Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition
❦

Discover Bengal · Unfolded

❦

১৭১৭ — মুর্শিদ কুলি খানের আনুষ্ঠানিক নবাবি নিয়োগ

✦

১৭১৭ বাংলার নবাবি শাসনকে মুঘল কেন্দ্রের ভেতরে থেকেও আলাদা প্রাদেশিক শক্তিতে রূপ দেয়।

১৭১৭ সালে মুর্শিদ কুলি খান বাংলার সুবাহদার/নবাবমুঘল ও উত্তর-মুঘল বাংলায় প্রাদেশিক শাসক বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপাধি। হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ পান, যা নবাবমুঘল ও উত্তর-মুঘল বাংলায় প্রাদেশিক শাসক বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপাধি।ি শাসনব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা নির্দেশ করে। এতে মুঘল আধিপত্যের আনুষ্ঠানিক কাঠামো বজায় থাকলেও প্রাদেশিক অর্থ-রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন স্পষ্টভাবে বৃদ্ধি পায়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

Est. 1947 · Bengal✺A Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

✦

মুঘল স্বীকৃতির ভেতর দিয়ে বাংলায় শক্তিশালী আধা-স্বায়ত্তশাসিত নবাবি পর্ব শুরু হয়।

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

১৭১৭ সালে মুর্শিদ কুলি খান বাংলার সুবাহদার/নবাবমুঘল ও উত্তর-মুঘল বাংলায় প্রাদেশিক শাসক বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপাধি। হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ পান, যা নবাবমুঘল ও উত্তর-মুঘল বাংলায় প্রাদেশিক শাসক বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপাধি।ি শাসনব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা নির্দেশ করে। এতে মুঘল আধিপত্যের আনুষ্ঠানিক কাঠামো বজায় থাকলেও প্রাদেশিক অর্থ-রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন স্পষ্টভাবে বৃদ্ধি পায়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

টাইমলাইন প্রেক্ষাপট

✦

বৃহত্তর অধ্যায়ের অংশ

এই অধ্যায়টি নিজেই একটি মূল ক্লাস্টার অ্যাঙ্কর।

এই ক্লাস্টারের সংযুক্ত অধ্যায়গুলো

এখনও কোনো চাইল্ড অধ্যায় যোগ করা হয়নি।

ঐতিহাসিক সম্পর্ক

✦

টাইমলাইন

✦

মূল ব্যক্তিত্ব

✦

মুর্শিদ কুলি খান

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলার নবাব

“মুর্শিদ কুলি খান বাংলার প্রশাসনিক কেন্দ্র মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন এবং রাজস্ব শাসন জোরদার করেন।”

তিনি প্রশাসনিক কেন্দ্র ঢাকা থেকে মাখসুদাবাদে (পরবর্তীতে মুর্শিদাবাদ) স্থানান্তর করেন এবং অষ্টাদশ শতকের শুরুতে রাজস্ব-প্রশাসনের কেন্দ্রীকরণ জোরদার করেন।

১৭৫৭-পূর্ব মুঘল বাংলায় রাজস্ব ও প্রশাসনিক পুনর্গঠনের সময়।

তার নীতি ও রাজধানী স্থানান্তর বাংলার অভিজাত, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক নেটওয়ার্ককে নতুনভাবে বিন্যস্ত করে।

১৭০৪মুর্শিদাবাদপ্রশাসন
বিস্তারিত→

ফাররুখসিয়ার

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলার নবাবি পর্বকে আনুষ্ঠানিকতা দেওয়া মুঘল সম্রাট

“১৭১৭ সালে মুর্শিদ কুলি খানকে স্বীকৃতি দিয়ে বাংলার নবাবি প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক কাঠামো গঠনে ভূমিকা রাখা মুঘল সম্রাট।”

মুঘল সম্রাট হিসেবে ফাররুখসিয়ার ১৭১৭ সালে মুর্শিদ কুলি খানকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার সুবাদার হিসেবে স্বীকৃতি দেন; এর ফলে পরবর্তী বাংলার নবাবি পর্বের সঙ্গে যুক্ত পদ ও রাজনৈতিক কাঠামো আরও আনুষ্ঠানিক রূপ পায়।

ফাররুখসিয়ার ১৭১৩ থেকে ১৭১৯ সাল পর্যন্ত এমন এক সময়ে শাসন করেন, যখন মুঘল দরবার বাংলার ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করলেও শক্তিশালী প্রাদেশিক প্রশাসকদের ওপর নির্ভর করত। ১৭১৭ সালের নিয়োগটি বাংলার কার্যকর রাজস্ব ও প্রশাসনিক কর্তৃত্ব হিসেবে মুর্শিদ কুলি খানের উত্থানের পর ঘটে এবং সেই কর্তৃত্বকে সাম্রাজ্যিক কাঠামোর মধ্যে স্থাপন করে।

এই ব্যবস্থা বাংলাকে স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করেনি। এটি মুঘল আনুগত্য বজায় রাখার পাশাপাশি প্রাদেশিক সুবাদারকে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও দরবারি রাজনীতির জন্য শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দেয়; পলাশীর ১৭৫৭ সালের সংকটের আগে এই সমন্বয় পরবর্তী নবাবি রাজনৈতিক বিন্যাসকে প্রভাবিত করে।

মুঘলনবাব১৭১৭মুর্শিদাবাদ
বিস্তারিত→

রাজা সীতারাম রায়

নেতৃত্বব্যক্তি

ভুষণার জমিদার ও দুর্গনির্ভর আঞ্চলিক শাসক

“রাজা সীতারাম রায় ভুষণাকে দুর্গনির্ভর আঞ্চলিক শক্তিতে পরিণত করেছিলেন; পরে মুর্শিদ কুলি খানের রাজস্ব-রাষ্ট্র তাঁর জমিদারি দমন ও পুনর্বণ্টন করে।”

সীতারাম রায় ছিলেন মুঘল শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করা ভুষণার প্রধান শত্রাজিৎ রায়ের পুত্র। মুঘল কর্তৃত্ব মেনে নেওয়ার পর তিনি ভুষণা ও ফতহাবাদের জমিদারি ফিরে পান এবং একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক ভূসম্পত্তি গড়ে তোলেন। তিনি বাগজানির কাছে মুহাম্মদপুরে রাজধানী স্থাপন করে দীর্ঘ মাটির বাঁধ ও পরিখা দিয়ে তা সুরক্ষিত করেন।

প্রাক্তন যশোর-ফরিদপুর অঞ্চলের নদীবহুল কৌশলগত ভুষণায় স্থানীয় প্রধান, মুঘল কর্মকর্তা ও রাজস্ব প্রশাসকদের মধ্যে কর্তৃত্ব নিয়ে প্রতিযোগিতা চলত। ভুষণার ফৌজদারের সঙ্গে সীতারামের সংঘাত, রাজস্ব দিতে অস্বীকার এবং ছোট জমিদারদের ওপর তাঁর চাপ তাঁকে বাংলার রাজস্ব-ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করতে চাওয়া মুর্শিদ কুলি খানের সরাসরি বিরোধিতায় নিয়ে যায়।

প্রায় ১৭১৪–১৭১৬ সালের মুঘল-নবাবি অভিযানে সীতারামের প্রতিরোধ দমন হয়, তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং ভুষণার বড় অংশ নাটোরের রামজীবনের হাতে দেওয়া হয়। এই ঘটনা দেখায়, একজন শক্তিশালী জমিদারের সামরিক সম্পদ কতটা বিস্তৃত হতে পারত এবং মুর্শিদাবাদের কেন্দ্রীভূত রাজস্ব-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলে আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসনের সীমা কোথায় এসে দাঁড়াত। ভুষণা অঞ্চলের কালিয়াবাড়িতে তাঁর দুর্গের ধ্বংসাবশেষের সঙ্গে এই ইতিহাস যুক্ত।

ভুষণাফতহাবাদমুহাম্মদপুরজমিদার
বিস্তারিত→

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

✦

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

Murshid Quli Khan

— বাংলাপিডিয়া

গৌণ

অষ্টাদশ শতকের শুরুতে মুর্শিদ কুলি খানের প্রশাসনিক ভূমিকা ও রাজধানী স্থানান্তরের প্রেক্ষাপট নিয়ে Banglapedia-র বিশদ এন্ট্রি।

রেফারেন্স সূত্র · এনসাইক্লোপিডিয়া ও আর্কাইভ রেফারেন্স

Murshid Quli Khan

— বাংলাপিডিয়া

গৌণ

১৭১৭ সালে মুর্শিদ কুলি খানের নিয়োগ এবং বাংলায় প্রশাসনিক কেন্দ্রায়ন সম্পর্কে বাংলাপিডিয়া রেফারেন্স।

প্রশ্নোত্তর

✦

FAQ

মুর্শিদ কুলি খানের আনুষ্ঠানিক নবাবি নিয়োগ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এটি বাংলার ক্ষমতা, শাসন বা ভূরাজনীতিতে একটি কাঠামোগত পরিবর্তন নির্দেশ করে।

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

✦

১৭১৭ সালে মুর্শিদ কুলি খান বাংলার সুবাহদার/নবাবমুঘল ও উত্তর-মুঘল বাংলায় প্রাদেশিক শাসক বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপাধি। হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ পান, যা নবাবমুঘল ও উত্তর-মুঘল বাংলায় প্রাদেশিক শাসক বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপাধি।ি শাসনব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা নির্দেশ করে। এতে মুঘল আধিপত্যের আনুষ্ঠানিক কাঠামো বজায় থাকলেও প্রাদেশিক অর্থ-রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন স্পষ্টভাবে বৃদ্ধি পায়।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ব্যাখ্যা করে কীভাবে ১৭৫৭-এর আগেই বাংলার প্রাদেশিক ক্ষমতা কাঠামোগতভাবে শক্তিশালী হয়।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

১৭১৭-এর বন্দোবস্তে যে প্রাদেশিক শাসন কাঠামো সংহত হয়, তারই অভ্যন্তরীণ জোট, রাজস্ব বিন্যাস ও দুর্বলতাগুলো পরে পলাশীর পথে প্রভাব ফেলে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

বাংলার ঐতিহাসিক স্মৃতিতে ১৭১৭ নবাবমুঘল ও উত্তর-মুঘল বাংলায় প্রাদেশিক শাসক বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপাধি।ি কর্তৃত্বকে ঔপনিবেশিক দখলের পূর্ববর্তী একটি স্বতন্ত্র আঞ্চলিক শাসনপর্ব হিসেবে চিহ্নিত করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

✦

এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ব্যাখ্যা করে কীভাবে ১৭৫৭-এর আগেই বাংলার প্রাদেশিক ক্ষমতা কাঠামোগতভাবে শক্তিশালী হয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

দীর্ঘমেয়াদি উত্তরাধিকার

✦

১৭১৭-এর বন্দোবস্তে যে প্রাদেশিক শাসন কাঠামো সংহত হয়, তারই অভ্যন্তরীণ জোট, রাজস্ব বিন্যাস ও দুর্বলতাগুলো পরে পলাশীর পথে প্রভাব ফেলে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

পরিচয় ও স্মৃতি নোট

✦

বাংলার ঐতিহাসিক স্মৃতিতে ১৭১৭ নবাবমুঘল ও উত্তর-মুঘল বাংলায় প্রাদেশিক শাসক বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপাধি।ি কর্তৃত্বকে ঔপনিবেশিক দখলের পূর্ববর্তী একটি স্বতন্ত্র আঞ্চলিক শাসনপর্ব হিসেবে চিহ্নিত করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি