Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition
❦

Discover Bengal · Unfolded

❦

1971 (December) — সিলেটের যুদ্ধ

✦

পূর্ব ফ্রন্টে লড়াই সিলেট অঞ্চলে পাকিস্তানি অবস্থান বিচ্ছিন্ন করে।

১৯৭১ সালের যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে সিলেটের যুদ্ধ ঘটে, যখন ভারতীয় ও মুক্তিবাহিনী-সংযুক্ত অভিযান উত্তর-পূর্বে পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করে। যুদ্ধটি আত্মসমর্পণের আগে সিলেট অঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করতে সাহায্য করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

Est. 1947 · Bengal✺A Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

✦

পূর্ব ফ্রন্টে লড়াই সিলেট অঞ্চলে পাকিস্তানি অবস্থান বিচ্ছিন্ন করে।

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

১৯৭১ সালের যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে সিলেটের যুদ্ধ ঘটে, যখন ভারতীয় ও মুক্তিবাহিনী-সংযুক্ত অভিযান উত্তর-পূর্বে পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করে। যুদ্ধটি আত্মসমর্পণের আগে সিলেট অঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করতে সাহায্য করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

টাইমলাইন প্রেক্ষাপট

✦

বৃহত্তর অধ্যায়ের অংশ

এই অধ্যায়টি নিজেই একটি মূল ক্লাস্টার অ্যাঙ্কর।

এই ক্লাস্টারের সংযুক্ত অধ্যায়গুলো

এখনও কোনো চাইল্ড অধ্যায় যোগ করা হয়নি।

সম্পর্কিত অধ্যায়

টাইমলাইন

✦

মূল ব্যক্তিত্ব

✦

সি. আর. দত্ত

নেতৃত্বব্যক্তি

সেক্টর ৪ কমান্ডার

“সিলেট ফ্রন্টে তিনি ছিলেন প্রধান ফিল্ড কমান্ডার।”

সিলেট অঞ্চলে সেক্টর ৪-এর নেতৃত্বে তিনি সমন্বিত প্রতিরোধ ও আক্রমণ পরিচালনা করেন।

সেক্টর ৪, ১৯৭১।

উত্তর-পূর্ব ফ্রন্টে তার কমান্ড ধারাবাহিক সামরিক চাপ বজায় রাখে।

সেক্টর ৪সিলেটক্ষেত্র কমান্ড
বিস্তারিত→

মীর শওকত আলী

নেতৃত্বব্যক্তি

সেক্টর কমান্ডার

“উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ নেতৃত্বের একটি নাম।”

তিনি সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে উত্তরের বিভিন্ন ফ্রন্টে প্রতিরোধ পরিচালনা করেন।

সেক্টর ৫ যুদ্ধক্ষেত্র, ১৯৭১।

তার নেতৃত্ব নির্দিষ্ট ফ্রন্টে প্রতিরোধের ধারাবাহিকতা ধরে রাখে।

সেক্টর ৫উত্তর ফ্রন্টকমান্ড
বিস্তারিত→

স্যাম মানেকশ

নেতৃত্বব্যক্তি

১৯৭১ সালের যুদ্ধ পরিচালনায় ভারতের সেনাপ্রধান

“স্যাম মানেকশ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সমর্থনকে প্রস্তুত ও সমন্বিত পূর্বাঞ্চলীয় অভিযানে রূপ দিতে সাহায্য করেন, যার পরিণতি ১৬ ডিসেম্বরের যৌথ বিজয়।”

১৯৭১ সালে ভারতের সেনাপ্রধান হিসেবে স্যাম মানেকশ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে ভারতের সামরিক প্রতিক্রিয়া প্রস্তুত ও সমন্বয়ে ভূমিকা রাখেন। তাঁর নেতৃত্বে বাঙালি বাহিনীর সঙ্গে প্রশিক্ষণ ও সামরিক সহযোগিতা, রসদ, ভূপ্রকৃতি, বিমান-চলাচল এবং সমন্বিত অগ্রযাত্রাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়; বর্ষাকালে অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ হস্তক্ষেপ না করে প্রস্তুতির সময় নেওয়া হয়।

এই যুদ্ধে বাংলাদেশ বাহিনী ও মুক্তিবাহিনী, ভারতের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব এবং পূর্ব পাকিস্তানে অবস্থানরত পাকিস্তানি বাহিনী জড়িত ছিল। মানেকশের ভূমিকা ছিল কৌশলগত ও প্রাতিষ্ঠানিক: তিনি সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তুতির সময় নিশ্চিত করেন এবং ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তানের ভারত আক্রমণের পর সেনা অভিযান পরিচালনা করেন। পূর্বাঞ্চলের মাঠপর্যায়ের কমান্ডও বিজয়ের জন্য অপরিহার্য ছিল।

সমন্বিত অভিযান ঢাকার দিকে অগ্রসর হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ যৌথ বাংলাদেশ-ভারত কমান্ডের কাছে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণে সহায়তা করে। ভারতের সামরিক ইতিহাসে মানেকশ গুরুত্বপূর্ণ হলেও বিজয়টি কেবল একজন কমান্ডারের ফল নয়—বাঙালির প্রতিরোধ, মুজিবনগর সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্ব, মুক্তিবাহিনীর অভিযান, ভারতের বিভিন্ন বাহিনী এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সংকট একসঙ্গে এতে ভূমিকা রাখে।

১৯৭১মুক্তিযুদ্ধ
বিস্তারিত→

এ. এ. কে. নিয়াজি

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক

লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ. এ. কে. নিয়াজি ১৯৭১ সালের সংকটময় মাসগুলোতে পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানের ইস্টার্ন কমান্ডের নেতৃত্ব দেন। ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় আত্মসমর্পণপত্রে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে তিনি ওই ভূখণ্ডে পাকিস্তানি সামরিক শাসনের অবসান এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক মুহূর্তের সঙ্গে যুক্ত হন।

সামরিক দমন-পীড়ন শুরু হওয়ার পর ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে নিয়াজি ইস্টার্ন কমান্ডের দায়িত্ব নেন। দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর অভিযান, ভারতের সামরিক হস্তক্ষেপ, ভূখণ্ড ও যোগাযোগ হারানো এবং ঢাকাকে ঘিরে ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতা পাকিস্তানি কমান্ডকে দুর্বল করে। তাঁর থিয়েটার-পর্যায়ের দায়িত্বকে পাকিস্তান রাষ্ট্রের বৃহত্তর রাজনৈতিক ও সামরিক কমান্ড কাঠামো এবং নির্যাতনে জড়িত বিভিন্ন ইউনিট ও সহযোগী বাহিনীর ভূমিকা থেকে আলাদা করে দেখা জরুরি।

১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ ঢাকার রমনা রেসকোর্সে নিয়াজি যৌথ বাংলাদেশ–ভারত কমান্ডের প্রতিনিধিত্বকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণপত্রে স্বাক্ষর করেন। এর মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানে যুদ্ধের অবসান ঘটে; নিয়াজি ও অন্যান্য পাকিস্তানি সামরিক সদস্যকে ১৯৭৩ সালে প্রত্যাবাসনের আগে যুদ্ধবন্দি হিসেবে রাখা হয়।

১৯৭১মুক্তিযুদ্ধসামরিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত→

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

✦

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

উদ্ধৃতি

✦

চূড়ান্ত অভিযানে উত্তর-পূর্বে পাকিস্তানি অবস্থান ভেঙে পড়ার বৃহত্তর প্রেক্ষাপটের সঙ্গে এই যুদ্ধ যুক্ত।

সংযুক্ত উৎসভিত্তিক প্রেক্ষিত নোট

সিলেট আঞ্চলিক যুদ্ধ ইতিহাসকে ডিসেম্বর ১৯৭১-এর আন্তর্জাতিক সামরিক মাত্রার সঙ্গে যুক্ত করে।

ঐতিহাসিক প্রতিফলন

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

✦

১৯৭১ সালের যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে সিলেটের যুদ্ধ ঘটে, যখন ভারতীয় ও মুক্তিবাহিনী-সংযুক্ত অভিযান উত্তর-পূর্বে পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করে। যুদ্ধটি আত্মসমর্পণের আগে সিলেট অঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করতে সাহায্য করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

সিলেট চূড়ান্ত অভিযানের বর্ণনায় উত্তর-পূর্ব রণাঙ্গনকে যুক্ত করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

✦

সিলেট চূড়ান্ত অভিযানের বর্ণনায় উত্তর-পূর্ব রণাঙ্গনকে যুক্ত করে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি