Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

১৯৪০ — লাহোর প্রস্তাব

একজন বাঙালি নেতার উত্থাপিত প্রস্তাব ব্রিটিশ ভারত ও বাংলার ভবিষ্যৎকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে।

১৯৪০ সালের মার্চে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে লাহোর প্রস্তাব১৯৪০ সালের মুসলিম লীগ প্রস্তাব, যেখানে ব্রিটিশ ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের দাবি তোলা হয়। গৃহীত হয় এবং বাংলার এ. কে. ফজলুল হক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। প্রস্তাবের ভাষায় বলা হয় যে ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকাগুলোকে 'স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহে' বিন্যস্ত করতে হবে, যেখানে গঠনতান্ত্রিক এককগুলো হবে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম। 'পাকিস্তান' শব্দটি না থাকলেও এটি সাংবিধানিক রাজনীতির এক বড় মোড় তৈরি করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

বাংলার নেতৃত্ব লাহোর প্রস্তাবকে অন্তিম ঔপনিবেশিক রাজনীতিতে নিয়ে আসে।

গুরুত্ব: প্রধানদেশভাগ ও অন্তিম ঔপনিবেশিক রাজনীতিধারা: দেশভাগ ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বস্থান: বাংলা অঞ্চল

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

১৯৪০ সালের মার্চে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে লাহোর প্রস্তাব১৯৪০ সালের মুসলিম লীগ প্রস্তাব, যেখানে ব্রিটিশ ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের দাবি তোলা হয়। গৃহীত হয় এবং বাংলার এ. কে. ফজলুল হক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। প্রস্তাবের ভাষায় বলা হয় যে ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকাগুলোকে 'স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহে' বিন্যস্ত করতে হবে, যেখানে গঠনতান্ত্রিক এককগুলো হবে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম। 'পাকিস্তান' শব্দটি না থাকলেও এটি সাংবিধানিক রাজনীতির এক বড় মোড় তৈরি করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

টাইমলাইন প্রেক্ষাপট

ঐতিহাসিক সম্পর্ক

এর পরে কী হলো

১৯৪৬

ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে ও গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং

১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট ক্যাবিনেট মিশনভিত্তিক সমঝোতা ভেঙে যাওয়ার পর পাকিস্তানের দাবিকে জোরদার করতে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে পালন করে। বাংলায়, যেখানে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার প্রধান ছিলেন, ক্যালকাটার হরতাল ও জনসমাবেশ দ্রুত বৃহৎ সাম্প্রদায়িক হত্যাযজ্ঞে পরিণত হয়। ক্যালকাটার এই সহিংসতার পর ১৯৪৬ সালের পরবর্তী সময়ে নোয়াখালি ও বিহারসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বড় আকারের সাম্প্রদায়িক সহিংসতা দেখা যায়, যা অন্তিম ঔপনিবেশিক ভারতে সহাবস্থানের সংকটকে তীব্র করে এবং দেশভাগের পথকে আরও কঠোর করে তোলে।

দীর্ঘমেয়াদি উত্তরাধিকার

১৯০৬

ঢাকায় অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা

১৯০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে ঢাকায় মুহাম্মদান এডুকেশনাল কনফারেন্সের প্রেক্ষাপটে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সংগঠন ব্রিটিশ ভারতের সাংবিধানিক রাজনীতিতে মুসলিম প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নকে একটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে রূপ দেয় এবং পরবর্তী দেশভাগ-পর্বের আলোচনায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেয়।

১৯১১

বাংলা বিভাজন রদ

১৯১১ সালে ব্রিটিশ সরকার ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ সিদ্ধান্ত বাতিল করে বাংলা পুনরায় একীভূত প্রদেশে রূপ দেয়। ধারাবাহিক প্রতিবাদ, বয়কট ও রাজনৈতিক সংগঠনের চাপে এই সিদ্ধান্ত আসে; একই সাথে ক্যালকাটা থেকে দিল্লিতে রাজধানী স্থানান্তরের মাধ্যমে ঔপনিবেশিক প্রশাসন নতুন কৌশলগত বিন্যাসও তৈরি করে।

১৯৪৭

দেশভাগ ও পূর্ববঙ্গ

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত ভারত ও পাকিস্তানে বিভক্ত হয়, আর বাংলা ভাগ হয়ে পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ববঙ্গে পরিণত হয়। এই অধ্যায় দেখায় কীভাবে তড়িঘড়ি সীমানা নির্ধারণ, সাম্প্রদায়িক রাজনীতি এবং ব্যাপক উচ্ছেদ বঙ্গের সমাজ ও ভবিষ্যৎ রাজনীতিকে গভীরভাবে বদলে দেয়।

টাইমলাইন

মূল ব্যক্তিত্ব

এ. কে. ফজলুল হক

নেতৃত্বব্যক্তি

রাজনৈতিক নেতা

১৯৪০ সালে তিনি লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং দেশভাগের পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণনেতা হিসেবে প্রদেশের ভবিষ্যৎ প্রশ্নে প্রভাব রাখেন।

ঔপনিবেশিক আমলের শেষভাগ থেকে দেশভাগ-পর্বের বাংলা রাজনীতি।

তার নেতৃত্ব কৃষকভিত্তিক রাজনীতি, মুসলিম প্রতিনিধিত্ব এবং পাকিস্তান গঠনের প্রশ্নে বাংলার অবস্থানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ

নেতৃত্বব্যক্তি

সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ নেতা

পাকিস্তান দাবির প্রধান নেতা হিসেবে তিনি সেই রাজনৈতিক কাঠামো নির্মাণে নেতৃত্ব দেন যার মাধ্যমে পূর্ববঙ্গ নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের অংশ হয়।

উপমহাদেশজুড়ে সাংবিধানিক হস্তান্তর ও দেশভাগ সংক্রান্ত আলোচনা।

পাকিস্তান সৃষ্টিতে তার ভূমিকা ছিল কেন্দ্রীয়, আর পূর্ববঙ্গ সেই রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান অংশে পরিণত হয়।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত

আবুল হাশিম

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলা মুসলিম লীগের সংগঠক

বাংলা মুসলিম লীগের অন্যতম প্রধান সংগঠক ও মতাদর্শিক নেতা হিসেবে তিনি পরে যুক্ত বাংলা ধারণাকেও সমর্থন করেন।

১৯৪০-এর দশকের বাংলা মুসলিম রাজনীতি।

দেশভাগের সংকটে তিনি বাঙালি মুসলিম রাজনীতির একটি স্বতন্ত্র ভাষা নির্মাণে ভূমিকা রাখেন।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী

নেতৃত্বব্যক্তি

অখণ্ড বাংলার মুখ্যমন্ত্রী

অখণ্ড বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশভাগ-পূর্ব সংকটময় রাজনীতির কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং যুক্ত বাংলা প্রস্তাবের প্রধান সমর্থকদের একজন ছিলেন।

কলকাতা ও বাংলা, ১৯৪৬-১৯৪৭।

বাংলা যুক্ত থাকবে, ভাগ হবে, নাকি স্বাধীন পথ নেবে—এই বিতর্কের গতিপথ নির্ধারণে তিনি বড় ভূমিকা রাখেন।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত

সুভাষচন্দ্র বসু

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলা-নির্ভর রাজনৈতিক শিকড়সম্পন্ন জাতীয়তাবাদী নেতা

সাম্রাজ্যের শেষ পর্বে বাংলা থেকে উঠে আসা এক শক্তিশালী জাতীয় কণ্ঠ।

ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে তিনি সশস্ত্র ও দৃঢ় রাজনৈতিক কৌশলকে সামনে আনেন এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলেন।

কলকাতাকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে সর্বভারতীয় পর্যায়ে তাঁর উত্থান উপনিবেশিক সময়ের আদর্শগত দ্বন্দ্বকে স্পষ্ট করে।

সার্বভৌমত্ব, প্রতিরোধ ও নেতৃত্ব নিয়ে বাংলা ও উপমহাদেশের রাজনৈতিক স্মৃতিতে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব।

ঔপনিবেশিকবিরোধীজাতীয়তাবাদনেতৃত্ববাংলা-রাজনীতি
বিস্তারিত

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

লাহোর প্রস্তাব

বাংলাপিডিয়া

গৌণ

১৯৪০ সালের প্রস্তাব, তার ভাষা, বাংলার ভূমিকা এবং পরবর্তী সাংবিধানিক পুনর্ব্যাখ্যা বোঝার জন্য বাংলাদেশ-সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

লাহোর প্রস্তাব

এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

গৌণ

১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব, বাংলার ভূমিকা, এবং পরে গড়ে ওঠা সাংবিধানিক বিতর্কের সংক্ষিপ্ত রেফারেন্স।

সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক রিসোর্স · Literature and Cultural Texts

The Great Partition: The Making of India and Pakistan

ইয়াসমিন খান

গৌণ

১৯৪৭ সালের দেশভাগ কীভাবে ব্রিটিশ প্রত্যাহার, শীর্ষ রাজনৈতিক সমঝোতা এবং গণহিংসার মধ্য দিয়ে গঠিত হলো, তার একটি শক্তিশালী ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

Partition Politics

বাংলাপিডিয়া

গৌণ

বাংলার দেশভাগের পেছনের রাজনীতি, সাম্প্রদায়িকতা, এবং ঐতিহাসিক বৈপরীত্য বোঝার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স নিবন্ধ।

প্রশ্নোত্তর

FAQ

লাহোর প্রস্তাব কী?

১৯৪০ সালের মার্চে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের অধিবেশনে গৃহীত প্রস্তাব, যেখানে মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোকে স্বায়ত্তশাসিত গঠনতান্ত্রিক এককসহ স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহে বিন্যস্ত করার কথা বলা হয়।

FAQ

লাহোর প্রস্তাব কে উত্থাপন করেন?

বাংলার এ. কে. ফজলুল হক লাহোর অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।

FAQ

লাহোর প্রস্তাবের সাথে পাকিস্তান ও দেশভাগের সম্পর্ক কী?

প্রস্তাবে সরাসরি 'পাকিস্তান' শব্দ ছিল না, তবে এটি সাংবিধানিক রাজনীতিকে এমন পথে নেয় যা পরে দেশভাগের রাজনীতিকে ত্বরান্বিত করে।

FAQ

বাংলার রাজনীতিতে লাহোর প্রস্তাব কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এটি বাংলাকে অন্তিম ঔপনিবেশিক রাজনৈতিক দরকষাকষির কেন্দ্রে আনে এবং স্বায়ত্তশাসন, পরিচয় ও রাষ্ট্রগঠনের বিতর্ককে তীব্র করে।

উদ্ধৃতি

লাহোর প্রস্তাব বাংলাকে শুধু একটি প্রদেশ নয়, দেশভাগ-পর্বের সাংবিধানিক রাজনীতির এক কেন্দ্রীয় রচয়িতায় পরিণত করে।

লাহোর প্রস্তাব নিয়ে ঐতিহাসিক প্রতিফলন

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

১৯৪০ সালের মার্চে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে লাহোর প্রস্তাব১৯৪০ সালের মুসলিম লীগ প্রস্তাব, যেখানে ব্রিটিশ ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের দাবি তোলা হয়। গৃহীত হয় এবং বাংলার এ. কে. ফজলুল হক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। প্রস্তাবের ভাষায় বলা হয় যে ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকাগুলোকে এমন 'স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহে' বিন্যস্ত করতে হবে, যেখানে গঠনতান্ত্রিক এককগুলো হবে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম। প্রস্তাবে 'পাকিস্তান' শব্দটি ছিল না, তবু এটি এক বড় রাজনৈতিক মোড় তৈরি করে, কারণ সাংবিধানিক বিতর্ককে এটি পৃথক মুসলিম রাজনৈতিক অস্তিত্বের গণদাবিতে রূপ দেয়।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

লাহোর প্রস্তাব১৯৪০ সালের মুসলিম লীগ প্রস্তাব, যেখানে ব্রিটিশ ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের দাবি তোলা হয়। গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।ের দিকে যাওয়া সাংবিধানিক রাজনীতিতে বাংলাকে একটি নির্ণায়ক অবস্থানে নিয়ে আসে। মুসলিম জাতিসত্তা, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনবৃহত্তর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে নিজস্ব বিষয় পরিচালনার রাজনৈতিক সক্ষমতা। এবং পূর্বাঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্ককে এটি তীব্র করে এবং ১৯৪৭ সালের বঙ্গভাগের পথে একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক সেতু তৈরি করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

লাহোর প্রস্তাব১৯৪০ সালের মুসলিম লীগ প্রস্তাব, যেখানে ব্রিটিশ ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের দাবি তোলা হয়। গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।ের দিকে যাওয়া সাংবিধানিক রাজনীতিতে বাংলাকে একটি নির্ণায়ক অবস্থানে নিয়ে আসে। মুসলিম জাতিসত্তা, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনবৃহত্তর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে নিজস্ব বিষয় পরিচালনার রাজনৈতিক সক্ষমতা। এবং পূর্বাঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্ককে এটি তীব্র করে এবং ১৯৪৭ সালের বঙ্গভাগের পথে একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক সেতু তৈরি করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

লাহোর প্রস্তাব১৯৪০ সালের মুসলিম লীগ প্রস্তাব, যেখানে ব্রিটিশ ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের দাবি তোলা হয়। গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।ের দিকে যাওয়া সাংবিধানিক রাজনীতিতে বাংলাকে একটি নির্ণায়ক অবস্থানে নিয়ে আসে। মুসলিম জাতিসত্তা, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনবৃহত্তর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে নিজস্ব বিষয় পরিচালনার রাজনৈতিক সক্ষমতা। এবং পূর্বাঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্ককে এটি তীব্র করে এবং ১৯৪৭ সালের বঙ্গভাগের পথে একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক সেতু তৈরি করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

লাহোর প্রস্তাব১৯৪০ সালের মুসলিম লীগ প্রস্তাব, যেখানে ব্রিটিশ ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের দাবি তোলা হয়। গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।ের দিকে যাওয়া সাংবিধানিক রাজনীতিতে বাংলাকে একটি নির্ণায়ক অবস্থানে নিয়ে আসে। মুসলিম জাতিসত্তা, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনবৃহত্তর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে নিজস্ব বিষয় পরিচালনার রাজনৈতিক সক্ষমতা। এবং পূর্বাঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্ককে এটি তীব্র করে এবং ১৯৪৭ সালের বঙ্গভাগের পথে একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক সেতু তৈরি করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

দীর্ঘমেয়াদি উত্তরাধিকার

লাহোর প্রস্তাব১৯৪০ সালের মুসলিম লীগ প্রস্তাব, যেখানে ব্রিটিশ ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের দাবি তোলা হয়। গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।ের দিকে যাওয়া সাংবিধানিক রাজনীতিতে বাংলাকে একটি নির্ণায়ক অবস্থানে নিয়ে আসে। মুসলিম জাতিসত্তা, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনবৃহত্তর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে নিজস্ব বিষয় পরিচালনার রাজনৈতিক সক্ষমতা। এবং পূর্বাঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্ককে এটি তীব্র করে এবং ১৯৪৭ সালের বঙ্গভাগের পথে একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক সেতু তৈরি করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

পরিচয় ও স্মৃতি নোট

লাহোর প্রস্তাব১৯৪০ সালের মুসলিম লীগ প্রস্তাব, যেখানে ব্রিটিশ ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের দাবি তোলা হয়। গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।ের দিকে যাওয়া সাংবিধানিক রাজনীতিতে বাংলাকে একটি নির্ণায়ক অবস্থানে নিয়ে আসে। মুসলিম জাতিসত্তা, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনবৃহত্তর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে নিজস্ব বিষয় পরিচালনার রাজনৈতিক সক্ষমতা। এবং পূর্বাঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্ককে এটি তীব্র করে এবং ১৯৪৭ সালের বঙ্গভাগের পথে একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক সেতু তৈরি করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি