Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

১৯৪৬ — ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে ও গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং

গণঅ্যাকশনের রাজনৈতিক দিন বাংলার এক ভয়াবহ বিপর্যয়ে পরিণত হয়ে যৌথ ভবিষ্যতের পরিসরকে সংকুচিত করে।

১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট ক্যাবিনেট মিশনভিত্তিক সমঝোতা ভেঙে যাওয়ার পর পাকিস্তানের দাবিকে জোরদার করতে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে১৬ আগস্ট ১৯৪৬ সালের মুসলিম লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি, যা কলকাতায় ব্যাপক সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। পালন করে। বাংলায়, যেখানে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার প্রধান ছিলেন, ক্যালকাটার হরতাল ও জনসমাবেশ দ্রুত বৃহৎ সাম্প্রদায়িক হত্যাযজ্ঞে পরিণত হয়। ক্যালকাটার এই সহিংসতার পর ১৯৪৬ সালের পরবর্তী সময়ে নোয়াখালি ও বিহারসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বড় আকারের সাম্প্রদায়িক সহিংসতা দেখা যায়, যা অন্তিম ঔপনিবেশিক ভারতে সহাবস্থানের সংকটকে তীব্র করে এবং দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।ের পথকে আরও কঠোর করে তোলে।[1][2][3]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

পাকিস্তানের দাবিতে গণমোবিলাইজেশন বাংলায় সাম্প্রদায়িক হত্যাযজ্ঞে রূপ নেয়।

গুরুত্ব: প্রধানদেশভাগ ও অন্তিম ঔপনিবেশিক রাজনীতিধারা: দেশভাগ ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বস্থান: বাংলা অঞ্চলসংবেদনশীল বিষয়বস্তুবিতর্কিত ইতিহাস

এই অধ্যায়ে সংবেদনশীল ঐতিহাসিক বিষয় আছে। পাঠে বিচক্ষণতা প্রয়োজন।

সতর্কতা: গণহিংসা, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা

শক্তিশালী সূত্র আবশ্যক

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট ক্যাবিনেট মিশনভিত্তিক সমঝোতা ভেঙে যাওয়ার পর পাকিস্তানের দাবিকে জোরদার করতে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে১৬ আগস্ট ১৯৪৬ সালের মুসলিম লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি, যা কলকাতায় ব্যাপক সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। পালন করে। বাংলায়, যেখানে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার প্রধান ছিলেন, ক্যালকাটার হরতাল ও জনসমাবেশ দ্রুত বৃহৎ সাম্প্রদায়িক হত্যাযজ্ঞে পরিণত হয়। ক্যালকাটার এই সহিংসতার পর ১৯৪৬ সালের পরবর্তী সময়ে নোয়াখালি ও বিহারসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বড় আকারের সাম্প্রদায়িক সহিংসতা দেখা যায়, যা অন্তিম ঔপনিবেশিক ভারতে সহাবস্থানের সংকটকে তীব্র করে এবং দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।ের পথকে আরও কঠোর করে তোলে।[1][2][3]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

টাইমলাইন প্রেক্ষাপট

ঐতিহাসিক সম্পর্ক

টাইমলাইন

মূল ব্যক্তিত্ব

সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ

সংগঠনদল

ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক দল

১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দলটি মুসলিম রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের প্রধান প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয় এবং পরে পাকিস্তান দাবির নেতৃত্ব দেয়।

শেষ ঔপনিবেশিক সাংবিধানিক রাজনীতি, বঙ্গভঙ্গ-পরবর্তী সংগঠন, এবং পাকিস্তান আন্দোলন।

বাংলায় দলটির সাংগঠনিক বিস্তার নির্বাচন-রাজনীতি, সাম্প্রদায়িক সমীকরণ এবং ১৯৪৭ সালের বিভাজনের গতিপথে গভীর প্রভাব ফেলে।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ

নেতৃত্বব্যক্তি

সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ নেতা

পাকিস্তান দাবির প্রধান নেতা হিসেবে তিনি সেই রাজনৈতিক কাঠামো নির্মাণে নেতৃত্ব দেন যার মাধ্যমে পূর্ববঙ্গ নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের অংশ হয়।

উপমহাদেশজুড়ে সাংবিধানিক হস্তান্তর ও দেশভাগ সংক্রান্ত আলোচনা।

পাকিস্তান সৃষ্টিতে তার ভূমিকা ছিল কেন্দ্রীয়, আর পূর্ববঙ্গ সেই রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান অংশে পরিণত হয়।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী

নেতৃত্বব্যক্তি

অখণ্ড বাংলার মুখ্যমন্ত্রী

অখণ্ড বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশভাগ-পূর্ব সংকটময় রাজনীতির কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং যুক্ত বাংলা প্রস্তাবের প্রধান সমর্থকদের একজন ছিলেন।

কলকাতা ও বাংলা, ১৯৪৬-১৯৪৭।

বাংলা যুক্ত থাকবে, ভাগ হবে, নাকি স্বাধীন পথ নেবে—এই বিতর্কের গতিপথ নির্ধারণে তিনি বড় ভূমিকা রাখেন।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত

আবুল হাশিম

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলা মুসলিম লীগের সংগঠক

বাংলা মুসলিম লীগের অন্যতম প্রধান সংগঠক ও মতাদর্শিক নেতা হিসেবে তিনি পরে যুক্ত বাংলা ধারণাকেও সমর্থন করেন।

১৯৪০-এর দশকের বাংলা মুসলিম রাজনীতি।

দেশভাগের সংকটে তিনি বাঙালি মুসলিম রাজনীতির একটি স্বতন্ত্র ভাষা নির্মাণে ভূমিকা রাখেন।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত

খাজা নাজিমুদ্দীন

নেতৃত্বব্যক্তি

মুসলিম লীগ নেতা

বাংলায় মুসলিম লীগের অভিজাত ধারার প্রতিনিধিত্ব করে তিনি দেশভাগের আগে ও পরে পূর্ববঙ্গকে পাকিস্তানের নতুন রাষ্ট্র কাঠামোর মধ্যে নেতৃত্ব দেন।

ঔপনিবেশিক আমলের শেষভাগের বাংলা এবং পাকিস্তানের সূচনাপর্ব।

তার রাজনৈতিক ভূমিকা বাংলার দেশভাগ ও পূর্ববঙ্গের প্রারম্ভিক রাষ্ট্রীয় অবস্থানকে একসূত্রে যুক্ত করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে

বাংলাপিডিয়া

গৌণ

১৬ আগস্ট ১৯৪৬-এর হরতাল, ক্যালকাটার সহিংসতা এবং দেশভাগের পথে তার ভূমিকা বোঝার জন্য বাংলা-কেন্দ্রিক রেফারেন্স।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে

এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

গৌণ

১৬ আগস্ট ১৯৪৬-এর কর্মসূচি, ক্যালকাটার দাঙ্গা এবং দেশভাগ-পূর্ব রাজনীতিতে এর গুরুত্বের একটি সংক্ষিপ্ত সারাংশ।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

ক্যালকাটা রায়ট, ১৯৪৬

বাংলাপিডিয়া

গৌণ

ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে-পরবর্তী ক্যালকাটার হত্যাযজ্ঞ এবং হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কের উপর তার প্রভাব বোঝার জন্য একটি কেন্দ্রীভূত রেফারেন্স।

সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক রিসোর্স · Literature and Cultural Texts

The Great Partition: The Making of India and Pakistan

ইয়াসমিন খান

গৌণ

১৯৪৭ সালের দেশভাগ কীভাবে ব্রিটিশ প্রত্যাহার, শীর্ষ রাজনৈতিক সমঝোতা এবং গণহিংসার মধ্য দিয়ে গঠিত হলো, তার একটি শক্তিশালী ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ।

প্রশ্নোত্তর

FAQ

ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে কী ছিল?

১৬ আগস্ট ১৯৪৬-এ রাজনৈতিক অচলাবস্থার প্রেক্ষিতে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ পাকিস্তানের দাবিতে গণঅ্যাকশনের ডাক দেয়; ক্যালকাটায় তা দ্রুত বড় সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় রূপ নেয়।

FAQ

ক্যালকাটায় সহিংসতা এত দ্রুত কেন ছড়িয়ে পড়ে?

আগে থেকেই থাকা সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক মেরুকরণ, উসকানিমূলক ভাষ্য, হরতালের দিনের রাস্তায় সংঘবদ্ধ মবিলাইজেশন এবং দুর্বল প্রাথমিক নিয়ন্ত্রণ মিলেই পরিস্থিতি বহুদিনের দাঙ্গায় গড়ায়।

FAQ

গ্রেট ক্যালকাটা কিলিংয়ে কত মানুষ নিহত হন?

সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিয়ে ঐতিহাসিক বর্ণনায় পার্থক্য আছে; তবে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে কয়েক দিনের সহিংসতায় ব্যাপক প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুতির কথা একমতভাবে উঠে আসে।

FAQ

বাংলার ইতিহাসে ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এটি সাম্প্রদায়িক অবিশ্বাস গভীর করে, আলোচনাভিত্তিক সহাবস্থানের আস্থা দুর্বল করে এবং ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পথে এক বড় মোড় তৈরি করে।

উদ্ধৃতি

ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে দেখিয়ে দেয়, বাংলায় সাংবিধানিক অচলাবস্থা কত দ্রুত রাস্তায় সাম্প্রদায়িক বিপর্যয়ে পরিণত হতে পারে।

ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে নিয়ে ঐতিহাসিক প্রতিফলন

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট ক্যাবিনেট মিশনভিত্তিক সমঝোতা ভেঙে যাওয়ার পর পাকিস্তানের দাবিকে জোরদার করতে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে১৬ আগস্ট ১৯৪৬ সালের মুসলিম লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি, যা কলকাতায় ব্যাপক সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। পালন করে; বাংলায় ক্যালকাটার হরতাল ও সমাবেশ দ্রুত বৃহৎ সাম্প্রদায়িক হত্যাযজ্ঞে রূপ নেয়।

[1][2][3]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ক্যালকাটার সহিংসতার পর ১৯৪৬ সালের পরবর্তী সময়ে নোয়াখালি ও বিহারসহ অন্যান্য অঞ্চলেও বড় আকারের সাম্প্রদায়িক সহিংসতা দেখা যায়, যা দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।ের পথকে আরও কঠোর করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে১৬ আগস্ট ১৯৪৬ সালের মুসলিম লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি, যা কলকাতায় ব্যাপক সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। সাংবিধানিক দ্বন্দ্বকে গণসাম্প্রদায়িক রক্তপাতে রূপ দেয় এবং আলোচনাভিত্তিক সহাবস্থানের আস্থা দুর্বল করে, ফলে দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।ের রাজনৈতিক যুক্তি শক্তিশালী হয়।

[1][2][3]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

আগস্ট ১৯৪৬-এর সহিংসতা বাংলায় অবিভক্ত সাংবিধানিক ভবিষ্যতের পক্ষে সমর্থনকে সংকুচিত করে এবং ১৯৪৭ সালের দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।ের সিদ্ধান্তকে ত্বরান্বিত করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে১৬ আগস্ট ১৯৪৬ সালের মুসলিম লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি, যা কলকাতায় ব্যাপক সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সাংবিধানিক দ্বন্দ্বকে বাংলার প্রধান শহরে গণসাম্প্রদায়িক রক্তপাতে রূপ দেয়। এর ফলে সাম্প্রদায়িক অবিশ্বাস গভীর হয়, আলোচনাভিত্তিক সহাবস্থানের আস্থা দুর্বল হয়, এবং ১৯৪৭ সালের দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।কে রাজনৈতিকভাবে আরও সম্ভাব্য করে তোলে।[1][2][3]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ঐতিহাসিক বিতর্ক

বিতর্কিত ইতিহাস

আগস্ট ১৯৪৬-এর সহিংসতার ব্যাপ্তি ও গুরুত্ব নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে বিস্তৃত ঐকমত্য থাকলেও আপেক্ষিক রাজনৈতিক দায়, প্রশাসনিক ব্যর্থতার মাত্রা, এবং নিহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিয়ে সমসাময়িক ও পরবর্তী বর্ণনায় গুরুত্বপূর্ণ মতভেদ রয়ে গেছে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

দীর্ঘমেয়াদি উত্তরাধিকার

আগস্ট ১৯৪৬-এর ঘটনাপ্রবাহ পরবর্তী রাজনৈতিক বিতর্কে এমন একটি নজির হয়ে দাঁড়ায়, যেখানে যৌথ সাংবিধানিক বন্দোবস্ত সাম্প্রদায়িক সংঘাত নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ বলে প্রতীয়মান হয়। বাংলায় এই সংকট অবিভক্ত ভবিষ্যতের পক্ষে রাজনৈতিক সমর্থনকে সংকুচিত করে এবং ১৯৪৭ সালের দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।ের সিদ্ধান্তগত গতি ত্বরান্বিত করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

পরিচয় ও স্মৃতি নোট

বাঙালির ঐতিহাসিক স্মৃতিতে ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে১৬ আগস্ট ১৯৪৬ সালের মুসলিম লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি, যা কলকাতায় ব্যাপক সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; এটি এমন এক সতর্ক সংকেত, যা দেখায় সংঘবদ্ধ রাজনৈতিক মবিলাইজেশন কত দ্রুত সাম্প্রদায়িক বিপর্যয়ে পরিণত হতে পারে। সহাবস্থান, দায়বণ্টন এবং দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।-যুগের মানবিক মূল্য নিয়ে বিতর্কে ঘটনাটি এখনও কেন্দ্রীয় স্থান দখল করে।[1][2][3]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি