Discover Bengal · Unfolded
❦দীনবন্ধু মিত্র
বাংলা নাট্যকার ও নীলকরদের অত্যাচারের সমালোচক
দীনবন্ধু মিত্র ১৮৬০ সালে ‘নীলদর্পণ’ রচনা করেন। এই বাংলা নাটকে ইউরোপীয় নীলকরদের অধীনে কৃষকদের জবরদস্তি, নিপীড়ন ও সহিংসতার চিত্র তুলে ধরা হয়। নাটকটি ঢাকা থেকে বেনামে প্রকাশিত হয়, রেভারেন্ড জেমস লং এর ইংরেজি অনুবাদ করেন এবং এটি নীলবিদ্রোহের জনসমর্থনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হয়ে ওঠে।
জীবনী
প্রেক্ষাপট
উনিশ শতকের মাঝামাঝি ঔপনিবেশিক বাংলা, যখন নীলচাষিরা জবরদস্তিমূলক চুক্তি, কম দাম এবং নীলকরদের সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলছিলেন। বাংলা সংবাদপত্র, মিশনারি এবং নাট্যমঞ্চ গ্রামীণ অভিযোগকে শহুরে জনআলোচনায় নিয়ে আসে। প্রেক্ষাপটে দীনবন্ধু মিত্র বাংলা নাট্যকার ও নীলকরদের অত্যাচারের সমালোচক হিসেবে পরিচিত। দীনবন্ধু মিত্র ১৮৬০ সালে ‘নীলদর্পণ’ রচনা করেন। এই বাংলা নাটকে ইউরোপীয় নীলকরদের অধীনে কৃষকদের জবরদস্তি, নিপীড়ন ও সহিংসতার চিত্র তুলে ধরা হয়। নাটকটি ঢাকা থেকে বেনামে প্রকাশিত হয়, রেভারেন্ড জেমস লং এর ইংরেজি অনুবাদ করেন এবং এটি নীলবিদ্রোহের জনসমর্থনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হয়ে ওঠে।
অবদান
দীনবন্ধু মিত্র ১৮৬০ সালে ‘নীলদর্পণ’ রচনা করেন। এই বাংলা নাটকে ইউরোপীয় নীলকরদের অধীনে কৃষকদের জবরদস্তি, নিপীড়ন ও সহিংসতার চিত্র তুলে ধরা হয়। নাটকটি ঢাকা থেকে বেনামে প্রকাশিত হয়, রেভারেন্ড জেমস লং এর ইংরেজি অনুবাদ করেন এবং এটি নীলবিদ্রোহের জনসমর্থনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হয়ে ওঠে।
প্রভাব
‘নীলদর্পণ’ সামাজিক সমালোচনাকে নাট্যরূপ দেয় এবং নীলচাষ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অন্যতম প্রভাবশালী সাংস্কৃতিক প্রতিক্রিয়া হয়ে ওঠে। দীনবন্ধু মিত্র ‘বিয়ে পাগলা বুড়ো’, ‘সধবার একাদশী’ ও ‘জামাই বারিক’-এর মতো জনপ্রিয় প্রহসনও লিখেছেন। ১৮৭২ সালে ন্যাশনাল থিয়েটারের উদ্বোধনে ‘নীলদর্পণ’ মঞ্চস্থ হওয়ায় বাংলা নাটক জনআলোচনার সঙ্গে যুক্ত হয়; পরে ঔপনিবেশিক সরকার ১৮৭৬ সালের ড্রামাটিক পারফরম্যান্সেস অ্যাক্ট প্রণয়ন করে।
টাইমলাইন অবস্থান
দীনবন্ধু মিত্র এই টাইমলাইনে 2টি সংযুক্ত ঘটনার মাধ্যমে উপস্থিত, যা ১৮৫৯-১৮৬০ - ১৮৭৪ সময়জুড়ে বিস্তৃত।
প্রথম উপস্থিতি
১৮৫৯-১৮৬০
সর্বশেষ উপস্থিতি
১৮৭৪
সময় বিস্তৃতি
১৮৫৯-১৮৬০ - ১৮৭৪
সংযুক্ত ঘটনার সংখ্যা
2
উত্তরাধিকার সারাংশ
‘নীলদর্পণ’ সামাজিক সমালোচনাকে নাট্যরূপ দেয় এবং নীলচাষ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অন্যতম প্রভাবশালী সাংস্কৃতিক প্রতিক্রিয়া হয়ে ওঠে। দীনবন্ধু মিত্র ‘বিয়ে পাগলা বুড়ো’, ‘সধবার একাদশী’ ও ‘জামাই বারিক’-এর মতো জনপ্রিয় প্রহসনও লিখেছেন। ১৮৭২ সালে ন্যাশনাল থিয়েটারের উদ্বোধনে ‘নীলদর্পণ’ মঞ্চস্থ হওয়ায় বাংলা নাটক জনআলোচনার সঙ্গে যুক্ত হয়; পরে ঔপনিবেশিক সরকার ১৮৭৬ সালের ড্রামাটিক পারফরম্যান্সেস অ্যাক্ট প্রণয়ন করে। এই প্রভাব 2টি সংশ্লিষ্ট ঘটনার বর্ণনায় প্রতিফলিত হয়েছে।
রেফারেন্স
এই ব্যক্তিত্বকে বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সূত্রসমূহ
ইতিহাস
এরশাদের ক্ষমতাদখল ও আশির দশকের কর্তৃত্ববাদী পর্বের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা বোঝার জন্য সহায়ক সাধারণ বাংলাদেশ-ইতিহাস রেফারেন্স।
উল্লেখিত: 2 ঘটনা
A History of Bangladesh
দীর্ঘ ইতিহাস, ঔপনিবেশিক সংঘর্ষ, পূর্ব পাকিস্তান, যুদ্ধ, এবং স্বাধীন বাংলাদেশের একটি সমন্বিত ইতিহাস।
উল্লেখিত: 1 ঘটনা
Partition Politics
বাংলার দেশভাগের পেছনের রাজনীতি, সাম্প্রদায়িকতা, এবং ঐতিহাসিক বৈপরীত্য বোঝার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স নিবন্ধ।
উল্লেখিত: 1 ঘটনা
আসাম
১৮৭৪ সালে বাংলার প্রশাসনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে আসাম আলাদা হওয়া এবং সিলেট-কাছাড় প্রসঙ্গ বোঝার রেফারেন্স।
উল্লেখিত: 1 ঘটনা
নীল দর্পণ; অথবা The Indigo Planting Mirror
Indigo Revolt ও planter abuse নিয়ে জনমত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ সমসাময়িক literary-political text.
উল্লেখিত: 1 ঘটনা
সম্পর্কিত
সম্পর্কিত ব্যক্তিত্ব
হরিশচন্দ্র মুখার্জী
হিন্দু প্যাট্রিয়টের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও জনবক্তা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বাংলা নবজাগরণের শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক
খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ
শিক্ষাবিদ, লেখক ও সমাজসংস্কারক
নবাব আবদুল গণি
ঢাকার নবাব ও নগর-উন্নয়নের পৃষ্ঠপোষক
নবাব আবদুল লতিফ
বাংলায় মুসলিম শিক্ষা সংস্কারের প্রবক্তা
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
আধুনিক বাংলা গদ্যের পথপ্রদর্শক ঔপন্যাসিক
সম্পর্কিত স্থান
ঘটনাসমূহে অংশগ্রহণ
ঘটনাপঞ্জি ভিউ