

১৮৫৯-১৮৬০

নীল বিদ্রোহ

নীল বিদ্রোহে বাংলার কৃষকরা শোষণমূলক নীলকর ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগঠিত হন; স্থানীয় প্রতিরোধ, আইনি লড়াই ও জনআলোচনা একসঙ্গে ঔপনিবেশিক সমাজে বড় প্রশ্ন তোলে।

১৯২১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা

১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা পূর্ব বাংলায় এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ও বৌদ্ধিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে, যা পরবর্তীতে রাজনৈতিক সংগঠন, ভাষা-আন্দোলন ও জননেতৃত্ব গঠনে গভীর প্রভাব ফেলে।

১৯২৩

বেঙ্গল প্যাক্ট

বেঙ্গল প্যাক্ট সাম্প্রদায়িক প্রতিনিধিত্ব ও রাজনৈতিক সহযোগিতার এক সমঝোতাভিত্তিক কাঠামো প্রস্তাব করে; ঔপনিবেশিক বাংলায় আন্তঃসম্প্রদায়িক ক্ষমতা-ভাগাভাগির সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা—দুটিই এতে ফুটে ওঠে।

১৯৪৭

যুক্ত বাংলা প্রস্তাব

১৯৪৭ সালে কিছু রাজনৈতিক নেতা বাংলাকে অবিভক্ত রাজনৈতিক সত্তা হিসেবে রাখার জন্য যুক্ত বাংলা প্রস্তাব উত্থাপন করেন; কিন্তু সর্বভারতীয় বিভাজন আলোচনার চাপ ও সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের মধ্যে পরিকল্পনাটি ব্যর্থ হয়।

৭ মার্চ ১৯৭১

৭ মার্চের ভাষণ

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ রাজনৈতিক প্রতিরোধকে ঐক্যবদ্ধ করে, অসহযোগকে সমন্বিত করে এবং জনসমাজকে সিদ্ধান্তমূলক সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুত করে।

এপ্রিল ১৯৭১

মুজিবনগর সরকার

১৯৭১ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতারা মুজিবনগর অস্থায়ী সরকার গঠন করেন, যা যুদ্ধকালীন রাষ্ট্রগঠনের সাংবিধানিক ও কূটনৈতিক কাঠামো নিশ্চিত করে।

৩ নভেম্বর ১৯৭৫

জেল হত্যা

১৯৭৫-পরবর্তী শাসন-সংকটের মধ্যে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে বাংলাদেশের চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়; এতে প্রাতিষ্ঠানিক ভাঙন ও রাজনৈতিক আতঙ্ক আরও তীব্র হয়।

১৯৯১

সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন

১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের পর নির্বাচন ও সাংবিধানিক সংশোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ১৯৯১ সালে সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় প্রত্যাবর্তন করে; এতে নির্বাহী-আইনসভার ভারসাম্য নতুনভাবে নির্ধারিত হয়।

প্রাচীন বদ্বীপ রাষ্ট্রসমূহ (গঙ্গারিডাই প্রেক্ষিত)

প্রাচীন বদ্বীপ রাষ্ট্রসমূহ (গঙ্গারিডাই প্রেক্ষিত) বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

1230s

দিল্লি শাসনাধীনে বাংলা ও খণ্ডীকরণ

দিল্লি শাসনাধীনে বাংলা ও খণ্ডীকরণ বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৬৫৮

ঔরঙ্গজেব আমলে বাংলায় রাজস্ব ও সামরিক চাপ

ঔরঙ্গজেব আমলে বাংলায় রাজস্ব ও সামরিক চাপ বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৭২৭

শুজাউদ্দীন আমলের প্রশাসনিক পর্যায়

শুজাউদ্দীন আমলের প্রশাসনিক পর্যায় বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৭৮১

রংপুর ধিং বিদ্রোহ

রংপুর ধিং বিদ্রোহ বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৮২৮

ব্রাহ্ম সমাজ ও বাংলার সামাজিক সংস্কার

১৮২৮ সালে কলকাতায় রাজা রামমোহন রায় ও তাঁর সহযোগীরা ব্রাহ্ম সভা/ব্রাহ্ম সমাজ গড়ে তোলেন। এটি উনিশ শতকের বাংলায় ধর্মীয় সংস্কার, একেশ্বরবাদী উপাসনা, সামাজিক সমালোচনা ও আধুনিক শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিসর হয়ে ওঠে।

১,৮৩৫

ম্যাকলে শিক্ষা নীতির বাংলায় প্রভাব

ম্যাকলে শিক্ষা নীতির বাংলায় প্রভাব বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৮৬১

ইন্ডিয়ান কাউন্সিলস অ্যাক্ট ও বাংলায় সীমিত প্রতিনিধিত্ব

ইন্ডিয়ান কাউন্সিলস অ্যাক্ট ও বাংলায় সীমিত প্রতিনিধিত্ব বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৮৭৬

ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ও কলকাতা রাজনৈতিক সংগঠন

ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ও কলকাতা রাজনৈতিক সংগঠন বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৮৮৫

ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস গঠন ও বাংলার প্রতিক্রিয়া

ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস গঠন ও বাংলার প্রতিক্রিয়া বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৯০৯

মিন্টো-মরলে সংস্কার ও বাংলায় পৃথক নির্বাচকমণ্ডলী

মিন্টো-মরলে সংস্কার ও বাংলায় পৃথক নির্বাচকমণ্ডলী বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৯১৬

লখনৌ চুক্তি ও বাংলার প্রভাব

লখনৌ চুক্তি ও বাংলার প্রভাব বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৯৪২

কুইট ইন্ডিয়া পর্যায় ও বাংলার যুদ্ধকালীন শাসন

কুইট ইন্ডিয়া পর্যায় ও বাংলার যুদ্ধকালীন শাসন বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৯৬৩

হজরতবল সংকট ও পূর্ব পাকিস্তানে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা

হজরতবল সংকট ও পূর্ব পাকিস্তানে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৯৬৭

নকশালবাড়ি বিদ্রোহ ও বাংলায় বামপন্থী র‌্যাডিকালাইজেশন

নকশালবাড়ি বিদ্রোহ ও বাংলায় বামপন্থী র‌্যাডিকালাইজেশন বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৯৯৬

গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি

গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

২,০১২

রামু সাম্প্রদায়িক সহিংসতা

রামু সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

২,০১৬

হলি আর্টিজান হামলা

হলি আর্টিজান হামলা বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৬৩২

হুগলির পর্তুগিজ ঘাঁটিতে মুঘল আক্রমণ

শাহজাহান আমলে হুগলির পর্তুগিজ ঘাঁটিতে মুঘল আক্রমণ ও নিয়ন্ত্রণ পুনর্গঠন।

১৭৫৭

পলাশীর যুদ্ধ

১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধ বাংলার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বদলে দেয়। স্বল্পস্থায়ী সামরিক সংঘর্ষটি দরবারি ষড়যন্ত্র, সামরিক পক্ষত্যাগ, এবং আর্থিক জোটের মধ্য দিয়ে সিরাজউদ্দৌলার অবস্থান ভেঙে দেয় এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্ষমতা মজবুত করে। এর পরিণতিতে শাসন, রাজস্ব আহরণ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে গভীর পরিবর্তন আসে।

১৯৩৭

বঙ্গীয় প্রাদেশিক নির্বাচন ও জোট মন্ত্রিসভা

১৯৩৫ সালের সাংবিধানিক কাঠামোর অধীনে অনুষ্ঠিত ১৯৩৭ সালের বঙ্গীয় প্রাদেশিক নির্বাচনে খণ্ডিত ফলাফল আসে, যা জোটভিত্তিক দরকষাকষিকে অপরিহার্য করে তোলে। একক দলীয় আধিপত্যের বদলে এ. কে. ফজলুল হকের মন্ত্রিসভা আন্তদলীয় সমঝোতার মাধ্যমে গঠিত হয়। এই পর্ব প্রতিনিধিত্বমূলক রাজনীতির ভেতরে শ্রেণি, সাম্প্রদায়িক ও আঞ্চলিক টানাপোড়েনকে সামনে আনে এবং ১৯৪০-এর দশকের বিভাজন-রাজনীতির সাংবিধানিক পথকে প্রভাবিত করে।

১৯৪০

লাহোর প্রস্তাব

১৯৪০ সালের মার্চে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং বাংলার এ. কে. ফজলুল হক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। প্রস্তাবের ভাষায় বলা হয় যে ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকাগুলোকে 'স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহে' বিন্যস্ত করতে হবে, যেখানে গঠনতান্ত্রিক এককগুলো হবে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম। 'পাকিস্তান' শব্দটি না থাকলেও এটি সাংবিধানিক রাজনীতির এক বড় মোড় তৈরি করে।

১৯৪৭

দেশভাগ ও পূর্ববঙ্গ

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত ভারত ও পাকিস্তানে বিভক্ত হয়, আর বাংলা ভাগ হয়ে পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ববঙ্গে পরিণত হয়। কিন্তু এই অধ্যায় শুধু সাংবিধানিক বিভাজনের নয়; বিলম্বিত র‍্যাডক্লিফ সীমারেখা, সংখ্যালঘু অনিরাপত্তা, উদ্বাস্তু স্রোত, এবং প্রশাসনিক ভাঙন বাংলার দৈনন্দিন জীবনকে আমূল বদলে দেয় এবং পূর্ববঙ্গে ভাষা, স্বায়ত্তশাসন ও রাষ্ট্রীয় বৈধতার পরবর্তী সংকটের ভিত্তি তৈরি করে।

১৯৪৮

রাষ্ট্রভাষা প্রশ্নের রাজনৈতিক উত্থান

১৯৪৮ সালে পূর্ববঙ্গে রাষ্ট্রভাষা প্রশ্নটি কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়, যখন উর্দুকে এককভাবে প্রাধান্য দেওয়ার বিরুদ্ধে ছাত্র ও বুদ্ধিজীবী মহলে প্রতিবাদ গড়ে ওঠে। এই সময়ের ধর্মঘট, স্মারকলিপি ও রাজপথের আন্দোলন ১৯৫২-এর শহীদ-নির্ভর পর্বের ভিত্তি তৈরি করে।

১৬৬৬ (২৭ জানুয়ারি)

চট্টগ্রামে মুঘল বিজয়

১৬৬৬ সালে স্থল-নৌ সমন্বিত অভিযানে বাংলার মুঘল প্রশাসনের অধীনে বাহিনী চট্টগ্রাম দখল করে আরাকানি নিয়ন্ত্রণের অবসান ঘটায়। এর মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর-সীমান্ত মুঘল বাংলায় যুক্ত হয়।

১৭১৭

মুর্শিদ কুলি খানের আনুষ্ঠানিক নবাবি নিয়োগ

১৭১৭ সালে মুর্শিদ কুলি খান বাংলার সুবাহদার/নবাব হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ পান, যা নবাবি শাসনব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা নির্দেশ করে। এতে মুঘল আধিপত্যের আনুষ্ঠানিক কাঠামো বজায় থাকলেও প্রাদেশিক অর্থ-রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন স্পষ্টভাবে বৃদ্ধি পায়।

১৯০৫

বঙ্গভঙ্গ

১৯০৫ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বাংলা প্রদেশকে বিভক্ত করে ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ গঠন করে। সরকারি ব্যাখ্যায় এটি ছিল প্রশাসনিক সংস্কার, কিন্তু বহু সমালোচকের কাছে এটি ছিল বাঙালির রাজনৈতিক প্রভাব দুর্বল করার বিভাজননীতি। এই সিদ্ধান্ত বয়কট, স্বদেশী আন্দোলন, নতুন সাংস্কৃতিক প্রতিবাদরূপ, এবং হিন্দু ও মুসলিম রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার ভিন্নতর বিন্যাসকে সামনে আনে।

১৯০৬

ঢাকায় অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা

১৯০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে ঢাকায় মুহাম্মদান এডুকেশনাল কনফারেন্সের প্রেক্ষাপটে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সংগঠন ব্রিটিশ ভারতের সাংবিধানিক রাজনীতিতে মুসলিম প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নকে একটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে রূপ দেয় এবং পরবর্তী দেশভাগ-পর্বের আলোচনায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেয়।

১৯১১

বাংলা বিভাজন রদ

১৯১১ সালে ব্রিটিশ সরকার ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ সিদ্ধান্ত বাতিল করে বাংলা পুনরায় একীভূত প্রদেশে রূপ দেয়। ধারাবাহিক প্রতিবাদ, বয়কট ও রাজনৈতিক সংগঠনের চাপে এই সিদ্ধান্ত আসে; একই সাথে ক্যালকাটা থেকে দিল্লিতে রাজধানী স্থানান্তরের মাধ্যমে ঔপনিবেশিক প্রশাসন নতুন কৌশলগত বিন্যাসও তৈরি করে।

১৯৪৬-১৯৪৭

তেভাগা আন্দোলন

তেভাগা আন্দোলন (১৯৪৬-১৯৪৭) ছিল বাংলার একটি বৃহৎ বর্গাচাষি আন্দোলন, যেখানে বর্গাদাররা দাবি তোলে যে উৎপাদিত ফসলের দুই-তৃতীয়াংশ চাষির হাতে থাকবে, প্রচলিত অর্ধেক ভাগ নয়। বামপন্থী অংশগ্রহণসহ কৃষক সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে আন্দোলনটি একাধিক জেলায় ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্তিম ঔপনিবেশিক বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃষি-সংঘাতে রূপ নেয়।

১৭৯৩

বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত

১৭৯৩ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করে। ভূমি-রাজস্ব স্থায়ীভাবে নির্ধারণ করা হয় এবং জমিদার ও তালুকদারদের ঔপনিবেশিক আইনে বংশানুক্রমিক ভূস্বামী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কোম্পানির লক্ষ্য ছিল রাজস্ব আয়কে নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় ভূমিমালিক শ্রেণিকে নিজের শাসনের সঙ্গে যুক্ত করা, কিন্তু এর ফলে কৃষিজ অসমতা বাড়ে এবং চাষিদের প্রথাগত অধিকার আরও দুর্বল হয়।

১,৯৭৪

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১৮৩১

তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা বিদ্রোহ

১৮৩১ সালে সৈয়দ মীর নিসার আলি (তিতুমীর) বাংলায় এমন এক সশস্ত্র বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন, যেখানে ধর্মীয় সংস্কারধারা, জমিদারি নিপীড়নবিরোধী ক্ষোভ এবং ঔপনিবেশিক শাসনবিরোধিতা একত্রিত হয়। নারকেলবেড়িয়ার বাঁশের কেল্লাকে কেন্দ্র করে এই বিদ্রোহের পরিণতিতে কোম্পানি বাহিনী আন্দোলনটি দমন করে।

মার্চ-এপ্রিল ১৯৭১

স্বাধীনতার ঘোষণা ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র

১৯৭১ সালের মার্চের শেষভাগ থেকে এপ্রিলের মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রাম গণপ্রতিরোধের পর্যায় থেকে স্পষ্ট রাষ্ট্রদাবির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। ২৫ মার্চের দমন অভিযানের পর শেখ মুজিবুর রহমানের নামে প্রচারিত স্বাধীনতার ঘোষণা এবং পরে অস্থায়ী নেতৃত্বের গৃহীত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র যুদ্ধকে সাংবিধানিক ভাষা, রাজনৈতিক বৈধতা এবং সংগঠিত কেন্দ্র দেয়।

১,৯৭১

১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ দলিল

১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ দলিল বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৯৭১

কামালপুরের যুদ্ধ

কামালপুরের যুদ্ধে সীমান্তের কাছে পাকিস্তানি সুরক্ষিত অবস্থানের বিরুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর ধারাবাহিক আক্রমণ হয়। এটি মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা ও প্রচলিত সামরিক চাপের প্রতীকে পরিণত হয়।

1971 (August 15)

অপারেশন জ্যাকপট

১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি নৌ-কমান্ডোরা চট্টগ্রাম, মোংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ গুরুত্বপূর্ণ নদী ও সমুদ্র বন্দরে একযোগে নাশকতা অভিযান চালান। এই অভিযান পাকিস্তানি নৌযোগাযোগ ব্যাহত করে এবং যুদ্ধের এক স্মরণীয় নৌ অধ্যায়ে পরিণত হয়।

1971 (November)

গরীবপুরের যুদ্ধ

১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে গরীবপুরের যুদ্ধ যশোর ফ্রন্টে বৃহত্তর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনার আগে সংঘটিত হয়। এটি পাকিস্তানি অবস্থান দুর্বল করে এবং দক্ষিণ-পশ্চিম অভিযানের গতিপথ প্রভাবিত করে।

1971 (November-December)

হিলির যুদ্ধ

হিলির যুদ্ধ ১৯৭১ সালের উত্তর ফ্রন্টে দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল সংঘর্ষ ছিল। এটি পাকিস্তানি প্রতিরক্ষা আটকে রাখে এবং পূর্বাঞ্চলীয় অভিযানের অন্যতম স্মরণীয় যুদ্ধক্ষেত্র অধ্যায় হয়ে ওঠে।

1971 (December 11)

টাঙ্গাইল এয়ারড্রপ

১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল এয়ারড্রপে ভারতীয় প্যারাট্রুপাররা ঢাকার উত্তরে পশ্চাদপসরণ ও যোগাযোগের পথ কাটতে টাঙ্গাইলের কাছে অবতরণ করেন। অভিযানটি রাজধানীর দিকে চূড়ান্ত অগ্রযাত্রা দ্রুত করে।

1971 (December)

সিলেটের যুদ্ধ

১৯৭১ সালের যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে সিলেটের যুদ্ধ ঘটে, যখন ভারতীয় ও মুক্তিবাহিনী-সংযুক্ত অভিযান উত্তর-পূর্বে পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করে। যুদ্ধটি আত্মসমর্পণের আগে সিলেট অঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করতে সাহায্য করে।

1971 (December)

যশোরের যুদ্ধ

১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে যশোরের যুদ্ধ দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংঘর্ষ ছিল। যশোর অঞ্চলে পাকিস্তানি অবস্থানের পতন খুলনা ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ রুটের পথ খুলে দেয়।

1971 (March-April)

কুষ্টিয়ার যুদ্ধ

কুষ্টিয়ার যুদ্ধ অপারেশন সার্চলাইটের পর প্রাথমিক সশস্ত্র প্রতিরোধের একটি অধ্যায়। স্থানীয় বাঙালি বাহিনী ও সাধারণ মানুষ দীর্ঘ সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধের আগে পাকিস্তানি নিয়ন্ত্রণকে চ্যালেঞ্জ করে।

১,৯৭১

আখাউড়া ফ্রন্ট ও দরুইনের যুদ্ধ

দরুইনসহ আখাউড়া ফ্রন্ট ১৯৭১ সালের পূর্ব সেক্টর অভিযানের অংশ ছিল। এসব সংঘর্ষ ত্রিপুরা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকার দিকের রুটে পাকিস্তানি প্রতিরক্ষার ওপর চাপ তৈরি করে।

১,৯৭১

বেলোনিয়ার যুদ্ধ

বেলোনিয়ার যুদ্ধ ত্রিপুরা সীমান্তের কাছে একটি কৌশলগত স্যালিয়েন্ট ঘিরে সংঘটিত হয়। এটি দেখায় কীভাবে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় অভিযান সীমান্ত ভূগোল ব্যবহার করে পাকিস্তানি অবস্থানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

১,৯৭১

মুক্তিযুদ্ধে নদীপথের অভিযান

১৯৭১ সালের যুদ্ধে নদীপথ চলাচল, সরবরাহ, নাশকতা ও দমন অভিযানের কেন্দ্রে ছিল। নৌ-কমান্ডো আক্রমণ ও স্থানীয় অভিযান বন্দর, শহর ও সামরিক সরবরাহ সংযোগকারী নৌপথকে লক্ষ্য করে।

1971 (May 20)

চুকনগর গণহত্যা

১৯৭১ সালের ২০ মে চুকনগর গণহত্যা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বড় বেসামরিক গণহত্যা। দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার সময় শরণার্থী ও স্থানীয় মানুষ লক্ষ্যবস্তু হন।

1971 (April 2)

জিঞ্জিরা গণহত্যা

১৯৭১ সালের এপ্রিলের শুরুতে ঢাকার কাছে জিঞ্জিরা গণহত্যা ঘটে, যখন বহু মানুষ দমন অভিযান থেকে নিরাপত্তার খোঁজে নদী পেরিয়ে যায়। এটি রাজধানীর আশপাশে যুদ্ধকালীন বেসামরিক সহিংসতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

১,৯৭১

পুরান ঢাকার হত্যাকাণ্ড

১৯৭১ সালের দমন অভিযান ও যুদ্ধে পুরান ঢাকায় লক্ষ্যভিত্তিক হত্যা ও গণসহিংসতা ঘটে। এই ঘটনা যুক্ত করলে সংঘর্ষের সামরিক ইতিহাসের মধ্যে শহুরে বেসামরিক ভোগান্তি প্রতিনিধিত্ব পায়।