লর্ড কার্জন
নেতৃত্বব্যক্তি
ভারতের ভাইসরয়
ভাইসরয় হিসেবে কার্জন বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনাকে এগিয়ে নেন এবং বড় প্রদেশ শাসনের প্রশাসনিক সমাধান হিসেবে তা তুলে ধরেন।
বিশ শতকের শুরুর ব্রিটিশ ভারত, বিশেষত বাংলা।
তার বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনা অন্তিম ঔপনিবেশিক বাংলার অন্যতম বড় রাজনৈতিক সংকট তৈরি করে এবং স্বদেশী আন্দোলনের বিকাশকে ত্বরান্বিত করে।
বিস্তারিত→রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
নেতৃত্বব্যক্তি
কবি ও জনবুদ্ধিজীবী
রবীন্দ্রনাথ গান, প্রতীকী কর্মসূচি এবং জনআহ্বানের মাধ্যমে বঙ্গভঙ্গবিরোধী আবেগকে সাংস্কৃতিক ভাষা দেন এবং প্রতিবাদকে যৌথ বাঙালি পরিচয়ের সাথে যুক্ত করেন।
বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের সময় বাংলার সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক জনপরিসর।
তার ভূমিকা এই আন্দোলনকে কেবল প্রশাসনিক আপত্তি নয়, বৃহত্তর নৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিরোধে রূপ দিতে সাহায্য করে।
বিস্তারিত→সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
নেতৃত্বব্যক্তি
জাতীয়তাবাদী নেতা ও সংগঠক
সুরেন্দ্রনাথ বঙ্গভঙ্গবিরোধী রাজনীতির অন্যতম দৃশ্যমান নেতা হিসেবে সভা, আবেদনপত্র এবং জনআন্দোলনের সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
অন্তিম ঔপনিবেশিক বাংলার সাংবিধানিক ও জনরাজনীতি।
তার নেতৃত্ব বঙ্গভঙ্গবিরোধী প্রতিরোধকে বাংলায় সংগঠিত জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিস্তারের সাথে যুক্ত করে।
বিস্তারিত→নবাব সলিমুল্লাহ
নেতৃত্বব্যক্তি
ঢাকার নবাব ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষক
সলিমুল্লাহ পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠনের পক্ষে অবস্থান নেন এবং বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকাকেন্দ্রিক মুসলিম রাজনৈতিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পৃষ্ঠপোষক হয়ে ওঠেন।
১৯০৫-পরবর্তী ঢাকা ও প্রাদেশিক রাজনীতি।
তার অবস্থান দেখায় যে বঙ্গভঙ্গ বাংলার মুসলিম অভিজাতদের একাংশের জন্য নতুন রাজনৈতিক সুযোগও তৈরি করেছিল এবং প্রতিনিধিত্বের পরবর্তী বিতর্ককে প্রভাবিত করেছিল।
বিস্তারিত→বেগম রোকেয়া
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলায় নারীশিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারের অগ্রদূত
“নারীশিক্ষাকে তিনি ন্যায়বিচারের দাবিতে রূপ দিয়েছিলেন।”
প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ ও লেখালেখির মাধ্যমে তিনি নারীশিক্ষাকে মুক্তি ও মর্যাদার কেন্দ্রীয় শর্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।
ঔপনিবেশিক যুগের রক্ষণশীল সামাজিক কাঠামোর মধ্যে তিনি সাহিত্য ও শিক্ষাপ্রচেষ্টাকে একসঙ্গে ব্যবহার করেন।
বাংলাদেশে নারী অধিকার, শিক্ষার প্রসার এবং প্রগতিশীল নাগরিক চিন্তায় তাঁর উত্তরাধিকার আজও কার্যকর।
নারীশিক্ষাসংস্কারনারীবাদ
বিস্তারিত→বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
নেতৃত্বব্যক্তি
আধুনিক বাংলা গদ্যের পথপ্রদর্শক ঔপন্যাসিক
“বাংলা সাহিত্য-জাতীয় কল্পনার অন্যতম প্রধান নির্মাতা।”
বাংলা উপন্যাসকে তিনি সুসংহত ধারায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং তাঁর রচনায় জাতীয়-সাংস্কৃতিক কল্পনা শক্তিশালী রূপ পায়।
ঊনবিংশ শতকের শেষভাগের ঔপনিবেশিক বাংলায় তাঁর সাহিত্য ভাষা, ইতিহাসচেতনা ও রাজনীতির মধ্যে নতুন সেতুবন্ধ তৈরি করে।
আধুনিক বাংলা সাহিত্য ও পরবর্তী জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক প্রতীকে তাঁর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি।
সাহিত্যউপন্যাসজাতীয়তাবাদবাংলা-নবজাগরণ
বিস্তারিত→কাজী নজরুল ইসলাম
নেতৃত্বব্যক্তি
কবি, সুরকার ও ঔপনিবেশিকবিরোধী কণ্ঠ
“বিদ্রোহী কণ্ঠে জনচেতনা জাগানো এক অমর কবি।”
কবিতা, গান ও সাংবাদিকতার মাধ্যমে তিনি ঔপনিবেশিক শাসন ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে শক্তিশালী সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
ব্রিটিশ-শাসিত বাংলার রাজনৈতিক টানাপোড়েনে তাঁর সাহিত্য জনআন্দোলনের ভাষায় পরিণত হয়।
বাংলাদেশে নাগরিক চেতনা, অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ ও প্রতিবাদী সংস্কৃতিতে তাঁর প্রভাব আজও গভীর।
সাহিত্যঔপনিবেশিকবিরোধীসংস্কৃতিজনচেতনা
বিস্তারিত→নবাব আবদুল লতিফ
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলায় মুসলিম শিক্ষা সংস্কারের প্রবক্তা
“মুসলিম সমাজকে আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে সংযুক্ত করার অগ্রণী কণ্ঠ।”
বাংলার মুসলিম সমাজে আধুনিক শিক্ষার প্রসার ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশগ্রহণ বাড়াতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
ঊনবিংশ শতকের শেষভাগে ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থায় মুসলিম অংশগ্রহণের ঘাটতির সময় তাঁর উদ্যোগ সামনে আসে।
বাংলায় মুসলিম শিক্ষার আধুনিকীকরণে তাঁর অবদান দীর্ঘস্থায়ী।
শিক্ষাসংস্কারমুসলিম-ইতিহাসবাংলা
বিস্তারিত→সৈয়দ আমীর আলী
নেতৃত্বব্যক্তি
আইনজ্ঞ ও মুসলিম রাজনৈতিক চিন্তাবিদ
“মুসলিম আধুনিক রাজনৈতিক চিন্তার আইনি ভিত্তি নির্মাণে অগ্রগণ্য।”
আইন ও রাজনৈতিক লেখনির মাধ্যমে তিনি মুসলিম আধুনিক রাজনৈতিক চিন্তা ও সাংবিধানিক দাবিকে শক্তিশালী করেন।
আইনচর্চা ও জনআলোচনার সংযোগস্থলে দাঁড়িয়ে তিনি বাংলার মুসলিম বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবনাকে বৃহত্তর সাম্রাজ্যিক রাজনীতির সাথে যুক্ত করেন।
মুসলিম রাজনৈতিক-আইনি আলোচনায় তিনি দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবশালী রেফারেন্স।
আইনরাজনীতিমুসলিম-ইতিহাসঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→আবুল কালাম আজাদ
নেতৃত্বব্যক্তি
ঔপনিবেশিকবিরোধী ভারতীয় মুসলিম আলেম-রাজনীতিক
“ঔপনিবেশিকবিরোধী সাংবিধানিক রাজনীতিতে প্রভাবশালী মুসলিম কণ্ঠ।”
ঔপনিবেশিকবিরোধী রাজনীতি, শিক্ষা ও বহুত্ববাদী জাতীয়তার প্রশ্নে তিনি শক্তিশালী বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান নির্মাণ করেন।
উপনিবেশের শেষপর্বের রাজনীতিতে তাঁর ভাবনা বাংলার পরিচয় ও প্রতিনিধিত্ব বিতর্কের সাথে আন্তঃসম্পর্কিত ছিল।
মুসলিম রাজনৈতিক চিন্তা ও আধুনিক শিক্ষাবিষয়ক আলোচনায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক রেফারেন্স।
ঔপনিবেশিকবিরোধীশিক্ষাবহুত্ববাদমুসলিম-ইতিহাস
বিস্তারিত→ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস
সংগঠনদল
ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক দল
কংগ্রেস ছিল উপনিবেশবিরোধী রাজনীতির অন্যতম প্রধান দল; বাংলা ও সর্বভারতীয় পরিসরে সাংবিধানিক দরকষাকষি, গণআন্দোলন ও প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে দলটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখে।
স্বদেশি যুগের আন্দোলন, শেষ ঔপনিবেশিক প্রাদেশিক রাজনীতি, এবং ক্ষমতা হস্তান্তর আলোচনা।
বাংলা ও সর্বভারতীয় পর্যায়ে দলটির কৌশল বিভাজন-বিরোধী অবস্থান ও ১৯৪৭-এর সাংবিধানিক নিষ্পত্তির গতিপথে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারকংগ্রেস রাজনীতি
বিস্তারিত→সি. আর. দাস
নেতৃত্বব্যক্তি
জাতীয়তাবাদী নেতা
এই অধ্যায়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বোঝাতে সি. আর. দাস একজন গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
বিংশ শতকের শুরুর দিকের উপনিবেশবিরোধী গণরাজনীতি ও বঙ্গীয় সাংবিধানিক বিতর্ক।
এই ব্যক্তির ভূমিকা ওই সময়ের ক্ষমতা, প্রতিষ্ঠান বা ধারণাগত পরিবর্তন বুঝতে সহায়তা করে।
বিস্তারিত→খাজা সলিমুল্লাহ
নেতৃত্বব্যক্তি
ঢাকার নবাব ও মুসলিম রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষক
“ঢাকা-কেন্দ্রিক পৃষ্ঠপোষক, যার নেটওয়ার্ক ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গকে মুসলিম লীগের প্রাথমিক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করে।”
খাজা সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন করেন, ঢাকা নবাব পরিবারের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে মুসলিম রাজনৈতিক মত সংগঠনে ভূমিকা রাখেন এবং ১৯০৬ সালে ঢাকায় অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হন।
বিশ শতকের শুরুর বাংলা, যখন মুসলিম অভিজাত রাজনীতি, শিক্ষা-পৃষ্ঠপোষকতা, পৃথক প্রতিনিধিত্বের বিতর্ক এবং বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলন ঔপনিবেশিক জনজীবনকে বদলে দিচ্ছিল।
তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা ঢাকাকে মুসলিম রাজনৈতিক সংগঠনের বড় কেন্দ্র করে তোলে এবং মুসলিম লীগ, পৃথক নির্বাচকমণ্ডলী ও পরবর্তী বিভাজন-রাজনীতির আলোচনায় দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রাখে।
ঢাকামুসলিম লীগবঙ্গভঙ্গঔপনিবেশিক রাজনীতি
বিস্তারিত→সৈয়দ আমীর আলী
নেতৃত্বব্যক্তি
বিচারবিদ ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদ
সৈয়দ আমীর আলী বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।
তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।
বিস্তারিত→নিহাররঞ্জন রায়
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলা সভ্যতার ইতিহাসবিদ
নিহাররঞ্জন রায় বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।
তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→দীনেশচন্দ্র সেন
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলা সাহিত্য-গবেষক
দীনেশচন্দ্র সেন বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।
তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।
বিস্তারিত→কল্পনা দত্ত
নেতৃত্বব্যক্তি
ঔপনিবেশিক-বিরোধী বিপ্লবী
কল্পনা দত্ত বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।
তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।
বিস্তারিত→যতীন দাস
নেতৃত্বব্যক্তি
ঔপনিবেশিক-বিরোধী কর্মী
যতীন দাস বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।
তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।
বিস্তারিত→মেঘনাদ সাহা
নেতৃত্বব্যক্তি
পদার্থবিজ্ঞানী ও জনবুদ্ধিজীবী
মেঘনাদ সাহা বাংলা ও বাংলাদেশের বৌদ্ধিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশিয়ার বৌদ্ধিক ও সাংস্কৃতিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপট।
আধুনিক বাঙালি পরিচয়, জ্ঞানচর্চা ও জনজীবন বোঝার ক্ষেত্রে তাঁর কাজ এখনও গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→প্রফুল্লচন্দ্র রায়
নেতৃত্বব্যক্তি
রসায়নবিদ ও শিক্ষা-সংস্কারক
প্রফুল্লচন্দ্র রায় বাংলা ও বাংলাদেশের বৌদ্ধিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশিয়ার বৌদ্ধিক ও সাংস্কৃতিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপট।
আধুনিক বাঙালি পরিচয়, জ্ঞানচর্চা ও জনজীবন বোঝার ক্ষেত্রে তাঁর কাজ এখনও গুরুত্বপূর্ণ।
বিস্তারিত→