সিরাজউদ্দৌলা
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলার নবাব
“পলাশীর আগে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব, যাঁর পরাজয়ে কোম্পানির দিকে রাজনৈতিক ক্ষমতা সরে যায়।”
বাংলার নবাব হিসেবে সিরাজউদ্দৌলা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আধিপত্য-প্রচেষ্টাকে চ্যালেঞ্জ করেন, ১৭৫৬ সালে কলকাতা দখল করেন এবং ১৭৫৭ সালে পলাশীতে বাংলার বাহিনীর নেতৃত্ব দেন।
তাঁর স্বল্পকালীন শাসনে দুর্গ নির্মাণ, বাণিজ্যিক সুবিধা, দরবারি উত্তরাধিকার এবং বাংলা সুবাহ ও কোম্পানির সার্বভৌমত্বের বিরোধ একে অপরের সঙ্গে যুক্ত ছিল।
পলাশীতে তাঁর পরাজয় বাংলার দরবার থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে রাজনৈতিক প্রভাব হস্তান্তরের একটি বড় মোড় হয়ে ওঠে।
পলাশীবাংলাবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→রবার্ট ক্লাইভ
নেতৃত্বব্যক্তি
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সামরিক কমান্ডার
“পলাশীর জয়ের মাধ্যমে বাংলায় কোম্পানির রাজনৈতিক ক্ষমতা বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা সামরিক কমান্ডার।”
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সামরিক কমান্ডার হিসেবে তিনি পলাশীর যুদ্ধে কোম্পানি বাহিনীকে নেতৃত্ব দেন এবং বাংলার দরবারি গোষ্ঠীগুলোর জোট কাজে লাগিয়ে ব্রিটিশ প্রভাব বিস্তার করেন।
বাংলায় তাঁর কর্মজীবনের কেন্দ্র ছিল ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধ, ১৭৬৫ সালের পর কোম্পানির রাজস্ব-অধিকার এবং পরবর্তী সামরিক-রাজনৈতিক সম্প্রসারণ।
পলাশীতে ক্লাইভের জয় ও পরবর্তী রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বাংলা রাজদরবার ও ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কোম্পানি-প্রধান শাসনের দিকে ঠেলে দেয়।
পলাশীপূর্ব ভারত কোম্পানিঔপনিবেশিক বিস্তার
বিস্তারিত→মীর জাফর
নেতৃত্বব্যক্তি
সেনানায়ক ও পরবর্তী নবাব
“পলাশীর পর কোম্পানির সঙ্গে জোট বেঁধে বাংলার রাজনৈতিক ক্ষমতার বিন্যাস বদলে দেওয়া সেনানায়ক।”
সিরাজউদ্দৌলার অধীনে উচ্চপদস্থ সেনানায়ক হিসেবে মীর জাফর সিরাজবিরোধী জোটে যোগ দেন এবং পলাশীর যুদ্ধের পর নবাব হন।
তাঁর কর্মজীবনে বাংলার দরবারি রাজনীতি, সামরিক নেতৃত্ব এবং ১৭৫৬–১৭৫৭ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হস্তক্ষেপ একে অপরের সঙ্গে যুক্ত ছিল।
তাঁর পক্ষপরিবর্তন ও নবাব পদে নিয়োগ পলাশীর রাজনৈতিক ফল এবং বাংলায় কোম্পানির পরবর্তী প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ছিল।
পলাশীবাংলা দরবারক্ষমতা পরিবর্তন
বিস্তারিত→মীরন
সমন্বয়কব্যক্তি
মীর জাফর শিবিরের সামরিক-রাজনৈতিক ব্যক্তি
“মীর জাফরের পুত্র মীরন পলাশীর পর বাংলার উত্তরাধিকার-সংকটে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক-রাজনৈতিক ভূমিকা নেন।”
মীর জাফরের পুত্র হিসেবে তিনি পলাশী-পরবর্তী ক্ষমতা সংহতকরণে সক্রিয় ভূমিকা নেন।
পলাশী-পরবর্তী উত্তরাধিকার ও দমনভিত্তিক রাজনীতি।
তার কার্যকলাপ কোম্পানিসমর্থিত নতুন ক্ষমতা কাঠামোকে স্থিত করতে সহায়তা করে।
পলাশীউত্তরাধিকারবাংলা রাজনীতি
বিস্তারিত→রায় দুর্লভ রাম
সমন্বয়কব্যক্তি
পলাশীতে নবাব বাহিনীর সেনাপতি
“পলাশীতে রায় দুর্লভ রামের নিষ্ক্রিয়তা সিরাজউদ্দৌলার অবস্থান দুর্বল করা অভিজাত সামরিক সমীকরণগুলোর একটি ছিল।”
পলাশীতে তার নিষ্ক্রিয়তা সিরাজের সামরিক অবস্থানকে দুর্বল করে এবং যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলকে প্রভাবিত করে।
পলাশীর যুদ্ধে সামরিক আনুগত্যের সংকট।
তার ভূমিকা দেখায়, অভিজাত অবস্থান-পরিবর্তন কীভাবে যুদ্ধের রাজনৈতিক ফল নির্ধারণ করে।
পলাশীসামরিকঅভিজাত পুনর্বিন্যাস
বিস্তারিত→