Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

১৯৬৬ — ছয়-দফা কর্মসূচি ঘোষণা

ছয় দফা স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে সাংবিধানিক ভাষায় নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে।

১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ছয়-দফা কর্মসূচি উপস্থাপন করেন, যা পাকিস্তানের কাঠামোর ভেতরে পূর্ব পাকিস্তান১৯৫৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের পূর্বাংশ, যা মোটামুটি বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সঙ্গে মিলে যায়।ের স্বায়ত্তশাসনবৃহত্তর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে নিজস্ব বিষয় পরিচালনার রাজনৈতিক সক্ষমতা।ের সুস্পষ্ট সাংবিধানিক দাবি হিসেবে সামনে আসে। প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ।, আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং ফেডারেল পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করে এই কর্মসূচি দ্রুত বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের সাংবিধানিক রূপরেখা।

গুরুত্ব: প্রধানপাকিস্তান পর্ব ও জাতীয় জাগরণধারা: ভাষা, স্বায়ত্তশাসন ও মুক্তিস্থান: বাংলা অঞ্চল

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ছয়-দফা কর্মসূচি উপস্থাপন করেন, যা পাকিস্তানের কাঠামোর ভেতরে পূর্ব পাকিস্তান১৯৫৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের পূর্বাংশ, যা মোটামুটি বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সঙ্গে মিলে যায়।ের স্বায়ত্তশাসনবৃহত্তর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে নিজস্ব বিষয় পরিচালনার রাজনৈতিক সক্ষমতা।ের সুস্পষ্ট সাংবিধানিক দাবি হিসেবে সামনে আসে। প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ।, আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং ফেডারেল পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করে এই কর্মসূচি দ্রুত বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ঐতিহাসিক সম্পর্ক

এর পরে কী হলো

১৯৬৯

গণঅভ্যুত্থান

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘ সামরিক-সমর্থিত কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে ছাত্র, শ্রমিক, বিরোধী রাজনীতি ও সাধারণ মানুষের যুগপৎ প্রতিবাদের শীর্ষ পর্ব। এই আন্দোলন আইয়ুব শাসনের ভিত্তি নড়বড়ে করে, গণতান্ত্রিক অধিকার ও আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্নকে মূলধারায় আনে, এবং ১৯৭০-এর নির্বাচন ও পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের জন্য রাজনৈতিক জমিন তৈরি করে।

১৯৬৮

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা

১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সরকার শেখ মুজিবুর রহমানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে, যেখানে ভারতের সহায়তায় পূর্ব পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ আনা হয়। মামলাটি দ্রুত রাজনৈতিক ক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়, ছাত্র ও জনসমাজে সংহতি বাড়ায়, এবং সরাসরি ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের পথ প্রশস্ত করে।

টাইমলাইন

মূল ব্যক্তিত্ব

শেখ মুজিবুর রহমান

নেতৃত্বব্যক্তি

ছাত্রসংগঠক ও জাতীয় নেতা

দেশভাগের প্রথম ক্ষত থেকে স্বাধীনতার শেষ লড়াই পর্যন্ত তার জনজীবন একটি দীর্ঘ সেতু।

দেশভাগের অব্যবহিত পর থেকেই পূর্ববঙ্গে তিনি ছাত্র ও রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে উঠে আসেন; ভাষার অধিকার, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন এবং পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার দিকে যাওয়া গণআন্দোলনে তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেন।

পূর্ববঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান, ১৯৪৮-১৯৭১; ভাষা-রাজনীতির শুরু থেকে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার সংগ্রাম।

তার রাজনৈতিক পথ ১৯৪৭-পরবর্তী প্রতিনিধিত্ব ও ভাষা সংকটকে পরবর্তী আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রগঠনের দাবির সঙ্গে যুক্ত করে।

ভাষা অধিকারস্বায়ত্তশাসনজাতীয়তাবাদ
বিস্তারিত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

সংগঠনদল

রাজনৈতিক সংগঠন

এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।

১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।

তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।

১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

সম্মিলিত কণ্ঠসংস্থা

ছাত্রসমষ্টি

তারা আন্দোলনের কেন্দ্রে ছিল; কৌশল নিয়ে বিতর্ক করেছে, ১৪৪ ধারা ভেঙেছে, এবং প্রতিবাদকে রাস্তায় নামিয়েছে।

বিশেষ করে ১৯৪৮-১৯৫২ সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

তাদের সম্মিলিত পদক্ষেপই আন্দোলনকে সাহস, শৃঙ্খলা এবং ইতিহাসবদলানো মুহূর্ত এনে দেয়।

বিস্তারিত

আবদুল হামিদ খান ভাসানী

নেতৃত্বব্যক্তি

গণরাজনৈতিক সংগঠক

দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গে তিনি জনঅসন্তোষকে বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করা অন্যতম বড় গণসংগঠকে পরিণত হন।

১৯৪০-এর শেষভাগ ও ১৯৫০-এর শুরুর দিকের পূর্ববঙ্গ।

তার নেতৃত্ব আঞ্চলিক বঞ্চনাকে সংগঠিত গণআন্দোলনের ভাষা দেয় এবং কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে।

১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত

তোফায়েল আহমেদ

নেতৃত্বব্যক্তি

আওয়ামী লীগ সংগঠক

এরশাদবিরোধী সময়ে তিনি দলীয় কাঠামোকে বৃহত্তর প্রতিবাদী পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত রাখতে সাহায্য করেন।

১৯৮০-এর শেষভাগ ও ১৯৯০-এর এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তর।

তাদের ভূমিকা স্বৈরশাসনের অবসান ঘটানো গণঅভ্যুত্থানকে বিস্তৃত, বৈধ এবং কার্যকর করে তোলে।

১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

Military Rule

বাংলাপিডিয়া

গৌণ

সামরিক শাসন, এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং ১৯৯০-এর ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

ছয় দফা কর্মসূচি

বাংলাপিডিয়া

গৌণ

শেখ মুজিবুর রহমানের ছয় দফা, ১৯৬৬ সালে এর উত্থাপন এবং পরবর্তী রাজনৈতিক গণসংগঠনে এর প্রভাব নিয়ে বাংলাপিডিয়ার সারসংক্ষেপ।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

আওয়ামী লীগ

এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

গৌণ

পূর্ব পাকিস্তান ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা-প্রেক্ষিত, বিকাশ ও ভূমিকায় ব্রিটানিকার সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ।

সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক রিসোর্স · Literature and Cultural Texts

Bangladesh: From Mujib to Ershad

লরেন্স জিরিং

গৌণ

এরশাদ শাসনের শেষপর্ব এবং সামরিক-সমর্থিত শাসন থেকে উত্তরণের পথ বোঝার জন্য একটি রাজনৈতিক গবেষণা।

প্রশ্নোত্তর

FAQ

১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন কী ছিল?

এটি শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য শক্তিশালী প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে উত্থাপিত একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি।

FAQ

ছয় দফা কেন গুরুত্বপূর্ণ ছিল?

এটি দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বঞ্চনাকে সাধারণ মানুষের বোধগম্য একটি স্পষ্ট সাংবিধানিক কাঠামোয় রূপ দেয়।

FAQ

রাষ্ট্র ছয় দফা আন্দোলনের প্রতি কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়?

দমন-পীড়ন, গ্রেপ্তার ও আইনি চাপ বাড়ানো হয়, যা উল্টো জনসমর্থন ও সংগঠিত প্রতিরোধ আরও বিস্তৃত করে।

FAQ

স্বাধীনতার পথে ১৯৬৬ কীভাবে প্রভাব ফেলে?

ছয় দফার স্বায়ত্তশাসন এজেন্ডাই পরে ১৯৭০ নির্বাচনের গণরায় ও ১৯৭১-এর রাজনৈতিক সংকটের কেন্দ্রীয় ভিত্তি হয়ে ওঠে।

উদ্ধৃতি

ছয় দফা স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে গণমানুষের সাংবিধানিক ভাষায় রূপ দেয়।

ঐতিহাসিক প্রতিফলন

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ছয়-দফা কর্মসূচি উপস্থাপন করেন, যা পাকিস্তানের কাঠামোর ভেতরে পূর্ব পাকিস্তান১৯৫৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের পূর্বাংশ, যা মোটামুটি বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সঙ্গে মিলে যায়।ের স্বায়ত্তশাসনবৃহত্তর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে নিজস্ব বিষয় পরিচালনার রাজনৈতিক সক্ষমতা।ের সুস্পষ্ট সাংবিধানিক দাবি হিসেবে সামনে আসে। প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ।, আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং ফেডারেল পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করে এই কর্মসূচি দ্রুত বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ছয়-দফা বিচ্ছিন্ন অসন্তোষকে একটি সুসংহত রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ দেয় এবং ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও পরবর্তী স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি শক্তিশালী করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ছয়-দফা বিচ্ছিন্ন অসন্তোষকে একটি সুসংহত রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ দেয় এবং ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও পরবর্তী স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি শক্তিশালী করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ছয়-দফা বিচ্ছিন্ন অসন্তোষকে একটি সুসংহত রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ দেয় এবং ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও পরবর্তী স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি শক্তিশালী করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

ছয়-দফা বিচ্ছিন্ন অসন্তোষকে একটি সুসংহত রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ দেয় এবং ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও পরবর্তী স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি শক্তিশালী করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

দীর্ঘমেয়াদি উত্তরাধিকার

ছয়-দফা বিচ্ছিন্ন অসন্তোষকে একটি সুসংহত রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ দেয় এবং ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও পরবর্তী স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি শক্তিশালী করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

পরিচয় ও স্মৃতি নোট

ছয়-দফা বিচ্ছিন্ন অসন্তোষকে একটি সুসংহত রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ দেয় এবং ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও পরবর্তী স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি শক্তিশালী করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি