Historical Memory Journey

Encyclopaedia Britannica

স্রষ্টা/অবদানকারী

এই নামের সাথে যুক্ত সব রিসোর্স একসাথে দেখুন।

সম্পর্কিত ইভেন্ট

4

১৭৬৪

বক্সারের যুদ্ধ

১৭৬৪ সালের বক্সারের যুদ্ধ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে মীর কাসিম, শুজাউদ্দৌলা ও শাহ আলম দ্বিতীয়ের সম্মিলিত শক্তির বিরুদ্ধে নির্ণায়ক সামরিক সুবিধা দেয়। পলাশী বাংলায় প্রভাবের দরজা খুলেছিল, কিন্তু বক্সার সেই প্রভাবকে বৃহত্তর আঞ্চলিক বলপ্রয়োগী ক্ষমতায় রূপ দেয়। এর ফল ১৭৬৫ সালের দেওয়ানি বন্দোবস্ত এবং গভীরতর ঔপনিবেশিক রাজস্ব-নিয়ন্ত্রণের পথ তৈরি করে।

১৯৩৫

গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট ১৯৩৫

গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট ১৯৩৫ দেরি-ঔপনিবেশিক ভারতে সবচেয়ে বড় সাংবিধানিক পুনর্গঠনের একটি, যেখানে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন সম্প্রসারণ এবং নির্বাচনী কাঠামো বিস্তৃত করা হয়। বাংলায় এই নতুন বিধান জোট-রাজনীতি, আইনসভা প্রতিযোগিতা এবং প্রতিনিধিত্বের রূপ পাল্টে দেয়; ১৯৩৭-এর প্রাদেশিক নির্বাচন ও পরবর্তী বিভাজন-পর্বের সাংবিধানিক সংঘাতের ভিত এখানেই তৈরি হয়।

১৯৩৭

বঙ্গীয় প্রাদেশিক নির্বাচন ও জোট মন্ত্রিসভা

১৯৩৫ সালের সাংবিধানিক কাঠামোর অধীনে অনুষ্ঠিত ১৯৩৭ সালের বঙ্গীয় প্রাদেশিক নির্বাচনে খণ্ডিত ফলাফল আসে, যা জোটভিত্তিক দরকষাকষিকে অপরিহার্য করে তোলে। একক দলীয় আধিপত্যের বদলে এ. কে. ফজলুল হকের মন্ত্রিসভা আন্তদলীয় সমঝোতার মাধ্যমে গঠিত হয়। এই পর্ব প্রতিনিধিত্বমূলক রাজনীতির ভেতরে শ্রেণি, সাম্প্রদায়িক ও আঞ্চলিক টানাপোড়েনকে সামনে আনে এবং ১৯৪০-এর দশকের বিভাজন-রাজনীতির সাংবিধানিক পথকে প্রভাবিত করে।

১৭৭০

মহা বাংলা দুর্ভিক্ষ

১৭৭০ সালের দুর্ভিক্ষ বাংলাকে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে ফেলেছিল। ফসলহানি, খাদ্যবাজারের বিকৃতি এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কঠোর রাজস্ব আদায় একত্রে পরিবেশগত সংকটকে সামাজিক ধসের দিকে ঠেলে দেয়। এই অধ্যায় দেখায়, ঔপনিবেশিক রাজনৈতিক অর্থনীতি কীভাবে দুর্বল জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।