Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition
❦

Discover Bengal · Unfolded

❦

১৯১১ সালের ব্যক্তিত্বরা

✦

বাংলা বিভাজন রদ

১৯১১ অধ্যায়ের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্ব, শহীদ, সমন্বয়ক ও সম্মিলিত শক্তির পূর্ণ তালিকা।

Est. 1947 · Bengal✺A Bilingual Archive

পূর্ণ ব্যক্তিত্ব তালিকা

✦

10 প্রোফাইল

মহাত্মা গান্ধী

নেতৃত্বব্যক্তি

সাম্প্রদায়িকতা-বিরোধী জাতীয় নেতা

১৯৪৬ সালের শেষভাগে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পর গান্ধী নোয়াখালী ও আশপাশের এলাকায় যান, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির আহ্বান জানান।

১৯৪৬ সালের কলকাতা ও নোয়াখালীর সহিংসতার পর বাংলায় তাঁর হস্তক্ষেপ চলতে থাকে; ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা ও দেশভাগ নিয়ে আলোচনা তীব্র হওয়ার সময়ও তিনি শান্তির উদ্যোগ নেন।

এই পর্ব স্থানীয় শান্তি-উদ্যোগের সম্ভাবনা ও সীমা দুটোই দেখায়: গান্ধীর উপস্থিতি সম্প্রীতির প্রচেষ্টাকে সমর্থন করলেও বাংলা ও ভারতের চূড়ান্ত দেশভাগ ঠেকাতে পারেনি।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→

জওহরলাল নেহরু

নেতৃত্বব্যক্তি

কংগ্রেস নেতা

জওহরলাল নেহরু ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় কংগ্রেসের প্রধান আলোচকদের একজন এবং ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

চূড়ান্ত সাংবিধানিক আলোচনায় তার সিদ্ধান্ত বাংলার ভবিষ্যৎ নির্ধারণকারী বিকল্পগুলোকে প্রভাবিত করে; কংগ্রেস, মুসলিম লীগ ও ব্রিটিশ কর্মকর্তারা তখন দেশভাগ ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে বিতর্ক করছিলেন।

বাংলার বিভাজন যে বৃহত্তর সর্বভারতীয় বন্দোবস্তের অংশ ছিল, যা ভারত ও পাকিস্তান সৃষ্টি করে, তার পরিপ্রেক্ষিত নেহরুর ভূমিকায় স্পষ্ট।

১৯৪৭দেশভাগকংগ্রেস রাজনীতি
বিস্তারিত→

শরৎচন্দ্র বসু

নেতৃত্বব্যক্তি

যুক্ত বাংলা প্রস্তাবের প্রবক্তা

শরৎচন্দ্র বসু ছিলেন কংগ্রেস নেতা; ১৯৪৭ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে তিনি স্বাধীন ও অবিভক্ত বাংলার প্রস্তাব নিয়ে কাজ করেন।

যুক্ত বাংলা পরিকল্পনা সাম্প্রদায়িক রেখায় দেশভাগকে প্রদেশের একমাত্র সাংবিধানিক ভবিষ্যৎ হিসেবে মানতে অস্বীকার করেছিল।

চূড়ান্ত অনুমোদন না পেলেও তার প্রচেষ্টা আন্তঃসম্প্রদায়িক রাজনৈতিক বিকল্পের ইতিহাস সংরক্ষণ করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→

শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী

নেতৃত্বব্যক্তি

হিন্দু মহাসভা নেতা

পুরো বাংলা পাকিস্তানে চলে যাওয়া বা অনিশ্চিত স্বাধীন ব্যবস্থায় যাওয়ার বদলে তিনি বাংলাকে ভাগ করার পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন।

১৯৪৭ সালে বাংলার ভবিষ্যৎ নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক রেখায় বাংলা বিভক্ত করার প্রধান প্রবক্তাদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

এ. কে. ফজলুল হক

নেতৃত্বব্যক্তি

রাজনৈতিক নেতা

১৯৪০ সালে তিনি লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং দেশভাগের পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণনেতা হিসেবে প্রদেশের ভবিষ্যৎ প্রশ্নে প্রভাব রাখেন।

ঔপনিবেশিক আমলের শেষভাগ থেকে দেশভাগ-পর্বের বাংলা রাজনীতি।

তার নেতৃত্ব কৃষকভিত্তিক রাজনীতি, মুসলিম প্রতিনিধিত্ব এবং পাকিস্তান গঠনের প্রশ্নে বাংলার অবস্থানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→

অজানা প্রতিবাদী

সম্মিলিত কণ্ঠসংস্থা

সমষ্টিগত নাগরিক প্রতীক

“অভ্যুত্থান-পর্বের বৃহত্তর নাগরিক-তথ্য পরিবেশের অংশ।”

২০২৪ সালের আন্দোলন-পর্বে এই ব্যক্তিত্ব জনআলোচনা, অধিকারভিত্তিক অবস্থান, প্রতিবেদন, বা নাগরিক সমর্থনের মাধ্যমে আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট পরিসরে দৃশ্যমান ছিলেন।

জবাবদিহি, অধিকার ও শাসন-রূপান্তর নিয়ে ২০২৪ সালের জনপরিসর।

আন্দোলনকে ঘিরে জনমত, তথ্যপ্রবাহ বা নাগরিক আলোচনার গতিপ্রকৃতিতে প্রভাব ফেলেন।

জন আলোচনানাগরিক সমর্থন২০২৪বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন
বিস্তারিত→

বেগম রোকেয়া

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলায় নারীশিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারের অগ্রদূত

“নারীশিক্ষাকে তিনি ন্যায়বিচারের দাবিতে রূপ দিয়েছিলেন।”

প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ ও লেখালেখির মাধ্যমে তিনি নারীশিক্ষাকে মুক্তি ও মর্যাদার কেন্দ্রীয় শর্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।

ঔপনিবেশিক যুগের রক্ষণশীল সামাজিক কাঠামোর মধ্যে তিনি সাহিত্য ও শিক্ষাপ্রচেষ্টাকে একসঙ্গে ব্যবহার করেন।

বাংলাদেশে নারী অধিকার, শিক্ষার প্রসার এবং প্রগতিশীল নাগরিক চিন্তায় তাঁর উত্তরাধিকার আজও কার্যকর।

নারীশিক্ষাসংস্কারনারীবাদ
বিস্তারিত→

ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস

সংগঠনদল

ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক দল

কংগ্রেস ছিল উপনিবেশবিরোধী রাজনীতির অন্যতম প্রধান দল; বাংলা ও সর্বভারতীয় পরিসরে সাংবিধানিক দরকষাকষি, গণআন্দোলন ও প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে দলটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখে।

স্বদেশি যুগের আন্দোলন, শেষ ঔপনিবেশিক প্রাদেশিক রাজনীতি, এবং ক্ষমতা হস্তান্তর আলোচনা।

বাংলা ও সর্বভারতীয় পর্যায়ে দলটির কৌশল বিভাজন-বিরোধী অবস্থান ও ১৯৪৭-এর সাংবিধানিক নিষ্পত্তির গতিপথে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারকংগ্রেস রাজনীতি
বিস্তারিত→

দীনেশচন্দ্র সেন

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলা সাহিত্য-গবেষক

“দীনেশচন্দ্র সেন বাংলা লোকসাহিত্য ও সাহিত্য-ইতিহাসের পথিকৃৎ গবেষক ছিলেন।”

দীনেশচন্দ্র সেন বাংলা লোককথা ও সাহিত্য সংগ্রহ, সম্পাদনা ও ব্যাখ্যা করেন এবং ময়মনসিংহ গীতিকাকে বৃহত্তর পণ্ডিতসমাজের নজরে আনেন।

ঔপনিবেশিক যুগের শেষভাগে বাংলা সাহিত্য-গবেষণা ও মৌখিক লোকঐতিহ্যের অধ্যয়ন।

তাঁর কাজ বাংলা সংস্কৃতি বোঝার ক্ষেত্রে লোকসাহিত্য ও আঞ্চলিক সাহিত্যিক ঐতিহ্যকে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করে।

বিস্তারিত→

প্রফুল্লচন্দ্র রায়

নেতৃত্বব্যক্তি

রসায়নবিদ ও শিক্ষা-সংস্কারক

“প্রফুল্লচন্দ্র রায় বাংলায় রসায়ন, শিক্ষকতা ও শিল্পোদ্যোগকে একত্র করেছিলেন।”

প্রফুল্লচন্দ্র রায় ছিলেন পথিকৃৎ রসায়নবিদ, শিক্ষক ও শিল্পোদ্যোক্তা; তিনি বেঙ্গল কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কস প্রতিষ্ঠা এবং বিজ্ঞানশিক্ষার প্রসারে কাজ করেন।

ঔপনিবেশিক বাংলায় বিজ্ঞানশিক্ষা, দেশীয় শিল্প ও বৌদ্ধিক জীবনের বিকাশ।

তাঁর কাজ পরীক্ষাগারের বিজ্ঞানকে শিল্পোন্নয়ন ও দেশীয় বৈজ্ঞানিক উদ্যোগের জনআলোচনার সঙ্গে যুক্ত করে।

বিস্তারিত→

1 / 1