মহাত্মা গান্ধী
নেতৃত্বব্যক্তি
সাম্প্রদায়িকতা-বিরোধী জাতীয় নেতা
বিশেষ করে নোয়াখালী ও বাংলার দাঙ্গার পর তিনি বারবার সাম্প্রদায়িক সহিংসতা থামাতে হস্তক্ষেপ করেন।
১৯৪৬-১৯৪৭ সালের বাংলা ও উপমহাদেশের সাম্প্রদায়িক সংকট।
চূড়ান্ত দেশভাগ থামাতে না পারলেও তিনি সহিংসতার বিরুদ্ধে এক নৈতিক প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে ওঠেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→জওহরলাল নেহরু
নেতৃত্বব্যক্তি
কংগ্রেস নেতা
চূড়ান্ত ক্ষমতা হস্তান্তর আলোচনায় তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রধান আলোচক ছিলেন।
১৯৪৭-এর পূর্ববর্তী সর্বভারতীয় সাংবিধানিক আলোচনা।
দেশভাগ এড়ানো সম্ভব কি না এবং নতুন ভারতীয় রাষ্ট্রে বাংলার অবস্থান কী হবে—এই প্রশ্নে তার সিদ্ধান্ত ছিল প্রভাবশালী।
১৯৪৭দেশভাগকংগ্রেস রাজনীতি
বিস্তারিত→শরৎচন্দ্র বসু
নেতৃত্বব্যক্তি
যুক্ত বাংলা প্রস্তাবের প্রবক্তা
দেশভাগ ঘনিয়ে এলে তিনি সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে মিলে স্বাধীন ও অবিভক্ত বাংলার পক্ষে কাজ করেন।
১৯৪৭ সালে বাংলার ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা।
সাম্প্রদায়িক রেখায় বাংলা ভাগের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সবচেয়ে স্পষ্ট কণ্ঠগুলোর একজন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী
নেতৃত্বব্যক্তি
হিন্দু মহাসভা নেতা
পুরো বাংলা পাকিস্তানে চলে যাওয়া বা অনিশ্চিত স্বাধীন ব্যবস্থায় যাওয়ার বদলে তিনি বাংলাকে ভাগ করার পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন।
১৯৪৭ সালে বাংলার ভবিষ্যৎ নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।
রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক রেখায় বাংলা বিভক্ত করার প্রধান প্রবক্তাদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→এ. কে. ফজলুল হক
নেতৃত্বব্যক্তি
রাজনৈতিক নেতা
১৯৪০ সালে তিনি লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং দেশভাগের পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণনেতা হিসেবে প্রদেশের ভবিষ্যৎ প্রশ্নে প্রভাব রাখেন।
ঔপনিবেশিক আমলের শেষভাগ থেকে দেশভাগ-পর্বের বাংলা রাজনীতি।
তার নেতৃত্ব কৃষকভিত্তিক রাজনীতি, মুসলিম প্রতিনিধিত্ব এবং পাকিস্তান গঠনের প্রশ্নে বাংলার অবস্থানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→