Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

১৯৫২ সালের ব্যক্তিত্বরা

ভাষা আন্দোলন

১৯৫২ অধ্যায়ের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্ব, শহীদ, সমন্বয়ক ও সম্মিলিত শক্তির পূর্ণ তালিকা।

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

পূর্ণ ব্যক্তিত্ব তালিকা

55 প্রোফাইল

আবুল বরকত

শহীদব্যক্তি

১৯৫২-র ভাষা শহীদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এমএ শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর মিছিলে অংশ নেন এবং পুলিশের গুলিতে মরণাহত হন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ এলাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২।

তার আত্মদান ভাষার দাবিকে আত্মত্যাগ, স্মৃতি এবং জাতীয় পরিচয়ের এক পবিত্র প্রতীকে পরিণত করে।

বিস্তারিত

রফিক উদ্দিন আহমেদ

শহীদব্যক্তি

ভাষা শহীদ

১৪৪ ধারা ভেঙে ২১ ফেব্রুয়ারির মিছিলে অংশ নিয়ে তিনি পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণ, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২।

একুশের স্মৃতি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহন করার অন্যতম প্রধান নাম হয়ে ওঠেন তিনি।

বিস্তারিত

আবদুস সালাম

শহীদব্যক্তি

ভাষা শহীদ

ঢাকায় কর্মরত এক সরকারি কর্মচারী হিসেবে তিনি ২১ ফেব্রুয়ারির মিছিলে যোগ দেন এবং পরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর প্রতিবাদে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ।

তার মৃত্যু দেখায় যে আন্দোলন তখন শুধু ছাত্রদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; এটি ইতিমধ্যে জনতার আন্দোলনে পরিণত হয়েছিল।

বিস্তারিত

আবদুল জব্বার

শহীদব্যক্তি

ভাষা শহীদ

আত্মীয়ের চিকিৎসার কাজে ঢাকায় এসে তিনি ২১ ফেব্রুয়ারির প্রতিবাদে যোগ দেন এবং পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান।

২১ ফেব্রুয়ারির মিছিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ এলাকা।

তার জীবনগাথা দেখায় সংকটের মুহূর্তে সাধারণ মানুষও কীভাবে ভাষা আন্দোলনের অংশ হয়ে উঠেছিল।

বিস্তারিত

শফিউর রহমান

শহীদব্যক্তি

ভাষা শহীদ

২২ ফেব্রুয়ারি আন্দোলন শহরে ছড়িয়ে পড়ার সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে মারা যান।

নবাবপুর রোড, ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২।

তার মৃত্যু দেখায় একুশের শোক ও প্রতিবাদ কেবল একদিনে সীমিত থাকেনি; তা পুরো শহরজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল।

বিস্তারিত

ওহিউল্লাহ

শহীদব্যক্তি

পুলিশি গুলির শিশু নিহত

১৯৫২ সালের আন্দোলন-সংক্রান্ত সহিংসতায় এই নয় বছরের শিশুটি নিহত হয়।

গুলিচালনার পর উত্তেজনাপূর্ণ ঢাকা শহর।

তার মৃত্যু দেখায় রাষ্ট্রীয় দমন শুধু ছাত্রসমাজে সীমাবদ্ধ ছিল না; তা সাধারণ মানুষের জীবনকেও নির্মমভাবে আঘাত করেছিল।

বিস্তারিত

মাহবুব উল আলম চৌধুরী

নেতৃত্বব্যক্তি

কবি ও আঞ্চলিক সংগঠক

চট্টগ্রামের ভাষা আন্দোলন সংগঠনে তিনি নেতৃত্ব দেন এবং ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর হত্যাকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় প্রথম জাতীয়ভাবে আলোচিত কবিতা রচনা করেন।

চট্টগ্রাম এবং ভাষা আন্দোলনের সাংস্কৃতিক বিস্তার।

তিনি শোককে সাহিত্যে রূপ দেন এবং আন্দোলনকে ঢাকার বাইরে বিস্তৃত জনপরিসরে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করেন।

বিস্তারিত

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

নেতৃত্বব্যক্তি

গীতিকার ও প্রত্যক্ষদর্শী লেখক

তিনি “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো” গানের কথা লেখেন, যা একুশের স্মৃতির সবচেয়ে শক্তিশালী সাংস্কৃতিক প্রতীকে পরিণত হয়।

ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর হত্যাকাণ্ড-পরবর্তী সময়।

তার লেখা শোককে স্মৃতি, প্রতিবাদ এবং জাতীয় অনুভূতির এক যৌথ ভাষায় রূপ দেয়।

বিস্তারিত

আলতাফ মাহমুদ

নেতৃত্বব্যক্তি

সাংস্কৃতিক কর্মী ও একুশের স্মৃতির সুরকার

তিনি একুশের স্মৃতিকে এমন এক সুর দেন, যা জাতি আজও বহন করে।

ভাষা আন্দোলনের সাংস্কৃতিক পরিসরে সক্রিয় থেকে তিনি পরে “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো” গানের সুরারোপ করেন, যা একুশের স্মৃতির সবচেয়ে শক্তিশালী সাংস্কৃতিক প্রতীকে পরিণত হয়।

ভাষা আন্দোলন এবং তার দীর্ঘ সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার।

তার সুর ১৯৫২-এর স্মৃতিকে কেবল রাজনৈতিক নয়, আবেগ, শোক এবং প্রতিরোধের এক জীবন্ত জনস্মৃতিতে রূপ দেয়।

বিস্তারিত

হামিদুর রহমান

সমন্বয়কব্যক্তি

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার

পরে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশা করে তিনি ভাষা শহীদদের স্মৃতিকে স্থায়ী স্থাপত্যরূপ দেন।

১৯৫০-এর শেষভাগ ও ১৯৬০-এর দশকে ভাষা আন্দোলনের স্মারক নির্মাণ।

তার কাজ শহীদের স্মৃতিকে শোক, প্রতিবাদ ও রাজনৈতিক পরিচয়ের স্থায়ী জনপরিসরে পরিণত করে।

বিস্তারিত

নভেরা আহমেদ

নেতৃত্বব্যক্তি

ভাস্কর ও স্মারক-সহযোগী

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশা ও ভাস্কর্য ভাবনায় সহায়তা করে তিনি এর প্রতীকী রূপ নির্মাণে ভূমিকা রাখেন।

একুশের শিল্পভিত্তিক স্মারক নির্মাণ।

তার কাজ আধুনিক শিল্প, জনস্মৃতি এবং বাঙালি জাতীয়তাবোধকে একত্রে যুক্ত করে।

বিস্তারিত

আবুল কালাম শামসুদ্দীন

নেতৃত্বব্যক্তি

সম্পাদক ও জনসমর্থক

দৈনিক আজাদের সম্পাদক হিসেবে তিনি গুলিচালনার পর ভাষা শহীদদের প্রথম স্মৃতিস্তম্ভ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-পরবর্তী শোক ও সংবাদপত্রজগৎ।

রাষ্ট্রীয় দমনের মুহূর্তে স্মৃতিচর্চাকে জনসমর্থন ও নৈতিক স্বীকৃতি দিতে তিনি ভূমিকা রাখেন।

বিস্তারিত

আহমদ রফিক

নেতৃত্বব্যক্তি

ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসবিদ

ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ইতিহাসলেখক ও ব্যাখ্যাকার হিসেবে তিনি এর রাজনৈতিক তাৎপর্য সংরক্ষণ করেন।

১৯৫২-পরবর্তী দলিলসংগ্রহ, স্মৃতিচর্চা ও ইতিহাসরচনা।

তার গবেষণা ভাষা আন্দোলনকে বাংলাদেশের ভিত্তিগত ঐতিহাসিক আখ্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে।

বিস্তারিত

কাজী মোতাহার হোসেন

নেতৃত্বব্যক্তি

শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক বুদ্ধিজীবী

পূর্ববঙ্গে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির পক্ষে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান নেন।

পাকিস্তানের প্রারম্ভিক সময়ে একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক বিতর্ক।

তার অবস্থান বাঙালি সাংস্কৃতিক আত্মপ্রত্যয়ের পক্ষে শিক্ষিত সমাজের সমর্থনকে শক্তিশালী করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত

জসীমউদ্দীন

নেতৃত্বব্যক্তি

পল্লীকবি

তার কবিতা সেই ভাষা, স্মৃতি ও গ্রামীণ সামাজিক জগতকে ধারণ করে, যাকে দেশভাগ নির্মমভাবে ভেঙে দেয়।

দেশভাগের আগে-পরে বাংলার সাংস্কৃতিক স্মৃতি।

তার সাহিত্য মনে করিয়ে দেয় রাজনৈতিক সীমারেখা টানলেও বাংলার সাংস্কৃতিক আবেগকে সম্পূর্ণ ভাগ করা যায়নি।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত

মানিক মিয়া

নেতৃত্বব্যক্তি

সাংবাদিক ও জনমত নির্মাতা

সাংবাদিকতার মাধ্যমে তিনি পূর্ববঙ্গের বৈষম্য, অধিকার ও আঞ্চলিক মর্যাদার প্রশ্নকে জনপরিসরে শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করেন।

পাকিস্তানের শুরুর জনপরিসর ও সংবাদমাধ্যম।

তার কাজ ভাষার প্রশ্নকে পূর্ববঙ্গের বৃহত্তর রাজনৈতিক চেতনার অংশ করে তোলে।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলনবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত

আতাউর রহমান খান

নেতৃত্বব্যক্তি

বিরোধী রাজনীতিক

পূর্ববঙ্গের ওপর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে যে আঞ্চলিক রাজনৈতিক ধারা গড়ে ওঠে, তিনি তার অন্যতম অংশ হয়ে ওঠেন।

দেশভাগ-পরবর্তী পূর্ববঙ্গের রাজনীতি।

তার ভূমিকা আঞ্চলিক অধিকারভিত্তিক রাজনৈতিক কণ্ঠকে আরও দৃশ্যমান করে তোলে।

১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত

আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ

নেতৃত্বব্যক্তি

বিরোধী বক্তা ও রাজনীতিক

কেন্দ্রীয় আধিপত্য ও বঞ্চনামূলক শাসনের বিরুদ্ধে পূর্ববঙ্গে তিনি এক তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক কণ্ঠ হয়ে ওঠেন।

পূর্ব পাকিস্তানের প্রাথমিক প্রাদেশিক রাজনীতি।

পূর্ববঙ্গের মর্যাদা ও অধিকারের জনভাষা গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত

মওলানা আকরম খান

নেতৃত্বব্যক্তি

সাংবাদিক ও মুসলিম জননেতা

বাংলার মুসলিম জনজীবনে তিনি প্রভাবশালী সম্পাদক ও জননেতা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ঔপনিবেশিক শাসনের শেষভাগে বাংলা মুসলিম জনমত ও রাজনীতি।

তিনি বাঙালি মুসলিম পাঠকসমাজের কাছে প্রতিনিধিত্ব, সম্প্রদায় ও রাষ্ট্র প্রশ্নকে প্রভাবিতভাবে তুলে ধরেন।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত

হুমায়ুন কবির

নেতৃত্বব্যক্তি

বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিক

সাংবিধানিক ও শিক্ষাবিষয়ক বিতর্কে তিনি বাঙালি উদারবুদ্ধিজীবী ধারার প্রতিনিধিত্ব করেন।

ঔপনিবেশিক শাসনের শেষভাগ ও স্বাধীনতাত্তোর জনজীবন।

তার চিন্তাধারা সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বাইরে বহুত্ববাদী, নাগরিক ও শিক্ষাভিত্তিক ভবিষ্যতের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঙালি ধারা তুলে ধরে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত