সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ
সংগঠনদল
ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক দল
১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দলটি মুসলিম রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের প্রধান প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয় এবং পরে পাকিস্তান দাবির নেতৃত্ব দেয়।
শেষ ঔপনিবেশিক সাংবিধানিক রাজনীতি, বঙ্গভঙ্গ-পরবর্তী সংগঠন, এবং পাকিস্তান আন্দোলন।
বাংলায় দলটির সাংগঠনিক বিস্তার নির্বাচন-রাজনীতি, সাম্প্রদায়িক সমীকরণ এবং ১৯৪৭ সালের বিভাজনের গতিপথে গভীর প্রভাব ফেলে।
১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
নেতৃত্বব্যক্তি
সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ নেতা
পাকিস্তান দাবির প্রধান নেতা হিসেবে তিনি সেই রাজনৈতিক কাঠামো নির্মাণে নেতৃত্ব দেন যার মাধ্যমে পূর্ববঙ্গ নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের অংশ হয়।
উপমহাদেশজুড়ে সাংবিধানিক হস্তান্তর ও দেশভাগ সংক্রান্ত আলোচনা।
পাকিস্তান সৃষ্টিতে তার ভূমিকা ছিল কেন্দ্রীয়, আর পূর্ববঙ্গ সেই রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান অংশে পরিণত হয়।
১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
নেতৃত্বব্যক্তি
অখণ্ড বাংলার মুখ্যমন্ত্রী
অখণ্ড বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশভাগ-পূর্ব সংকটময় রাজনীতির কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং যুক্ত বাংলা প্রস্তাবের প্রধান সমর্থকদের একজন ছিলেন।
কলকাতা ও বাংলা, ১৯৪৬-১৯৪৭।
বাংলা যুক্ত থাকবে, ভাগ হবে, নাকি স্বাধীন পথ নেবে—এই বিতর্কের গতিপথ নির্ধারণে তিনি বড় ভূমিকা রাখেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→আবুল হাশিম
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলা মুসলিম লীগের সংগঠক
বাংলা মুসলিম লীগের অন্যতম প্রধান সংগঠক ও মতাদর্শিক নেতা হিসেবে তিনি পরে যুক্ত বাংলা ধারণাকেও সমর্থন করেন।
১৯৪০-এর দশকের বাংলা মুসলিম রাজনীতি।
দেশভাগের সংকটে তিনি বাঙালি মুসলিম রাজনীতির একটি স্বতন্ত্র ভাষা নির্মাণে ভূমিকা রাখেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→খাজা নাজিমুদ্দীন
নেতৃত্বব্যক্তি
মুসলিম লীগ নেতা
বাংলায় মুসলিম লীগের অভিজাত ধারার প্রতিনিধিত্ব করে তিনি দেশভাগের আগে ও পরে পূর্ববঙ্গকে পাকিস্তানের নতুন রাষ্ট্র কাঠামোর মধ্যে নেতৃত্ব দেন।
ঔপনিবেশিক আমলের শেষভাগের বাংলা এবং পাকিস্তানের সূচনাপর্ব।
তার রাজনৈতিক ভূমিকা বাংলার দেশভাগ ও পূর্ববঙ্গের প্রারম্ভিক রাষ্ট্রীয় অবস্থানকে একসূত্রে যুক্ত করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→