Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

১৯০৫ — বঙ্গভঙ্গ

প্রশাসনিক সংস্কার নামে ঘোষিত সিদ্ধান্তটি বাংলার ইতিহাসে গভীর রাজনৈতিক বিচ্ছেদে পরিণত হয়।

১৯০৫ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বাংলা প্রদেশকে বিভক্ত করে ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ গঠন করে। সরকারি ব্যাখ্যায় এটি ছিল প্রশাসনিক সংস্কার, কিন্তু বাংলার বহু সমালোচকের কাছে এটি ছিল বাঙালির রাজনৈতিক প্রভাব দুর্বল করার বিভাজননীতির অংশ। এই সিদ্ধান্ত বয়কট, স্বদেশীদেশীয় পণ্য ব্যবহার, বর্জননীতি এবং জাতীয়তাবাদী সংগঠনকে উৎসাহিত করা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আন্দোলন। আন্দোলন এবং আঞ্চলিক রাজনৈতিক অবস্থানগুলোর দীর্ঘমেয়াদি পুনর্গঠনকে ত্বরান্বিত করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

ঔপনিবেশিক পুনর্বিন্যাস, গণপ্রতিবাদ, এবং বাংলার রাজনীতিতে নতুন বিভাজনরেখা।

গুরুত্ব: ল্যান্ডমার্কদেশভাগ ও অন্তিম ঔপনিবেশিক রাজনীতিধারা: দেশভাগ ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বস্থান: বাংলা অঞ্চলবিতর্কিত ইতিহাস

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

১৯০৫ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বাংলা প্রদেশকে বিভক্ত করে ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ গঠন করে। সরকারি ব্যাখ্যায় এটি ছিল প্রশাসনিক সংস্কার, কিন্তু বাংলার বহু সমালোচকের কাছে এটি ছিল বাঙালির রাজনৈতিক প্রভাব দুর্বল করার বিভাজননীতির অংশ। এই সিদ্ধান্ত বয়কট, স্বদেশীদেশীয় পণ্য ব্যবহার, বর্জননীতি এবং জাতীয়তাবাদী সংগঠনকে উৎসাহিত করা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আন্দোলন। আন্দোলন এবং আঞ্চলিক রাজনৈতিক অবস্থানগুলোর দীর্ঘমেয়াদি পুনর্গঠনকে ত্বরান্বিত করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

টাইমলাইন প্রেক্ষাপট

বৃহত্তর অধ্যায়ের অংশ

এই অধ্যায়টি নিজেই একটি মূল ক্লাস্টার অ্যাঙ্কর।

ঐতিহাসিক সম্পর্ক

এর পরে কী হলো

১৯০৬

ঢাকায় অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা

১৯০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে ঢাকায় মুহাম্মদান এডুকেশনাল কনফারেন্সের প্রেক্ষাপটে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সংগঠন ব্রিটিশ ভারতের সাংবিধানিক রাজনীতিতে মুসলিম প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নকে একটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে রূপ দেয় এবং পরবর্তী দেশভাগ-পর্বের আলোচনায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেয়।

১৯১১

বাংলা বিভাজন রদ

১৯১১ সালে ব্রিটিশ সরকার ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ সিদ্ধান্ত বাতিল করে বাংলা পুনরায় একীভূত প্রদেশে রূপ দেয়। ধারাবাহিক প্রতিবাদ, বয়কট ও রাজনৈতিক সংগঠনের চাপে এই সিদ্ধান্ত আসে; একই সাথে ক্যালকাটা থেকে দিল্লিতে রাজধানী স্থানান্তরের মাধ্যমে ঔপনিবেশিক প্রশাসন নতুন কৌশলগত বিন্যাসও তৈরি করে।

টাইমলাইন

মূল ব্যক্তিত্ব

লর্ড কার্জন

নেতৃত্বব্যক্তি

ভারতের ভাইসরয়

ভাইসরয় হিসেবে কার্জন বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনাকে এগিয়ে নেন এবং বড় প্রদেশ শাসনের প্রশাসনিক সমাধান হিসেবে তা তুলে ধরেন।

বিশ শতকের শুরুর ব্রিটিশ ভারত, বিশেষত বাংলা।

তার বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনা অন্তিম ঔপনিবেশিক বাংলার অন্যতম বড় রাজনৈতিক সংকট তৈরি করে এবং স্বদেশী আন্দোলনের বিকাশকে ত্বরান্বিত করে।

বিস্তারিত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নেতৃত্বব্যক্তি

কবি ও জনবুদ্ধিজীবী

রবীন্দ্রনাথ গান, প্রতীকী কর্মসূচি এবং জনআহ্বানের মাধ্যমে বঙ্গভঙ্গবিরোধী আবেগকে সাংস্কৃতিক ভাষা দেন এবং প্রতিবাদকে যৌথ বাঙালি পরিচয়ের সাথে যুক্ত করেন।

বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের সময় বাংলার সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক জনপরিসর।

তার ভূমিকা এই আন্দোলনকে কেবল প্রশাসনিক আপত্তি নয়, বৃহত্তর নৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিরোধে রূপ দিতে সাহায্য করে।

বিস্তারিত

সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়

নেতৃত্বব্যক্তি

জাতীয়তাবাদী নেতা ও সংগঠক

সুরেন্দ্রনাথ বঙ্গভঙ্গবিরোধী রাজনীতির অন্যতম দৃশ্যমান নেতা হিসেবে সভা, আবেদনপত্র এবং জনআন্দোলনের সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

অন্তিম ঔপনিবেশিক বাংলার সাংবিধানিক ও জনরাজনীতি।

তার নেতৃত্ব বঙ্গভঙ্গবিরোধী প্রতিরোধকে বাংলায় সংগঠিত জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিস্তারের সাথে যুক্ত করে।

বিস্তারিত

নবাব সলিমুল্লাহ

নেতৃত্বব্যক্তি

ঢাকার নবাব ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষক

সলিমুল্লাহ পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠনের পক্ষে অবস্থান নেন এবং বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকাকেন্দ্রিক মুসলিম রাজনৈতিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পৃষ্ঠপোষক হয়ে ওঠেন।

১৯০৫-পরবর্তী ঢাকা ও প্রাদেশিক রাজনীতি।

তার অবস্থান দেখায় যে বঙ্গভঙ্গ বাংলার মুসলিম অভিজাতদের একাংশের জন্য নতুন রাজনৈতিক সুযোগও তৈরি করেছিল এবং প্রতিনিধিত্বের পরবর্তী বিতর্ককে প্রভাবিত করেছিল।

বিস্তারিত

বেগম রোকেয়া

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলায় নারীশিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারের অগ্রদূত

নারীশিক্ষাকে তিনি ন্যায়বিচারের দাবিতে রূপ দিয়েছিলেন।

প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ ও লেখালেখির মাধ্যমে তিনি নারীশিক্ষাকে মুক্তি ও মর্যাদার কেন্দ্রীয় শর্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।

ঔপনিবেশিক যুগের রক্ষণশীল সামাজিক কাঠামোর মধ্যে তিনি সাহিত্য ও শিক্ষাপ্রচেষ্টাকে একসঙ্গে ব্যবহার করেন।

বাংলাদেশে নারী অধিকার, শিক্ষার প্রসার এবং প্রগতিশীল নাগরিক চিন্তায় তাঁর উত্তরাধিকার আজও কার্যকর।

নারীশিক্ষাসংস্কারনারীবাদ
বিস্তারিত

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

বঙ্গভঙ্গ

বাংলাপিডিয়া

গৌণ

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপট, বাস্তবায়ন এবং রাজনৈতিক পরিণতি বোঝার জন্য একটি বাংলা-কেন্দ্রিক রেফারেন্স নিবন্ধ।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

স্বদেশী আন্দোলন

এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

গৌণ

বঙ্গভঙ্গবিরোধী বয়কট ও জাতীয়তাবাদী সংগঠনের আন্তর্জাতিক পাঠকের জন্য একটি সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ।

গবেষণা প্রবন্ধ ও পেপার · Scholarly Articles and Papers

Different Nationalisms: Bengal, 1905-1947

সেমন্তী ঘোষ

গৌণ

বঙ্গভঙ্গ, স্বদেশী আন্দোলন, এবং ১৯৪৭ পর্যন্ত বাংলায় প্রতিদ্বন্দ্বী বাঙালি হিন্দু-মুসলিম জাতীয়তাবাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা।

সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক রিসোর্স · Literature and Cultural Texts

The Swadeshi Movement in Bengal, 1903-1908

সুমিত সরকার

গৌণ

স্বদেশী আন্দোলন, বঙ্গভঙ্গবিরোধী রাজনীতি, জাতীয় শিক্ষা এবং বিপ্লবী প্রবণতা বোঝার জন্য একটি ক্লাসিক গবেষণা।

প্রশ্নোত্তর

FAQ

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রসঙ্গে কী ঘটেছিল?

এই ঘটনা বাংলার ঐতিহাসিক ধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করে এবং তৎকালীন রাজনৈতিক বা সামাজিক গতিশীলতাকে প্রভাবিত করে।

FAQ

বঙ্গভঙ্গ ঐতিহাসিকভাবে কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এটি শাসন, পরিচয় এবং আঞ্চলিক ক্ষমতার সম্পর্কের পরবর্তী গতিপথে গভীর প্রভাব ফেলে।

FAQ

বঙ্গভঙ্গ-কে ঘিরে প্রধান শক্তিগুলো কারা ছিল?

সমসাময়িক শাসকগোষ্ঠী, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সামাজিক গোষ্ঠীগুলো এই ঘটনার ফলাফল ও উত্তরাধিকারে প্রভাব রাখে।

FAQ

বঙ্গভঙ্গ পরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে কীভাবে যুক্ত?

এটি দীর্ঘ ঐতিহাসিক ধারার অংশ, যা শেষ পর্যন্ত বাংলায় আধুনিক রাজনৈতিক চেতনা গঠনে ভূমিকা রাখে।

উদ্ধৃতি

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে পরিচয়, বয়কট ও রাজনৈতিক শক্তির গণপ্রশ্নে রূপ দেয়।

বঙ্গভঙ্গ নিয়ে ঐতিহাসিক প্রতিফলন

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

১৯০৫ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বাংলা প্রদেশকে বিভক্ত করে ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ গঠন করে। সরকারি ব্যাখ্যায় এটি ছিল প্রশাসনিক সংস্কার, কিন্তু বাংলার বহু সমালোচকের কাছে এটি ছিল বাঙালির রাজনৈতিক প্রভাব দুর্বল করার বিভাজননীতির অংশ। এই সিদ্ধান্ত বয়কট, স্বদেশীদেশীয় পণ্য ব্যবহার, বর্জননীতি এবং জাতীয়তাবাদী সংগঠনকে উৎসাহিত করা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আন্দোলন। আন্দোলন এবং আঞ্চলিক রাজনৈতিক অবস্থানগুলোর দীর্ঘমেয়াদি পুনর্গঠনকে ত্বরান্বিত করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি বাংলাকে উপনিবেশবিরোধী প্রতিবাদের কেন্দ্রভূমিতে পরিণত করে, প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ। ও সাম্প্রদায়িক স্বার্থ নিয়ে বিতর্ক তীব্র করে, এবং এমন এক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তৈরি করে যা ১৯১১ সালের রদ থেকে ১৯৪৭ সালের দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।-সংকট পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি বাংলাকে উপনিবেশবিরোধী প্রতিবাদের কেন্দ্রভূমিতে পরিণত করে, প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ। ও সাম্প্রদায়িক স্বার্থ নিয়ে বিতর্ক তীব্র করে, এবং এমন এক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তৈরি করে যা ১৯১১ সালের রদ থেকে ১৯৪৭ সালের দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।-সংকট পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি বাংলাকে উপনিবেশবিরোধী প্রতিবাদের কেন্দ্রভূমিতে পরিণত করে, প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ। ও সাম্প্রদায়িক স্বার্থ নিয়ে বিতর্ক তীব্র করে, এবং এমন এক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তৈরি করে যা ১৯১১ সালের রদ থেকে ১৯৪৭ সালের দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।-সংকট পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি বাংলাকে উপনিবেশবিরোধী প্রতিবাদের কেন্দ্রভূমিতে পরিণত করে, প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ। ও সাম্প্রদায়িক স্বার্থ নিয়ে বিতর্ক তীব্র করে, এবং এমন এক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তৈরি করে যা ১৯১১ সালের রদ থেকে ১৯৪৭ সালের দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।-সংকট পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ঐতিহাসিক বিতর্ক

বিতর্কিত ইতিহাস

১৯০৫ সালের ক্ষেত্রে মূল বিতর্কটি বঙ্গভঙ্গ হয়েছিল কি না তা নয়, বরং এটিকে কীভাবে ব্যাখ্যা করা হবে তা নিয়ে। ঔপনিবেশিক কর্তৃপক্ষ একে প্রশাসনিক সংস্কার বলে তুলে ধরে, কিন্তু বহু বঙ্গভঙ্গবিরোধী সমালোচকের কাছে এটি ছিল বাঙালির রাজনৈতিক প্রভাব দুর্বল করার বিভাজননীতি। একই সঙ্গে ইতিহাসবিদেরা দেখিয়েছেন, মুসলিম রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও ভদ্রলোক হিন্দু বিরোধিতা একরকম ছিল না; তাই ঘটনাটি উপনিবেশবিরোধী মোড়ের পাশাপাশি প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ।ের বিতর্কও বহন করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

সাংস্কৃতিক প্রভাব

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি বাংলাকে উপনিবেশবিরোধী প্রতিবাদের কেন্দ্রভূমিতে পরিণত করে, প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ। ও সাম্প্রদায়িক স্বার্থ নিয়ে বিতর্ক তীব্র করে, এবং এমন এক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তৈরি করে যা ১৯১১ সালের রদ থেকে ১৯৪৭ সালের দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।-সংকট পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

পরিচয় ও স্মৃতি নোট

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি বাংলাকে উপনিবেশবিরোধী প্রতিবাদের কেন্দ্রভূমিতে পরিণত করে, প্রতিনিধিত্বস্বীকৃত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ বা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ। ও সাম্প্রদায়িক স্বার্থ নিয়ে বিতর্ক তীব্র করে, এবং এমন এক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তৈরি করে যা ১৯১১ সালের রদ থেকে ১৯৪৭ সালের দেশভাগকোনো ভূখণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে পৃথক রাষ্ট্র বা প্রশাসনিক এককে ভাগ করা।-সংকট পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি