১৭৬৫-১৭৬৯
প্রমাণের শক্তি: মাঝারিকোম্পানির রাজস্ব-নিয়ন্ত্রণের পরে চাপ বেড়ে যায়
কোম্পানির আর্থিক কর্তৃত্ব বিস্তারের পর কৃষি-সংকটের লক্ষণ থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন জেলায় রাজস্ব আদায়ের চাপ উচ্চমাত্রায় থাকে।[1][2]
Historical Memory Journey
১৭৭০ প্রমাণ করে: শাসন যদি নির্যাসমুখী হয়, তবে সংকট দ্রুত গণবিপর্যয়ে রূপ নেয়।
১৭৭০ সালের দুর্ভিক্ষ বাংলাকে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে ফেলেছিল। ফসলহানি, খাদ্যবাজারের বিকৃতি এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কঠোর রাজস্ব আদায় একত্রে পরিবেশগত সংকটকে সামাজিক ধসের দিকে ঠেলে দেয়। এই অধ্যায় দেখায়, ঔপনিবেশিক রাজনৈতিক অর্থনীতি কীভাবে দুর্বল জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি
প্রারম্ভিক ঔপনিবেশিক রাজস্ব কাঠামোর মধ্যে ব্যাপক প্রাণহানি শাসনের সহিংস চরিত্রকে উন্মোচিত করে।
এই অধ্যায়টি নিজেই একটি মূল ক্লাস্টার অ্যাঙ্কর।
এখনও কোনো চাইল্ড অধ্যায় যোগ করা হয়নি।
১৭৬৫-১৭৬৯
প্রমাণের শক্তি: মাঝারিকোম্পানির আর্থিক কর্তৃত্ব বিস্তারের পর কৃষি-সংকটের লক্ষণ থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন জেলায় রাজস্ব আদায়ের চাপ উচ্চমাত্রায় থাকে।[1][2]
১৭৭০
প্রমাণের শক্তি: মাঝারিখাদ্যসংকট দ্রুত গণবিপর্যয়ে রূপ নেয়; কৃষক, শ্রমজীবী এবং শহুরে দরিদ্র জনগোষ্ঠী ভয়াবহভাবে আক্রান্ত হয়।[1][2]
পরবর্তী প্রভাব
প্রমাণের শক্তি: মাঝারিদুর্ভিক্ষ গ্রামীণ উৎপাদন ও সামাজিক স্থিতি দুর্বল করে, একই সাথে বাংলায় নির্যাসমুখী ঔপনিবেশিক শাসনের সমালোচনা জোরদার করে।[1][2]
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সামরিক কমান্ডার
পলাশীর যুদ্ধে তিনি কোম্পানি বাহিনীকে নেতৃত্ব দেন এবং বাংলার অভ্যন্তরীণ জোট-রাজনীতি কাজে লাগিয়ে ব্রিটিশ প্রভাব প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন।
বাংলায় কোম্পানির সম্প্রসারণ, বিশেষত ১৭৫৭ ও পরবর্তী সময়।
তার সামরিক-রাজনৈতিক সাফল্য বাংলায় কোম্পানির ক্ষমতা বৃদ্ধিকে দ্রুততর করে।
সেনানায়ক ও পরবর্তী নবাব
সিরাজউদ্দৌলার শিবিরের উচ্চপদস্থ সেনানায়ক হিসেবে তিনি ষড়যন্ত্রে যুক্ত হন এবং পলাশীর পর কোম্পানির সমর্থনে নবাব হন।
বাংলার দরবার ও সামরিক রাজনীতি, ১৭৫৭।
তার অবস্থান-পরিবর্তন পলাশীর ফল নির্ধারণে এবং কোম্পানি প্রভাব বিস্তারে কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখে।
ব্যাংকিং গোষ্ঠী ও দরবারি অর্থশক্তি
মুর্শিদাবাদের জগতশেঠ ব্যাংকিং গোষ্ঠী দরবারি অর্থনীতিতে প্রভাবশালী ছিল এবং পলাশীপূর্ব রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১৭৫৭ সালে মুর্শিদাবাদের আর্থিক-দরবারি রাজনীতি।
তাদের ভূমিকা দেখায়, বাংলার সার্বভৌম ক্ষমতা বদলে যেতে অর্থশক্তির ভূমিকা কতটা গভীর ছিল।
বাংলার নবাব
বাংলার নবাব হিসেবে তিনি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আধিপত্য-প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে বাংলার পক্ষে নেতৃত্ব দেন।
বাংলা সুবাহ, ১৭৫৬-১৭৫৭; সার্বভৌমত্ব ও শাসনক্ষমতা রক্ষার সংঘাত।
পলাশীতে তার পরাজয় বাংলার রাজনৈতিক অধীনতার ইতিহাসে এক মৌলিক মোড় তৈরি করে।
সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন
বোঝুন · গবেষণা
১৭৭০ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষের মাত্রা, মৃত্যুহার এবং কোম্পানি-শাসনের কাঠামোগত কারণ নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত রেফারেন্স।
বোঝুন · গবেষণা
এরশাদের ক্ষমতাদখল ও আশির দশকের কর্তৃত্ববাদী পর্বের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা বোঝার জন্য সহায়ক সাধারণ বাংলাদেশ-ইতিহাস রেফারেন্স।
বোঝুন · গবেষণা
বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঔপনিবেশিক শক্তিতে কোম্পানির রূপান্তর, দেওয়ানি অধিকার এবং বাংলার অর্থনৈতিক পরিণতি বোঝার জন্য একটি কার্যকর রেফারেন্স।
বোঝুন · গবেষণা
দেওয়ানি ব্যবস্থা, ১৭৬৫ সালের চুক্তিসমূহ এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে রাজস্ব কর্তৃত্ব সরে যাওয়ার প্রক্রিয়া বোঝার জন্য বাংলা-প্রাসঙ্গিক একটি মৌলিক রেফারেন্স।
পড়ুন · ঐতিহাসিক সাহিত্য
নবাবি যুগ, ঔপনিবেশিক পুনর্গঠন, এবং ১৯৫০ পর্যন্ত স্বাধীনতা সংগ্রামকে ধরে তিন খণ্ডের একটি বিস্তৃত ইতিহাস।
পড়ুন · ঐতিহাসিক সাহিত্য
অষ্টাদশ শতকের শেষভাগের মুঘল ভারতের ইতিহাস; বাংলার নবাবি ও প্লাসির পটভূমি বুঝতে অপরিহার্য।
১৭৭০ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষ কী ছিল?
এটি ছিল প্রারম্ভিক কোম্পানি শাসনের মধ্যে ব্যাপক প্রাণহানি-সৃষ্ট এক খাদ্য ও জীবিকা বিপর্যয়।
১৭৭০ এখনও কেন গুরুত্বপূর্ণ?
এটি দেখায়, সংকটকালে রাজস্বনীতি ও বাজার নিয়ন্ত্রণ সরাসরি বেঁচে থাকার প্রশ্ন নির্ধারণ করতে পারে।
“১৭৭০ আমাদের মনে করিয়ে দেয়: শাসনের সিদ্ধান্তই প্রায়শই সংকটের মানবিক গভীরতা নির্ধারণ করে।”
১৭৭০ সালের দুর্ভিক্ষ বাংলাকে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে ফেলেছিল। ফসলহানি, খাদ্যবাজারের বিকৃতি এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কঠোর রাজস্ব আদায় একত্রে পরিবেশগত সংকটকে সামাজিক ধসের দিকে ঠেলে দেয়। এই অধ্যায় দেখায়, ঔপনিবেশিক রাজনৈতিক অর্থনীতি কীভাবে দুর্বল জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।