শেখ মুজিবুর রহমান
নেতৃত্বব্যক্তি
ছাত্রসংগঠক ও জাতীয় নেতা
“দেশভাগের প্রথম ক্ষত থেকে স্বাধীনতার শেষ লড়াই পর্যন্ত তার জনজীবন একটি দীর্ঘ সেতু।”
দেশভাগের অব্যবহিত পর থেকেই পূর্ববঙ্গে তিনি ছাত্র ও রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে উঠে আসেন; ভাষার অধিকার, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন এবং পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার দিকে যাওয়া গণআন্দোলনে তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেন।
পূর্ববঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান, ১৯৪৮-১৯৭১; ভাষা-রাজনীতির শুরু থেকে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার সংগ্রাম।
তার রাজনৈতিক পথ ১৯৪৭-পরবর্তী প্রতিনিধিত্ব ও ভাষা সংকটকে পরবর্তী আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রগঠনের দাবির সঙ্গে যুক্ত করে।
ভাষা অধিকারস্বায়ত্তশাসনজাতীয়তাবাদ
বিস্তারিত→আবুল কাশেম
নেতৃত্বব্যক্তি
ভাষা আন্দোলনের সংগঠক
আবুল কাশেম বাংলাদেশের রাষ্ট্র-রাজনৈতিক গতিপথে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সময়ের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপট।
রাজনৈতিক বৈধতা, রাষ্ট্রক্ষমতা ও ঐতিহাসিক স্মৃতির আলোচনায় এই ব্যক্তিত্ব গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→শামসুল হক
সমন্বয়কব্যক্তি
ভাষা-দাবির প্রাথমিক কমিটির আহ্বায়ক
বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে গঠিত প্রাথমিক কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে তিনি ১৯৪৮-পরবর্তী পর্যায়ে আন্দোলনকে সংগঠিত রাখেন।
পূর্ববঙ্গে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠনিক পর্যায়।
তার ভূমিকা প্রথম দিকের প্রতিবাদ থেকে ১৯৫২-এর চূড়ান্ত পর্যায়ের মধ্যে ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→অলি আহাদ
নেতৃত্বব্যক্তি
ছাত্র ও রাজনৈতিক কর্মী
তিনি ভাষা আন্দোলনের লড়াকু তরুণ সংগঠকদের একজন ছিলেন এবং প্রাথমিক পর্যায় থেকেই আন্দোলনের ঢেউয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
পূর্ববঙ্গের ছাত্ররাজনীতি ও রাস্তাভিত্তিক প্রতিবাদ।
তার ভূমিকা ভাষার প্রশ্নকে কেবল প্রতীকি নয়, সক্রিয় রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রশ্নে পরিণত করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→আবদুল মতিন
সমন্বয়কব্যক্তি
ভাষা আন্দোলনের সংগঠক
ভাষা মতিন নামে পরিচিত তিনি ১৯৫২ সালে সরাসরি আন্দোলনের পক্ষে সবচেয়ে দৃশ্যমান ছাত্রনেতাদের একজন ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৯৪৮-১৯৫২ পর্যায়ের আন্দোলনের সমন্বয়।
তিনি বাংলা ভাষার দাবিকে সংগঠিত পথের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ দিতে সাহায্য করেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→