Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

১৮২৬-১৮৩১ — ইয়ং বেঙ্গল ও ডিরোজিয়ান আন্দোলন

একটি ছোট ছাত্রবৃত্ত যুক্তি, সংস্কার ও কর্তৃত্ব নিয়ে বাংলার জনআলোচনা প্রসারিত করে।

১৮২০-এর দশকের শেষ থেকে ১৮৩০-এর দশকের গোড়ায় হিন্দু কলেজে হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর প্রভাবে গড়ে ওঠা ছাত্রসমাজ ইয়ং বেঙ্গল নামে পরিচিত হয়। যুক্তি, প্রথা, শিক্ষা ও জনসমালোচনা নিয়ে তাদের বিতর্ক বাংলা নবজাগরণের প্রারম্ভিক পর্বকে চিহ্নিত করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

হিন্দু কলেজকেন্দ্রিক এক ছাত্রবৃত্ত যুক্তিবাদ ও সমাজসমালোচনাকে বাংলার আধুনিক জনসংস্কৃতির অংশ করে তোলে।

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

১৮২০-এর দশকের শেষ থেকে ১৮৩০-এর দশকের গোড়ায় হিন্দু কলেজে হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর প্রভাবে গড়ে ওঠা ছাত্রসমাজ ইয়ং বেঙ্গল নামে পরিচিত হয়। যুক্তি, প্রথা, শিক্ষা ও জনসমালোচনা নিয়ে তাদের বিতর্ক বাংলা নবজাগরণের প্রারম্ভিক পর্বকে চিহ্নিত করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

টাইমলাইন প্রেক্ষাপট

বৃহত্তর অধ্যায়ের অংশ

এই অধ্যায়টি নিজেই একটি মূল ক্লাস্টার অ্যাঙ্কর।

এই ক্লাস্টারের সংযুক্ত অধ্যায়গুলো

এখনও কোনো চাইল্ড অধ্যায় যোগ করা হয়নি।

টাইমলাইন

মূল ব্যক্তিত্ব

হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও

বুদ্ধিজীবীব্যক্তি

শিক্ষক, কবি ও বাংলা নবজাগরণের প্রারম্ভিক চিন্তক

হিন্দু কলেজের শিক্ষক, যার বিতর্কচর্চা ও শিক্ষার্থীরা ইয়ং বেঙ্গলের ডিরোজিয়ান ধারাকে গড়ে তোলে।

ডিরোজিও ১৮২৬ সালের মে মাসে হিন্দু কলেজে ইংরেজি সাহিত্য ও ইতিহাসের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। তিনি শিক্ষার্থীদের সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান ও সামাজিক রীতিনীতি নিয়ে মুক্ত আলোচনায় যুক্ত করে প্রশ্ন ও সমালোচনামূলক চিন্তাকে উৎসাহিত করেন; ১৮২৮ সালে শ্রেণিকক্ষের বাইরে বিতর্কের জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অ্যাসোসিয়েশন গঠনে সহায়তা করেন।

উনিশ শতকের গোড়ার কলকাতার একজন অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান কবি ও সাংবাদিক হিসেবে ডিরোজিও এমন সময়ে শিক্ষকতা করেন, যখন হিন্দু কলেজে ইংরেজি, বাংলা, ফারসি ও বিজ্ঞান শিক্ষার বিস্তার ঘটছিল। তাঁর প্রচলিত রীতির বাইরে শিক্ষাদান এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা কলেজের রক্ষণশীল পরিচালনা কমিটির সমালোচনা টানে; ১৮৩১ সালের এপ্রিলে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়।

ডিরোজিওর প্রভাবে গড়ে ওঠা শিক্ষার্থীরা পরে ইয়ং বেঙ্গল নামে পরিচিত সীমিত কিন্তু দৃশ্যমান এক বুদ্ধিবৃত্তিক ধারার সঙ্গে যুক্ত হয়; এই ধারা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া কর্তৃত্ব ও সামাজিক রক্ষণশীলতাকে প্রশ্ন করে। তাঁর কবিতা, সাংবাদিকতা ও শিক্ষকতা বাংলার জনআলোচনার পরিসর বাড়ায়, আর ১৮৩১ সালের ডিসেম্বরে তাঁর অকালমৃত্যু স্বল্প কর্মজীবনের অবসান ঘটালেও প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়।

বাংলা-নবজাগরণশিক্ষাইয়ং-বেঙ্গলচিন্তক
বিস্তারিত

ডেভিড হেয়ার

বুদ্ধিজীবীব্যক্তি

ঔপনিবেশিক কলকাতার প্রারম্ভিক শিক্ষাসংস্কারক

হিন্দু কলেজ, স্কুল-বুক সোসাইটি ও ক্যালকাটা স্কুল সোসাইটির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষাসংগঠক।

ডেভিড হেয়ার ১৮১৭ সালে কলকাতায় হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেন এবং ক্যালকাটা স্কুল-বুক সোসাইটিকে সমর্থন দেন; এই প্রতিষ্ঠান ইংরেজি ও বাংলায় শিক্ষামূলক বই প্রকাশ ও সরবরাহ করত। ১৮১৮ সালে তিনি ক্যালকাটা স্কুল সোসাইটি সংগঠনে সহায়তা করেন, যার লক্ষ্য ছিল বিদ্যমান বিদ্যালয়ের উন্নতি এবং কার্যকর শিক্ষার বিস্তার।

স্কটল্যান্ডে জন্ম নেওয়া ঘড়ি-ব্যবসায়ী হেয়ার কলকাতায় বসতি স্থাপন করে উনিশ শতকের গোড়ার শহুরে প্রাতিষ্ঠানিক সম্প্রসারণের সময়ে শিক্ষা ও জনকল্যাণে সময় ও সম্পদ দেন। তাঁর কাজ ভারতীয় সংস্কারক, বাঙালি পৃষ্ঠপোষক এবং ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের যুক্ত করলেও তিনি ধর্মান্তরকেন্দ্রিক মিশনারি কাজের বদলে বিদ্যালয় ও শিক্ষার ওপর জোর দেন।

হেয়ার এমন প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ গড়ে তুলতে সাহায্য করেন যেখানে পরে হেনরি ডিরোজিও ও ইয়ং বেঙ্গল বৃত্ত শিক্ষা, ধর্ম এবং উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া কর্তৃত্ব নিয়ে বিতর্ক করে। হেয়ার স্কুল ও কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সহায়তার সঙ্গেও তাঁর উত্তরাধিকার যুক্ত; এতে ঔপনিবেশিক কলকাতায় বিদ্যালয়, পাঠ্যবই ও জনপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাসংস্কারের যোগসূত্র দেখা যায়।

শিক্ষাসংস্কারকলকাতাবাংলা-নবজাগরণ
বিস্তারিত

রাজা রামমোহন রায়

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলা নবজাগরণের প্রারম্ভিক চিন্তক ও সমাজসংস্কারক

ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মধ্যে সংস্কার-সেতু নির্মাণে অগ্রগণ্য।

সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কার বিষয়ে তিনি নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক ধারা প্রতিষ্ঠা করেন, যা বাংলার আধুনিক জনআলোচনার ভিত্তি গড়ে।

ঔপনিবেশিক বাংলার প্রাথমিক পর্যায়ে ভাষা, আইন ও সমাজচিন্তার সংযোগস্থলে তিনি কাজ করেন।

বাংলার আধুনিক সংস্কারধারার অন্যতম প্রাথমিক নির্মাতা হিসেবে তাঁর ঐতিহাসিক গুরুত্ব স্থায়ী।

সংস্কারবাংলা-নবজাগরণচিন্তাআধুনিকতা
বিস্তারিত

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

ইয়ং বেঙ্গল

বাংলাপিডিয়া

গৌণ

হিন্দু কলেজকেন্দ্রিক ডিরোজিয়ান বৃত্ত এবং উনিশ শতকের বুদ্ধিবৃত্তিক ভিন্নমতের ইতিহাস নিয়ে বাংলাপিডিয়া রেফারেন্স।

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

১৮২০-এর দশকের শেষ থেকে ১৮৩০-এর দশকের গোড়ায় হিন্দু কলেজে হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর প্রভাবে গড়ে ওঠা ছাত্রসমাজ ইয়ং বেঙ্গল নামে পরিচিত হয়। যুক্তি, প্রথা, শিক্ষা ও জনসমালোচনা নিয়ে তাদের বিতর্ক বাংলা নবজাগরণের প্রারম্ভিক পর্বকে চিহ্নিত করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ইয়ং বেঙ্গল গণআন্দোলন হয়ে ওঠেনি, কিন্তু ঔপনিবেশিক বাংলার জনপরিসরে বুদ্ধিবৃত্তিক ভিন্নমত, আধুনিক শিক্ষা ও উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া কর্তৃত্বের সমালোচনাকে দৃশ্যমান করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

এর উত্তরাধিকার প্রধানত বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ: পরবর্তী সংস্কারক ও সমালোচকেরা ডিরোজিয়ান বৃত্তকে ধর্মনিরপেক্ষ ও যুক্তিবাদী জনবিতর্কের প্রাথমিক পরীক্ষা হিসেবে দেখেছেন।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

আন্দোলনটি অভিজাত ও সীমিত সামাজিক পরিসরের হলেও বাংলায় আধুনিক শিক্ষা ও সংস্কারের ভাষা গঠনে তা গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি হয়ে আছে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

ইয়ং বেঙ্গল গণআন্দোলন হয়ে ওঠেনি, কিন্তু ঔপনিবেশিক বাংলার জনপরিসরে বুদ্ধিবৃত্তিক ভিন্নমত, আধুনিক শিক্ষা ও উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া কর্তৃত্বের সমালোচনাকে দৃশ্যমান করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

দীর্ঘমেয়াদি উত্তরাধিকার

এর উত্তরাধিকার প্রধানত বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ: পরবর্তী সংস্কারক ও সমালোচকেরা ডিরোজিয়ান বৃত্তকে ধর্মনিরপেক্ষ ও যুক্তিবাদী জনবিতর্কের প্রাথমিক পরীক্ষা হিসেবে দেখেছেন।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

পরিচয় ও স্মৃতি নোট

আন্দোলনটি অভিজাত ও সীমিত সামাজিক পরিসরের হলেও বাংলায় আধুনিক শিক্ষা ও সংস্কারের ভাষা গঠনে তা গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি হয়ে আছে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি