Historical Memory Journey

সকল মূল ব্যক্তিত্ব

অবদান, প্রেক্ষাপট ও প্রভাবভিত্তিক ডিরেক্টরি

প্রতিটি প্রোফাইলে কী করেছেন, কোথায় করেছেন, কেন গুরুত্বপূর্ণ—এই তিন স্তরে উপস্থাপন করা হয়েছে।

ফিল্টার ও সার্চ

কিওয়ার্ড, সত্তার ধরন ও ভূমিকা দিয়ে তালিকা বাছাই করুন

ব্যক্তিত্ব ডিরেক্টরি

347 প্রোফাইল

মাহদি আমিন

নেতৃত্বব্যক্তি

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী স্টিয়ারিং কমিটির মুখপাত্র

ফল ঘোষণার পর্যায়ে বিএনপির প্রকাশ্য মুখ।

তিনি ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রচারমুখ হিসেবে কাজ করেন এবং দলের সম্ভাব্য বিজয় নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন।

ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ বিএনপির নির্বাচনী দপ্তর ও ফলাফল-ভিত্তিক বার্তা।

ফল গণনার সময়ে দলের তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক বয়ান তিনি গড়ে তোলেন।

bnpelection-2026spokesperson
বিস্তারিত

মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব

নেতৃত্বব্যক্তি

জামিয়াতে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২-এ জোটের প্রতিদ্বন্দ্বী মুখ।

তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি-জোটের প্রার্থী হিসেবে ২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং রুমীন ফারহানার বিপরীতে অবস্থান নেন।

২০২৬ জাতীয় নির্বাচনের ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন।

বিএনপি-জোট ও স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে স্থানীয় প্রতিযোগিতাকে তিনি তীক্ষ্ণ করে তোলেন।

allianceelection-2026jamiat
বিস্তারিত

এ. কে. ফজলুল হক

নেতৃত্বব্যক্তি

রাজনৈতিক নেতা

১৯৪০ সালে তিনি লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং দেশভাগের পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণনেতা হিসেবে প্রদেশের ভবিষ্যৎ প্রশ্নে প্রভাব রাখেন।

ঔপনিবেশিক আমলের শেষভাগ থেকে দেশভাগ-পর্বের বাংলা রাজনীতি।

তার নেতৃত্ব কৃষকভিত্তিক রাজনীতি, মুসলিম প্রতিনিধিত্ব এবং পাকিস্তান গঠনের প্রশ্নে বাংলার অবস্থানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

বিস্তারিত

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী

নেতৃত্বব্যক্তি

অখণ্ড বাংলার মুখ্যমন্ত্রী

অখণ্ড বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশভাগ-পূর্ব সংকটময় রাজনীতির কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং যুক্ত বাংলা প্রস্তাবের প্রধান সমর্থকদের একজন ছিলেন।

কলকাতা ও বাংলা, ১৯৪৬-১৯৪৭।

বাংলা যুক্ত থাকবে, ভাগ হবে, নাকি স্বাধীন পথ নেবে—এই বিতর্কের গতিপথ নির্ধারণে তিনি বড় ভূমিকা রাখেন।

বিস্তারিত

খাজা নাজিমুদ্দীন

নেতৃত্বব্যক্তি

মুসলিম লীগ নেতা

বাংলায় মুসলিম লীগের অভিজাত ধারার প্রতিনিধিত্ব করে তিনি দেশভাগের আগে ও পরে পূর্ববঙ্গকে পাকিস্তানের নতুন রাষ্ট্র কাঠামোর মধ্যে নেতৃত্ব দেন।

ঔপনিবেশিক আমলের শেষভাগের বাংলা এবং পাকিস্তানের সূচনাপর্ব।

তার রাজনৈতিক ভূমিকা বাংলার দেশভাগ ও পূর্ববঙ্গের প্রারম্ভিক রাষ্ট্রীয় অবস্থানকে একসূত্রে যুক্ত করে।

বিস্তারিত

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ

নেতৃত্বব্যক্তি

সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ নেতা

পাকিস্তান দাবির প্রধান নেতা হিসেবে তিনি সেই রাজনৈতিক কাঠামো নির্মাণে নেতৃত্ব দেন যার মাধ্যমে পূর্ববঙ্গ নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের অংশ হয়।

উপমহাদেশজুড়ে সাংবিধানিক হস্তান্তর ও দেশভাগ সংক্রান্ত আলোচনা।

পাকিস্তান সৃষ্টিতে তার ভূমিকা ছিল কেন্দ্রীয়, আর পূর্ববঙ্গ সেই রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান অংশে পরিণত হয়।

বিস্তারিত

আবুল হাশিম

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলা মুসলিম লীগের সংগঠক

বাংলা মুসলিম লীগের অন্যতম প্রধান সংগঠক ও মতাদর্শিক নেতা হিসেবে তিনি পরে যুক্ত বাংলা ধারণাকেও সমর্থন করেন।

১৯৪০-এর দশকের বাংলা মুসলিম রাজনীতি।

দেশভাগের সংকটে তিনি বাঙালি মুসলিম রাজনীতির একটি স্বতন্ত্র ভাষা নির্মাণে ভূমিকা রাখেন।

বিস্তারিত

শরৎচন্দ্র বসু

নেতৃত্বব্যক্তি

যুক্ত বাংলা প্রস্তাবের প্রবক্তা

দেশভাগ ঘনিয়ে এলে তিনি সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে মিলে স্বাধীন ও অবিভক্ত বাংলার পক্ষে কাজ করেন।

১৯৪৭ সালে বাংলার ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা।

সাম্প্রদায়িক রেখায় বাংলা ভাগের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সবচেয়ে স্পষ্ট কণ্ঠগুলোর একজন।

বিস্তারিত

কিরণশঙ্কর রায়

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলার কংগ্রেস নেতা

বাংলার সাংবিধানিক ভবিষ্যৎ নিয়ে শেষ দফার আলোচনায় তিনি যুক্ত ছিলেন এবং যুক্ত বাংলা বিতর্কেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

১৯৪৭ সালের বাংলা কংগ্রেস রাজনীতি।

দেশভাগের মুহূর্তে বাঙালি হিন্দু নেতৃত্বের জটিল সিদ্ধান্তগুলোর প্রতিফলন তার অবস্থানে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বিস্তারিত

সত্যরঞ্জন বক্সী

নেতৃত্বব্যক্তি

যুক্ত বাংলার সমর্থক

অবিভক্ত বাংলার পক্ষে যে কটি হিন্দু জননেতা সক্রিয় ছিলেন, তিনি তাদের অন্যতম ছিলেন।

১৯৪৭ সালের যুক্ত বাংলা-সংক্রান্ত নাগরিক ও রাজনৈতিক বিতর্ক।

তার ভূমিকা দেখায় যে দেশভাগের বিরোধিতা সাম্প্রদায়িক সীমারেখা ছাড়িয়েও ছিল, যদিও তা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি।

বিস্তারিত

যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল

নেতৃত্বব্যক্তি

দলিত রাজনৈতিক নেতা

বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক সুরক্ষার প্রশ্ন তুলে তিনি বাংলা থেকে পাকিস্তান-পর্বে তপশিলি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান নেতা হয়ে ওঠেন।

বাংলার জাতভিত্তিক রাজনীতি ও পাকিস্তান সৃষ্টির রূপান্তরকাল।

তার জীবনপথ দেখায় দেশভাগ ছিল শুধু সাম্প্রদায়িক নয়, নাগরিক অধিকার ও জাতভিত্তিক বঞ্চনারও গভীর সংকট।

বিস্তারিত

লর্ড কার্জন

নেতৃত্বব্যক্তি

ভারতের ভাইসরয়

ভাইসরয় হিসেবে কার্জন বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনাকে এগিয়ে নেন এবং বড় প্রদেশ শাসনের প্রশাসনিক সমাধান হিসেবে তা তুলে ধরেন।

বিশ শতকের শুরুর ব্রিটিশ ভারত, বিশেষত বাংলা।

তার বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনা অন্তিম ঔপনিবেশিক বাংলার অন্যতম বড় রাজনৈতিক সংকট তৈরি করে এবং স্বদেশী আন্দোলনের বিকাশকে ত্বরান্বিত করে।

বিস্তারিত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নেতৃত্বব্যক্তি

কবি ও জনবুদ্ধিজীবী

রবীন্দ্রনাথ গান, প্রতীকী কর্মসূচি এবং জনআহ্বানের মাধ্যমে বঙ্গভঙ্গবিরোধী আবেগকে সাংস্কৃতিক ভাষা দেন এবং প্রতিবাদকে যৌথ বাঙালি পরিচয়ের সাথে যুক্ত করেন।

বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের সময় বাংলার সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক জনপরিসর।

তার ভূমিকা এই আন্দোলনকে কেবল প্রশাসনিক আপত্তি নয়, বৃহত্তর নৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিরোধে রূপ দিতে সাহায্য করে।

বিস্তারিত

সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়

নেতৃত্বব্যক্তি

জাতীয়তাবাদী নেতা ও সংগঠক

সুরেন্দ্রনাথ বঙ্গভঙ্গবিরোধী রাজনীতির অন্যতম দৃশ্যমান নেতা হিসেবে সভা, আবেদনপত্র এবং জনআন্দোলনের সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

অন্তিম ঔপনিবেশিক বাংলার সাংবিধানিক ও জনরাজনীতি।

তার নেতৃত্ব বঙ্গভঙ্গবিরোধী প্রতিরোধকে বাংলায় সংগঠিত জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিস্তারের সাথে যুক্ত করে।

বিস্তারিত

নবাব সলিমুল্লাহ

নেতৃত্বব্যক্তি

ঢাকার নবাব ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষক

সলিমুল্লাহ পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠনের পক্ষে অবস্থান নেন এবং বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকাকেন্দ্রিক মুসলিম রাজনৈতিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পৃষ্ঠপোষক হয়ে ওঠেন।

১৯০৫-পরবর্তী ঢাকা ও প্রাদেশিক রাজনীতি।

তার অবস্থান দেখায় যে বঙ্গভঙ্গ বাংলার মুসলিম অভিজাতদের একাংশের জন্য নতুন রাজনৈতিক সুযোগও তৈরি করেছিল এবং প্রতিনিধিত্বের পরবর্তী বিতর্ককে প্রভাবিত করেছিল।

বিস্তারিত

সিরিল র্যাডক্লিফ

সমন্বয়কব্যক্তি

বাউন্ডারি কমিশনের চেয়ারম্যান

তিনি বাংলা ও পাঞ্জাবের চূড়ান্ত বিভাজনরেখা নির্ধারণকারী বাউন্ডারি কমিশনের প্রধান ছিলেন।

জুলাই-আগস্ট ১৯৪৭-এর সীমারেখা নির্ধারণ প্রক্রিয়া।

র্যাডক্লিফ পুরস্কার বাংলার মানচিত্র স্থায়ীভাবে বদলে দেয় এবং বসতি, বাণিজ্য ও দৈনন্দিন জীবনকে গভীরভাবে নাড়িয়ে দেয়।

বিস্তারিত

লর্ড লুই মাউন্টব্যাটেন

সমন্বয়কব্যক্তি

ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয়

শেষ ভাইসরয় হিসেবে তিনি ৩ জুন পরিকল্পনা ও ত্বরিত ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান করেন, যা সরাসরি দেশভাগে গিয়ে পৌঁছায়।

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের সমাপ্তি ও ক্ষমতা হস্তান্তর।

তার তাড়াহুড়োপূর্ণ সময়সূচি বাংলার বিভাজনকে ঘিরে অনিশ্চয়তা, বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

বিস্তারিত

জওহরলাল নেহরু

নেতৃত্বব্যক্তি

কংগ্রেস নেতা

চূড়ান্ত ক্ষমতা হস্তান্তর আলোচনায় তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রধান আলোচক ছিলেন।

১৯৪৭-এর পূর্ববর্তী সর্বভারতীয় সাংবিধানিক আলোচনা।

দেশভাগ এড়ানো সম্ভব কি না এবং নতুন ভারতীয় রাষ্ট্রে বাংলার অবস্থান কী হবে—এই প্রশ্নে তার সিদ্ধান্ত ছিল প্রভাবশালী।

বিস্তারিত

বল্লভভাই পটেল

নেতৃত্বব্যক্তি

কংগ্রেসের কৌশলগত নেতা

দেশভাগ প্রশ্নে কংগ্রেসের কৌশল নির্ধারণে তিনি বড় ভূমিকা রাখেন এবং ভারতীয় ঐক্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ মনে হওয়া ব্যবস্থার বিরোধিতা করেন।

ব্রিটিশ শাসনের শেষভাগে কংগ্রেসের নীতিনির্ধারণ।

তার কঠোর রাজনৈতিক অবস্থান বাংলার জন্য বিকল্প সাংবিধানিক পথগুলোর কিছু প্রত্যাখ্যানে প্রভাব ফেলে।

বিস্তারিত

মহাত্মা গান্ধী

নেতৃত্বব্যক্তি

সাম্প্রদায়িকতা-বিরোধী জাতীয় নেতা

বিশেষ করে নোয়াখালী ও বাংলার দাঙ্গার পর তিনি বারবার সাম্প্রদায়িক সহিংসতা থামাতে হস্তক্ষেপ করেন।

১৯৪৬-১৯৪৭ সালের বাংলা ও উপমহাদেশের সাম্প্রদায়িক সংকট।

চূড়ান্ত দেশভাগ থামাতে না পারলেও তিনি সহিংসতার বিরুদ্ধে এক নৈতিক প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে ওঠেন।

বিস্তারিত