Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition
❦

Discover Bengal · Unfolded

❦

1658 — ঔরঙ্গজেব আমলে বাংলায় রাজস্ব ও সামরিক চাপ

✦

বৃহত্তর ঐতিহাসিক টাইমলাইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

ঔরঙ্গজেব আমলে বাংলায় রাজস্ব ও সামরিক চাপ বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

Est. 1947 · Bengal✺A Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

✦

বাংলা/বাংলাদেশের ইতিহাসে Mughal Bengal প্রেক্ষিত।

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

ঔরঙ্গজেব আমলে বাংলায় রাজস্ব ও সামরিক চাপ বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

টাইমলাইন

✦

মূল ব্যক্তিত্ব

✦

ইসলাম খান চিশতী

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলায় মুঘল শাসন সংহতকারী সুবাহদার

“ইসলাম খান চিশতী ভাটি বিজয়ের সঙ্গে ঢাকার মুঘল বাংলার কৌশলগত রাজধানী হয়ে ওঠার ইতিহাসকে যুক্ত করেন।”

ইসলাম খান চিশতী ১৬০৮ সালে বাংলার সুবাহদার হয়ে বারো ভূঁইয়া, আফগান প্রধান এবং অন্যান্য আঞ্চলিক শক্তির বিরুদ্ধে সমন্বিত সামরিক-প্রশাসনিক অভিযান পরিচালনা করেন। ১৬১১ সালের মধ্যে মুসা খান ও ভাটি অঞ্চলের জমিদারেরা আত্মসমর্পণ করেন; ১৬১২ সালে খাজা উসমানের পরাজয় বাংলায় মুঘলবিরোধী প্রধান আফগান চ্যালেঞ্জও দূর করে।

জাহাঙ্গীরের শাসনকাল, যখন নদীবহুল ভাটি ও পূর্ব বাংলায় মুঘল কর্তৃত্ব এখনও বিতর্কিত ছিল। ইসলাম খান বড় সেনাবাহিনী, যুদ্ধনৌকা, দুর্গ এবং আত্মসমর্পণের কূটনীতি ব্যবহার করে ধারাবাহিক অভিযানকে স্থায়ী প্রাদেশিক নিয়ন্ত্রণে রূপ দেন।

১৬১০ সালে তিনি প্রাদেশিক রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় সরিয়ে নিয়ে সম্রাটের নামানুসারে এর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখেন। ফলে প্রশাসন ভাটি সীমান্তের কাছাকাছি আসে। তাঁর শাসনের শেষে চট্টগ্রাম বাদে বাংলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল মুঘল নিয়ন্ত্রণে আসে; চট্টগ্রাম তখনও মুঘল শাসনের বাইরে ছিল।

মুঘলঢাকাসংহতিভাটি
বিস্তারিত→

শায়েস্তা খান

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলার মুঘল সুবাহদার ও সাম্রাজ্যিক সেনাপতি

“শায়েস্তা খান বাংলায় প্রশাসনিক সংহতির সঙ্গে ১৬৬৬ সালের মুঘল চট্টগ্রাম বিজয়কে যুক্ত করেছিলেন।”

মীর জুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাহদার হন এবং এখানে যেকোনো মুঘল প্রাদেশিক শাসকের মধ্যে দীর্ঘতম মেয়াদে শাসন করেন। তিনি প্রশাসনিক শৃঙ্খলা জোরদার করেন, বিভিন্ন জেলার কর্মকর্তাদের মাধ্যমে শাসন পরিচালনা করেন এবং ১৬৬৬ সালের জানুয়ারিতে চট্টগ্রাম দখলের স্থল ও নৌ-সমন্বিত অভিযান পরিকল্পনা করেন।

সপ্তদশ শতকের মুঘল বাংলা, যখন আরাকানি হামলা ও পর্তুগিজ জলদস্যুতা উপকূলীয় সীমান্তকে বিপন্ন করছিল এবং প্রাদেশিক সরকার নদীপথ, বন্দর, বাণিজ্য ও রাজস্ব প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে চাইছিল।

তাঁর পুত্র বুজুর্গ উমেদ খানের নেতৃত্বে এবং নৌবাহিনীর সহায়তায় পরিচালিত চট্টগ্রাম অভিযান বন্দরটির ওপর আরাকানি নিয়ন্ত্রণের অবসান ঘটায়। অঞ্চলটি মুঘল বাংলায় যুক্ত হয়ে ‘ইসলামাবাদ’ নামে পরিচিত হয়। ঢাকার ছোট কাটরাসহ তাঁর নির্মাণকাজও এই সময়ে রাজধানীর বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক বিকাশের সাক্ষ্য দেয়।

মুঘলচট্টগ্রাম১৬৬৬সীমান্ত
বিস্তারিত→

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

✦

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

ইতিহাস

— বাংলাপিডিয়া

গৌণ

এরশাদের ক্ষমতাদখল ও আশির দশকের কর্তৃত্ববাদী পর্বের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা বোঝার জন্য সহায়ক সাধারণ বাংলাদেশ-ইতিহাস রেফারেন্স।

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

✦

ঔরঙ্গজেব আমলে বাংলায় রাজস্ব ও সামরিক চাপ বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন, সামাজিক স্মৃতি ও রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা বোঝার জন্য এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

✦

দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন, সামাজিক স্মৃতি ও রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা বোঝার জন্য এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি