আবুল কাশেম
নেতৃত্বব্যক্তি
ভাষা আন্দোলনের সংগঠক
আবুল কাসেম ছিলেন শিক্ষক, লেখক ও ভাষা আন্দোলনের সংগঠক; তমদ্দুন মজলিশ এবং বাংলার রাষ্ট্রভাষার প্রাথমিক দাবির সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন।
১৯৪৭-এর পর পুস্তিকা, সভা ও রাজনৈতিক সমন্বয়ের মাধ্যমে তিনি ভাষার প্রশ্নকে সংগঠিত জনদাবিতে পরিণত করতে সাহায্য করেন।
সাংস্কৃতিক আত্মরক্ষাকে ভাষা আন্দোলনের প্রাতিষ্ঠানিক সূচনার সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে তার কাজ গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→আবদুল মতিন
সমন্বয়কব্যক্তি
ভাষা আন্দোলনের সংগঠক
আবদুল মতিন, ‘ভাষা মতিন’ নামে পরিচিত, ছিলেন বাংলা ভাষা আন্দোলনের ছাত্রসংগঠক ও কমিউনিস্ট কর্মী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে তিনি ভূমিকা রাখেন এবং বাংলা ভাষার সমঅধিকার অস্বীকারের বিরুদ্ধে সরাসরি গণসংগঠনের দাবি তোলেন।
তার সংগঠন ভাষার অধিকারকে সাংবিধানিক দাবি থেকে শৃঙ্খলাবদ্ধ গণআন্দোলনে রূপ দিতে সাহায্য করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→কাজী গোলাম মাহবুব
সমন্বয়কব্যক্তি
ছাত্রনেতা ও আহ্বায়ক
৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ গঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে তিনি আন্দোলনের প্রধান সংগঠকদের একজন ছিলেন।
ঢাকার ছাত্ররাজনীতি এবং ১৯৫২ সালের আন্দোলনের সমন্বয়।
তার সংগঠকসুলভ ভূমিকা বিচ্ছিন্ন প্রতিবাদকে একটি সুস্পষ্ট ও দৃশ্যমান গণআন্দোলনে রূপ দিতে সাহায্য করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→এএনএম গাজীউল হক
নেতৃত্বব্যক্তি
ভাষা আন্দোলনের নেতা
২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর ঐতিহাসিক আমতলা সভায় তিনি সভাপতিত্ব করেন, যেখানে ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর সিদ্ধান্তময় মুহূর্ত।
তার নেতৃত্ব আন্দোলনের ইতিহাসে সেই মুহূর্তকে চিহ্নিত করে, যখন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাস্তায় নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→অলি আহাদ
নেতৃত্বব্যক্তি
ছাত্র ও রাজনৈতিক কর্মী
তিনি ভাষা আন্দোলনের লড়াকু তরুণ সংগঠকদের একজন ছিলেন এবং প্রাথমিক পর্যায় থেকেই আন্দোলনের ঢেউয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
পূর্ববঙ্গের ছাত্ররাজনীতি ও রাস্তাভিত্তিক প্রতিবাদ।
তার ভূমিকা ভাষার প্রশ্নকে কেবল প্রতীকি নয়, সক্রিয় রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রশ্নে পরিণত করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→