হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
নেতৃত্বব্যক্তি
অখণ্ড বাংলার মুখ্যমন্ত্রী
অখণ্ড বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশভাগ-পূর্ব সংকটময় রাজনীতির কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং যুক্ত বাংলা প্রস্তাবের প্রধান সমর্থকদের একজন ছিলেন।
কলকাতা ও বাংলা, ১৯৪৬-১৯৪৭।
বাংলা যুক্ত থাকবে, ভাগ হবে, নাকি স্বাধীন পথ নেবে—এই বিতর্কের গতিপথ নির্ধারণে তিনি বড় ভূমিকা রাখেন।
বিস্তারিত→শেখ মুজিবুর রহমান
নেতৃত্বব্যক্তি
ছাত্রসংগঠক ও জাতীয় নেতা
“দেশভাগের প্রথম ক্ষত থেকে স্বাধীনতার শেষ লড়াই পর্যন্ত তার জনজীবন একটি দীর্ঘ সেতু।”
দেশভাগের অব্যবহিত পর থেকেই পূর্ববঙ্গে তিনি ছাত্র ও রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে উঠে আসেন; ভাষার অধিকার, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন এবং পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার দিকে যাওয়া গণআন্দোলনে তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেন।
পূর্ববঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান, ১৯৪৮-১৯৭১; ভাষা-রাজনীতির শুরু থেকে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার সংগ্রাম।
তার রাজনৈতিক পথ ১৯৪৭-পরবর্তী প্রতিনিধিত্ব ও ভাষা সংকটকে পরবর্তী আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রগঠনের দাবির সঙ্গে যুক্ত করে।
language-rightsautonomynationalism
বিস্তারিত→বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
সংগঠনদল
রাজনৈতিক সংগঠন
এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।
১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।
তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।
বিস্তারিত→তমিজউদ্দীন খান
নেতৃত্বব্যক্তি
পূর্ববঙ্গের সাংবিধানিক নেতা
ভাষা ও প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন যখন তীব্র হয়ে উঠছে, ঠিক সেই সময় পাকিস্তানের সাংবিধানিক কাঠামোয় তিনি পূর্ববঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠ ছিলেন।
পাকিস্তানের প্রাথমিক প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠানগুলো।
তার উপস্থিতি দেখায় ভাষার প্রশ্নটি আসলে ফেডারেল গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রে পূর্ববঙ্গের মর্যাদার বৃহত্তর সংকটের সঙ্গেও যুক্ত ছিল।
বিস্তারিত→নুরুল আমিন
নেতৃত্বব্যক্তি
পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী
দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গের শাসনকাঠামোতে তিনি কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন।
পাকিস্তানের অধীনে পূর্ববঙ্গের সূচনাপর্ব।
তার শাসনকাল পাকিস্তানের ভেতরে পূর্ববঙ্গের প্রতিনিধিত্ব, ভাষা ও শাসন সংকটকে স্পষ্ট করে তোলে।
বিস্তারিত→