Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition
❦

Discover Bengal · Unfolded

❦

১৯৫২ সালের ব্যক্তিত্বরা

✦

ভাষা আন্দোলন

১৯৫২ অধ্যায়ের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্ব, শহীদ, সমন্বয়ক ও সম্মিলিত শক্তির পূর্ণ তালিকা।

Est. 1947 · Bengal✺A Bilingual Archive

পূর্ণ ব্যক্তিত্ব তালিকা

✦

55 প্রোফাইল

আবুল বরকত

শহীদব্যক্তি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ভাষা আন্দোলনের শহীদ

“১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের প্রতিবাদে পুলিশের গুলিতে নিহত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।”

আবুল বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এমএ শিক্ষার্থী ছিলেন। পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার স্বীকৃতির দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাছে পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে সেদিন সন্ধ্যায় মারা যান।

ভাষা আন্দোলনের নির্ণায়ক সংঘাতের সময় তাঁর মৃত্যু ঘটে, যখন শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ১৪৪ ধারা অমান্য করে মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের কাছে সমবেত হয়েছিল। এই আন্দোলনে ভাষার অধিকার পূর্ব বাংলার প্রতিনিধিত্ব ও রাজনৈতিক মর্যাদার দাবির সঙ্গে যুক্ত হয়।

বরকত বাংলাদেশের ২১ ফেব্রুয়ারির স্মৃতির অন্যতম কেন্দ্রীয় শহীদ হয়ে ওঠেন। ১৯৬৩ সালে তাঁর মা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন—ফলে ব্যক্তিগত শোক আন্দোলনের স্থায়ী জনস্মৃতি ও স্মৃতিসৌধের ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত হয়।

ভাষা-আন্দোলনভাষা-শহীদ১৯৫২ঢাকা-বিশ্ববিদ্যালয়
বিস্তারিত→

রফিক উদ্দিন আহমেদ

শহীদব্যক্তি

ভাষা শহীদ

“রফিক উদ্দিন আহমেদ বাংলা ভাষার স্বীকৃতির দাবিতে ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।”

১৪৪ ধারা ভেঙে ২১ ফেব্রুয়ারির মিছিলে অংশ নিয়ে তিনি পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণ, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২।

একুশের স্মৃতি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহন করার অন্যতম প্রধান নাম হয়ে ওঠেন তিনি।

বিস্তারিত→

আবদুস সালাম

শহীদব্যক্তি

ভাষা আন্দোলনের শহীদ ও সরকারি কর্মচারী

“২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর গুলিবর্ষণে আহত হয়ে পরে মৃত্যুবরণ করা সরকারি কর্মচারী।”

আবদুস সালাম ঢাকায় কর্মরত একজন সরকারি কর্মচারী ছিলেন এবং ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের প্রতিবাদে যোগ দেন। পুলিশের গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেই আঘাতে মারা যান।

পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার স্বীকৃতির দাবিতে তাঁর অংশগ্রহণ শিক্ষার্থী ও অন্যান্য সাধারণ মানুষের সঙ্গে একজন কর্মজীবী নাগরিকের উপস্থিতি তুলে ধরে। গুলির দিনেই তিনি মারা যাননি; কয়েক সপ্তাহ পরে তাঁর মৃত্যু হয়।

সালামের মৃত্যু ভাষা আন্দোলনের শহীদ-স্মৃতির অংশ হয়ে ওঠে। তাঁর জীবনকথা আন্দোলনে সাধারণ মানুষের বিস্তৃত অংশগ্রহণ এবং ২১ ফেব্রুয়ারির পুলিশি গুলির তাৎক্ষণিক দৃশ্যের বাইরেও চলতে থাকা পরিণতি বোঝায়।

ভাষা-আন্দোলনভাষা-শহীদ১৯৫২বেসামরিক-অংশগ্রহণকারী
বিস্তারিত→

আবদুল জব্বার

শহীদব্যক্তি

ভাষা আন্দোলনের শহীদ ও বেসামরিক অংশগ্রহণকারী

“১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের প্রতিবাদে স্মরণীয় একজন বেসামরিক অংশগ্রহণকারী ও শহীদ।”

আবদুল জব্বার শাশুড়ির চিকিৎসার জন্য পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় আসেন এবং ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাছে জনতার প্রতিবাদে যোগ দেন। পুলিশের গুলিবর্ষণে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন এবং পরে মারা যান।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা ছিলেন না; পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার স্বীকৃতির দাবিতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ যখন সমবেত হয়, তখন তিনি ভাষা আন্দোলনের প্রধান সংঘাতে একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে যুক্ত হন।

জব্বারের মৃত্যু ভাষা আন্দোলনের শহীদ-স্মৃতির অংশ হয়ে ওঠে এবং আন্দোলনকে দীর্ঘস্থায়ী নৈতিক ও নাগরিক অর্থ দেয়। তাঁর জীবনকথা আন্দোলনের সামাজিক ইতিহাসকে শুধু ক্যাম্পাসের কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতিবাদে যোগ দেওয়া সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতার দিকেও প্রসারিত করে।

ভাষা-আন্দোলনভাষা-শহীদ১৯৫২শহীদ-স্মৃতি
বিস্তারিত→

শফিউর রহমান

শহীদব্যক্তি

ভাষা শহীদ

“শফিউর রহমান ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ নবাবপুর রোডে গুলিবিদ্ধ হয়ে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।”

২২ ফেব্রুয়ারি আন্দোলন শহরে ছড়িয়ে পড়ার সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে মারা যান।

নবাবপুর রোড, ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২।

তার মৃত্যু দেখায় একুশের শোক ও প্রতিবাদ কেবল একদিনে সীমিত থাকেনি; তা পুরো শহরজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল।

বিস্তারিত→

ওহিউল্লাহ

শহীদব্যক্তি

পুলিশি গুলির শিশু নিহত

“নয় বছরের শিশু ওহিউল্লাহ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে ঘিরে ঢাকার সহিংসতায় নিহত বেসামরিকদের অন্যতম।”

১৯৫২ সালের আন্দোলন-সংক্রান্ত সহিংসতায় এই নয় বছরের শিশুটি নিহত হয়।

গুলিচালনার পর উত্তেজনাপূর্ণ ঢাকা শহর।

তার মৃত্যু দেখায় রাষ্ট্রীয় দমন শুধু ছাত্রসমাজে সীমাবদ্ধ ছিল না; তা সাধারণ মানুষের জীবনকেও নির্মমভাবে আঘাত করেছিল।

বিস্তারিত→

মাহবুব উল আলম চৌধুরী

নেতৃত্বব্যক্তি

কবি ও আঞ্চলিক সংগঠক

“মাহবুব উল আলম চৌধুরীর কবিতা ভাষা আন্দোলনের শোক ও প্রতিবাদকে চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক পরিসরে পৌঁছে দেয়।”

চট্টগ্রামের ভাষা আন্দোলন সংগঠনে তিনি নেতৃত্ব দেন এবং ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর হত্যাকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় প্রথম জাতীয়ভাবে আলোচিত কবিতা রচনা করেন।

চট্টগ্রাম এবং ভাষা আন্দোলনের সাংস্কৃতিক বিস্তার।

তিনি শোককে সাহিত্যে রূপ দেন এবং আন্দোলনকে ঢাকার বাইরে বিস্তৃত জনপরিসরে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করেন।

বিস্তারিত→

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

নেতৃত্বব্যক্তি

গীতিকার, লেখক ও সাংবাদিক

““আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো” গানের গীতিকার, যা ভাষা আন্দোলনের স্মরণের একটি সংজ্ঞায়ক গান।”

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো” গানের কথা লেখেন, যা বাংলা ভাষা আন্দোলনের স্মরণে সবচেয়ে বেশি পরিবেশিত গানগুলোর একটি হয়ে ওঠে।

ঢাকায় ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারির পুলিশি গুলিবর্ষণের পর তিনি এই গানটির কথা লেখেন। পরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে তিনি বাংলা লেখক, সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার হিসেবে দীর্ঘ কর্মজীবন গড়ে তোলেন।

গানটি ১৯৫২ সালের মৃত্যু ও দাবিকে একুশে ফেব্রুয়ারি এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের নিয়মিত জনস্মরণ ও সাংস্কৃতিক আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করে। তাঁর সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক ভাষ্যও বাংলাদেশের রাজনীতি, স্মৃতি ও জাতীয় পরিচয় নিয়ে বিতর্কে তাঁকে দীর্ঘদিনের অংশগ্রহণকারী করে রাখে।

বিস্তারিত→

আলতাফ মাহমুদ

নেতৃত্বব্যক্তি

সাংস্কৃতিক কর্মী ও একুশের স্মৃতির সুরকার

“তিনি একুশের স্মৃতিকে এমন এক সুর দেন, যা জাতি আজও বহন করে।”

ভাষা আন্দোলনের সাংস্কৃতিক পরিসরে সক্রিয় থেকে তিনি পরে “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো” গানের সুরারোপ করেন, যা একুশের স্মৃতির সবচেয়ে শক্তিশালী সাংস্কৃতিক প্রতীকে পরিণত হয়।

ভাষা আন্দোলন এবং তার দীর্ঘ সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার।

তার সুর ১৯৫২-এর স্মৃতিকে কেবল রাজনৈতিক নয়, আবেগ, শোক এবং প্রতিরোধের এক জীবন্ত জনস্মৃতিতে রূপ দেয়।

বিস্তারিত→

হামিদুর রহমান

সমন্বয়কব্যক্তি

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার

“কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশার সঙ্গে যুক্ত শিল্পী ও স্থপতি।”

হামিদুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নকশা করেন এবং ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদদের স্মৃতিকে স্থায়ী স্থাপত্যরূপ দেন।

১৯৫০-এর শেষভাগ ও ১৯৬০-এর দশকে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিকে স্থাপত্য, আচার ও বার্ষিক স্মরণে রূপ দেওয়ার সময় তাঁর নকশা তৈরি হয়।

রহমানের কাজ শহীদ-স্মৃতিকে এমন একটি স্থায়ী জনপরিসরে রূপ দেয়, যেখানে শোক, সাংস্কৃতিক পরিচয় ও রাজনৈতিক প্রকাশ একত্র হতে পারে।

বিস্তারিত→

নভেরা আহমেদ

নেতৃত্বব্যক্তি

ভাস্কর ও স্মারক-সহযোগী

“নভেরা আহমেদ হামিদুর রহমানের সঙ্গে প্রাথমিক শহীদ মিনার কমপ্লেক্সের কাজে সহায়তা করেন এবং স্মারকটির জন্য ভাস্কর্য নির্মাণ করেন।”

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশা ও ভাস্কর্য ভাবনায় সহায়তা করে তিনি এর প্রতীকী রূপ নির্মাণে ভূমিকা রাখেন।

একুশের শিল্পভিত্তিক স্মারক নির্মাণ।

তার কাজ আধুনিক শিল্প, জনস্মৃতি এবং বাঙালি জাতীয়তাবোধকে একত্রে যুক্ত করে।

বিস্তারিত→

আবুল কালাম শামসুদ্দীন

নেতৃত্বব্যক্তি

ভাষা আন্দোলনের সম্পাদক, সাংবাদিক ও জনসমর্থক

“দৈনিক আজাদের সম্পাদক, যিনি ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদদের প্রথম অস্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করেন।”

দৈনিক আজাদের সম্পাদক হিসেবে আবুল কালাম শামসুদ্দীন ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর গুলিচালনার পর জনস্মরণে সমর্থন দেন এবং ভাষা শহীদদের প্রথম অস্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

ভাষা আন্দোলনের হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রীয় বিধিনিষেধ, সংবাদপত্র ও জনশোকের সংযোগস্থলে তাঁর ভূমিকা গড়ে ওঠে। পরবর্তী স্মৃতিচর্চা বিকশিত হওয়ার আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাছে এই অস্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়।

শামসুদ্দীন সংবাদপত্র ও স্মরণানুষ্ঠানের মাধ্যমে নিহতদের স্মৃতিকে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদস্থল থেকে বৃহত্তর জনপরিসরে নিয়ে যেতে সাহায্য করেন।

ভাষা-আন্দোলনদৈনিক-আজাদসংবাদপত্রের-ইতিহাসশহীদ-স্মৃতি
বিস্তারিত→

আহমদ রফিক

নেতৃত্বব্যক্তি

ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসবিদ, লেখক ও ব্যাখ্যাকার

“ভাষা আন্দোলনের রাজনৈতিক তাৎপর্য নথিবদ্ধ করা ইতিহাসবিদ ও লেখক।”

আহমদ রফিক ইতিহাসরচনা, প্রবন্ধ ও জনবুদ্ধিজীবী কাজের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলন এবং এর রাজনৈতিক তাৎপর্য নথিবদ্ধ ও ব্যাখ্যা করেন।

তাঁর কাজ ১৯৫২-পরবর্তী সাক্ষ্য সংরক্ষণ, ঘটনাক্রম পুনর্গঠন এবং পূর্ব বাংলায় ভাষা, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক দাবির সম্পর্ক ব্যাখ্যার ধারার অংশ।

রফিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও সাহিত্যিক আলোচনায় ভাষা আন্দোলনকে জীবন্ত রাখতে সাহায্য করেন। তাঁর কর্মজীবন দেখায়, আন্দোলনের উত্তরাধিকার পরবর্তী গবেষক ও ব্যাখ্যাকারদের কাজেও নির্মিত হয়েছে।

বিস্তারিত→

কাজী মোতাহার হোসেন

নেতৃত্বব্যক্তি

শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক বুদ্ধিজীবী

কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন পরিসংখ্যানবিদ, লেখক ও সাংস্কৃতিক বুদ্ধিজীবী; পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির পক্ষে তিনি কাজ করেন।

গবেষণা, প্রবন্ধ ও সাহিত্যিক সংগঠনের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক একরূপতার চাপের সময়ে তিনি বাঙালি জনপরিসরকে সক্রিয় রাখতে সহায়তা করেন।

বৈজ্ঞানিক শিক্ষা ও বাঙালির সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাসকে যুক্ত করার ক্ষেত্রে তার কাজ গুরুত্বপূর্ণ।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

জসীমউদ্দীন

নেতৃত্বব্যক্তি

পল্লীকবি

জসীমউদ্দীন ছিলেন কবি ও লোকসংস্কৃতি-সংগ্রাহক; আধুনিক বাংলা সাহিত্যে গ্রামীণ বাংলার ভাষা, গান, শ্রম ও আবেগের জগতকে তিনি কেন্দ্রীয় করে তোলেন।

লোকঐতিহ্য সংগ্রহ ও রূপান্তরের পাশাপাশি তিনি এমন কবিতা লিখেছেন যা গ্রামজীবনকে অতীতের জাদুঘর না বানিয়ে জীবন্ত অভিজ্ঞতা হিসেবে ধরে রাখে।

দেশভাগের রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যেও বাংলা সাংস্কৃতিক স্মৃতিকে সংযুক্ত রাখার শক্তিশালী সাহিত্যিক কণ্ঠ তিনি।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→

মানিক মিয়া

নেতৃত্বব্যক্তি

সাংবাদিক ও জনমত নির্মাতা

তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ছিলেন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার; ইত্তেফাকের সম্পাদকীয়র মাধ্যমে তিনি পূর্ব বাংলার অধিকার ও স্বায়ত্তশাসনের জনভাষা গড়ে তোলেন।

‘মুসাফির’ ছদ্মনামে তিনি দৈনন্দিন বঞ্চনাকে সাংবিধানিক বৈষম্য, অর্থনৈতিক অসমতা ও গণপ্রতিনিধিত্বের দাবির সঙ্গে যুক্ত করেন।

তার সাংবাদিকতা বৃহৎ পাঠকের কাছে স্বায়ত্তশাসনের রাজনৈতিক চেতনাকে বোধগম্য করে তোলে।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলনবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→

আতাউর রহমান খান

নেতৃত্বব্যক্তি

বিরোধী রাজনীতিক

আতাউর রহমান খান ছিলেন আইনজীবী ও বিরোধী রাজনীতিক; তিনি পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী এবং পরে বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে দায়িত্ব পালন করেন।

কেন্দ্রীয় আধিপত্যের বিরোধিতা করে তিনি পূর্ব বাংলায় অধিকতর আত্মনির্ভর প্রাদেশিক জনমত গড়ে ওঠায় অবদান রাখেন।

বাংলার স্বায়ত্তশাসন রাজনীতির সাংবিধানিক ও নির্বাচনী ধারার তিনি একজন প্রতিনিধি।

১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত→

আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ

নেতৃত্বব্যক্তি

বিরোধী বক্তা ও রাজনীতিক

আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ মুসলিম লীগ-পর্বের রাজনীতিক এবং পূর্ব পাকিস্তানের একজন গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী কণ্ঠ ছিলেন।

কেন্দ্রীয় শাসনের সমালোচনা করে তিনি পূর্ব বাংলার মর্যাদা, প্রতিনিধিত্ব ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণের প্রাদেশিক দাবি তুলে ধরেন।

স্বায়ত্তশাসনের পরবর্তী আন্দোলন শক্তিশালী হওয়ার আগেই অধিকারভিত্তিক বিরোধী রাজনৈতিক ভাষা গঠনে তার ভূমিকা ছিল।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

মওলানা আকরম খান

নেতৃত্বব্যক্তি

সাংবাদিক ও মুসলিম জননেতা

মওলানা আকরম খাঁ ছিলেন সাংবাদিক, সম্পাদক ও ঔপনিবেশিক বাংলার মুসলিম জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা।

সংবাদপত্র প্রকাশনা ও রাজনৈতিক ভাষ্যের মাধ্যমে তিনি মুসলিম প্রতিনিধিত্ব, বাঙালি পরিচয় এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র নিয়ে বিতর্ককে প্রভাবিত করেন।

রাজনৈতিক শিক্ষা ও জনমত গঠনের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সংবাদপত্রের ভূমিকা তার কাজ থেকে বোঝা যায়।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→

হুমায়ুন কবির

নেতৃত্বব্যক্তি

বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিক

হুমায়ুন কবীর ছিলেন শিক্ষাবিদ, লেখক ও রাজনীতিক; ঔপনিবেশিকতার শেষ পর্ব এবং পরবর্তী সময়ে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সংবিধান নিয়ে বিতর্কে তিনি অংশ নেন।

বাংলা ও ভারতের জাতীয় প্রাতিষ্ঠানিক পরিসরে তার জনজীবন বাঙালি বুদ্ধিবৃত্তিক প্রশ্নকে বৃহত্তর নীতিনির্ধারণী আলোচনায় নিয়ে যায়।

বহুত্ববাদ ও আধুনিক শিক্ষাকে জনজীবনের ভিত্তি হিসেবে দেখার উদার শিক্ষাবাদী ধারার তিনি একজন প্রতিনিধি।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→