মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
নেতৃত্বব্যক্তি
সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ নেতা
পাকিস্তান দাবির প্রধান নেতা হিসেবে তিনি সেই রাজনৈতিক কাঠামো নির্মাণে নেতৃত্ব দেন যার মাধ্যমে পূর্ববঙ্গ নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের অংশ হয়।
উপমহাদেশজুড়ে সাংবিধানিক হস্তান্তর ও দেশভাগ সংক্রান্ত আলোচনা।
পাকিস্তান সৃষ্টিতে তার ভূমিকা ছিল কেন্দ্রীয়, আর পূর্ববঙ্গ সেই রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান অংশে পরিণত হয়।
১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→খাজা নাজিমুদ্দীন
নেতৃত্বব্যক্তি
মুসলিম লীগ নেতা
বাংলায় মুসলিম লীগের অভিজাত ধারার প্রতিনিধিত্ব করে তিনি দেশভাগের আগে ও পরে পূর্ববঙ্গকে পাকিস্তানের নতুন রাষ্ট্র কাঠামোর মধ্যে নেতৃত্ব দেন।
ঔপনিবেশিক আমলের শেষভাগের বাংলা এবং পাকিস্তানের সূচনাপর্ব।
তার রাজনৈতিক ভূমিকা বাংলার দেশভাগ ও পূর্ববঙ্গের প্রারম্ভিক রাষ্ট্রীয় অবস্থানকে একসূত্রে যুক্ত করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→লিয়াকত আলী খান
নেতৃত্বব্যক্তি
মুসলিম লীগের রাষ্ট্রনেতা
চূড়ান্ত সাংবিধানিক সমঝোতায় তিনি মুসলিম লীগের অন্যতম প্রধান আলোচক ছিলেন এবং পরে পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন।
ক্ষমতা হস্তান্তর ও পাকিস্তানের প্রারম্ভিক রাষ্ট্রগঠন।
তার রাজনৈতিক ভূমিকা সর্বভারতীয় পাকিস্তান দাবিকে পূর্ববঙ্গ-সমেত নতুন রাষ্ট্রের প্রশাসনিক বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করে।
১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→আবুল হাশিম
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলা মুসলিম লীগের সংগঠক
১৯৪৩ সাল থেকে বাংলা প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবুল হাশিম দলটি পুনর্গঠন এবং ১৯৪৬ সালের নির্বাচনের আগে বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে এর সমর্থন বিস্তারে ভূমিকা রাখেন।
তিনি মুসলিম লীগের রাজনীতির সঙ্গে আঞ্চলিক বাঙালি পরিচয়ের প্রশ্নকে যুক্ত করেন এবং ১৯৪৬-৪৭ সালের দেশভাগ বিতর্কে স্বাধীন ও অবিভক্ত বাংলার প্রস্তাব সমর্থন করেন।
তাঁর রাজনৈতিক জীবন দেখায় যে ঔপনিবেশিক বাংলার শেষপর্বে মুসলিম রাজনীতি একক অবস্থান ছিল না; পাকিস্তানের পাশাপাশি বাঙালি আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও পরিচয়ের ভিন্ন ধারণাও সক্রিয় ছিল।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→খাজা শাহাবুদ্দীন
নেতৃত্বব্যক্তি
মুসলিম লীগ রাজনীতিক
খাজা শাহাবুদ্দীন ছিলেন ঢাকা নবাব পরিবারের সঙ্গে যুক্ত মুসলিম লীগ রাজনীতিক এবং পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার সময়ের জননেতা।
তার কর্মজীবনে প্রাদেশিক অভিজাত রাজনীতি, পাকিস্তানের কূটনৈতিক ও মন্ত্রিসভা কাঠামো এবং দেশভাগ-পরবর্তী রাষ্ট্রব্যবস্থা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত ছিল।
পুরনো জমিদার ও অভিজাত নেটওয়ার্ক কীভাবে পাকিস্তানের নতুন সাংবিধানিক-প্রশাসনিক কাঠামোয় মানিয়ে নেয়, তার উদাহরণ তিনি।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→