Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

১৯৫৮ — পাকিস্তানে সামরিক আইন

সামরিক আইন সাংবিধানিক সংকটকে রূপ দেয় দীর্ঘস্থায়ী কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণে।

১৯৫৮ সালের অক্টোবরে পাকিস্তানে সামরিক শাসনসামরিক কর্তৃপক্ষের সরাসরি শাসন, যেখানে স্বাভাবিক সাংবিধানিক শাসন সীমিত বা স্থগিত থাকে। জারি হয়; সংসদীয় রাজনীতি স্থগিত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা কেন্দ্রীভূত কর্তৃত্ববাদী কাঠামোয় চলে যায়। পূর্ব পাকিস্তান১৯৫৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের পূর্বাংশ, যা মোটামুটি বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সঙ্গে মিলে যায়।ে এই সামরিক আইন প্রাদেশিক গণতান্ত্রিক পরিসর সংকুচিত করে, আমলাতান্ত্রিক-সামরিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে, এবং প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ।স্বায়ত্তশাসনবৃহত্তর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে নিজস্ব বিষয় পরিচালনার রাজনৈতিক সক্ষমতা। নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অসন্তোষকে আরও গভীর করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

সামরিক ক্ষমতা দখল ও পূর্ব পাকিস্তানে তার রাজনৈতিক প্রভাব।

গুরুত্ব: উচ্চপাকিস্তান পর্ব ও জাতীয় জাগরণধারা: ভাষা, স্বায়ত্তশাসন ও মুক্তিস্থান: বাংলা অঞ্চল

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

১৯৫৮ সালের অক্টোবরে পাকিস্তানে সামরিক শাসনসামরিক কর্তৃপক্ষের সরাসরি শাসন, যেখানে স্বাভাবিক সাংবিধানিক শাসন সীমিত বা স্থগিত থাকে। জারি হয়; সংসদীয় রাজনীতি স্থগিত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা কেন্দ্রীভূত কর্তৃত্ববাদী কাঠামোয় চলে যায়। পূর্ব পাকিস্তান১৯৫৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের পূর্বাংশ, যা মোটামুটি বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সঙ্গে মিলে যায়।ে এই সামরিক আইন প্রাদেশিক গণতান্ত্রিক পরিসর সংকুচিত করে, আমলাতান্ত্রিক-সামরিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে, এবং প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ।স্বায়ত্তশাসনবৃহত্তর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে নিজস্ব বিষয় পরিচালনার রাজনৈতিক সক্ষমতা। নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অসন্তোষকে আরও গভীর করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ঐতিহাসিক সম্পর্ক

এর পরে কী হলো

১৯৬৬

ছয়-দফা কর্মসূচি ঘোষণা

১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ছয়-দফা কর্মসূচি উপস্থাপন করেন, যা পাকিস্তানের কাঠামোর ভেতরে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের সুস্পষ্ট সাংবিধানিক দাবি হিসেবে সামনে আসে। প্রতিনিধিত্ব, আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং ফেডারেল পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করে এই কর্মসূচি দ্রুত বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়।

১৯৬২

পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষা আন্দোলন

১৯৬২ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ছাত্রসমাজ শরীফ কমিশন-সংশ্লিষ্ট শিক্ষা নীতি ও সামরিক শাসনের বিস্তৃত নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে বড় আকারের আন্দোলন গড়ে তোলে। এই আন্দোলন ক্যাম্পাসভিত্তিক গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে নতুন গতি দেয় এবং শিক্ষাগত দাবি ও সাংবিধানিক অধিকারের প্রশ্নকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করে।

টাইমলাইন

মূল ব্যক্তিত্ব

শেখ মুজিবুর রহমান

নেতৃত্বব্যক্তি

ছাত্রসংগঠক ও জাতীয় নেতা

দেশভাগের প্রথম ক্ষত থেকে স্বাধীনতার শেষ লড়াই পর্যন্ত তার জনজীবন একটি দীর্ঘ সেতু।

দেশভাগের অব্যবহিত পর থেকেই পূর্ববঙ্গে তিনি ছাত্র ও রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে উঠে আসেন; ভাষার অধিকার, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন এবং পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার দিকে যাওয়া গণআন্দোলনে তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেন।

পূর্ববঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান, ১৯৪৮-১৯৭১; ভাষা-রাজনীতির শুরু থেকে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার সংগ্রাম।

তার রাজনৈতিক পথ ১৯৪৭-পরবর্তী প্রতিনিধিত্ব ও ভাষা সংকটকে পরবর্তী আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রগঠনের দাবির সঙ্গে যুক্ত করে।

ভাষা অধিকারস্বায়ত্তশাসনজাতীয়তাবাদ
বিস্তারিত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

সংগঠনদল

রাজনৈতিক সংগঠন

এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।

১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।

তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।

১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত

নুরুল আমিন

নেতৃত্বব্যক্তি

পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গের শাসনকাঠামোতে তিনি কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন।

পাকিস্তানের অধীনে পূর্ববঙ্গের সূচনাপর্ব।

তার শাসনকাল পাকিস্তানের ভেতরে পূর্ববঙ্গের প্রতিনিধিত্ব, ভাষা ও শাসন সংকটকে স্পষ্ট করে তোলে।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত

আতাউর রহমান খান

নেতৃত্বব্যক্তি

বিরোধী রাজনীতিক

পূর্ববঙ্গের ওপর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে যে আঞ্চলিক রাজনৈতিক ধারা গড়ে ওঠে, তিনি তার অন্যতম অংশ হয়ে ওঠেন।

দেশভাগ-পরবর্তী পূর্ববঙ্গের রাজনীতি।

তার ভূমিকা আঞ্চলিক অধিকারভিত্তিক রাজনৈতিক কণ্ঠকে আরও দৃশ্যমান করে তোলে।

১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত

আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ

নেতৃত্বব্যক্তি

বিরোধী বক্তা ও রাজনীতিক

কেন্দ্রীয় আধিপত্য ও বঞ্চনামূলক শাসনের বিরুদ্ধে পূর্ববঙ্গে তিনি এক তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক কণ্ঠ হয়ে ওঠেন।

পূর্ব পাকিস্তানের প্রাথমিক প্রাদেশিক রাজনীতি।

পূর্ববঙ্গের মর্যাদা ও অধিকারের জনভাষা গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

Military Rule

বাংলাপিডিয়া

গৌণ

সামরিক শাসন, এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং ১৯৯০-এর ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

আওয়ামী লীগ

এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

গৌণ

পূর্ব পাকিস্তান ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা-প্রেক্ষিত, বিকাশ ও ভূমিকায় ব্রিটানিকার সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

Partition Politics

বাংলাপিডিয়া

গৌণ

বাংলার দেশভাগের পেছনের রাজনীতি, সাম্প্রদায়িকতা, এবং ঐতিহাসিক বৈপরীত্য বোঝার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স নিবন্ধ।

সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক রিসোর্স · Literature and Cultural Texts

Bangladesh: From Mujib to Ershad

লরেন্স জিরিং

গৌণ

এরশাদ শাসনের শেষপর্ব এবং সামরিক-সমর্থিত শাসন থেকে উত্তরণের পথ বোঝার জন্য একটি রাজনৈতিক গবেষণা।

উদ্ধৃতি

পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক আইন গণতন্ত্রকে সংকুচিত করলেও স্বায়ত্তশাসনের ভাষাকে আরও তীক্ষ্ণ করে।

ঐতিহাসিক প্রতিফলন

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

১৯৫৮ সালের অক্টোবরে পাকিস্তানে সামরিক শাসনসামরিক কর্তৃপক্ষের সরাসরি শাসন, যেখানে স্বাভাবিক সাংবিধানিক শাসন সীমিত বা স্থগিত থাকে। জারি হয়; সংসদীয় রাজনীতি স্থগিত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা কেন্দ্রীভূত কর্তৃত্ববাদী কাঠামোয় চলে যায়। পূর্ব পাকিস্তান১৯৫৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের পূর্বাংশ, যা মোটামুটি বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সঙ্গে মিলে যায়।ে এই সামরিক আইন প্রাদেশিক গণতান্ত্রিক পরিসর সংকুচিত করে, আমলাতান্ত্রিক-সামরিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে, এবং প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ।স্বায়ত্তশাসনবৃহত্তর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে নিজস্ব বিষয় পরিচালনার রাজনৈতিক সক্ষমতা। নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অসন্তোষকে আরও গভীর করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

১৯৫৮ সালের এই অধ্যায় বোঝা জরুরি, কারণ এখান থেকেই পূর্ব পাকিস্তান১৯৫৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের পূর্বাংশ, যা মোটামুটি বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সঙ্গে মিলে যায়।ে গণতান্ত্রিক সংকোচন, রাজনৈতিক বঞ্চনা ও পরবর্তী গণ-প্রতিরোধের ভিত আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

১৯৫৮ সালের এই অধ্যায় বোঝা জরুরি, কারণ এখান থেকেই পূর্ব পাকিস্তান১৯৫৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের পূর্বাংশ, যা মোটামুটি বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সঙ্গে মিলে যায়।ে গণতান্ত্রিক সংকোচন, রাজনৈতিক বঞ্চনা ও পরবর্তী গণ-প্রতিরোধের ভিত আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি