শেখ মুজিবুর রহমান
নেতৃত্বব্যক্তি
ছাত্রসংগঠক ও জাতীয় নেতা
“ছয় দফা, ১৯৭০-এর ম্যান্ডেট ও ৭ মার্চের ভাষণ তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক কণ্ঠে পরিণত করে।”
ছয় দফা স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনী ম্যান্ডেট এবং ১৯৭১ সালের মার্চের গণমোবিলাইজেশনের মাধ্যমে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সাংবিধানিক সংকটকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে রূপ দেন।
পূর্ববঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান, ১৯৪৮-১৯৭১; ভাষা-রাজনীতির শুরু থেকে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার সংগ্রাম।
ভাষার অধিকার, নির্বাচনী প্রতিনিধিত্ব ও স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে তিনি বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রগঠনের গণদাবিতে পরিণত করেন।
ভাষা অধিকারস্বায়ত্তশাসনজাতীয়তাবাদ
বিস্তারিত→তাজউদ্দীন আহমদ
সমন্বয়কব্যক্তি
অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী
“ফ্রন্টলাইনের বাইরে থেকেও যুদ্ধের মানচিত্র তিনি ধরে রেখেছিলেন।”
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো, কূটনৈতিক যোগাযোগ ও যুদ্ধ-পরিকল্পনার সমন্বয় করেন। বিচ্ছিন্ন প্রতিরোধকে একটি কার্যকর রাষ্ট্র-পরিচালিত সংগ্রামে রূপ দেন।
মুজিবনগর সরকার, ১৯৭১; ভারত ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিমণ্ডল।
রাজনৈতিক বৈধতা, সামরিক সমন্বয় এবং আন্তর্জাতিক সমর্থনকে এক ফ্রেমে এনে মুক্তিযুদ্ধের কার্যকর রাষ্ট্রীয় রূপরেখা প্রতিষ্ঠা করেন।
রাষ্ট্রনীতিযুদ্ধকালীন শাসনকূটনীতি
বিস্তারিত→আবু সাঈদ চৌধুরী
নেতৃত্বব্যক্তি
মুক্তিযুদ্ধের কূটনৈতিক মুখ
“যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে তিনি স্বাধীনতার কণ্ঠকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দেন।”
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার রাজনৈতিক বৈধতা ও নৈতিক দাবিকে তুলে ধরেন।
আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও বৈদেশিক প্রচারণা, ১৯৭১।
তার প্রচেষ্টা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পথকে শক্তিশালী করে।
কূটনীতিআন্তর্জাতিক অ্যাডভোকেসিরাষ্ট্র বৈধতা
বিস্তারিত→কামাল হোসেন
নেতৃত্বব্যক্তি
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি
তিনি ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির নেতৃত্ব দেন এবং বাংলাদেশের প্রাথমিক সংসদীয় কাঠামোর অন্যতম প্রধান আইনগত স্থপতি হিসেবে কাজ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশে রাষ্ট্রগঠন ও সংবিধান প্রণয়ন।
তার ভূমিকা স্বাধীনতার আদর্শকে অধিকার, সংসদীয় শাসন ও প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক ভাষায় রূপ দিতে সাহায্য করে।
বিস্তারিত→জুলফিকার আলী ভুট্টো
নেতৃত্বব্যক্তি
পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রতিষ্ঠাতা; ১৯৭০-পরবর্তী সংকটে পশ্চিম পাকিস্তানের প্রধান রাজনীতিক; পরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
“১৯৭০-এর নির্বাচনী সংকট থেকে ১৯৭১-এর ভাঙনের পর্যায়ে তিনি ছিলেন কেন্দ্রীয় কিন্তু বিতর্কিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।”
তিনি ১৯৬৭ সালে পাকিস্তান পিপলস পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯৭০ নির্বাচনের পর পশ্চিম পাকিস্তানের একটি প্রধান রাজনৈতিক মুখ হয়ে ওঠেন। ইয়াহিয়া-মুজিব-ভুট্টো আলোচনার প্রেক্ষাপটে তিনি অংশ নেন এবং ১৯৭১-পূর্ব ক্ষমতা হস্তান্তর অচলাবস্থার একটি কেন্দ্রীয় অংশীদার ছিলেন।
পাকিস্তান পর্বের শেষের সাংবিধানিক ভাঙন, ১৯৭০ নির্বাচনের পরবর্তী অচলাবস্থা, এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের আগে বিতর্কিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট; পরে ১৯৭১-পরবর্তী পাকিস্তানের রাষ্ট্রপুনর্গঠন।
বাংলাদেশ-সম্পর্কিত ইতিহাসচর্চায় তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু বিতর্কিত হিসেবে বিবেচিত: তিনি সংকট-সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত ও আলোচনায় একটি প্রধান রাজনৈতিক অংশগ্রহণকারী ছিলেন, তবে ফলাফলের জন্য তার ব্যক্তিগত দায়ের মাত্রা নিয়ে ব্যাখ্যা ভিন্ন।
পাকিস্তান পিপলস পার্টি১৯৭০ নির্বাচনক্ষমতা হস্তান্তর সংকটইয়াহিয়া-মুজিব-ভুট্টো আলোচনা
বিস্তারিত→পাকিস্তান পিপলস পার্টি
সংগঠনদল
পাকিস্তানের রাজনৈতিক দল
১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান পিপলস পার্টি দ্রুত পাকিস্তানের জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তিতে পরিণত হয়; ১৯৭০-১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তান ঘিরে সংকটকালেও দলটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখে।
পাকিস্তান পর্বের শেষ দিকের দলীয় প্রতিযোগিতা, কেন্দ্র-প্রদেশ ক্ষমতার টানাপোড়েন, এবং ১৯৭১-পরবর্তী রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস।
পশ্চিম পাকিস্তানে দলটির নির্বাচনী অবস্থান ও ক্ষমতার দরকষাকষি সাংবিধানিক অচলাবস্থাকে তীব্র করে, যা বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ-পূর্ব রাজনৈতিক সংকটে বড় প্রভাব ফেলে।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধরাজনৈতিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত→মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা
নেতৃত্বব্যক্তি
পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক নেতা
এই অধ্যায়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বোঝাতে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা একজন গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও স্বায়ত্তশাসন বিতর্ক।
এই ব্যক্তির ভূমিকা ওই সময়ের ক্ষমতা, প্রতিষ্ঠান বা ধারণাগত পরিবর্তন বুঝতে সহায়তা করে।
বিস্তারিত→খন্দকার মোশতাক আহমেদ
নেতৃত্বব্যক্তি
পাকিস্তান আমলের আওয়ামী লীগ রাজনীতিক; ১৯৭১-এর যুদ্ধকালীন ও স্বাধীনতা-পরবর্তী মন্ত্রিসভার সদস্য; ১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এর পর রাষ্ট্রপতি
খন্দকার মোশতাক আহমেদ পাকিস্তান আমলে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকার-প্রেক্ষাপট ও স্বাধীনতা-পরবর্তী মন্ত্রিসভায় ভূমিকা পালন করেন।
১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এর পর তিনি দ্রুত ক্ষমতা-পরিবর্তনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি হন; এই পর্যায়টি সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক, ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি, এবং ১৯৭৫-পরবর্তী রাজনৈতিক পুনর্গঠনের সঙ্গে যুক্ত।
বাংলাদেশের ইতিহাসে তাঁর উত্তরাধিকার বিতর্কিত ও সংবেদনশীল: ১৯৭১-এর রাজনৈতিক নেতৃত্ব, স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্রগঠন, এবং ১৯৭৫-পরবর্তী বৈধতার সংকটের আলোচনায় তাঁর নাম নিয়মিতভাবে আসে।
পাকিস্তান-আমলের-রাজনীতিআওয়ামী-লীগযুদ্ধকালীন-সরকার-১৯৭১স্বাধীনতা-পরবর্তী-মন্ত্রিসভা
বিস্তারিত→সিরাজ সিকদার
নেতৃত্বব্যক্তি
বিপ্লবী রাজনৈতিক নেতা
সিরাজ সিকদার বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।
তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।
বিস্তারিত→আবদুর রব সেরনিয়াবাত
নেতৃত্বব্যক্তি
রাজনীতিক
আবদুর রব সেরনিয়াবাত বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।
তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।
বিস্তারিত→