Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

১৭৬৫ — ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি অধিকার পায়

দেওয়ানি কোম্পানির ক্ষমতাকে কাঠামোগত রূপ দেয়: শুধু সামরিক প্রভাব নয়, বাংলার রাজস্বের ওপর নিয়ন্ত্রণ।

১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানিকোনো প্রদেশে রাজস্ব আদায় ও দেওয়ানি অর্থপ্রশাসন পরিচালনার অধিকার।, অর্থাৎ রাজস্ব আদায়ের অধিকার, লাভ করে। এই বন্দোবস্ত পলাশী-পরবর্তী প্রভাবকে আনুষ্ঠানিক আর্থিক ক্ষমতায় রূপ দেয়। মুঘল ও নবাবমুঘল ও উত্তর-মুঘল বাংলায় প্রাদেশিক শাসক বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপাধি।ি প্রতিষ্ঠান আংশিক বহাল থাকলেও রাজস্ব আহরণ, প্রশাসনিক প্রভাব ও রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ক্রমে কোম্পানির দিকে সরে যায়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

রাজস্ব কর্তৃত্ব নবাবি শাসন থেকে কোম্পানির হাতে সরে যায়।

গুরুত্ব: প্রধানঔপনিবেশিক শাসন ও প্রতিরোধধারা: ঔপনিবেশিক দখল ও প্রতিরোধস্থান: বাংলা অঞ্চল

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানিকোনো প্রদেশে রাজস্ব আদায় ও দেওয়ানি অর্থপ্রশাসন পরিচালনার অধিকার।, অর্থাৎ রাজস্ব আদায়ের অধিকার, লাভ করে। এই বন্দোবস্ত পলাশী-পরবর্তী প্রভাবকে আনুষ্ঠানিক আর্থিক ক্ষমতায় রূপ দেয়। মুঘল ও নবাবমুঘল ও উত্তর-মুঘল বাংলায় প্রাদেশিক শাসক বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপাধি।ি প্রতিষ্ঠান আংশিক বহাল থাকলেও রাজস্ব আহরণ, প্রশাসনিক প্রভাব ও রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ক্রমে কোম্পানির দিকে সরে যায়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ঐতিহাসিক সম্পর্ক

এর পরে কী হলো

১৭৯৩

বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত

১৭৯৩ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করে। ভূমি-রাজস্ব স্থায়ীভাবে নির্ধারণ করা হয় এবং জমিদার ও তালুকদারদের ঔপনিবেশিক আইনে বংশানুক্রমিক ভূস্বামী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কোম্পানির লক্ষ্য ছিল রাজস্ব আয়কে নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় ভূমিমালিক শ্রেণিকে নিজের শাসনের সঙ্গে যুক্ত করা, কিন্তু এর ফলে কৃষিজ অসমতা বাড়ে এবং চাষিদের প্রথাগত অধিকার আরও দুর্বল হয়।

১৭৬০-১৮০০

ফকির-সন্ন্যাসী প্রতিরোধ

ফকির-সন্ন্যাসী প্রতিরোধ ছিল বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে মুসলিম ফকির ও হিন্দু সন্ন্যাসীদের দীর্ঘস্থায়ী সশস্ত্র আন্দোলন। ১৭৬০ সালে শুরু হয়ে ১৭৬৩ সালে তা তীব্রতা পায়। আলমস-সংগ্রহে বিধিনিষেধ, রাজস্বচাপ, এবং কোম্পানি-শাসনের সামাজিক ভাঙন এই আন্দোলনের পেছনে কাজ করে। দুর্ভিক্ষের বছরগুলো ও অষ্টাদশ শতকের শেষভাগের দমনাভিযান পেরিয়ে এটি একাধিক পর্যায়ে চলতে থাকে এবং বাংলার প্রথম দিককার দীর্ঘমেয়াদি ঔপনিবেশিক প্রতিরোধগুলোর অন্যতম হয়ে ওঠে।

দীর্ঘমেয়াদি উত্তরাধিকার

১৮৫৭

সিপাহী বিদ্রোহ

১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে এক বিশাল ঔপনিবেশিক-বিরোধী বিস্ফোরণ। এর মূল কেন্দ্র উত্তর ভারত হলেও এর রাজনৈতিক অভিঘাত পুরো উপমহাদেশে, বিশেষত বাংলার চিন্তা-রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে। সশস্ত্র প্রতিরোধ, স্থানীয় ক্ষোভ এবং স্বশাসনের কল্পনা এই অধ্যায়ে প্রথমবারের মতো বৃহৎ আকারে একত্র হয়।

১৯৪৩

বাংলার দুর্ভিক্ষ

১৯৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষে ভয়াবহ অনাহার ও মৃত্যুর ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে। যুদ্ধকালীন অস্থিরতা, মূল্যস্ফীতি, খাদ্যবাজারের ভাঙন এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক প্রশাসনের নীতিগত ব্যর্থতা সংকটকে আরও তীব্র করে, যার প্রধান আঘাত পড়ে গ্রামীণ পরিবার ও শহুরে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর।

টাইমলাইন

মূল ব্যক্তিত্ব

রবার্ট ক্লাইভ

নেতৃত্বব্যক্তি

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সামরিক কমান্ডার

পলাশীর যুদ্ধে তিনি কোম্পানি বাহিনীকে নেতৃত্ব দেন এবং বাংলার অভ্যন্তরীণ জোট-রাজনীতি কাজে লাগিয়ে ব্রিটিশ প্রভাব প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন।

বাংলায় কোম্পানির সম্প্রসারণ, বিশেষত ১৭৫৭ ও পরবর্তী সময়।

তার সামরিক-রাজনৈতিক সাফল্য বাংলায় কোম্পানির ক্ষমতা বৃদ্ধিকে দ্রুততর করে।

পলাশীপূর্ব ভারত কোম্পানিঔপনিবেশিক বিস্তার
বিস্তারিত

মীর জাফর

নেতৃত্বব্যক্তি

সেনানায়ক ও পরবর্তী নবাব

সিরাজউদ্দৌলার শিবিরের উচ্চপদস্থ সেনানায়ক হিসেবে তিনি ষড়যন্ত্রে যুক্ত হন এবং পলাশীর পর কোম্পানির সমর্থনে নবাব হন।

বাংলার দরবার ও সামরিক রাজনীতি, ১৭৫৭।

তার অবস্থান-পরিবর্তন পলাশীর ফল নির্ধারণে এবং কোম্পানি প্রভাব বিস্তারে কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখে।

পলাশীবাংলা দরবারক্ষমতা পরিবর্তন
বিস্তারিত

জগতশেঠ

সংগঠনসংস্থা

ব্যাংকিং গোষ্ঠী ও দরবারি অর্থশক্তি

মুর্শিদাবাদের জগতশেঠ ব্যাংকিং গোষ্ঠী দরবারি অর্থনীতিতে প্রভাবশালী ছিল এবং পলাশীপূর্ব রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

১৭৫৭ সালে মুর্শিদাবাদের আর্থিক-দরবারি রাজনীতি।

তাদের ভূমিকা দেখায়, বাংলার সার্বভৌম ক্ষমতা বদলে যেতে অর্থশক্তির ভূমিকা কতটা গভীর ছিল।

পলাশীঅর্থমুর্শিদাবাদ
বিস্তারিত

শাহ আলম দ্বিতীয়

নেতৃত্বব্যক্তি

মুঘল সম্রাট

এই অধ্যায়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বোঝাতে শাহ আলম দ্বিতীয় একজন গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।

বক্সারের পর বাংলাকে ঘিরে সাম্রাজ্যিক অবক্ষয় ও চুক্তির রাজনীতি।

এই ব্যক্তির ভূমিকা ওই সময়ের ক্ষমতা, প্রতিষ্ঠান বা ধারণাগত পরিবর্তন বুঝতে সহায়তা করে।

বিস্তারিত

ওয়ারেন হেস্টিংস

নেতৃত্বব্যক্তি

কোম্পানির গভর্নর-জেনারেল

এই অধ্যায়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বোঝাতে ওয়ারেন হেস্টিংস একজন গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।

বাংলায় ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রগঠন ও রাজস্ব-প্রশাসনিক কেন্দ্রীকরণের শুরু।

এই ব্যক্তির ভূমিকা ওই সময়ের ক্ষমতা, প্রতিষ্ঠান বা ধারণাগত পরিবর্তন বুঝতে সহায়তা করে।

বিস্তারিত

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

Diwani

বাংলাপিডিয়া

গৌণ

দেওয়ানি ব্যবস্থা, ১৭৬৫ সালের চুক্তিসমূহ এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে রাজস্ব কর্তৃত্ব সরে যাওয়ার প্রক্রিয়া বোঝার জন্য বাংলা-প্রাসঙ্গিক একটি মৌলিক রেফারেন্স।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

East India Company

এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

গৌণ

বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঔপনিবেশিক শক্তিতে কোম্পানির রূপান্তর, দেওয়ানি অধিকার এবং বাংলার অর্থনৈতিক পরিণতি বোঝার জন্য একটি কার্যকর রেফারেন্স।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

Robert Clive

এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

গৌণ

রবার্ট ক্লাইভের জীবন, পলাশীর যুদ্ধ, এবং বাংলায় কোম্পানি শাসন বিস্তারের প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রামাণ্য প্রোফাইল।

সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক রিসোর্স · Literature and Cultural Texts

A Comprehensive History of Modern Bengal, 1700-1950

সব্যসাচী ভট্টাচার্য সম্পাদিত

গৌণ

নবাবি যুগ, ঔপনিবেশিক পুনর্গঠন, এবং ১৯৫০ পর্যন্ত স্বাধীনতা সংগ্রামকে ধরে তিন খণ্ডের একটি বিস্তৃত ইতিহাস।

গবেষণা প্রবন্ধ ও পেপার · Scholarly Articles and Papers

Seir Mutaqherin / Siyar-ul-Mutakhkherin

গুলাম হুসেন খান তাবাতাবাই

প্রাথমিক

অষ্টাদশ শতকের শেষভাগের মুঘল ভারতের ইতিহাস; বাংলার নবাবি ও প্লাসির পটভূমি বুঝতে অপরিহার্য।

প্রাথমিক সূত্র · Official Documents and Legal Texts

The English Factories in India

উইলিয়াম ফস্টার / চার্লস ফসেট

প্রাথমিক

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্য, ফ্যাক্টরি, এবং ঔপনিবেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের প্রাথমিক নথি-সংকলন।

প্রশ্নোত্তর

FAQ

১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি অধিকার পায় প্রসঙ্গে কী ঘটেছিল?

এই ঘটনা বাংলার ঐতিহাসিক ধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করে এবং তৎকালীন রাজনৈতিক বা সামাজিক গতিশীলতাকে প্রভাবিত করে।

FAQ

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি অধিকার পায় ঐতিহাসিকভাবে কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এটি শাসন, পরিচয় এবং আঞ্চলিক ক্ষমতার সম্পর্কের পরবর্তী গতিপথে গভীর প্রভাব ফেলে।

FAQ

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি অধিকার পায়-কে ঘিরে প্রধান শক্তিগুলো কারা ছিল?

সমসাময়িক শাসকগোষ্ঠী, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সামাজিক গোষ্ঠীগুলো এই ঘটনার ফলাফল ও উত্তরাধিকারে প্রভাব রাখে।

FAQ

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি অধিকার পায় পরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে কীভাবে যুক্ত?

এটি দীর্ঘ ঐতিহাসিক ধারার অংশ, যা শেষ পর্যন্ত বাংলায় আধুনিক রাজনৈতিক চেতনা গঠনে ভূমিকা রাখে।

উদ্ধৃতি

দেওয়ানি পলাশী-পরবর্তী প্রভাবকে টেকসই আর্থিক নিয়ন্ত্রণে রূপ দেয়।

ঐতিহাসিক প্রতিফলন

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানিকোনো প্রদেশে রাজস্ব আদায় ও দেওয়ানি অর্থপ্রশাসন পরিচালনার অধিকার।, অর্থাৎ রাজস্ব আদায়ের অধিকার, লাভ করে। এর ফলে পলাশীর পর কোম্পানির প্রভাব কেবল দরবার-নির্ভর রাজনৈতিক প্রভাবেই সীমাবদ্ধ থাকল না; তা আনুষ্ঠানিক আর্থিক ক্ষমতায় রূপ নিল। পুরোনো মুঘল ও নবাবমুঘল ও উত্তর-মুঘল বাংলায় প্রাদেশিক শাসক বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপাধি।ি কাঠামো আংশিকভাবে বহাল থাকলেও রাজস্ব আহরণ, প্রশাসনিক প্রভাব ও প্রকৃত ক্ষমতার প্রবাহ ক্রমে কোম্পানির দিকে সরে যায়।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

দেওয়ানিকোনো প্রদেশে রাজস্ব আদায় ও দেওয়ানি অর্থপ্রশাসন পরিচালনার অধিকার। অধিকার বোঝা জরুরি, কারণ এর মাধ্যমেই ১৭৫৭-পরবর্তী কোম্পানি-প্রভাব বাংলায় গভীরতর ঔপনিবেশিক শাসনএকটি বহিরাগত শক্তি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণের জন্য যে শাসনব্যবস্থা চালায়। ও সম্পদ-নিষ্কাশনের ব্যবস্থায় পরিণত হয়, যার দীর্ঘ ছায়া পরবর্তী সংকট, দুর্ভিক্ষ, প্রতিরোধ ও সাম্রাজ্য বিস্তারে পড়ে।

[1][2][3]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

দেওয়ানিকোনো প্রদেশে রাজস্ব আদায় ও দেওয়ানি অর্থপ্রশাসন পরিচালনার অধিকার। অধিকার বোঝা জরুরি, কারণ এর মাধ্যমেই ১৭৫৭-পরবর্তী কোম্পানি-প্রভাব বাংলায় গভীরতর ঔপনিবেশিক শাসনএকটি বহিরাগত শক্তি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণের জন্য যে শাসনব্যবস্থা চালায়। ও সম্পদ-নিষ্কাশনের ব্যবস্থায় পরিণত হয়, যার দীর্ঘ ছায়া পরবর্তী সংকট, দুর্ভিক্ষ, প্রতিরোধ ও সাম্রাজ্য বিস্তারে পড়ে।

[1][2][3]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

দেওয়ানিকোনো প্রদেশে রাজস্ব আদায় ও দেওয়ানি অর্থপ্রশাসন পরিচালনার অধিকার। অধিকার বোঝা জরুরি, কারণ এর মাধ্যমেই ১৭৫৭-পরবর্তী কোম্পানি-প্রভাব বাংলায় গভীরতর ঔপনিবেশিক শাসনএকটি বহিরাগত শক্তি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণের জন্য যে শাসনব্যবস্থা চালায়। ও সম্পদ-নিষ্কাশনের ব্যবস্থায় পরিণত হয়, যার দীর্ঘ ছায়া পরবর্তী সংকট, দুর্ভিক্ষ, প্রতিরোধ ও সাম্রাজ্য বিস্তারে পড়ে।

[1][2][3]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

দেওয়ানিকোনো প্রদেশে রাজস্ব আদায় ও দেওয়ানি অর্থপ্রশাসন পরিচালনার অধিকার। অধিকার বোঝা জরুরি, কারণ এর মাধ্যমেই ১৭৫৭-পরবর্তী কোম্পানি-প্রভাব বাংলায় গভীরতর ঔপনিবেশিক শাসনএকটি বহিরাগত শক্তি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণের জন্য যে শাসনব্যবস্থা চালায়। ও সম্পদ-নিষ্কাশনের ব্যবস্থায় পরিণত হয়, যার দীর্ঘ ছায়া পরবর্তী সংকট, দুর্ভিক্ষ, প্রতিরোধ ও সাম্রাজ্য বিস্তারে পড়ে।[1][2][3]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

দীর্ঘমেয়াদি উত্তরাধিকার

দেওয়ানিকোনো প্রদেশে রাজস্ব আদায় ও দেওয়ানি অর্থপ্রশাসন পরিচালনার অধিকার। অধিকার বোঝা জরুরি, কারণ এর মাধ্যমেই ১৭৫৭-পরবর্তী কোম্পানি-প্রভাব বাংলায় গভীরতর ঔপনিবেশিক শাসনএকটি বহিরাগত শক্তি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণের জন্য যে শাসনব্যবস্থা চালায়। ও সম্পদ-নিষ্কাশনের ব্যবস্থায় পরিণত হয়, যার দীর্ঘ ছায়া পরবর্তী সংকট, দুর্ভিক্ষ, প্রতিরোধ ও সাম্রাজ্য বিস্তারে পড়ে।[1][2][3]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

পরিচয় ও স্মৃতি নোট

দেওয়ানিকোনো প্রদেশে রাজস্ব আদায় ও দেওয়ানি অর্থপ্রশাসন পরিচালনার অধিকার। অধিকার বোঝা জরুরি, কারণ এর মাধ্যমেই ১৭৫৭-পরবর্তী কোম্পানি-প্রভাব বাংলায় গভীরতর ঔপনিবেশিক শাসনএকটি বহিরাগত শক্তি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণের জন্য যে শাসনব্যবস্থা চালায়। ও সম্পদ-নিষ্কাশনের ব্যবস্থায় পরিণত হয়, যার দীর্ঘ ছায়া পরবর্তী সংকট, দুর্ভিক্ষ, প্রতিরোধ ও সাম্রাজ্য বিস্তারে পড়ে।[1][2][3]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি