Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

১৯৪৯ — আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা

১৯৪৯-এ বিরোধী দলীয় রাজনীতির প্রাতিষ্ঠানিক ভিত তৈরি হয়।

১৯৪৯ সালে ঢাকায় আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পূর্ব পাকিস্তান১৯৫৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের পূর্বাংশ, যা মোটামুটি বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সঙ্গে মিলে যায়।ের রাজনীতিতে একটি সংগঠিত বিরোধী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। পরবর্তীতে দলটি আওয়ামী লীগে রূপান্তরিত হয়ে স্বায়ত্তশাসনবৃহত্তর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে নিজস্ব বিষয় পরিচালনার রাজনৈতিক সক্ষমতা।-সংগ্রাম ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার রাজনৈতিক ধারায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

পূর্ব পাকিস্তানে সংগঠিত বিরোধী রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের উত্থান।

গুরুত্ব: প্রধানপাকিস্তান পর্ব ও জাতীয় জাগরণধারা: ভাষা, স্বায়ত্তশাসন ও মুক্তিস্থান: বাংলা অঞ্চল

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

১৯৪৯ সালে ঢাকায় আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পূর্ব পাকিস্তান১৯৫৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের পূর্বাংশ, যা মোটামুটি বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সঙ্গে মিলে যায়।ের রাজনীতিতে একটি সংগঠিত বিরোধী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। পরবর্তীতে দলটি আওয়ামী লীগে রূপান্তরিত হয়ে স্বায়ত্তশাসনবৃহত্তর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে নিজস্ব বিষয় পরিচালনার রাজনৈতিক সক্ষমতা।-সংগ্রাম ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার রাজনৈতিক ধারায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ঐতিহাসিক সম্পর্ক

দীর্ঘমেয়াদি উত্তরাধিকার

১৯৬৬

ছয়-দফা কর্মসূচি ঘোষণা

১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ছয়-দফা কর্মসূচি উপস্থাপন করেন, যা পাকিস্তানের কাঠামোর ভেতরে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের সুস্পষ্ট সাংবিধানিক দাবি হিসেবে সামনে আসে। প্রতিনিধিত্ব, আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং ফেডারেল পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করে এই কর্মসূচি দ্রুত বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়।

১৯৭১

মুক্তিযুদ্ধ

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিরোধ। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জনগণের রায় অস্বীকার এবং ২৫ মার্চের সামরিক অভিযানের পর এই সংগ্রাম সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে রূপ নেয়, যার মাধ্যমে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ।

টাইমলাইন

মূল ব্যক্তিত্ব

আবদুল হামিদ খান ভাসানী

নেতৃত্বব্যক্তি

গণরাজনৈতিক সংগঠক

দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গে তিনি জনঅসন্তোষকে বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করা অন্যতম বড় গণসংগঠকে পরিণত হন।

১৯৪০-এর শেষভাগ ও ১৯৫০-এর শুরুর দিকের পূর্ববঙ্গ।

তার নেতৃত্ব আঞ্চলিক বঞ্চনাকে সংগঠিত গণআন্দোলনের ভাষা দেয় এবং কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে।

১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী

নেতৃত্বব্যক্তি

অখণ্ড বাংলার মুখ্যমন্ত্রী

অখণ্ড বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশভাগ-পূর্ব সংকটময় রাজনীতির কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং যুক্ত বাংলা প্রস্তাবের প্রধান সমর্থকদের একজন ছিলেন।

কলকাতা ও বাংলা, ১৯৪৬-১৯৪৭।

বাংলা যুক্ত থাকবে, ভাগ হবে, নাকি স্বাধীন পথ নেবে—এই বিতর্কের গতিপথ নির্ধারণে তিনি বড় ভূমিকা রাখেন।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত

শামসুল হক

সমন্বয়কব্যক্তি

ভাষা-দাবির প্রাথমিক কমিটির আহ্বায়ক

বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে গঠিত প্রাথমিক কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে তিনি ১৯৪৮-পরবর্তী পর্যায়ে আন্দোলনকে সংগঠিত রাখেন।

পূর্ববঙ্গে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠনিক পর্যায়।

তার ভূমিকা প্রথম দিকের প্রতিবাদ থেকে ১৯৫২-এর চূড়ান্ত পর্যায়ের মধ্যে ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

সংগঠনদল

রাজনৈতিক সংগঠন

এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।

১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।

তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।

১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

আওয়ামী লীগ

এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

গৌণ

পূর্ব পাকিস্তান ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা-প্রেক্ষিত, বিকাশ ও ভূমিকায় ব্রিটানিকার সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ।

প্রশ্নোত্তর

FAQ

১৯৪৯ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এই বছর প্রতিষ্ঠিত দলটি পরবর্তীতে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার রাজনীতিতে কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেয়।

FAQ

১৯৪৯ কীভাবে ভাষা রাজনীতির সাথে যুক্ত?

দলীয় সংগঠন ভাষার দাবিকে বৃহত্তর সাংবিধানিক আন্দোলনের সাথে যুক্ত করে।

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

১৯৪৯ সালে ঢাকায় আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পূর্ব পাকিস্তান১৯৫৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের পূর্বাংশ, যা মোটামুটি বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সঙ্গে মিলে যায়।ের রাজনীতিতে একটি সংগঠিত বিরোধী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। পরবর্তীতে দলটি আওয়ামী লীগে রূপান্তরিত হয়ে স্বায়ত্তশাসনবৃহত্তর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে নিজস্ব বিষয় পরিচালনার রাজনৈতিক সক্ষমতা।-সংগ্রাম ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার রাজনৈতিক ধারায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

১৯৪৯ সালের এই প্রতিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ভাষা-আন্দোলন, আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ। ও গণতান্ত্রিক দাবিকে দীর্ঘমেয়াদি দলীয় কাঠামোয় যুক্ত করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

১৯৪৯ সালের এই প্রতিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ভাষা-আন্দোলন, আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ। ও গণতান্ত্রিক দাবিকে দীর্ঘমেয়াদি দলীয় কাঠামোয় যুক্ত করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

১৯৪৯ সালের এই প্রতিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ভাষা-আন্দোলন, আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ। ও গণতান্ত্রিক দাবিকে দীর্ঘমেয়াদি দলীয় কাঠামোয় যুক্ত করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

১৯৪৯ সালের এই প্রতিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ভাষা-আন্দোলন, আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ। ও গণতান্ত্রিক দাবিকে দীর্ঘমেয়াদি দলীয় কাঠামোয় যুক্ত করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

দীর্ঘমেয়াদি উত্তরাধিকার

১৯৪৯ সালের এই প্রতিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ভাষা-আন্দোলন, আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ। ও গণতান্ত্রিক দাবিকে দীর্ঘমেয়াদি দলীয় কাঠামোয় যুক্ত করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

পরিচয় ও স্মৃতি নোট

১৯৪৯ সালের এই প্রতিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ভাষা-আন্দোলন, আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ। ও গণতান্ত্রিক দাবিকে দীর্ঘমেয়াদি দলীয় কাঠামোয় যুক্ত করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি