Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition
❦

Discover Bengal · Unfolded

❦

১৯০৫ সালের ব্যক্তিত্বরা

✦

বঙ্গভঙ্গ

১৯০৫ অধ্যায়ের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্ব, শহীদ, সমন্বয়ক ও সম্মিলিত শক্তির পূর্ণ তালিকা।

Est. 1947 · Bengal✺A Bilingual Archive

পূর্ণ ব্যক্তিত্ব তালিকা

✦

21 প্রোফাইল

লর্ড কার্জন

নেতৃত্বব্যক্তি

ভারতের ভাইসরয়

“লর্ড কার্জনের ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ সিদ্ধান্ত বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গভীর মোড় তৈরি করে।”

ভাইসরয় হিসেবে কার্জন বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনাকে এগিয়ে নেন এবং বড় প্রদেশ শাসনের প্রশাসনিক সমাধান হিসেবে তা তুলে ধরেন।

বিশ শতকের শুরুর ব্রিটিশ ভারত, বিশেষত বাংলা।

তার বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনা অন্তিম ঔপনিবেশিক বাংলার অন্যতম বড় রাজনৈতিক সংকট তৈরি করে এবং স্বদেশী আন্দোলনের বিকাশকে ত্বরান্বিত করে।

বিস্তারিত→

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নেতৃত্বব্যক্তি

কবি ও জনবুদ্ধিজীবী

“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গান ও জনআচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনে যৌথ বাঙালি সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ভাষা দেন।”

রবীন্দ্রনাথ গান, প্রতীকী কর্মসূচি এবং জনআহ্বানের মাধ্যমে বঙ্গভঙ্গবিরোধী আবেগকে সাংস্কৃতিক ভাষা দেন এবং প্রতিবাদকে যৌথ বাঙালি পরিচয়ের সাথে যুক্ত করেন।

বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের সময় বাংলার সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক জনপরিসর।

তার ভূমিকা এই আন্দোলনকে কেবল প্রশাসনিক আপত্তি নয়, বৃহত্তর নৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিরোধে রূপ দিতে সাহায্য করে।

বিস্তারিত→

সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়

নেতৃত্বব্যক্তি

জাতীয়তাবাদী নেতা ও সংগঠক

“বঙ্গভঙ্গবিরোধী জনরাজনীতি সংগঠিত করা সাংবিধানিক জাতীয়তাবাদী নেতা।”

সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সভা, আবেদনপত্র ও জনপ্রতিবাদ সংগঠিত করেন এবং প্রাতিষ্ঠানিক জাতীয়তাবাদী আন্দোলন গঠনে ভূমিকা রাখেন।

তাঁর রাজনৈতিক কর্মজীবনে সাংবিধানিক আন্দোলন, ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস এবং ঔপনিবেশিক বাংলার বিস্তৃত জনপরিসর পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

তাঁর নেতৃত্ব বঙ্গভঙ্গবিরোধী প্রতিরোধকে সংগঠিত জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করে এবং জনসভা-আবেদনকে বাংলায় রাজনৈতিক কর্মপদ্ধতির গুরুত্বপূর্ণ রূপে প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে।

বিস্তারিত→

নবাব সলিমুল্লাহ

নেতৃত্বব্যক্তি

ঢাকার নবাব ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষক

“নবাব সলিমুল্লাহ পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশকে সমর্থন করেন এবং ১৯০৫-এর পর ঢাকায় মুসলিম রাজনৈতিক সংগঠনের পৃষ্ঠপোষকতা করেন।”

সলিমুল্লাহ পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠনের পক্ষে অবস্থান নেন এবং বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকাকেন্দ্রিক মুসলিম রাজনৈতিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পৃষ্ঠপোষক হয়ে ওঠেন।

১৯০৫-পরবর্তী ঢাকা ও প্রাদেশিক রাজনীতি।

তার অবস্থান দেখায় যে বঙ্গভঙ্গ বাংলার মুসলিম অভিজাতদের একাংশের জন্য নতুন রাজনৈতিক সুযোগও তৈরি করেছিল এবং প্রতিনিধিত্বের পরবর্তী বিতর্ককে প্রভাবিত করেছিল।

বিস্তারিত→

বেগম রোকেয়া

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলায় নারীশিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারের অগ্রদূত

“নারীশিক্ষাকে তিনি ন্যায়বিচারের দাবিতে রূপ দিয়েছিলেন।”

প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ ও লেখালেখির মাধ্যমে তিনি নারীশিক্ষাকে মুক্তি ও মর্যাদার কেন্দ্রীয় শর্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।

ঔপনিবেশিক যুগের রক্ষণশীল সামাজিক কাঠামোর মধ্যে তিনি সাহিত্য ও শিক্ষাপ্রচেষ্টাকে একসঙ্গে ব্যবহার করেন।

বাংলাদেশে নারী অধিকার, শিক্ষার প্রসার এবং প্রগতিশীল নাগরিক চিন্তায় তাঁর উত্তরাধিকার আজও কার্যকর।

নারীশিক্ষাসংস্কারনারীবাদ
বিস্তারিত→

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

নেতৃত্বব্যক্তি

আধুনিক বাংলা গদ্যের পথপ্রদর্শক ঔপন্যাসিক

“বাংলা সাহিত্য-জাতীয় কল্পনার অন্যতম প্রধান নির্মাতা।”

বাংলা উপন্যাসকে তিনি সুসংহত ধারায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং তাঁর রচনায় জাতীয়-সাংস্কৃতিক কল্পনা শক্তিশালী রূপ পায়।

ঊনবিংশ শতকের শেষভাগের ঔপনিবেশিক বাংলায় তাঁর সাহিত্য ভাষা, ইতিহাসচেতনা ও রাজনীতির মধ্যে নতুন সেতুবন্ধ তৈরি করে।

আধুনিক বাংলা সাহিত্য ও পরবর্তী জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক প্রতীকে তাঁর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি।

সাহিত্যউপন্যাসজাতীয়তাবাদবাংলা-নবজাগরণ
বিস্তারিত→

কাজী নজরুল ইসলাম

নেতৃত্বব্যক্তি

কবি, সুরকার ও ঔপনিবেশিকবিরোধী কণ্ঠ

“বিদ্রোহী কণ্ঠে জনচেতনা জাগানো এক অমর কবি।”

কবিতা, গান ও সাংবাদিকতার মাধ্যমে তিনি ঔপনিবেশিক শাসন ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে শক্তিশালী সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

ব্রিটিশ-শাসিত বাংলার রাজনৈতিক টানাপোড়েনে তাঁর সাহিত্য জনআন্দোলনের ভাষায় পরিণত হয়।

বাংলাদেশে নাগরিক চেতনা, অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ ও প্রতিবাদী সংস্কৃতিতে তাঁর প্রভাব আজও গভীর।

সাহিত্যঔপনিবেশিকবিরোধীসংস্কৃতিজনচেতনা
বিস্তারিত→

নবাব আবদুল লতিফ

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলায় মুসলিম শিক্ষা সংস্কারের প্রবক্তা

“মুসলিম সমাজকে আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে সংযুক্ত করার অগ্রণী কণ্ঠ।”

বাংলার মুসলিম সমাজে আধুনিক শিক্ষার প্রসার ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশগ্রহণ বাড়াতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ঊনবিংশ শতকের শেষভাগে ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থায় মুসলিম অংশগ্রহণের ঘাটতির সময় তাঁর উদ্যোগ সামনে আসে।

বাংলায় মুসলিম শিক্ষার আধুনিকীকরণে তাঁর অবদান দীর্ঘস্থায়ী।

শিক্ষাসংস্কারমুসলিম-ইতিহাসবাংলা
বিস্তারিত→

সৈয়দ আমীর আলী

নেতৃত্বব্যক্তি

আইনজ্ঞ ও মুসলিম রাজনৈতিক চিন্তাবিদ

“মুসলিম আধুনিক রাজনৈতিক চিন্তার আইনি ভিত্তি নির্মাণে অগ্রগণ্য।”

আইন ও রাজনৈতিক লেখনির মাধ্যমে তিনি মুসলিম প্রতিনিধিত্ব, অধিকার ও সাংবিধানিক সংস্কার নিয়ে যুক্তি নির্মাণ করেন এবং জনআলোচনায় সক্রিয় থাকেন।

বাংলার সঙ্গে যুক্ত এই আইনজ্ঞ আইন, ইতিহাস ও রাজনীতির পরিসরে কাজ করে মুসলিম বুদ্ধিবৃত্তিক উদ্বেগকে ব্রিটিশ শাসনের সাংবিধানিক প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করেন।

তাঁর লেখা ও জনপরিসরের কাজ আধুনিক মুসলিম রাজনৈতিক ও আইনচিন্তাকে প্রভাবিত করে; মুসলিম লীগ ও পরবর্তী সাংবিধানিক রাজনীতির বিতর্কেও তাঁর ভাবনার প্রতিধ্বনি দেখা যায়।

আইনরাজনীতিমুসলিম-ইতিহাসঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→

আবুল কালাম আজাদ

নেতৃত্বব্যক্তি

ঔপনিবেশিকবিরোধী ভারতীয় মুসলিম আলেম-রাজনীতিক

“ঔপনিবেশিকবিরোধী সাংবিধানিক রাজনীতিতে প্রভাবশালী মুসলিম কণ্ঠ।”

ঔপনিবেশিকবিরোধী রাজনীতি, শিক্ষা ও বহুত্ববাদী জাতীয়তার প্রশ্নে তিনি শক্তিশালী বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান নির্মাণ করেন।

উপনিবেশের শেষপর্বের রাজনীতিতে তাঁর ভাবনা বাংলার পরিচয় ও প্রতিনিধিত্ব বিতর্কের সাথে আন্তঃসম্পর্কিত ছিল।

মুসলিম রাজনৈতিক চিন্তা ও আধুনিক শিক্ষাবিষয়ক আলোচনায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক রেফারেন্স।

ঔপনিবেশিকবিরোধীশিক্ষাবহুত্ববাদমুসলিম-ইতিহাস
বিস্তারিত→

ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস

সংগঠনদল

ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক দল

কংগ্রেস ছিল উপনিবেশবিরোধী রাজনীতির অন্যতম প্রধান দল; বাংলা ও সর্বভারতীয় পরিসরে সাংবিধানিক দরকষাকষি, গণআন্দোলন ও প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে দলটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখে।

স্বদেশি যুগের আন্দোলন, শেষ ঔপনিবেশিক প্রাদেশিক রাজনীতি, এবং ক্ষমতা হস্তান্তর আলোচনা।

বাংলা ও সর্বভারতীয় পর্যায়ে দলটির কৌশল বিভাজন-বিরোধী অবস্থান ও ১৯৪৭-এর সাংবিধানিক নিষ্পত্তির গতিপথে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারকংগ্রেস রাজনীতি
বিস্তারিত→

সি. আর. দাস

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলার জাতীয়তাবাদী নেতা, ব্যারিস্টার ও স্বরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা

অরবিন্দ ঘোষের ১৯০৮ সালের আলিপুর বোমা মামলায় আইনজীবী হিসেবে সাফল্যের পর চিত্তরঞ্জন দাস জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অন্যতম নেতা হয়ে ওঠেন। অসহযোগ আন্দোলনের সময় তিনি আইন পেশা ত্যাগ করেন, আইনসভা বর্জনের কংগ্রেস নীতির বিরোধিতা করেন এবং ১৯২৩ সালে মতিলাল নেহরু ও অন্য নেতাদের সঙ্গে স্বরাজ পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন।

বিংশ শতকের শুরুর বাংলায় উপনিবেশবিরোধী গণআন্দোলন, আইনসভায় বাধাদান, পৌর সরকার এবং হিন্দু-মুসলিম প্রতিনিধিত্বের বিতর্ক পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছিল। দাসের মত ছিল, নির্বাচিত আইনসভায় প্রবেশ করে ধারাবাহিক বিরোধিতার মাধ্যমে ঔপনিবেশিক শাসনকে চ্যালেঞ্জ করা যায়।

স্বরাজবাদী নেতা হিসেবে দাস ১৯২৩ সালের বাংলা আইনসভা নির্বাচনে বড় সাফল্য এনে দেন এবং ১৯২৪ সালে কলকাতার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন। তাঁর বেঙ্গল প্যাক্ট হিন্দু-মুসলিম রাজনৈতিক সমঝোতার চেষ্টা ছিল; তাঁর নেতৃত্ব সুভাষচন্দ্র বসুসহ বহু নেতাকে প্রভাবিত করে এবং বাংলার জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে।

স্বদেশি-আন্দোলনস্বরাজ-পার্টিবেঙ্গল-প্যাক্টকলকাতা-কর্পোরেশন
বিস্তারিত→

খাজা সলিমুল্লাহ

নেতৃত্বব্যক্তি

ঢাকার নবাব ও মুসলিম রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষক

“ঢাকা-কেন্দ্রিক পৃষ্ঠপোষক, যার নেটওয়ার্ক ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গকে মুসলিম লীগের প্রাথমিক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করে।”

খাজা সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন করেন, ঢাকা নবাব পরিবারের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে মুসলিম রাজনৈতিক মত সংগঠনে ভূমিকা রাখেন এবং ১৯০৬ সালে ঢাকায় অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হন।

বিশ শতকের শুরুর বাংলা, যখন মুসলিম অভিজাত রাজনীতি, শিক্ষা-পৃষ্ঠপোষকতা, পৃথক প্রতিনিধিত্বের বিতর্ক এবং বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলন ঔপনিবেশিক জনজীবনকে বদলে দিচ্ছিল।

তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা ঢাকাকে মুসলিম রাজনৈতিক সংগঠনের বড় কেন্দ্র করে তোলে এবং মুসলিম লীগ, পৃথক নির্বাচকমণ্ডলী ও পরবর্তী বিভাজন-রাজনীতির আলোচনায় দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রাখে।

ঢাকামুসলিম লীগবঙ্গভঙ্গঔপনিবেশিক রাজনীতি
বিস্তারিত→

নিহাররঞ্জন রায়

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলা সভ্যতার ইতিহাসবিদ

নিহাররঞ্জন রায় ছিলেন বঙ্গসভ্যতা, শিল্প ও সামাজিক ইতিহাসের ইতিহাসবিদ; তার জন্ম ময়মনসিংহ অঞ্চলে।

তার প্রধান ঐতিহাসিক রচনায় সমাজ, ধর্ম, শিল্প ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের সূত্রে বাংলার দীর্ঘ সাংস্কৃতিক বিকাশ পুনর্গঠিত হয়েছে।

ঔপনিবেশিক ও সাম্প্রদায়িক বয়ানের বাইরে বাঙালি সমাজের ইতিহাসকে প্রমাণভিত্তিকভাবে বোঝার সুযোগ তিনি তৈরি করেন।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→

দীনেশচন্দ্র সেন

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলা সাহিত্য-গবেষক

“দীনেশচন্দ্র সেন বাংলা লোকসাহিত্য ও সাহিত্য-ইতিহাসের পথিকৃৎ গবেষক ছিলেন।”

দীনেশচন্দ্র সেন বাংলা লোককথা ও সাহিত্য সংগ্রহ, সম্পাদনা ও ব্যাখ্যা করেন এবং ময়মনসিংহ গীতিকাকে বৃহত্তর পণ্ডিতসমাজের নজরে আনেন।

ঔপনিবেশিক যুগের শেষভাগে বাংলা সাহিত্য-গবেষণা ও মৌখিক লোকঐতিহ্যের অধ্যয়ন।

তাঁর কাজ বাংলা সংস্কৃতি বোঝার ক্ষেত্রে লোকসাহিত্য ও আঞ্চলিক সাহিত্যিক ঐতিহ্যকে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করে।

বিস্তারিত→

কল্পনা দত্ত

নেতৃত্বব্যক্তি

ঔপনিবেশিক-বিরোধী বিপ্লবী

“কল্পনা দত্ত চট্টগ্রামের বিপ্লবী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নারী কর্মী ছিলেন।”

কল্পনা দত্ত চট্টগ্রামের বিপ্লবী আন্দোলনে যুক্ত হন, প্রতিরোধের পরিকল্পনায় অংশ নেন এবং ১৯৩০ সালের অস্ত্রাগার আক্রমণ-পর্বের পর দণ্ডিত হন।

১৯২০-এর দশকের শেষ থেকে ১৯৩০-এর দশকের শুরুতে চট্টগ্রামের বিপ্লবী ঔপনিবেশিকবিরোধী রাজনীতি।

তাঁর কর্মজীবন সশস্ত্র বিপ্লবী নেটওয়ার্কে নারীদের অংশগ্রহণ এবং ঔপনিবেশিক বিচারের মূল্য তুলে ধরে।

বিস্তারিত→

যতীন দাস

নেতৃত্বব্যক্তি

ঔপনিবেশিক-বিরোধী কর্মী

“লাহোর জেলে ১৯২৯ সালের অনশনের মাধ্যমে যতীন দাস ঔপনিবেশিকবিরোধী প্রতিবাদের প্রতীকে পরিণত হন।”

যতীন দাস বিপ্লবী ঔপনিবেশিকবিরোধী রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং ১৯২৯ সালে লাহোর জেলে দীর্ঘ অনশনের পর মারা যান।

ঔপনিবেশিক ভারতের শেষপর্বে বিপ্লবী রাজনীতি, কারাবন্দিত্ব ও রাজনৈতিক অনশন।

তাঁর মৃত্যু ঔপনিবেশিক কারাবন্দিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের শক্তিশালী প্রতীকে রাজনৈতিক অনশনকে পরিণত করে।

বিস্তারিত→

মেঘনাদ সাহা

নেতৃত্বব্যক্তি

পদার্থবিজ্ঞানী ও জনবুদ্ধিজীবী

মেঘনাদ সাহা ঢাকার কাছে জন্ম নেওয়া জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী; তার তাপীয় আয়নীকরণ সমীকরণ নক্ষত্রের বায়ুমণ্ডল গবেষণায় বিপ্লব আনে।

তিনি বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান, কারিগরি শিক্ষা ও স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতে জনপরিকল্পনার পক্ষেও কাজ করেন।

বাংলার একটি শিক্ষা কীভাবে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং জনউন্নয়নমুখী জ্ঞানচিন্তায় রূপ নেয়, তার জীবন তা দেখায়।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→

প্রফুল্লচন্দ্র রায়

নেতৃত্বব্যক্তি

রসায়নবিদ ও শিক্ষা-সংস্কারক

“প্রফুল্লচন্দ্র রায় বাংলায় রসায়ন, শিক্ষকতা ও শিল্পোদ্যোগকে একত্র করেছিলেন।”

প্রফুল্লচন্দ্র রায় ছিলেন পথিকৃৎ রসায়নবিদ, শিক্ষক ও শিল্পোদ্যোক্তা; তিনি বেঙ্গল কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কস প্রতিষ্ঠা এবং বিজ্ঞানশিক্ষার প্রসারে কাজ করেন।

ঔপনিবেশিক বাংলায় বিজ্ঞানশিক্ষা, দেশীয় শিল্প ও বৌদ্ধিক জীবনের বিকাশ।

তাঁর কাজ পরীক্ষাগারের বিজ্ঞানকে শিল্পোন্নয়ন ও দেশীয় বৈজ্ঞানিক উদ্যোগের জনআলোচনার সঙ্গে যুক্ত করে।

বিস্তারিত→

পুলিনবিহারী দাস

বিপ্লবীব্যক্তি

পূর্ববঙ্গের বিপ্লবী সংগঠক

“ঢাকা অনুশীলন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি এবং পূর্ববঙ্গের বিপ্লবী রাজনীতির প্রধান সংগঠক।”

পুলিনবিহারী দাস ছিলেন ১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা অনুশীলন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি ও প্রধান সংগঠক। পূর্ববঙ্গের স্বদেশি যুগের রাজনীতিতে এই সংগঠন সশস্ত্র ঔপনিবেশিকতাবিরোধী ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠে।

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের পর দাস শারীরিক প্রশিক্ষণ, গোপন সংগঠন ও বিপ্লবী শৃঙ্খলার মাধ্যমে তরুণদের সংগঠিত করেন। ঢাকা শাখা পূর্ববঙ্গে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে; ফলে এটি ঔপনিবেশিক নজরদারি, সাংবিধানিক রাজনীতি, বয়কট ও সশস্ত্র প্রতিরোধের বৃহত্তর দ্বন্দ্বের অংশ হয়ে ওঠে।

দাস ঢাকাকে বিপ্লবী সংগঠনের একটি বড় কেন্দ্রে পরিণত করতে সাহায্য করেন; তবে এই বিস্তারের সঙ্গে দমন, গ্রেপ্তার, আটক ও সাংগঠনিক বিভাজনও আসে। তাঁর উত্তরাধিকার পূর্ববঙ্গের সশস্ত্র ঔপনিবেশিকতাবিরোধী রাজনীতির অংশ; ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনকে তাঁর প্রত্যক্ষ নেতৃত্বের ঘটনা নয়, বরং বিপ্লবী ধারাবাহিকতা ও স্মৃতির প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা উচিত।

অনুশীলনস্বদেশিঔপনিবেশিকতাবিরোধীপূর্ববঙ্গ
বিস্তারিত→