হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
নেতৃত্বব্যক্তি
অখণ্ড বাংলার মুখ্যমন্ত্রী
অখণ্ড বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশভাগ-পূর্ব সংকটময় রাজনীতির কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং যুক্ত বাংলা প্রস্তাবের প্রধান সমর্থকদের একজন ছিলেন।
কলকাতা ও বাংলা, ১৯৪৬-১৯৪৭।
বাংলা যুক্ত থাকবে, ভাগ হবে, নাকি স্বাধীন পথ নেবে—এই বিতর্কের গতিপথ নির্ধারণে তিনি বড় ভূমিকা রাখেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→মহাত্মা গান্ধী
নেতৃত্বব্যক্তি
সাম্প্রদায়িকতা-বিরোধী জাতীয় নেতা
১৯৪৬ সালের শেষভাগে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পর গান্ধী নোয়াখালী ও আশপাশের এলাকায় যান, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির আহ্বান জানান।
১৯৪৬ সালের কলকাতা ও নোয়াখালীর সহিংসতার পর বাংলায় তাঁর হস্তক্ষেপ চলতে থাকে; ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা ও দেশভাগ নিয়ে আলোচনা তীব্র হওয়ার সময়ও তিনি শান্তির উদ্যোগ নেন।
এই পর্ব স্থানীয় শান্তি-উদ্যোগের সম্ভাবনা ও সীমা দুটোই দেখায়: গান্ধীর উপস্থিতি সম্প্রীতির প্রচেষ্টাকে সমর্থন করলেও বাংলা ও ভারতের চূড়ান্ত দেশভাগ ঠেকাতে পারেনি।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→মাতঙ্গিনী হাজরা
নেতৃত্বব্যক্তি
গান্ধীবাদী ঔপনিবেশিকবিরোধী নেত্রী
“১৯৪২ সালে তমলুকে ভারত ছাড়ো মিছিলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে নিহত গান্ধীবাদী নেত্রী।”
গান্ধীবাদী সংগঠক হিসেবে তিনি আইন অমান্য আন্দোলন, লবণ সত্যাগ্রহ ও চৌকিদারি কর-বিরোধী কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং পরে ভারত ছাড়ো আন্দোলনে একটি বৃহৎ মিছিলের নেতৃত্ব দেন।
তমলুকের কাছে হোগলা গ্রামের দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্ম নেওয়া মাতঙ্গিনী হাজরা স্থানীয় গণরাজনীতির মধ্য দিয়ে ঔপনিবেশিকবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হন। ১৯৩২ সালে লবণ আইন ভাঙার জন্য এবং পরে চৌকিদারি কর-বিরোধী আন্দোলনে গ্রেপ্তার হন; মানুষ তাঁকে ‘গান্ধীবুড়ি’ নামে ডাকত।
২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪২ সালে ৭২ বছর বয়সে তিনি প্রধানত নারীদের নিয়ে হাজারো মানুষের মিছিলের নেতৃত্ব দিয়ে তমলুকে সরকারি দপ্তরের দিকে এগিয়ে যান। পুলিশের গুলিতে পতাকা হাতে তাঁর মৃত্যু ভারত ছাড়ো আন্দোলনে নারীর অংশগ্রহণ ও আত্মত্যাগের স্থায়ী প্রতীকে পরিণত হয়।
ঔপনিবেশিকবিরোধীনারী-ইতিহাসগণরাজনীতিবাংলা
বিস্তারিত→