Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition
❦

Discover Bengal · Unfolded

❦

১৮৫৭ — সিপাহী বিদ্রোহ

✦

১৮৫৭-তে বিদ্রোহী সিপাহী ও জনঅসন্তোষ মিলে ঔপনিবেশিক শাসনের ভিত্তিকে চ্যালেঞ্জ করে।

১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে এক বিশাল ঔপনিবেশিক-বিরোধী বিস্ফোরণ। এর মূল কেন্দ্র উত্তর ভারত হলেও এর রাজনৈতিক অভিঘাত পুরো উপমহাদেশে, বিশেষত বাংলার চিন্তা-রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে। সশস্ত্র প্রতিরোধ, স্থানীয় ক্ষোভ এবং স্বশাসনের কল্পনা এই অধ্যায়ে প্রথমবারের মতো বৃহৎ আকারে একত্র হয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

Est. 1947 · Bengal✺A Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

✦

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সামরিক-নাগরিক গণপ্রতিরোধ।

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে এক বিশাল ঔপনিবেশিক-বিরোধী বিস্ফোরণ। এর মূল কেন্দ্র উত্তর ভারত হলেও এর রাজনৈতিক অভিঘাত পুরো উপমহাদেশে, বিশেষত বাংলার চিন্তা-রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে। সশস্ত্র প্রতিরোধ, স্থানীয় ক্ষোভ এবং স্বশাসনের কল্পনা এই অধ্যায়ে প্রথমবারের মতো বৃহৎ আকারে একত্র হয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

টাইমলাইন প্রেক্ষাপট

✦

ঐতিহাসিক সম্পর্ক

✦

পটভূমির অধ্যায়

১৭৫৭

পলাশীর যুদ্ধ

১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধ বাংলার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বদলে দেয়। স্বল্পস্থায়ী সামরিক সংঘর্ষটি দরবারি ষড়যন্ত্র, সামরিক পক্ষত্যাগ, এবং আর্থিক জোটের মধ্য দিয়ে সিরাজউদ্দৌলার অবস্থান ভেঙে দেয় এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্ষমতা মজবুত করে। এর পরিণতিতে শাসন, রাজস্ব আহরণ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে গভীর পরিবর্তন আসে।

১৭৬৫

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি অধিকার পায়

১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি, অর্থাৎ রাজস্ব আদায়ের অধিকার, লাভ করে। এই বন্দোবস্ত পলাশী-পরবর্তী প্রভাবকে আনুষ্ঠানিক আর্থিক ক্ষমতায় রূপ দেয়। মুঘল ও নবাবি প্রতিষ্ঠান আংশিক বহাল থাকলেও রাজস্ব আহরণ, প্রশাসনিক প্রভাব ও রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ক্রমে কোম্পানির দিকে সরে যায়।

১৭৯৩

বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত

১৭৯৩ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করে। ভূমি-রাজস্ব স্থায়ীভাবে নির্ধারণ করা হয় এবং জমিদার ও তালুকদারদের ঔপনিবেশিক আইনে বংশানুক্রমিক ভূস্বামী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কোম্পানির লক্ষ্য ছিল রাজস্ব আয়কে নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় ভূমিমালিক শ্রেণিকে নিজের শাসনের সঙ্গে যুক্ত করা, কিন্তু এর ফলে কৃষিজ অসমতা বাড়ে এবং চাষিদের প্রথাগত অধিকার আরও দুর্বল হয়।

টাইমলাইন

✦

মূল ব্যক্তিত্ব

✦

মঙ্গল পান্ডে

শহীদব্যক্তি

ব্যারাকপুর বিদ্রোহের সূচনাকারী সিপাহী

“ব্যারাকপুরে ২৯ মার্চ ১৮৫৭-এর মঙ্গল পান্ডের পদক্ষেপ বিদ্রোহের পরিচিত প্রাথমিক স্ফুলিঙ্গগুলোর একটি।”

২৯ মার্চ ১৮৫৭ ব্যারাকপুরে সিপাহী মঙ্গল পান্ডে ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের আক্রমণ করেন; পরবর্তী ইতিহাসে ঘটনাটি বিদ্রোহের প্রাথমিক স্ফুলিঙ্গ হিসেবে স্মরণীয়।

১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।

তাঁর পদক্ষেপ ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের পরবর্তী স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকে পরিণত হয়; বৃহত্তর বিদ্রোহটি অবশ্য বহু আঞ্চলিক কারণ ও অংশগ্রহণকারীর সমন্বয়ে গড়ে ওঠে।

১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→

বাহাদুর শাহ দ্বিতীয়

নেতৃত্বব্যক্তি

শেষ মুঘল সম্রাট ও ১৮৫৭ বিদ্রোহের প্রতীকী নেতা

“দিল্লিতে ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের প্রতীকী সম্রাট ঘোষিত শেষ মুঘল সম্রাট।”

বাহাদুর শাহ দ্বিতীয় ছিলেন শেষ মুঘল সম্রাট; ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে দিল্লিতে বিদ্রোহী বাহিনী তাঁকে প্রতীকী সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করে।

তাঁর দরবার বিদ্রোহকে মুঘল বৈধতার প্রতীক দেয়, কিন্তু সামরিক কমান্ড বখত খানের মতো আঞ্চলিক নেতাদের মধ্যে বিভক্ত ছিল। দিল্লি পুনর্দখলের পর তাঁকে বিচার করে রেঙ্গুনে নির্বাসিত করা হয়।

বিদ্রোহী প্রতীক হিসেবে তাঁর স্বল্পস্থায়ী পুনঃপ্রতিষ্ঠা ১৮৫৭ সালের আন্দোলনকে মুঘল সাম্রাজ্যের স্মৃতি ও বৈধতার সঙ্গে যুক্ত করে। এটি প্রতীকী কর্তৃত্ব ও সমন্বিত সামরিক শক্তির পার্থক্যও দেখায়।

১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→

বখত খান

নেতৃত্বব্যক্তি

দিল্লির বিদ্রোহী কমান্ডার

“১৮৫৭ সালে দিল্লির বিদ্রোহী বাহিনীর প্রধান সামরিক কমান্ডার।”

বখত খান বেরেলির অভিজ্ঞ গোলন্দাজ কর্মকর্তা ছিলেন; ১৮৫৭ সালের জুলাইয়ে রোহিলা সিপাহিদের নিয়ে দিল্লিতে এসে তিনি বিদ্রোহী বাহিনীর প্রধান সামরিক কমান্ডার হন।

তিনি বাহাদুর শাহ দ্বিতীয়ের প্রতীকী কর্তৃত্বের অধীনে কাজ করলেও দরবারি স্বার্থ, বিভক্ত কমান্ড ও দিল্লি রক্ষার রসদসংকটের মুখোমুখি হন। দিল্লি পতনের পরও তিনি উত্তর ভারতের অন্যত্র প্রতিরোধে যুক্ত ছিলেন।

বখত খান ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে সামরিক সমন্বয় প্রতিষ্ঠার চেষ্টা এবং আঞ্চলিক ও দরবারি স্বার্থের কারণে তার সীমাবদ্ধতার উদাহরণ।

১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→

মির্জা মুঘল

সমন্বয়কব্যক্তি

মুঘল যুবরাজ ও দিল্লির বিদ্রোহী সংগঠক

দিল্লির বিদ্রোহী বাহিনীর সিপাহসালার — প্রধান সেনাপতি — হিসেবে নিযুক্ত হয়ে মির্জা মুঘল ১৮৫৭ সালের চার মাসের অবরোধকালে শহরের সামরিক প্রতিরক্ষা সংগঠিত করেন। মিরাট থেকে দিল্লিতে অগ্রসর হয়ে আসা বেঙ্গল আর্মির সিপাহিরা বাহাদুর শাহ জাফরকে সম্রাট ঘোষণা করলে তিনি তাঁদের সমন্বয় সাধন করেন। ব্রিটিশ বাহিনী ১৮৫৭ সালের সেপ্টেম্বরে দিল্লি পুনর্দখল করলে তিনি রাজপরিবারের সাথে পালিয়ে যান। ব্রিটিশ অফিসার উইলিয়াম হডসন তাঁকে বন্দি করেন এবং ২২ সেপ্টেম্বর ১৮৫৭ সালে খুনি দরওয়াজায় মির্জা খিজর সুলতান ও মির্জা আবু বকরসহ সমবেত জনতার সামনে গুলি করে হত্যা করেন।

দিল্লি, ১৮৫৭। মিরাটে বেঙ্গল আর্মির সিপাহিরা বিদ্রোহ করে দিল্লিতে আসেন এবং বাহাদুর শাহ জাফরকে ঔপনিবেশিকবিরোধী প্রতিরোধের প্রতীক সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করেন। বিদ্রোহী বাহিনী চার মাস দিল্লি ধরে রাখে। ব্রিটিশ অবরোধকারী বাহিনী ১৮৫৭ সালের সেপ্টেম্বরে শহর পুনর্দখল করে দিল্লিতে মুঘল আমলের সংগঠিত প্রতিরোধের অবসান ঘটায়।

খুনি দরওয়াজায় মির্জা মুঘল, মির্জা খিজর সুলতান ও মির্জা আবু বকরের হত্যাকাণ্ড ১৮৫৭ সালের ইতিহাসে ব্রিটিশ প্রতিশোধের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি হয়ে ওঠে। পুরনো দিল্লির এই মুঘল আমলের ফটক পরবর্তীকালে বিদ্রোহের নিষ্ঠুর দমনের স্মৃতিস্থলে পরিণত হয়। বিদ্রোহী সামরিক জোটের সিপাহসালার হিসেবে মির্জা মুঘল দিল্লিতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিরোধের ইতিহাসে একটি নির্দিষ্ট স্থান অধিকার করেন।

১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→

মির্জা খিজর সুলতান

সমন্বয়কব্যক্তি

১৮৫৭-র বিদ্রোহের দিল্লি অধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত মুঘল যুবরাজ

বাহাদুর শাহ জাফরের পুত্র মির্জা খিজর সুলতান ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহকালে দিল্লির মুঘল রাজপরিবারের যুদ্ধকালীন নেতৃত্বের অংশ ছিলেন। চার মাসের অবরোধজুড়ে তিনি শহরেই থাকেন। ব্রিটিশ বাহিনী ১৮৫৭ সালের সেপ্টেম্বরে দিল্লি পুনর্দখল করার পর তিনি মির্জা মুঘল ও মির্জা আবু বকরসহ উইলিয়াম হডসনের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। ২২ সেপ্টেম্বর ১৮৫৭ সালে হডসন তিনজনকেই খুনি দরওয়াজায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেন — আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের পরেও। এই হত্যাকাণ্ড সমসাময়িক ব্রিটিশ পত্রাচারেও সমালোচিত হয়েছিল।

১৮৫৭-১৮৫৮ সময়কালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে দিল্লি ও আশপাশের উত্তর ভারতীয় অঞ্চলের বিদ্রোহী পর্যায়।

দিল্লি পতনের পর ব্রিটিশ প্রতিশোধের ইতিহাসে খুনি দরওয়াজায় মির্জা খিজর সুলতানসহ তিন যুবরাজের হত্যাকাণ্ড একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত। আত্মসমর্পণ করা যুবরাজদের হত্যার এই সিদ্ধান্ত ব্রিটিশ সামরিক মহলেও সমালোচনা তৈরি করেছিল। ১৮৫৭ সালের ইতিহাসে মির্জা খিজর সুলতান দিল্লিতে সংগঠিত রাজকীয় প্রতিরোধের অবসান ঘটানো মুঘল যুদ্ধকালীন নেতৃত্বের অংশ হিসেবে স্মরণীয়।

১৮৫৭বিদ্রোহদিল্লিবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

✦

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

Indian Rebellion of 1857

— এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

গৌণ

১৮৫৭-৫৯ সালের বিদ্রোহের কারণ, বিস্তার, প্রধান যুদ্ধক্ষেত্র ও দমনপ্রক্রিয়া বোঝার জন্য একটি মৌলিক সামগ্রিক রেফারেন্স।

গবেষণা প্রবন্ধ ও পেপার · Doctoral Thesis

The Uprising in the ‘Periphery’: Bengal 1857–58

— নীলাদ্রি চ্যাটার্জি, SOAS University of London

গৌণ

নীলাদ্রি চ্যাটার্জির পিএইচডি গবেষণায় ১৮৫৭–৫৮ সালের বাংলার বিদ্রোহ, চট্টগ্রামের অভ্যুত্থান এবং অঞ্চলটি থেকে বিদ্রোহী সৈন্যদের অগ্রযাত্রা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

Mangal Pandey

— এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

গৌণ

ব্যারাকপুরের সিপাহী মঙ্গল পান্ডের জীবন ও ১৮৫৭ বিদ্রোহের সূচনাপর্বে তার ভূমিকা নিয়ে প্রামাণ্য জীবনীমূলক নিবন্ধ।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

Bahadur Shah II

— এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

গৌণ

শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ দ্বিতীয়ের জীবন, দিল্লিতে তার প্রতীকী নেতৃত্ব এবং বিদ্রোহ-পরবর্তী নির্বাসন নিয়ে রেফারেন্স।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

Lakshmi Bai

— এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

গৌণ

ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাইয়ের জীবন, সামরিক প্রতিরোধ এবং ১৮৫৭-৫৮ বিদ্রোহে তার নেতৃত্ব নিয়ে প্রামাণ্য রেফারেন্স।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

Nana Sahib

— এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

গৌণ

নানা সাহেবের জীবন, কানপুরে তার ভূমিকা এবং ১৮৫৭ বিদ্রোহের নেতৃত্ব কাঠামোয় অবস্থান বোঝার জন্য জীবনীমূলক রেফারেন্স।

প্রশ্নোত্তর

✦

FAQ

১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহ প্রসঙ্গে কী ঘটেছিল?

এই ঘটনা বাংলার ঐতিহাসিক ধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করে এবং তৎকালীন রাজনৈতিক বা সামাজিক গতিশীলতাকে প্রভাবিত করে।

FAQ

সিপাহী বিদ্রোহ ঐতিহাসিকভাবে কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এটি শাসন, পরিচয় এবং আঞ্চলিক ক্ষমতার সম্পর্কের পরবর্তী গতিপথে গভীর প্রভাব ফেলে।

FAQ

সিপাহী বিদ্রোহ-কে ঘিরে প্রধান শক্তিগুলো কারা ছিল?

সমসাময়িক শাসকগোষ্ঠী, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সামাজিক গোষ্ঠীগুলো এই ঘটনার ফলাফল ও উত্তরাধিকারে প্রভাব রাখে।

FAQ

সিপাহী বিদ্রোহ পরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে কীভাবে যুক্ত?

এটি দীর্ঘ ঐতিহাসিক ধারার অংশ, যা শেষ পর্যন্ত বাংলায় আধুনিক রাজনৈতিক চেতনা গঠনে ভূমিকা রাখে।

উদ্ধৃতি

✦

১৮৫৭ ঔপনিবেশিক শাসন শেষ করতে না পারলেও অজেয়তার মিথ ভেঙে দেয়।

সিপাহী বিদ্রোহ নিয়ে ঐতিহাসিক প্রতিফলন

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

✦

১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে এক বিশাল ঔপনিবেশিক-বিরোধী বিস্ফোরণ। এর মূল কেন্দ্র উত্তর ভারত হলেও এর রাজনৈতিক অভিঘাত পুরো উপমহাদেশে, বিশেষত বাংলার চিন্তা-রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে। সশস্ত্র প্রতিরোধ, স্থানীয় ক্ষোভ এবং স্বশাসনের কল্পনা এই অধ্যায়ে প্রথমবারের মতো বৃহৎ আকারে একত্র হয়।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

সিপাহী বিদ্রোহ বোঝা জরুরি, কারণ এটি ঔপনিবেশিক কর্তৃত্বের দুর্বলতা উন্মোচন করে এবং পরবর্তী প্রতিরোধ-রাজনীতির ভিত্তি তৈরি করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

সিপাহী বিদ্রোহ বোঝা জরুরি, কারণ এটি ঔপনিবেশিক কর্তৃত্বের দুর্বলতা উন্মোচন করে এবং পরবর্তী প্রতিরোধ-রাজনীতির ভিত্তি তৈরি করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

সিপাহী বিদ্রোহ বোঝা জরুরি, কারণ এটি ঔপনিবেশিক কর্তৃত্বের দুর্বলতা উন্মোচন করে এবং পরবর্তী প্রতিরোধ-রাজনীতির ভিত্তি তৈরি করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

✦

সিপাহী বিদ্রোহ বোঝা জরুরি, কারণ এটি ঔপনিবেশিক কর্তৃত্বের দুর্বলতা উন্মোচন করে এবং পরবর্তী প্রতিরোধ-রাজনীতির ভিত্তি তৈরি করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

দীর্ঘমেয়াদি উত্তরাধিকার

✦

সিপাহী বিদ্রোহ বোঝা জরুরি, কারণ এটি ঔপনিবেশিক কর্তৃত্বের দুর্বলতা উন্মোচন করে এবং পরবর্তী প্রতিরোধ-রাজনীতির ভিত্তি তৈরি করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

পরিচয় ও স্মৃতি নোট

✦

সিপাহী বিদ্রোহ বোঝা জরুরি, কারণ এটি ঔপনিবেশিক কর্তৃত্বের দুর্বলতা উন্মোচন করে এবং পরবর্তী প্রতিরোধ-রাজনীতির ভিত্তি তৈরি করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি