শেখ মুজিবুর রহমান
নেতৃত্বব্যক্তি
ছাত্রসংগঠক ও জাতীয় নেতা
“ছয় দফা, ১৯৭০-এর ম্যান্ডেট ও ৭ মার্চের ভাষণ তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক কণ্ঠে পরিণত করে।”
ছয় দফা স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনী ম্যান্ডেট এবং ১৯৭১ সালের মার্চের গণমোবিলাইজেশনের মাধ্যমে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সাংবিধানিক সংকটকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে রূপ দেন।
পূর্ববঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান, ১৯৪৮-১৯৭১; ভাষা-রাজনীতির শুরু থেকে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার সংগ্রাম।
ভাষার অধিকার, নির্বাচনী প্রতিনিধিত্ব ও স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে তিনি বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রগঠনের গণদাবিতে পরিণত করেন।
ভাষা অধিকারস্বায়ত্তশাসনজাতীয়তাবাদ
বিস্তারিত→বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
সংগঠনদল
রাজনৈতিক সংগঠন
এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।
১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।
তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→আবদুল হামিদ খান ভাসানী
নেতৃত্বব্যক্তি
গণরাজনৈতিক সংগঠক
দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গে তিনি জনঅসন্তোষকে বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করা অন্যতম বড় গণসংগঠকে পরিণত হন।
১৯৪০-এর শেষভাগ ও ১৯৫০-এর শুরুর দিকের পূর্ববঙ্গ।
তার নেতৃত্ব আঞ্চলিক বঞ্চনাকে সংগঠিত গণআন্দোলনের ভাষা দেয় এবং কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে।
১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত→নুরুল আমিন
নেতৃত্বব্যক্তি
পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী
দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গের শাসনকাঠামোতে তিনি কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন।
পাকিস্তানের অধীনে পূর্ববঙ্গের সূচনাপর্ব।
তার শাসনকাল পাকিস্তানের ভেতরে পূর্ববঙ্গের প্রতিনিধিত্ব, ভাষা ও শাসন সংকটকে স্পষ্ট করে তোলে।
১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
সম্মিলিত কণ্ঠসংস্থা
ছাত্রসমষ্টি
“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষা আন্দোলনকে গণমানুষের সংগ্রামে রূপ দেওয়া ছাত্রসমষ্টি।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সভা, মিছিল, ধর্মঘট ও বিতর্কের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনকে ক্যাম্পাসের রাজনীতি থেকে জনপরিসরের প্রতিবাদে নিয়ে যায়।
১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সালের মধ্যে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবাদস্থলে পরিণত হয়। শিক্ষার্থীরা ১৪৪ ধারাসহ বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বৃহত্তর নাগরিক আন্দোলনে যুক্ত হয়।
তাদের সম্মিলিত পদক্ষেপ ভাষার অধিকারকে গণরাজনৈতিক দাবিতে রূপ দিতে সাহায্য করে এবং পূর্ববাংলার পরবর্তী গণতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী ইতিহাসের একটি ভিত্তিগত অধ্যায় তৈরি করে।
বিস্তারিত→