Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition
❦

Discover Bengal · Unfolded

❦

১৯৫২ সালের ব্যক্তিত্বরা

✦

ভাষা আন্দোলন

১৯৫২ অধ্যায়ের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্ব, শহীদ, সমন্বয়ক ও সম্মিলিত শক্তির পূর্ণ তালিকা।

Est. 1947 · Bengal✺A Bilingual Archive

পূর্ণ ব্যক্তিত্ব তালিকা

✦

55 প্রোফাইল

আবুল কাশেম

নেতৃত্বব্যক্তি

ভাষা আন্দোলনের সংগঠক

আবুল কাসেম ছিলেন শিক্ষক, লেখক ও ভাষা আন্দোলনের সংগঠক; তমদ্দুন মজলিশ এবং বাংলার রাষ্ট্রভাষার প্রাথমিক দাবির সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন।

১৯৪৭-এর পর পুস্তিকা, সভা ও রাজনৈতিক সমন্বয়ের মাধ্যমে তিনি ভাষার প্রশ্নকে সংগঠিত জনদাবিতে পরিণত করতে সাহায্য করেন।

সাংস্কৃতিক আত্মরক্ষাকে ভাষা আন্দোলনের প্রাতিষ্ঠানিক সূচনার সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে তার কাজ গুরুত্বপূর্ণ।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

আবদুল মতিন

সমন্বয়কব্যক্তি

ভাষা আন্দোলনের সংগঠক

আবদুল মতিন, ‘ভাষা মতিন’ নামে পরিচিত, ছিলেন বাংলা ভাষা আন্দোলনের ছাত্রসংগঠক ও কমিউনিস্ট কর্মী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে তিনি ভূমিকা রাখেন এবং বাংলা ভাষার সমঅধিকার অস্বীকারের বিরুদ্ধে সরাসরি গণসংগঠনের দাবি তোলেন।

তার সংগঠন ভাষার অধিকারকে সাংবিধানিক দাবি থেকে শৃঙ্খলাবদ্ধ গণআন্দোলনে রূপ দিতে সাহায্য করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→

কাজী গোলাম মাহবুব

সমন্বয়কব্যক্তি

ছাত্রনেতা ও আহ্বায়ক

৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ গঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে তিনি আন্দোলনের প্রধান সংগঠকদের একজন ছিলেন।

ঢাকার ছাত্ররাজনীতি এবং ১৯৫২ সালের আন্দোলনের সমন্বয়।

তার সংগঠকসুলভ ভূমিকা বিচ্ছিন্ন প্রতিবাদকে একটি সুস্পষ্ট ও দৃশ্যমান গণআন্দোলনে রূপ দিতে সাহায্য করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→

এএনএম গাজীউল হক

নেতৃত্বব্যক্তি

ভাষা আন্দোলনের নেতা

২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর ঐতিহাসিক আমতলা সভায় তিনি সভাপতিত্ব করেন, যেখানে ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর সিদ্ধান্তময় মুহূর্ত।

তার নেতৃত্ব আন্দোলনের ইতিহাসে সেই মুহূর্তকে চিহ্নিত করে, যখন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাস্তায় নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→

অলি আহাদ

নেতৃত্বব্যক্তি

ছাত্র ও রাজনৈতিক কর্মী

তিনি ভাষা আন্দোলনের লড়াকু তরুণ সংগঠকদের একজন ছিলেন এবং প্রাথমিক পর্যায় থেকেই আন্দোলনের ঢেউয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

পূর্ববঙ্গের ছাত্ররাজনীতি ও রাস্তাভিত্তিক প্রতিবাদ।

তার ভূমিকা ভাষার প্রশ্নকে কেবল প্রতীকি নয়, সক্রিয় রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রশ্নে পরিণত করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→

শামসুল হক

সমন্বয়কব্যক্তি

ভাষা-দাবির প্রাথমিক কমিটির আহ্বায়ক

বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে গঠিত প্রাথমিক কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে তিনি ১৯৪৮-পরবর্তী পর্যায়ে আন্দোলনকে সংগঠিত রাখেন।

পূর্ববঙ্গে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠনিক পর্যায়।

তার ভূমিকা প্রথম দিকের প্রতিবাদ থেকে ১৯৫২-এর চূড়ান্ত পর্যায়ের মধ্যে ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→

শেখ মুজিবুর রহমান

নেতৃত্বব্যক্তি

ছাত্রসংগঠক ও জাতীয় নেতা

“ছয় দফা, ১৯৭০-এর ম্যান্ডেট ও ৭ মার্চের ভাষণ তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক কণ্ঠে পরিণত করে।”

ছয় দফা স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনী ম্যান্ডেট এবং ১৯৭১ সালের মার্চের গণমোবিলাইজেশনের মাধ্যমে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সাংবিধানিক সংকটকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে রূপ দেন।

পূর্ববঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান, ১৯৪৮-১৯৭১; ভাষা-রাজনীতির শুরু থেকে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার সংগ্রাম।

ভাষার অধিকার, নির্বাচনী প্রতিনিধিত্ব ও স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে তিনি বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রগঠনের গণদাবিতে পরিণত করেন।

ভাষা অধিকারস্বায়ত্তশাসনজাতীয়তাবাদ
বিস্তারিত→

মোহাম্মদ তোয়াহা

নেতৃত্বব্যক্তি

বামপন্থী ছাত্রকর্মী

মোহাম্মদ তোহা ছিলেন বামপন্থী ছাত্রকর্মী; তিনি বাংলা ভাষার প্রশ্নকে গণতন্ত্র ও শ্রেণির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করেন।

প্রাথমিক ভাষা আন্দোলনে অংশ নিয়ে ১৯৪৮ সালের প্রতিবাদ-পর্বে আহত হন; পরবর্তী রাজনৈতিক জীবনেও তিনি বাম বিরোধী রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

ভাষা আন্দোলনকে শুধু সাংস্কৃতিক নয়, অধিকার ও সামাজিক ক্ষমতার প্রশ্ন হিসেবেও দেখার ধারাকে তার কাজ জোরদার করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারকৃষক-বাম রাজনীতি
বিস্তারিত→

আবদুল মালেক উকিল

নেতৃত্বব্যক্তি

ছাত্রকর্মী

আবদুল মালেক উকিল ছিলেন ছাত্রনেতা ও আইনজীবী; পাকিস্তান-পরবর্তী প্রাথমিক বাংলা ভাষার অধিকার আন্দোলনে তিনি যুক্ত ছিলেন।

বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি গড়ে ওঠার সময় মিছিল ও পিকেটিংয়ের মাধ্যমে তিনি ছাত্রসমাজের সংগঠন ধরে রাখতে সহায়তা করেন।

তার প্রজন্ম ভাষার প্রশ্নকে ক্যাম্পাসের সক্রিয়তা থেকে বৃহত্তর সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংগ্রামে নিয়ে যায়।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত

নেতৃত্বব্যক্তি

ভাষা-অধিকার আন্দোলনের প্রবক্তা

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদে বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি তোলা প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক কণ্ঠগুলোর একজন।

তার প্রস্তাব ফেডারেশনের প্রতিনিধিত্ব কেবল উর্দু ও ইংরেজিতে সীমাবদ্ধ রাখার ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে এবং ভাষাকে সমঅধিকারের প্রশ্নে পরিণত করে।

এই হস্তক্ষেপ বাংলা ভাষার প্রশ্নকে আইনসভা থেকে গণরাজনৈতিক আন্দোলনের দিকে এগিয়ে দিতে সাহায্য করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

নেতৃত্বব্যক্তি

ভাষাবিদ ও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্তৃত্ব

মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন ভাষাবিদ ও গবেষক; তার কাজ বাংলার ঐতিহাসিক গভীরতা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করে।

পাকিস্তানের শুরুর সময়ে তার গবেষণা ভাষা আন্দোলনকে তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক প্রতিবাদের বাইরে একটি বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তি দেয়।

বাংলাকে বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিষয় এবং সাংস্কৃতিক নাগরিকত্বের কেন্দ্রীয় চিহ্ন হিসেবে প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

সুফিয়া কামাল

নেতৃত্বব্যক্তি

সাংস্কৃতিক ও নাগরিক কণ্ঠ

সুফিয়া কামাল ছিলেন কবি, সংগঠক ও নাগরিক নেতা; তিনি বাঙালি সাংস্কৃতিক পরিচয়কে জনজীবনের সক্রিয়তায় রূপ দেন।

ভাষা আন্দোলনে সমর্থন, নারী সংগঠন গঠন এবং পরে সাম্প্রদায়িকতা, স্বৈরাচার ও ১৯৭১-এর দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে তিনি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠ ছিলেন।

ছাত্রদের প্রতিবাদের বাইরে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধকে বিস্তৃত নাগরিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের নীতিতে নিয়ে যান তিনি।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→

মুনীর চৌধুরী

নেতৃত্বব্যক্তি

শিক্ষক, নাট্যকার ও ভাষা আন্দোলনের বুদ্ধিজীবী

১৯৫২ সালের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি গ্রেপ্তার হন এবং কারাগারে বসে “কবর” নাটক লেখেন, যা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শক্তিশালী সাহিত্যিক প্রতিক্রিয়া।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কারাবাস, এবং ১৯৫০-এর দশকের প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক পরিসর।

তিনি ভাষা আন্দোলনকে এমন এক নাট্য ও বুদ্ধিবৃত্তিক রূপ দেন, যা তাৎক্ষণিক সংঘর্ষের বহু বাইরে স্থায়ী প্রভাব ফেলে।

১৯৭১মুক্তিযুদ্ধবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসসংস্কৃতি
বিস্তারিত→

আবদুল হামিদ খান ভাসানী

নেতৃত্বব্যক্তি

গণরাজনৈতিক সংগঠক

দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গে তিনি জনঅসন্তোষকে বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করা অন্যতম বড় গণসংগঠকে পরিণত হন।

১৯৪০-এর শেষভাগ ও ১৯৫০-এর শুরুর দিকের পূর্ববঙ্গ।

তার নেতৃত্ব আঞ্চলিক বঞ্চনাকে সংগঠিত গণআন্দোলনের ভাষা দেয় এবং কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে।

১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত→

আবুল হাশিম

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলা মুসলিম লীগের সংগঠক

১৯৪৩ সাল থেকে বাংলা প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবুল হাশিম দলটি পুনর্গঠন এবং ১৯৪৬ সালের নির্বাচনের আগে বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে এর সমর্থন বিস্তারে ভূমিকা রাখেন।

তিনি মুসলিম লীগের রাজনীতির সঙ্গে আঞ্চলিক বাঙালি পরিচয়ের প্রশ্নকে যুক্ত করেন এবং ১৯৪৬-৪৭ সালের দেশভাগ বিতর্কে স্বাধীন ও অবিভক্ত বাংলার প্রস্তাব সমর্থন করেন।

তাঁর রাজনৈতিক জীবন দেখায় যে ঔপনিবেশিক বাংলার শেষপর্বে মুসলিম রাজনীতি একক অবস্থান ছিল না; পাকিস্তানের পাশাপাশি বাঙালি আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও পরিচয়ের ভিন্ন ধারণাও সক্রিয় ছিল।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→

তমিজউদ্দীন খান

নেতৃত্বব্যক্তি

পূর্ববঙ্গের সাংবিধানিক নেতা

ভাষা ও প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন যখন তীব্র হয়ে উঠছে, ঠিক সেই সময় পাকিস্তানের সাংবিধানিক কাঠামোয় তিনি পূর্ববঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠ ছিলেন।

পাকিস্তানের প্রাথমিক প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠানগুলো।

তার উপস্থিতি দেখায় ভাষার প্রশ্নটি আসলে ফেডারেল গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রে পূর্ববঙ্গের মর্যাদার বৃহত্তর সংকটের সঙ্গেও যুক্ত ছিল।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

নুরুল আমিন

নেতৃত্বব্যক্তি

পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

১৯৪৮ সালে নুরুল আমিন পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন এবং পাকিস্তানি শাসনের শুরুর বছরগুলোতে প্রাদেশিক সরকারের নেতৃত্ব দেন।

তাঁর সরকার প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, প্রতিনিধিত্ব ও বাংলার মর্যাদা নিয়ে বিরোধের মধ্যে কাজ করে; একই সময়ে পূর্ববঙ্গে মুসলিম লীগের বিরোধিতাও বাড়ছিল।

বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবির বিরোধিতা ভাষা আন্দোলনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপনের অংশ হয়ে ওঠে এবং ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের আগে মুসলিম লীগের কর্তৃত্ব দুর্বল হওয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

খাজা নাজিমুদ্দীন

নেতৃত্বব্যক্তি

মুসলিম লীগ নেতা

বাংলায় মুসলিম লীগের অভিজাত ধারার প্রতিনিধিত্ব করে তিনি দেশভাগের আগে ও পরে পূর্ববঙ্গকে পাকিস্তানের নতুন রাষ্ট্র কাঠামোর মধ্যে নেতৃত্ব দেন।

ঔপনিবেশিক আমলের শেষভাগের বাংলা এবং পাকিস্তানের সূচনাপর্ব।

তার রাজনৈতিক ভূমিকা বাংলার দেশভাগ ও পূর্ববঙ্গের প্রারম্ভিক রাষ্ট্রীয় অবস্থানকে একসূত্রে যুক্ত করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

লিয়াকত আলী খান

নেতৃত্বব্যক্তি

মুসলিম লীগের রাষ্ট্রনেতা

চূড়ান্ত সাংবিধানিক সমঝোতায় তিনি মুসলিম লীগের অন্যতম প্রধান আলোচক ছিলেন এবং পরে পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন।

ক্ষমতা হস্তান্তর ও পাকিস্তানের প্রারম্ভিক রাষ্ট্রগঠন।

তার রাজনৈতিক ভূমিকা সর্বভারতীয় পাকিস্তান দাবিকে পূর্ববঙ্গ-সমেত নতুন রাষ্ট্রের প্রশাসনিক বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করে।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ

নেতৃত্বব্যক্তি

সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ নেতা

পাকিস্তান দাবির প্রধান নেতা হিসেবে তিনি সেই রাজনৈতিক কাঠামো নির্মাণে নেতৃত্ব দেন যার মাধ্যমে পূর্ববঙ্গ নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের অংশ হয়।

উপমহাদেশজুড়ে সাংবিধানিক হস্তান্তর ও দেশভাগ সংক্রান্ত আলোচনা।

পাকিস্তান সৃষ্টিতে তার ভূমিকা ছিল কেন্দ্রীয়, আর পূর্ববঙ্গ সেই রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান অংশে পরিণত হয়।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→