Discover Bengal · Unfolded
❦Britannica
স্রষ্টা/অবদানকারী
এই নামের সাথে যুক্ত সব রিসোর্স একসাথে দেখুন।
রিসোর্সসমূহ
৫
Battle of Chausa
reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference
Britannica entry on the 26 June 1539 battle where Sher Shah defeated Humayun.
তুকারইয়ের যুদ্ধ
reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference
১৫৭৫ সালে মুঘল বাহিনী ও বাংলার দাউদ খান কররানির সংঘর্ষ সম্পর্কে রেফারেন্স এন্ট্রি.
Humayun
reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference
Britannica biography and campaign context on Humayun, including the Bengal campaign before Chausa.
Murshid Quli Khan
reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference
Britannica profile and contextual notes on Murshid Quli Khan and Bengal's early 18th-century reorganization.
Sannyasi Rebellion
reference-sources · Encyclopedia and Archive Reference
ব্রিটানিকা ১৭৬৩-১৮০০ সময়জুড়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহকে এক দীর্ঘ প্রতিরোধচক্র হিসেবে উপস্থাপন করে।
সম্পর্কিত ইভেন্ট
৭
১৫৩৯ (২৬ জুন)
চৌসার যুদ্ধ
১৫৩৯ সালের ২৬ জুন চৌসার যুদ্ধে শের শাহ হুমায়ূনকে পরাজিত করেন। এই পরাজয়ে পূর্বাঞ্চলে মুঘল অগ্রগতি দুর্বল হয় এবং আফগান শক্তির উত্থান বাংলার রাজনৈতিক গতিপথে প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলে।
১,৫৭৫
তুকারইয়ের যুদ্ধ
১৫৭৫ সালের ৩ মার্চ তুকারইয়ের যুদ্ধে আকবরের বাহিনী বাংলার দাউদ খান কররানির সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষে নামে। যুদ্ধ ও পরবর্তী বন্দোবস্ত স্বাধীন আফগান শাসনকে দুর্বল করে এবং ১৫৭৬ সালের রাজমহলের যুদ্ধের পথ তৈরি করে।
১৫৩৮
হুমায়ূনের বাংলা অভিযান ও গৌড় অধিকার
১৫৩৮ সালে হুমায়ূনের অভিযান বাংলায় এসে গৌড় অধিকার করে, যা বাংলার ক্ষমতার কাঠামোতে প্রথম বড় মুঘল হস্তক্ষেপকে চিহ্নিত করে। এই দখল স্থায়ী না হলেও বাংলা সরাসরি মুঘল-আফগান প্রতিযোগিতার কেন্দ্রে আসে।
১৭১৭
মুর্শিদ কুলি খানের আনুষ্ঠানিক নবাবি নিয়োগ
১৭১৭ সালে মুর্শিদ কুলি খান বাংলার সুবাহদার/নবাব হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ পান, যা নবাবি শাসনব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা নির্দেশ করে। এতে মুঘল আধিপত্যের আনুষ্ঠানিক কাঠামো বজায় থাকলেও প্রাদেশিক অর্থ-রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন স্পষ্টভাবে বৃদ্ধি পায়।
১৭৬৫
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি অধিকার পায়
১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি, অর্থাৎ রাজস্ব আদায়ের অধিকার, লাভ করে। এই বন্দোবস্ত পলাশী-পরবর্তী প্রভাবকে আনুষ্ঠানিক আর্থিক ক্ষমতায় রূপ দেয়। মুঘল ও নবাবি প্রতিষ্ঠান আংশিক বহাল থাকলেও রাজস্ব আহরণ, প্রশাসনিক প্রভাব ও রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ক্রমে কোম্পানির দিকে সরে যায়।
১৭৬০-১৮০০
ফকির-সন্ন্যাসী প্রতিরোধ
ফকির-সন্ন্যাসী প্রতিরোধ ছিল বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে মুসলিম ফকির ও হিন্দু সন্ন্যাসীদের দীর্ঘস্থায়ী সশস্ত্র আন্দোলন। ১৭৬০ সালে শুরু হয়ে ১৭৬৩ সালে তা তীব্রতা পায়। আলমস-সংগ্রহে বিধিনিষেধ, রাজস্বচাপ, এবং কোম্পানি-শাসনের সামাজিক ভাঙন এই আন্দোলনের পেছনে কাজ করে। দুর্ভিক্ষের বছরগুলো ও অষ্টাদশ শতকের শেষভাগের দমনাভিযান পেরিয়ে এটি একাধিক পর্যায়ে চলতে থাকে এবং বাংলার প্রথম দিককার দীর্ঘমেয়াদি ঔপনিবেশিক প্রতিরোধগুলোর অন্যতম হয়ে ওঠে।
১৭৭০
মহা বাংলা দুর্ভিক্ষ
১৭৭০ সালের দুর্ভিক্ষ বাংলাকে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে ফেলেছিল। ফসলহানি, খাদ্যবাজারের বিকৃতি এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কঠোর রাজস্ব আদায় একত্রে পরিবেশগত সংকটকে সামাজিক ধসের দিকে ঠেলে দেয়। এই অধ্যায় দেখায়, ঔপনিবেশিক রাজনৈতিক অর্থনীতি কীভাবে দুর্বল জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।