Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

১৯৭২ — রাষ্ট্রগঠন ও ১৯৭২-এর সংবিধান

নৈতিক বিজয়কে একটি সাংবিধানিক রাষ্ট্রে রূপ দিতে হয়েছিল।

১৯৭২ সালে বাংলাদেশ যুদ্ধজয়ের পর রাষ্ট্রগঠনের কঠিন পর্যায়ে প্রবেশ করে। জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফিরে এসে নতুন সরকারকে নেতৃত্ব দেন, এপ্রিলে গণপরিষদ কাজ শুরু করে, এবং ৪ নভেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়ে ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হয়। এই বছর মুক্তিযুদ্ধজাতীয় স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র ও রাজনৈতিক সংগ্রাম।ের আদর্শকে সংসদীয় সরকার, মৌলিক অধিকার, এবং জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার চার রাষ্ট্রীয় মূলনীতির মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

স্বাধীন বাংলাদেশ যুদ্ধ, উচ্ছেদ ও পুনর্গঠনের ভেতর দিয়ে সংসদীয় প্রজাতন্ত্র নির্মাণ করে।

গুরুত্ব: প্রধানস্বাধীনতার পর রাষ্ট্র ও গণতন্ত্রধারা: রাষ্ট্রক্ষমতা ও গণতান্ত্রিক রূপান্তরস্থান: বাংলা অঞ্চল

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

১৯৭২ সালে বাংলাদেশ যুদ্ধজয়ের পর রাষ্ট্রগঠনের কঠিন পর্যায়ে প্রবেশ করে। জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফিরে এসে নতুন সরকারকে নেতৃত্ব দেন, এপ্রিলে গণপরিষদ কাজ শুরু করে, এবং ৪ নভেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়ে ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হয়। এই বছর মুক্তিযুদ্ধজাতীয় স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র ও রাজনৈতিক সংগ্রাম।ের আদর্শকে সংসদীয় সরকার, মৌলিক অধিকার, এবং জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার চার রাষ্ট্রীয় মূলনীতির মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ঐতিহাসিক সম্পর্ক

দীর্ঘমেয়াদি উত্তরাধিকার

১৯৭৫

বাকশাল প্রতিষ্ঠা ও পতন

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ এক ঐতিহাসিক মোড়ে দাঁড়ায়: বাকশাল কাঠামোর দিকে অগ্রসর হওয়া, রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড, এবং ৩ নভেম্বর জেলহত্যা। এই ধারাবাহিক ঘটনা রাষ্ট্র, দলীয় রাজনীতি ও সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদে বদলে দেয়।

১৯৫২

ভাষা আন্দোলন

দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গ এমন এক রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মুখোমুখি হয়, যেখানে উর্দুকে একক মর্যাদা দিয়ে বাংলা ভাষা ও বাঙালি পরিচয়কে চাপের মুখে ফেলা হচ্ছিল। এই অধ্যায় দেখায় কীভাবে প্রতিবাদ, ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর হত্যাকাণ্ড, এবং ভাষার প্রশ্ন ধীরে ধীরে বাঙালির রাজনৈতিক আত্মপরিচয়ের কেন্দ্রে পরিণত হয়।

টাইমলাইন

মূল ব্যক্তিত্ব

শেখ মুজিবুর রহমান

নেতৃত্বব্যক্তি

ছাত্রসংগঠক ও জাতীয় নেতা

দেশভাগের প্রথম ক্ষত থেকে স্বাধীনতার শেষ লড়াই পর্যন্ত তার জনজীবন একটি দীর্ঘ সেতু।

দেশভাগের অব্যবহিত পর থেকেই পূর্ববঙ্গে তিনি ছাত্র ও রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে উঠে আসেন; ভাষার অধিকার, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন এবং পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার দিকে যাওয়া গণআন্দোলনে তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেন।

পূর্ববঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান, ১৯৪৮-১৯৭১; ভাষা-রাজনীতির শুরু থেকে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার সংগ্রাম।

তার রাজনৈতিক পথ ১৯৪৭-পরবর্তী প্রতিনিধিত্ব ও ভাষা সংকটকে পরবর্তী আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রগঠনের দাবির সঙ্গে যুক্ত করে।

ভাষা অধিকারস্বায়ত্তশাসনজাতীয়তাবাদ
বিস্তারিত

তাজউদ্দীন আহমদ

সমন্বয়কব্যক্তি

অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী

ফ্রন্টলাইনের বাইরে থেকেও যুদ্ধের মানচিত্র তিনি ধরে রেখেছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো, কূটনৈতিক যোগাযোগ ও যুদ্ধ-পরিকল্পনার সমন্বয় করেন। বিচ্ছিন্ন প্রতিরোধকে একটি কার্যকর রাষ্ট্র-পরিচালিত সংগ্রামে রূপ দেন।

মুজিবনগর সরকার, ১৯৭১; ভারত ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিমণ্ডল।

রাজনৈতিক বৈধতা, সামরিক সমন্বয় এবং আন্তর্জাতিক সমর্থনকে এক ফ্রেমে এনে মুক্তিযুদ্ধের কার্যকর রাষ্ট্রীয় রূপরেখা প্রতিষ্ঠা করেন।

রাষ্ট্রনীতিযুদ্ধকালীন শাসনকূটনীতি
বিস্তারিত

আবু সাঈদ চৌধুরী

নেতৃত্বব্যক্তি

মুক্তিযুদ্ধের কূটনৈতিক মুখ

যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে তিনি স্বাধীনতার কণ্ঠকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দেন।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার রাজনৈতিক বৈধতা ও নৈতিক দাবিকে তুলে ধরেন।

আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও বৈদেশিক প্রচারণা, ১৯৭১।

তার প্রচেষ্টা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পথকে শক্তিশালী করে।

কূটনীতিআন্তর্জাতিক অ্যাডভোকেসিরাষ্ট্র বৈধতা
বিস্তারিত

কামাল হোসেন

নেতৃত্বব্যক্তি

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি

তিনি ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির নেতৃত্ব দেন এবং বাংলাদেশের প্রাথমিক সংসদীয় কাঠামোর অন্যতম প্রধান আইনগত স্থপতি হিসেবে কাজ করেন।

মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশে রাষ্ট্রগঠন ও সংবিধান প্রণয়ন।

তার ভূমিকা স্বাধীনতার আদর্শকে অধিকার, সংসদীয় শাসন ও প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক ভাষায় রূপ দিতে সাহায্য করে।

বিস্তারিত

জুলফিকার আলী ভুট্টো

নেতৃত্বব্যক্তি

পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রতিষ্ঠাতা; ১৯৭০-পরবর্তী সংকটে পশ্চিম পাকিস্তানের প্রধান রাজনীতিক; পরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

১৯৭০-এর নির্বাচনী সংকট থেকে ১৯৭১-এর ভাঙনের পর্যায়ে তিনি ছিলেন কেন্দ্রীয় কিন্তু বিতর্কিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

তিনি ১৯৬৭ সালে পাকিস্তান পিপলস পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯৭০ নির্বাচনের পর পশ্চিম পাকিস্তানের একটি প্রধান রাজনৈতিক মুখ হয়ে ওঠেন। ইয়াহিয়া-মুজিব-ভুট্টো আলোচনার প্রেক্ষাপটে তিনি অংশ নেন এবং ১৯৭১-পূর্ব ক্ষমতা হস্তান্তর অচলাবস্থার একটি কেন্দ্রীয় অংশীদার ছিলেন।

পাকিস্তান পর্বের শেষের সাংবিধানিক ভাঙন, ১৯৭০ নির্বাচনের পরবর্তী অচলাবস্থা, এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের আগে বিতর্কিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট; পরে ১৯৭১-পরবর্তী পাকিস্তানের রাষ্ট্রপুনর্গঠন।

বাংলাদেশ-সম্পর্কিত ইতিহাসচর্চায় তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু বিতর্কিত হিসেবে বিবেচিত: তিনি সংকট-সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত ও আলোচনায় একটি প্রধান রাজনৈতিক অংশগ্রহণকারী ছিলেন, তবে ফলাফলের জন্য তার ব্যক্তিগত দায়ের মাত্রা নিয়ে ব্যাখ্যা ভিন্ন।

পাকিস্তান পিপলস পার্টি১৯৭০ নির্বাচনক্ষমতা হস্তান্তর সংকটইয়াহিয়া-মুজিব-ভুট্টো আলোচনা
বিস্তারিত

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

সংবিধান

বাংলাপিডিয়া

গৌণ

১৯৭২ সালের সংবিধানের গ্রহণ, কাঠামো, মূলনীতি এবং পরবর্তী সংশোধন-ইতিহাস বোঝার জন্য বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক রেফারেন্স।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ

এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

গৌণ

মুজিবের প্রত্যাবর্তন এবং প্রাথমিক সাংবিধানিক রাষ্ট্রগঠনের একটি সংক্ষিপ্ত ঐতিহাসিক সারাংশ।

গবেষণা প্রবন্ধ ও পেপার · Scholarly Articles and Papers

Bangladesh under Mujib, Zia, and Ershad

এস. আর. চক্রবর্তী

গৌণ

মুজিব-পরবর্তী রাজনীতি, জিয়া ও এরশাদ পর্বসহ ১৯৯০-এর গণতান্ত্রিক সংকটের একটি বিস্তৃত রাজনৈতিক ইতিহাস।

সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক রিসোর্স · Literature and Cultural Texts

The Emergence of Bangladesh

হাবিবুল খন্দকার, ওলাভ মুলারলিঙ্ক, আসিফ বিন আলি

গৌণ

বাংলাদেশের উত্থান ও গঠনের ওপর ভাষা-রাজনীতি, ১৯৭১ যুদ্ধ, এবং পরবর্তী রূপান্তর নিয়ে একটি বহুমাত্রিক সংকলন।

গবেষণা প্রবন্ধ ও পেপার · Scholarly Articles and Papers

Fifty Years of Bangladesh

রওনক জাহান, রেহমান সোবহান

গৌণ

বাংলাদেশের প্রথম পাঁচ দশকের অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজ, এবং সংস্কৃতি নিয়ে একটি বহুমাত্রিক সংকলন।

প্রশ্নোত্তর

FAQ

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে কী বদলায়?

বাংলাদেশ যুদ্ধকালীন রূপান্তর থেকে প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন ও সংবিধানভিত্তিক আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রগঠনের পর্যায়ে প্রবেশ করে।

FAQ

১৯৭২ সালের সংবিধান কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এটি নতুন রাষ্ট্রে নাগরিকত্ব, রাষ্ট্রকাঠামো ও প্রজাতন্ত্রের মৌলিক নীতিমালার প্রথম সাংবিধানিক ভিত্তি দেয়।

FAQ

তাৎক্ষণিক রাষ্ট্রগঠনের বড় চ্যালেঞ্জগুলো কী ছিল?

যুদ্ধোত্তর ধ্বংস, প্রশাসনিক পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও নিরাপত্তা স্থিতিশীলতা ছিল জরুরি অগ্রাধিকার।

FAQ

১৯৭২ কীভাবে পরবর্তী সংকটের সাথে যুক্ত?

প্রাথমিক রাষ্ট্রগঠনের প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ও সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা পরবর্তী রাজনৈতিক দ্বন্দ্বকে প্রভাবিত করে।

উদ্ধৃতি

১৯৭২ ছিল সেই বছর, যখন মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে কার্যকর সাংবিধানিক রাষ্ট্রে রূপ দিতে হয়েছে।

১৯৭২ নিয়ে ঐতিহাসিক প্রতিফলন

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

১৯৭২ সালে বাংলাদেশ যুদ্ধজয়ের পর রাষ্ট্রগঠনের কঠিন পর্যায়ে প্রবেশ করে। জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফিরে এসে নতুন সরকারকে নেতৃত্ব দেন, এপ্রিলে গণপরিষদ কাজ শুরু করে, এবং ৪ নভেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়ে ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হয়। এই বছর মুক্তিযুদ্ধজাতীয় স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র ও রাজনৈতিক সংগ্রাম।ের আদর্শকে সংসদীয় সরকার, মৌলিক অধিকার, এবং জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার চার রাষ্ট্রীয় মূলনীতির মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

১৯৭২ সালের ঘটনাগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানেই স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম সাংবিধানিক কাঠামো স্থাপিত হয়। এই বছর দেখায় কীভাবে মুক্তিযুদ্ধজাতীয় স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র ও রাজনৈতিক সংগ্রাম।ের আদর্শকে প্রতিষ্ঠান, অধিকার এবং সংসদীয় শাসনে অনুবাদ করা হয়েছিল, এবং কেন পরবর্তী সাংবিধানিক ভাঙনগুলোকে সেই মূল কাঠামোর আলোকে বিচার করা হয়।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

১৯৭২ সালের ঘটনাগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানেই স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম সাংবিধানিক কাঠামো স্থাপিত হয়। এই বছর দেখায় কীভাবে মুক্তিযুদ্ধজাতীয় স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র ও রাজনৈতিক সংগ্রাম।ের আদর্শকে প্রতিষ্ঠান, অধিকার এবং সংসদীয় শাসনে অনুবাদ করা হয়েছিল, এবং কেন পরবর্তী সাংবিধানিক ভাঙনগুলোকে সেই মূল কাঠামোর আলোকে বিচার করা হয়।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

১৯৭২ সালের ঘটনাগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানেই স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম সাংবিধানিক কাঠামো স্থাপিত হয়। এই বছর দেখায় কীভাবে মুক্তিযুদ্ধজাতীয় স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র ও রাজনৈতিক সংগ্রাম।ের আদর্শকে প্রতিষ্ঠান, অধিকার এবং সংসদীয় শাসনে অনুবাদ করা হয়েছিল, এবং কেন পরবর্তী সাংবিধানিক ভাঙনগুলোকে সেই মূল কাঠামোর আলোকে বিচার করা হয়।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

১৯৭২ সালের ঘটনাগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানেই স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম সাংবিধানিক কাঠামো স্থাপিত হয়। এই বছর দেখায় কীভাবে মুক্তিযুদ্ধজাতীয় স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র ও রাজনৈতিক সংগ্রাম।ের আদর্শকে প্রতিষ্ঠান, অধিকার এবং সংসদীয় শাসনে অনুবাদ করা হয়েছিল, এবং কেন পরবর্তী সাংবিধানিক ভাঙনগুলোকে সেই মূল কাঠামোর আলোকে বিচার করা হয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

দীর্ঘমেয়াদি উত্তরাধিকার

১৯৭২ সালের ঘটনাগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানেই স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম সাংবিধানিক কাঠামো স্থাপিত হয়। এই বছর দেখায় কীভাবে মুক্তিযুদ্ধজাতীয় স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র ও রাজনৈতিক সংগ্রাম।ের আদর্শকে প্রতিষ্ঠান, অধিকার এবং সংসদীয় শাসনে অনুবাদ করা হয়েছিল, এবং কেন পরবর্তী সাংবিধানিক ভাঙনগুলোকে সেই মূল কাঠামোর আলোকে বিচার করা হয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

পরিচয় ও স্মৃতি নোট

১৯৭২ সালের ঘটনাগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানেই স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম সাংবিধানিক কাঠামো স্থাপিত হয়। এই বছর দেখায় কীভাবে মুক্তিযুদ্ধজাতীয় স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র ও রাজনৈতিক সংগ্রাম।ের আদর্শকে প্রতিষ্ঠান, অধিকার এবং সংসদীয় শাসনে অনুবাদ করা হয়েছিল, এবং কেন পরবর্তী সাংবিধানিক ভাঙনগুলোকে সেই মূল কাঠামোর আলোকে বিচার করা হয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি