Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

স্রষ্টা/অবদানকারী

এই নামের সাথে যুক্ত সব রিসোর্স একসাথে দেখুন।

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

রিসোর্সসমূহ

১১

আওয়ামী লীগ

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

পূর্ব পাকিস্তান ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা-প্রেক্ষিত, বিকাশ ও ভূমিকায় ব্রিটানিকার সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ।

বাংলাদেশের ১৯৭৪-এর দুর্ভিক্ষ

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ এবং নীতিগত ব্যর্থতা কীভাবে তার ভয়াবহতা বাড়ায়, তার একটি সংক্ষিপ্ত ঐতিহাসিক সারাংশ।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

মুজিবের প্রত্যাবর্তন এবং প্রাথমিক সাংবিধানিক রাষ্ট্রগঠনের একটি সংক্ষিপ্ত ঐতিহাসিক সারাংশ।

ভোলা ঘূর্ণিঝড়

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১২ নভেম্বর ১৯৭০-এর ঘূর্ণিঝড়, প্রাণহানি, এবং পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিতে তার প্রভাবের একটি সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ।

ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৬ আগস্ট ১৯৪৬-এর কর্মসূচি, ক্যালকাটার দাঙ্গা এবং দেশভাগ-পূর্ব রাজনীতিতে এর গুরুত্বের একটি সংক্ষিপ্ত সারাংশ।

লাহোর প্রস্তাব

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব, বাংলার ভূমিকা, এবং পরে গড়ে ওঠা সাংবিধানিক বিতর্কের সংক্ষিপ্ত রেফারেন্স।

মওলানা আবুল কালাম আজাদ

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

মওলানা আবুল কালাম আজাদ সম্পর্কে ব্রিটানিকা প্রোফাইল; উপনিবেশবিরোধী জাতীয়তাবাদ, শিক্ষা নীতি এবং দেশভাগ বিতর্ক বোঝার জন্য উপযোগী।

মুহাম্মদ ইকবাল

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

মুহাম্মদ ইকবাল এবং আধুনিক মুসলিম বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিক চিন্তায় তার ভূমিকা নিয়ে ব্রিটানিকা প্রোফাইল।

বঙ্গভঙ্গ

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ, সরকারি যুক্তি এবং পরবর্তী রদের একটি সংক্ষিপ্ত ঐতিহাসিক বিবরণ।

স্বদেশী আন্দোলন

reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference

বঙ্গভঙ্গবিরোধী বয়কট ও জাতীয়তাবাদী সংগঠনের আন্তর্জাতিক পাঠকের জন্য একটি সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ।

সাইয়্যেদ আহমদ খান

reference-sources · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

সৈয়দ আহমদ খান সম্পর্কে ব্রিটানিকা প্রোফাইল; মুসলিম আধুনিকতা, শিক্ষা সংস্কার এবং ঔপনিবেশিক যুগের রাজনৈতিক চেতনা বোঝার জন্য উপযোগী।

সম্পর্কিত ইভেন্ট

২২

১৯৪৯

আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা

১৯৪৯ সালে ঢাকায় আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিতে একটি সংগঠিত বিরোধী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। পরবর্তীতে দলটি আওয়ামী লীগে রূপান্তরিত হয়ে স্বায়ত্তশাসন-সংগ্রাম ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার রাজনৈতিক ধারায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।

১৯৫২

ভাষা আন্দোলন

১৯৪৭-এর পর প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নকে ঘিরে যে সংকট তৈরি হয়, ভাষা আন্দোলন তারই ধারাবাহিকতা। গণপরিষদে বাংলা ভাষার দাবি, শিক্ষা ও প্রশাসনে বাংলার মর্যাদা, এবং পাকিস্তানি রাষ্ট্রের উর্দু-একক নীতির সংঘর্ষ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-তে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়; ছাত্র-জনতার ১৪৪ ধারা ভঙ্গ ও পুলিশি গুলিবর্ষণ ভাষাকে বাঙালির রাজনৈতিক আত্মপরিচয়ের নৈতিক কেন্দ্রে পরিণত করে।

১৯৫৪

পূর্ববঙ্গের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়

১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে পূর্ববঙ্গে যুক্তফ্রন্ট মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে বিপুল বিজয় অর্জন করে। প্রতিনিধিত্ব, ভাষার অধিকার এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য নিয়ে দীর্ঘদিনের জনঅসন্তোষ এই ফলাফলে প্রতিফলিত হয় এবং আঞ্চলিক গণতান্ত্রিক দাবির রাজনীতি নতুন গতি পায়।

১৯৫৮

পাকিস্তানে সামরিক আইন

১৯৫৮ সালের অক্টোবরে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি হয়; সংসদীয় রাজনীতি স্থগিত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা কেন্দ্রীভূত কর্তৃত্ববাদী কাঠামোয় চলে যায়। পূর্ব পাকিস্তানে এই সামরিক আইন প্রাদেশিক গণতান্ত্রিক পরিসর সংকুচিত করে, আমলাতান্ত্রিক-সামরিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে, এবং প্রতিনিধিত্ব ও স্বায়ত্তশাসন নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অসন্তোষকে আরও গভীর করে।

১৯৬৬

ছয়-দফা কর্মসূচি ঘোষণা

১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ছয়-দফা কর্মসূচি উপস্থাপন করেন, যা পাকিস্তানের কাঠামোর ভেতরে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের সুস্পষ্ট সাংবিধানিক দাবি হিসেবে সামনে আসে। প্রতিনিধিত্ব, আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং ফেডারেল পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করে এই কর্মসূচি দ্রুত বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়।

১৯৬৯

গণঅভ্যুত্থান

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘ সামরিক-সমর্থিত কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে ছাত্র, শ্রমিক, বিরোধী রাজনীতি ও সাধারণ মানুষের যুগপৎ প্রতিবাদের শীর্ষ পর্ব। এই আন্দোলন আইয়ুব শাসনের ভিত্তি নড়বড়ে করে, গণতান্ত্রিক অধিকার ও আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্নকে মূলধারায় আনে, এবং ১৯৭০-এর নির্বাচন ও পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের জন্য রাজনৈতিক জমিন তৈরি করে।

১৯৭০

ভোলা ঘূর্ণিঝড় ও ১৯৭০-এর নির্বাচন

১৯৭০ সালের শেষভাগে পূর্ব পাকিস্তান প্রথমে ১২ নভেম্বরের ভয়াবহ ভোলা ঘূর্ণিঝড়ে এবং তারপর ৭ ডিসেম্বরের সর্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারভিত্তিক পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে গভীরভাবে কেঁপে ওঠে। ঘূর্ণিঝড় প্রশাসনিক অবহেলা, ত্রাণ ব্যর্থতা ও আঞ্চলিক বৈষম্যের নির্মমতা উন্মোচন করে, আর নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমানের আওয়ামী লীগ বিপুল গণরায় পায়। পরিবেশগত বিপর্যয় ও অস্বীকৃত গণরায় - এই দুই মিলেই স্বায়ত্তশাসনের রাজনীতিকে মুক্তিযুদ্ধের পূর্বমুহূর্তে এক তাৎক্ষণিক সাংবিধানিক সংকটে রূপ দেয়।

১৯৭৪

দুর্ভিক্ষ, জরুরি নিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রীয় সংকট

১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পরের সবচেয়ে গুরুতর সংকটগুলোর একটির মুখোমুখি হয়। বন্যা, খাদ্যবাজারের ব্যর্থতা, যুদ্ধোত্তর অর্থনৈতিক বিপর্যয়, মূল্যস্ফীতি এবং দুর্বল প্রশাসন মিলে 'চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ' তৈরি করে, যার সবচেয়ে ভয়াবহ অভিঘাত পড়ে গ্রামীণ বাংলায়। একই বছর স্পেশাল পাওয়ার্স অ্যাক্ট এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার আরও কঠোর প্রয়োগ দেখায় যে মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী আশার জায়গা ধীরে ধীরে ভয়, অভাব এবং দমনমূলক শাসনে রূপ নিচ্ছে।

১৯৭২

রাষ্ট্রগঠন ও ১৯৭২-এর সংবিধান

১৯৭২ সালে বাংলাদেশ যুদ্ধজয়ের পর রাষ্ট্রগঠনের কঠিন পর্যায়ে প্রবেশ করে। জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফিরে এসে নতুন সরকারকে নেতৃত্ব দেন, এপ্রিলে গণপরিষদ কাজ শুরু করে, এবং ৪ নভেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়ে ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হয়। এই বছর মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে সংসদীয় সরকার, মৌলিক অধিকার, এবং জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার চার রাষ্ট্রীয় মূলনীতির মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।

১৯৮২

এরশাদের অভ্যুত্থান ও সামরিক শাসনের প্রত্যাবর্তন

১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন, প্রেসিডেন্ট আবদুস সাত্তারের নির্বাচিত সরকারকে অপসারণ করেন, সংবিধানের অংশবিশেষ স্থগিত করেন এবং সামরিক আইন জারি করেন। এই অভ্যুত্থান দেরি-সত্তরের অস্থিরতার পর গড়ে ওঠা ভঙ্গুর বেসামরিক পরীক্ষার ইতি টানে এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার কেন্দ্রে সামরিক বাহিনীকে আবার সরাসরি ফিরিয়ে আনে। এর পরের সময়টি শুধু শাসকবদল নয়; এটি ছিল নতুন এক কর্তৃত্ববাদী পর্বের সূচনা, যা প্রতিষ্ঠান, দলীয় রাজনীতি এবং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধের ভাষাকে নতুনভাবে গড়ে তোলে।

২০০৭-২০০৮

জরুরি আমলের তত্ত্বাবধায়ক শাসন

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির জরুরি ঘোষণার পর বাংলাদেশ দীর্ঘ তত্ত্বাবধায়ক শাসনপর্বে প্রবেশ করে, যা নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় সমর্থনে পরিচালিত হয়। দুর্নীতিবিরোধী অভিযান, রাজনৈতিক আটক এবং প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস একটি অনির্বাচিত কাঠামোর মধ্যে চলতে থাকে; পরে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারে প্রত্যাবর্তন ঘটে। সমসাময়িক বাংলাদেশের সবচেয়ে বিতর্কিত রূপান্তরগুলোর একটি হিসেবে এই সময়কাল এখনও আলোচিত।

২০০৯

বিডিআর বিদ্রোহ / পিলখানা হত্যাকাণ্ড

২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বাংলাদেশ রাইফেলসের কিছু সদস্যের বিদ্রোহ বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংকটগুলোর একটিতে পরিণত হয়। বাহিনীতে প্রেষণে থাকা বহু সেনা কর্মকর্তা নিহত হন, পরিবারের সদস্যরা সদর দপ্তরের ভেতরে আটকা পড়েন, এবং জরুরি শাসন শেষে সদ্য ক্ষমতায় আসা নির্বাচিত সরকার তাৎক্ষণিকভাবে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হয়।

১,৯৭৩

বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নির্বাচন

বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নির্বাচন বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১,৯৮৮

অষ্টম সংশোধনী ও রাষ্ট্রধর্ম

অষ্টম সংশোধনী ও রাষ্ট্রধর্ম বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

২,০১২

রামু সাম্প্রদায়িক সহিংসতা

রামু সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

২,০১৬

হলি আর্টিজান হামলা

হলি আর্টিজান হামলা বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

১৯৪৬

ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে ও গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং

১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট ক্যাবিনেট মিশনভিত্তিক সমঝোতা ভেঙে যাওয়ার পর পাকিস্তানের দাবিকে জোরদার করতে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে পালন করে। বাংলায়, যেখানে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার প্রধান ছিলেন, ক্যালকাটার হরতাল ও জনসমাবেশ দ্রুত বৃহৎ সাম্প্রদায়িক হত্যাযজ্ঞে পরিণত হয়। ক্যালকাটার এই সহিংসতার পর ১৯৪৬ সালের পরবর্তী সময়ে নোয়াখালি ও বিহারসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বড় আকারের সাম্প্রদায়িক সহিংসতা দেখা যায়, যা অন্তিম ঔপনিবেশিক ভারতে সহাবস্থানের সংকটকে তীব্র করে এবং দেশভাগের পথকে আরও কঠোর করে তোলে।

১৯৪৬

নোয়াখালি দাঙ্গা

১৯৪৬ সালের অক্টোবর মাসে পূর্ব বাংলার নোয়াখালি ও সংলগ্ন অঞ্চলে ব্যাপক সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং কিছু এলাকায় জবরদস্তিমূলক ধর্মান্তরের অভিযোগ দেখা যায়। ক্যালকাটার হত্যাযজ্ঞ-পরবর্তী উত্তেজনা ও উপমহাদেশজুড়ে প্রতিশোধমূলক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে নোয়াখালি ঘটনাবলি সাম্প্রদায়িক নিরাপত্তাহীনতাকে গভীর করে এবং অন্তিম ঔপনিবেশিক ভারতে সহাবস্থান ভেঙে পড়ছে—এই রাজনৈতিক যুক্তিকে শক্তিশালী করে।

১৯৪০

লাহোর প্রস্তাব

১৯৪০ সালের মার্চে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং বাংলার এ. কে. ফজলুল হক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। প্রস্তাবের ভাষায় বলা হয় যে ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকাগুলোকে 'স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহে' বিন্যস্ত করতে হবে, যেখানে গঠনতান্ত্রিক এককগুলো হবে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম। 'পাকিস্তান' শব্দটি না থাকলেও এটি সাংবিধানিক রাজনীতির এক বড় মোড় তৈরি করে।

১৯৩৫

গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট ১৯৩৫

গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট ১৯৩৫ দেরি-ঔপনিবেশিক ভারতে সবচেয়ে বড় সাংবিধানিক পুনর্গঠনের একটি, যেখানে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন সম্প্রসারণ এবং নির্বাচনী কাঠামো বিস্তৃত করা হয়। বাংলায় এই নতুন বিধান জোট-রাজনীতি, আইনসভা প্রতিযোগিতা এবং প্রতিনিধিত্বের রূপ পাল্টে দেয়; ১৯৩৭-এর প্রাদেশিক নির্বাচন ও পরবর্তী বিভাজন-পর্বের সাংবিধানিক সংঘাতের ভিত এখানেই তৈরি হয়।

১৯৪৭

দেশভাগ ও পূর্ববঙ্গ

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত ভারত ও পাকিস্তানে বিভক্ত হয়, আর বাংলা ভাগ হয়ে পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ববঙ্গে পরিণত হয়। কিন্তু এই অধ্যায় শুধু সাংবিধানিক বিভাজনের নয়; বিলম্বিত র‍্যাডক্লিফ সীমারেখা, সংখ্যালঘু অনিরাপত্তা, উদ্বাস্তু স্রোত, এবং প্রশাসনিক ভাঙন বাংলার দৈনন্দিন জীবনকে আমূল বদলে দেয় এবং পূর্ববঙ্গে ভাষা, স্বায়ত্তশাসন ও রাষ্ট্রীয় বৈধতার পরবর্তী সংকটের ভিত্তি তৈরি করে।

১৯০৫

বঙ্গভঙ্গ

১৯০৫ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বাংলা প্রদেশকে বিভক্ত করে ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ গঠন করে। সরকারি ব্যাখ্যায় এটি ছিল প্রশাসনিক সংস্কার, কিন্তু বহু সমালোচকের কাছে এটি ছিল বাঙালির রাজনৈতিক প্রভাব দুর্বল করার বিভাজননীতি। এই সিদ্ধান্ত বয়কট, স্বদেশী আন্দোলন, নতুন সাংস্কৃতিক প্রতিবাদরূপ, এবং হিন্দু ও মুসলিম রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার ভিন্নতর বিন্যাসকে সামনে আনে।