টীকা সিং
সমন্বয়কব্যক্তি
প্রাথমিক সিপাহী বিদ্রোহী অভিযানে যুক্ত নেতা
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→তান্তিয়া টোপে
নেতৃত্বব্যক্তি
বিদ্রোহের প্রধান সামরিক কৌশলবিদ
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→ধন সিং গুর্জর
সমন্বয়কব্যক্তি
মীরাট বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত কোটওয়াল
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→নানা সাহেব
নেতৃত্বব্যক্তি
কানপুর বিদ্রোহের নেতা
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→নারপত সিং
সমন্বয়কব্যক্তি
উত্তর ভারতের আঞ্চলিক বিদ্রোহী প্রধান
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→ফিরোজ শাহ
সমন্বয়কব্যক্তি
বিদ্রোহী অভিযানে যুক্ত মুঘল রাজপুত্র
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→বখত খান
নেতৃত্বব্যক্তি
দিল্লির বিদ্রোহী কমান্ডার
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→বখত বলি
সমন্বয়কব্যক্তি
১৮৫৭-র আঞ্চলিক বিদ্রোহী নেতা
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→বাহাদুর শাহ দ্বিতীয়
নেতৃত্বব্যক্তি
শেষ মুঘল সম্রাট ও ১৮৫৭ বিদ্রোহের প্রতীকী নেতা
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→বিরজিস কাদর
সমন্বয়কব্যক্তি
বিদ্রোহকালে আওধের ঘোষিত শাসক
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→বীর নারায়ণ সিং
শহীদব্যক্তি
মধ্য ভারতের প্রারম্ভিক ঔপনিবেশিকবিরোধী বিদ্রোহী
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→বেগম হজরত মহল
নেতৃত্বব্যক্তি
আওধে প্রতিরোধের নেতৃত্বদানকারী রিজেন্ট
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→বেনি মাধব সিং
নেতৃত্বব্যক্তি
ব্রিটিশবিরোধী আওধের তালুকদার নেতা
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→মওলভি আহমদুল্লাহ শাহ
নেতৃত্বব্যক্তি
আওধ বিদ্রোহের ধর্মীয়-রাজনৈতিক নেতা
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→মওলভি লিয়াকত আলী
নেতৃত্বব্যক্তি
আলাহাবাদ বিদ্রোহের নেতা
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→মঙ্গল পান্ডে
শহীদব্যক্তি
ব্যারাকপুর বিদ্রোহের সূচনাকারী সিপাহী
নেতৃত্ব, সংগঠন বা সরাসরি যুদ্ধ-অভিযানের মাধ্যমে তিনি/তারা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিদ্রোহী জোটের অংশ হিসেবে তিনি/তারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→মাইকেল মধুসূদন দত্ত
নেতৃত্বব্যক্তি
আধুনিক বাংলা কাব্য-নাট্যরূপের পথিকৃৎ
“রূপের নবায়নে বাংলা কাব্যভাষার এক যুগান্তকারী নির্মাতা।”
অমিত্রাক্ষর ছন্দসহ নানা রূপগত উদ্ভাবনের মাধ্যমে তিনি বাংলা কাব্য ও নাট্যভাষাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান।
ঔপনিবেশিক শাসনামলের রূপান্তরপর্বে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক কাঠামো গঠনের কেন্দ্রীয় সময়েই তাঁর সৃজনপর্ব বিস্তৃত।
বাংলা সাহিত্যরীতি, নন্দনচিন্তা ও ভাষাগত পরীক্ষায় তিনি স্থায়ী প্রভাব রেখে গেছেন।
কবিতানাটকসাহিত্যআধুনিকতা
বিস্তারিত→মির্জা আবু বকর
সমন্বয়কব্যক্তি
১৮৫৭-র দিল্লিকেন্দ্রিক প্রতিরোধে যুক্ত মুঘল যুবরাজ
মির্জা আবু বকর ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহকালে দিল্লির মুঘল রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে চার মাসের অবরোধে অন্যান্য রাজপুরুষ ও বিদ্রোহী সেনাপতিদের সাথে শহরের প্রতিরক্ষায় অংশ নেন। ব্রিটিশ বাহিনী দিল্লি পুনর্দখল করার পর তিনি মির্জা মুঘল ও মির্জা খিজর সুলতানসহ উইলিয়াম হডসনের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। ২২ সেপ্টেম্বর ১৮৫৭ সালে হডসন পুরনো দিল্লির খুনি দরওয়াজায় তিনজনকেই সমবেত জনতার সামনে গুলি করে হত্যা করেন — যখন উপস্থিত জনগণ আশা করছিল তাঁদের বন্দি করা হবে।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
খুনি দরওয়াজার হত্যাকাণ্ড — যা ব্রিটিশ পত্রাচারে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল — তিন যুবরাজকে দিল্লিতে বিদ্রোহের নিষ্ঠুর দমনের প্রতীকে পরিণত করে। মির্জা আবু বকর ১৮৫৭ সালের ইতিহাসে মির্জা মুঘল ও মির্জা খিজর সুলতানের পাশাপাশি সেই রাজবংশের প্রতিনিধি হিসেবে স্মরণীয় যাঁরা দিল্লিতে বিদ্রোহের পরাজয়ের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত মূল্য দিয়েছিলেন।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→মির্জা খিজর সুলতান
সমন্বয়কব্যক্তি
১৮৫৭-র বিদ্রোহের দিল্লি অধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত মুঘল যুবরাজ
বাহাদুর শাহ জাফরের পুত্র মির্জা খিজর সুলতান ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহকালে দিল্লির মুঘল রাজপরিবারের যুদ্ধকালীন নেতৃত্বের অংশ ছিলেন। চার মাসের অবরোধজুড়ে তিনি শহরেই থাকেন। ব্রিটিশ বাহিনী ১৮৫৭ সালের সেপ্টেম্বরে দিল্লি পুনর্দখল করার পর তিনি মির্জা মুঘল ও মির্জা আবু বকরসহ উইলিয়াম হডসনের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। ২২ সেপ্টেম্বর ১৮৫৭ সালে হডসন তিনজনকেই খুনি দরওয়াজায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেন — আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের পরেও। এই হত্যাকাণ্ড সমসাময়িক ব্রিটিশ পত্রাচারেও সমালোচিত হয়েছিল।
১৮৫৭-১৮৫৮ সময়কালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে দিল্লি ও আশপাশের উত্তর ভারতীয় অঞ্চলের বিদ্রোহী পর্যায়।
দিল্লি পতনের পর ব্রিটিশ প্রতিশোধের ইতিহাসে খুনি দরওয়াজায় মির্জা খিজর সুলতানসহ তিন যুবরাজের হত্যাকাণ্ড একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত। আত্মসমর্পণ করা যুবরাজদের হত্যার এই সিদ্ধান্ত ব্রিটিশ সামরিক মহলেও সমালোচনা তৈরি করেছিল। ১৮৫৭ সালের ইতিহাসে মির্জা খিজর সুলতান দিল্লিতে সংগঠিত রাজকীয় প্রতিরোধের অবসান ঘটানো মুঘল যুদ্ধকালীন নেতৃত্বের অংশ হিসেবে স্মরণীয়।
১৮৫৭বিদ্রোহদিল্লিবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→মির্জা মুঘল
সমন্বয়কব্যক্তি
মুঘল যুবরাজ ও দিল্লির বিদ্রোহী সংগঠক
দিল্লির বিদ্রোহী বাহিনীর সিপাহসালার — প্রধান সেনাপতি — হিসেবে নিযুক্ত হয়ে মির্জা মুঘল ১৮৫৭ সালের চার মাসের অবরোধকালে শহরের সামরিক প্রতিরক্ষা সংগঠিত করেন। মিরাট থেকে দিল্লিতে অগ্রসর হয়ে আসা বেঙ্গল আর্মির সিপাহিরা বাহাদুর শাহ জাফরকে সম্রাট ঘোষণা করলে তিনি তাঁদের সমন্বয় সাধন করেন। ব্রিটিশ বাহিনী ১৮৫৭ সালের সেপ্টেম্বরে দিল্লি পুনর্দখল করলে তিনি রাজপরিবারের সাথে পালিয়ে যান। ব্রিটিশ অফিসার উইলিয়াম হডসন তাঁকে বন্দি করেন এবং ২২ সেপ্টেম্বর ১৮৫৭ সালে খুনি দরওয়াজায় মির্জা খিজর সুলতান ও মির্জা আবু বকরসহ সমবেত জনতার সামনে গুলি করে হত্যা করেন।
দিল্লি, ১৮৫৭। মিরাটে বেঙ্গল আর্মির সিপাহিরা বিদ্রোহ করে দিল্লিতে আসেন এবং বাহাদুর শাহ জাফরকে ঔপনিবেশিকবিরোধী প্রতিরোধের প্রতীক সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করেন। বিদ্রোহী বাহিনী চার মাস দিল্লি ধরে রাখে। ব্রিটিশ অবরোধকারী বাহিনী ১৮৫৭ সালের সেপ্টেম্বরে শহর পুনর্দখল করে দিল্লিতে মুঘল আমলের সংগঠিত প্রতিরোধের অবসান ঘটায়।
খুনি দরওয়াজায় মির্জা মুঘল, মির্জা খিজর সুলতান ও মির্জা আবু বকরের হত্যাকাণ্ড ১৮৫৭ সালের ইতিহাসে ব্রিটিশ প্রতিশোধের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি হয়ে ওঠে। পুরনো দিল্লির এই মুঘল আমলের ফটক পরবর্তীকালে বিদ্রোহের নিষ্ঠুর দমনের স্মৃতিস্থলে পরিণত হয়। বিদ্রোহী সামরিক জোটের সিপাহসালার হিসেবে মির্জা মুঘল দিল্লিতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিরোধের ইতিহাসে একটি নির্দিষ্ট স্থান অধিকার করেন।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→