Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition
❦

Discover Bengal · Unfolded

❦

1828 — ব্রাহ্ম সমাজ ও বাংলার সামাজিক সংস্কার

✦

ধর্ম, যুক্তি, শিক্ষা ও সামাজিক রীতিনীতির বিতর্ককে নতুন জনপরিসরে আনে এক সংস্কারধারা।

১৮২৮ সালে কলকাতায় রাজা রামমোহন রায় ও তাঁর সহযোগীরা ব্রাহ্ম সভা/ব্রাহ্ম সমাজ গড়ে তোলেন। এটি উনিশ শতকের বাংলায় ধর্মীয় সংস্কার, একেশ্বরবাদী উপাসনা, সামাজিক সমালোচনা ও আধুনিক শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিসর হয়ে ওঠে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

Est. 1947 · Bengal✺A Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

✦

কলকাতার এক সংস্কারমুখী পরিসর একেশ্বরবাদ, শিক্ষা ও সামাজিক সমালোচনাকে উনিশ শতকের বাংলার জনপরিসরে নিয়ে আসে।

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

১৮২৮ সালে কলকাতায় রাজা রামমোহন রায় ও তাঁর সহযোগীরা ব্রাহ্ম সভা/ব্রাহ্ম সমাজ গড়ে তোলেন। এটি উনিশ শতকের বাংলায় ধর্মীয় সংস্কার, একেশ্বরবাদী উপাসনা, সামাজিক সমালোচনা ও আধুনিক শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিসর হয়ে ওঠে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

টাইমলাইন প্রেক্ষাপট

✦

বৃহত্তর অধ্যায়ের অংশ

এই অধ্যায়টি নিজেই একটি মূল ক্লাস্টার অ্যাঙ্কর।

এই ক্লাস্টারের সংযুক্ত অধ্যায়গুলো

এখনও কোনো চাইল্ড অধ্যায় যোগ করা হয়নি।

ঐতিহাসিক সম্পর্ক

✦

টাইমলাইন

✦

মূল ব্যক্তিত্ব

✦

দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর

বুদ্ধিজীবীব্যক্তি

ব্রাহ্ম সংস্কারক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠক

“তত্ত্ববোধিনী সভার সংগঠক এবং উনিশ শতকে ব্রাহ্ম সমাজের সংহতির অন্যতম প্রধান স্থপতি।”

রামমোহন রায়ের মৃত্যুর পর দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রাহ্ম আন্দোলনকে পুনর্গঠনে সহায়তা করেন। তিনি ১৮৩৯ সালে তত্ত্ববোধিনী সভা প্রতিষ্ঠা করেন, ১৮৪২ সালে তত্ত্ববোধিনী সভা ও ব্রাহ্ম সমাজের দায়িত্ব নেন এবং তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার তত্ত্বাবধান করেন; পত্রিকাটিতে ধর্ম, দর্শন, ইতিহাস ও সমাজসংস্কার নিয়ে লেখা প্রকাশিত হতো।

তাঁর সংস্কারকাজ উপনিষদ ও বেদান্তের অনুসন্ধানকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া আচার-অধিকারের সমালোচনা এবং বাংলা ধর্মীয় প্রকাশনার নতুন জনপরিসরের সঙ্গে যুক্ত করে। ব্রহ্মধর্ম ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে দেবেন্দ্রনাথ ব্রাহ্ম সমাজকে আরও সংগঠিত ধর্মতাত্ত্বিক ও শিক্ষামূলক পরিচয় দেন, যদিও পরবর্তী ব্রাহ্ম ধারাগুলোর সঙ্গে তাঁর অবস্থানের পার্থক্য ছিল।

দেবেন্দ্রনাথের নেতৃত্ব ব্রাহ্ম সমাজকে প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতা দেয় এবং উনিশ শতকের বাংলার বুদ্ধিবৃত্তিক জনপরিসরে ধর্মীয় সংস্কারকে দৃশ্যমান করে। তাঁর কাজ ঠাকুর পরিবারের সাংস্কৃতিক নেটওয়ার্ককে বৃহত্তর সংস্কারজগতের সঙ্গে যুক্ত করে; তবে পরবর্তী মতভেদের ফলে ১৮৭৮ সালে সাধারণ ব্রাহ্ম সমাজসহ পৃথক সংগঠন গড়ে ওঠে।

ব্রাহ্ম-সমাজসংস্কারবাংলা-নবজাগরণ
বিস্তারিত→

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলা নবজাগরণের শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক

“ঊনবিংশ শতকের বাঙালি শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক, যিনি বিদ্যালয় বিস্তারকে বিধবা বিবাহের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করেন।”

সংস্কৃত পণ্ডিত, শিক্ষা-প্রশাসক ও বাংলা লেখক হিসেবে তিনি মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষার প্রসার, মেয়েদের বিদ্যালয় এবং হিন্দু বিধবা বিবাহের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করেন।

ঊনবিংশ শতকের ঔপনিবেশিক বাংলায় তিনি সংস্কৃতশিক্ষা, বিদ্যালয় পরিচালনা, বাংলা পাঠ্যপুস্তক ও সামাজিক রীতিনীতি নিয়ে চলা বিতর্ককে একসূত্রে আনেন। তাঁর আবেদন ও শাস্ত্রভিত্তিক যুক্তি ১৮৫০-এর দশকে বিধবা বিবাহকে সংস্কারের কেন্দ্রীয় প্রশ্নে পরিণত করতে সাহায্য করে।

তাঁর শিক্ষা-উদ্যোগ ও জনসমর্থন গঠনের প্রচেষ্টা ১৮৫৬ সালের হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখে; তাঁর পাঠ্যপুস্তক ও বিদ্যালয়-উদ্যোগ বাংলা শিক্ষা এবং পরবর্তী সামাজিক সংস্কার-আলোচনায় দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।

শিক্ষাসংস্কারবাংলা-নবজাগরণসমাজ
বিস্তারিত→

কেশবচন্দ্র সেন

বুদ্ধিজীবীব্যক্তি

ব্রাহ্ম সমাজের সংস্কারক ও জনবক্তা

“ব্রাহ্ম সমাজ অব ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা এবং পরে নববিধানের প্রবক্তা ব্রাহ্ম নেতা।”

উনিশ শতকের একজন প্রধান ব্রাহ্ম সংস্কারক হিসেবে তিনি ১৮৫৭ সালে ব্রাহ্ম সমাজে যোগ দেন, ১৮৬২ সালে আচার্য হন এবং পরে ব্রাহ্ম সমাজ অব ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠা করেন।

কেশবচন্দ্র সেন প্রচার, সমাজসংস্কারের পক্ষে বক্তব্য এবং আন্তঃআঞ্চলিক যোগাযোগের মাধ্যমে ব্রাহ্ম সমাজের জনপরিসরের কাজকে বিস্তৃত করেন। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের আদি ব্রাহ্ম সমাজের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদের ফলে ১৮৬৬ সালে পৃথক সংগঠন গড়ে ওঠে; ১৮৮০ সালে তিনি সর্বজনীনতাবাদী নববিধান ধারণা প্রকাশ করেন।

তাঁর কর্মজীবন জাতিভেদ, নারীশিক্ষা, সমাজসংস্কার ও ধর্মীয় সর্বজনীনতা নিয়ে বিতর্কে ব্রাহ্ম ভাবনাকে দৃশ্যমান করে; একই সঙ্গে ১৮৭৮ সালে তাঁর অনুসারীদের বিভাজন আন্দোলনের অভ্যন্তরীণ সীমা ও মতভেদও প্রকাশ করে।

ব্রাহ্ম-সমাজসংস্কারজনবিতর্ক
বিস্তারিত→

রাজা রামমোহন রায়

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলা নবজাগরণের প্রারম্ভিক চিন্তক ও সমাজসংস্কারক

“ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মধ্যে সংস্কার-সেতু নির্মাণে অগ্রগণ্য।”

সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কার বিষয়ে তিনি নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক ধারা প্রতিষ্ঠা করেন, যা বাংলার আধুনিক জনআলোচনার ভিত্তি গড়ে।

ঔপনিবেশিক বাংলার প্রাথমিক পর্যায়ে ভাষা, আইন ও সমাজচিন্তার সংযোগস্থলে তিনি কাজ করেন।

বাংলার আধুনিক সংস্কারধারার অন্যতম প্রাথমিক নির্মাতা হিসেবে তাঁর ঐতিহাসিক গুরুত্ব স্থায়ী।

সংস্কারবাংলা-নবজাগরণচিন্তাআধুনিকতা
বিস্তারিত→

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

✦

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

গবেষণা প্রবন্ধ ও পেপার · Scholarly Articles and Papers

A History of Bangladesh

— উইলেম ভ্যান শেনডেল

গৌণ

দীর্ঘ ইতিহাস, ঔপনিবেশিক সংঘর্ষ, পূর্ব পাকিস্তান, যুদ্ধ, এবং স্বাধীন বাংলাদেশের একটি সমন্বিত ইতিহাস।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

ইতিহাস

— বাংলাপিডিয়া

গৌণ

এরশাদের ক্ষমতাদখল ও আশির দশকের কর্তৃত্ববাদী পর্বের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা বোঝার জন্য সহায়ক সাধারণ বাংলাদেশ-ইতিহাস রেফারেন্স।

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

✦

১৮২৮ সালে কলকাতায় রাজা রামমোহন রায় ও তাঁর সহযোগীরা ব্রাহ্ম সভা/ব্রাহ্ম সমাজ গড়ে তোলেন। এটি উনিশ শতকের বাংলায় ধর্মীয় সংস্কার, একেশ্বরবাদী উপাসনা, সামাজিক সমালোচনা ও আধুনিক শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিসর হয়ে ওঠে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ব্রাহ্ম সমাজ ধর্মীয় সংস্কারকে জনবিতর্ক, মুদ্রণ সংস্কৃতি, শিক্ষা ও পরবর্তী সামাজিক সংস্কার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করে; ফলে বাংলা নবজাগরণ ও আধুনিক নাগরিক সমালোচনার ভাষা গঠনে এটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

✦

ব্রাহ্ম সমাজ ধর্মীয় সংস্কারকে জনবিতর্ক, মুদ্রণ সংস্কৃতি, শিক্ষা ও পরবর্তী সামাজিক সংস্কার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করে; ফলে বাংলা নবজাগরণ ও আধুনিক নাগরিক সমালোচনার ভাষা গঠনে এটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি