জাহাঙ্গীর
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলায় পুনঃসংহতি পর্বের মুঘল সম্রাট
“জাহাঙ্গীর পর্বেই ঢাকাকেন্দ্রিক মুঘল সংহতির কাঠামো স্থির হয়।”
তাঁর আমলে ইসলাম খানের অভিযান ও ঢাকা (জাহাঙ্গীরনগর) কেন্দ্রিক প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস এগিয়ে যায়।
আংশিক দখল থেকে ভূখণ্ডগত সংহতির দিকে মুঘল কৌশল এই সময়ে স্পষ্ট হয়।
পূর্ববাংলায় টেকসই মুঘল শাসনের প্রশাসনিক ভিত্তি তাঁর সময়ে দৃঢ় হয়।
মুঘলঢাকাজাহাঙ্গীরনগর১৬১০
বিস্তারিত→প্রতাপাদিত্য
নেতৃত্বব্যক্তি
যশোরের শাসক, আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন ও মুঘল সংহতি-সংঘাতে যুক্ত
“বাংলার রূপান্তরপর্ব বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্র।”
Pratapaditya বাংলার রাজনৈতিক রূপান্তর ও আঞ্চলিক ক্ষমতার বিন্যাসে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন।
বাংলার সার্বভৌমত্ব, প্রশাসন ও প্রতিরোধ রাজনীতির বড় মোড়গুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই ব্যক্তিত্বকে দেখা হয়।
মধ্যযুগ থেকে প্রারম্ভিক আধুনিক বাংলার ধারাবাহিকতা ও পরিবর্তন বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলা-ইতিহাসশাসনরাজনৈতিক-রূপান্তর
বিস্তারিত→ভূষণার মুকুন্দ রায়
নেতৃত্বব্যক্তি
জোটভিত্তিক আঞ্চলিক প্রতিরোধ পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত নেতা
“বাংলার রূপান্তরপর্ব বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্র।”
Mukunda Ray of Bhusna বাংলার রাজনৈতিক রূপান্তর ও আঞ্চলিক ক্ষমতার বিন্যাসে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন।
বাংলার সার্বভৌমত্ব, প্রশাসন ও প্রতিরোধ রাজনীতির বড় মোড়গুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই ব্যক্তিত্বকে দেখা হয়।
মধ্যযুগ থেকে প্রারম্ভিক আধুনিক বাংলার ধারাবাহিকতা ও পরিবর্তন বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলা-ইতিহাসশাসনরাজনৈতিক-রূপান্তর
বিস্তারিত→মুসা খান
নেতৃত্বব্যক্তি
বারো ভূঁইয়া প্রতিরোধের উত্তরসূরি নেতা
“জোট প্রতিরোধের অবক্ষয়পর্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উত্তরসূরি।”
ঈসা খানের পর তিনি মুঘল বিস্তারের বিরুদ্ধে জোটভিত্তিক প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
এই সময়ে মুঘল সামরিক অভিযান তীব্রতর হয় এবং আঞ্চলিক জোটের ঐক্য দুর্বল হতে থাকে।
তাঁর সময়কাল সংগঠিত ভাটি প্রতিরোধ থেকে ধাপে ধাপে মুঘল সংহতিতে রূপান্তরের ইঙ্গিত দেয়।
বারো-ভূঁইয়াভাটিমুঘল-যুগ
বিস্তারিত→খাজা উসমান
নেতৃত্বব্যক্তি
আফগান প্রতিরোধ নেতা
এই অধ্যায়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বোঝাতে খাজা উসমান একজন গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
পূর্ব বাংলায় মুঘল সংহতির বিরুদ্ধে বারো ভূঁইয়া-যুগের প্রতিরোধ।
এই ব্যক্তির ভূমিকা ওই সময়ের ক্ষমতা, প্রতিষ্ঠান বা ধারণাগত পরিবর্তন বুঝতে সহায়তা করে।
বিস্তারিত→আলাওল
নেতৃত্বব্যক্তি
দরবারি কবি
এই অধ্যায়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বোঝাতে আলাওল একজন গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
আরাকান-বাংলা সাহিত্যবিনিময় ও প্রারম্ভিক আধুনিক বাংলা উচ্চসংস্কৃতি।
এই ব্যক্তির ভূমিকা ওই সময়ের ক্ষমতা, প্রতিষ্ঠান বা ধারণাগত পরিবর্তন বুঝতে সহায়তা করে।
বিস্তারিত→শায়েস্তা খান
নেতৃত্বব্যক্তি
চট্টগ্রাম অভিযানের সাথে যুক্ত মুঘল সুবাহদার
“শায়েস্তা খানের অভিযান চট্টগ্রামকে মুঘল বাংলায় দৃঢ়ভাবে একীভূত করে।”
বাংলার সুবাহদার হিসেবে তিনি ১৬৬৬ সালে চট্টগ্রাম থেকে আরাকানি নিয়ন্ত্রণ অপসারণের অভিযান পরিচালনা করেন।
দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় নৌ-অভিযান ও সীমান্ত-শাসনকে একত্র করে তাঁর প্রশাসন কাজ করে।
তাঁর সময়ে উপসাগরমুখী সীমান্তে মুঘল সামরিক-প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী হয়।
মুঘলচট্টগ্রাম১৬৬৬সীমান্ত
বিস্তারিত→সৈয়দ সুলতান
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলা মুসলিম কবি
এই অধ্যায়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বোঝাতে সৈয়দ সুলতান একজন গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা-আরাকান অঞ্চলে সাহিত্য ও ধর্মীয় রচনার পরিমণ্ডল।
এই ব্যক্তির ভূমিকা ওই সময়ের ক্ষমতা, প্রতিষ্ঠান বা ধারণাগত পরিবর্তন বুঝতে সহায়তা করে।
বিস্তারিত→জব চার্নক
নেতৃত্বব্যক্তি
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এজেন্ট
এই অধ্যায়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বোঝাতে জব চার্নক একজন গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
সপ্তদশ শতকের শেষভাগে বাংলার নদীনির্ভর বাণিজ্য নেটওয়ার্কে কোম্পানির বিস্তার।
এই ব্যক্তির ভূমিকা ওই সময়ের ক্ষমতা, প্রতিষ্ঠান বা ধারণাগত পরিবর্তন বুঝতে সহায়তা করে।
বিস্তারিত→যদুনাথ সরকার
নেতৃত্বব্যক্তি
মুঘল ভারতের ইতিহাসবিদ
যদুনাথ সরকার বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।
তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।
বিস্তারিত→ফাররুখসিয়ার
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলার নবাবি পর্বকে আনুষ্ঠানিকতা দেওয়া মুঘল সম্রাট
“ফাররুখসিয়ারের সিদ্ধান্ত বাংলার নবাবি শাসনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।”
১৭১৭ সালের বন্দোবস্তে তিনি মুর্শিদ কুলি খানকে আনুষ্ঠানিক মর্যাদা দেন, যা বাংলার আধা-স্বায়ত্তশাসিত নবাবি প্রশাসনের নতুন ধাপ শুরু করে।
সাম্রাজ্যিক স্বীকৃতির সঙ্গে বাংলায় প্রাদেশিক অর্থ-রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন একইসাথে বৃদ্ধি পায়।
১৭১৭ সালের এই কাঠামো পলাশীর আগ পর্যন্ত বাংলার রাজনৈতিক বিন্যাস নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মুঘলনবাব১৭১৭মুর্শিদাবাদ
বিস্তারিত→মুর্শিদ কুলি খান
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলার নবাব
তিনি প্রশাসনিক কেন্দ্র ঢাকা থেকে মাখসুদাবাদে (পরবর্তীতে মুর্শিদাবাদ) স্থানান্তর করেন এবং অষ্টাদশ শতকের শুরুতে রাজস্ব-প্রশাসনের কেন্দ্রীকরণ জোরদার করেন।
১৭৫৭-পূর্ব মুঘল বাংলায় রাজস্ব ও প্রশাসনিক পুনর্গঠনের সময়।
তার নীতি ও রাজধানী স্থানান্তর বাংলার অভিজাত, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক নেটওয়ার্ককে নতুনভাবে বিন্যস্ত করে।
১৭০৪মুর্শিদাবাদপ্রশাসন
বিস্তারিত→রাজা সীতারাম রায়
নেতৃত্বব্যক্তি
অষ্টাদশ শতকের শুরুর বাংলায় আঞ্চলিক জমিদার-ক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব
“বাংলার রূপান্তরপর্ব বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্র।”
Raja Sitaram Ray বাংলার রাজনৈতিক রূপান্তর ও আঞ্চলিক ক্ষমতার বিন্যাসে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন।
বাংলার সার্বভৌমত্ব, প্রশাসন ও প্রতিরোধ রাজনীতির বড় মোড়গুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই ব্যক্তিত্বকে দেখা হয়।
মধ্যযুগ থেকে প্রারম্ভিক আধুনিক বাংলার ধারাবাহিকতা ও পরিবর্তন বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলা-ইতিহাসশাসনরাজনৈতিক-রূপান্তর
বিস্তারিত→আলিবর্দি খান
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলার সাবেক নবাব
সিরাজউদ্দৌলার পূর্বসূরি ও মাতামহ হিসেবে তার শাসনামলে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক কাঠামোই পলাশী-সঙ্কটের সময় উত্তরাধিকারসূত্রে কার্যকর ছিল।
১৭৫৭-পূর্ব নবাবি বাংলা।
তার প্রশাসনিক ও উত্তরাধিকার কাঠামো পরবর্তী অস্থিরতার প্রেক্ষাপট তৈরি করে, যা পলাশীতে ব্যবহৃত হয়।
নবাবি বাংলাউত্তরাধিকারপলাশী প্রেক্ষাপট
বিস্তারিত→জগতশেঠ
সংগঠনসংস্থা
ব্যাংকিং গোষ্ঠী ও দরবারি অর্থশক্তি
মুর্শিদাবাদের জগতশেঠ ব্যাংকিং গোষ্ঠী দরবারি অর্থনীতিতে প্রভাবশালী ছিল এবং পলাশীপূর্ব রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১৭৫৭ সালে মুর্শিদাবাদের আর্থিক-দরবারি রাজনীতি।
তাদের ভূমিকা দেখায়, বাংলার সার্বভৌম ক্ষমতা বদলে যেতে অর্থশক্তির ভূমিকা কতটা গভীর ছিল।
পলাশীঅর্থমুর্শিদাবাদ
বিস্তারিত→নদিয়ার কৃষ্ণচন্দ্র রায়
নেতৃত্বব্যক্তি
মধ্য অষ্টাদশ শতকের রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের সঙ্গে যুক্ত নদিয়ার শাসক
“বাংলার রূপান্তরপর্ব বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্র।”
Krishnachandra Ray of Nadia বাংলার রাজনৈতিক রূপান্তর ও আঞ্চলিক ক্ষমতার বিন্যাসে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন।
বাংলার সার্বভৌমত্ব, প্রশাসন ও প্রতিরোধ রাজনীতির বড় মোড়গুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই ব্যক্তিত্বকে দেখা হয়।
মধ্যযুগ থেকে প্রারম্ভিক আধুনিক বাংলার ধারাবাহিকতা ও পরিবর্তন বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলা-ইতিহাসশাসনরাজনৈতিক-রূপান্তর
বিস্তারিত→সিরাজউদ্দৌলা
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলার নবাব
বাংলার নবাব হিসেবে তিনি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আধিপত্য-প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে বাংলার পক্ষে নেতৃত্ব দেন।
বাংলা সুবাহ, ১৭৫৬-১৭৫৭; সার্বভৌমত্ব ও শাসনক্ষমতা রক্ষার সংঘাত।
পলাশীতে তার পরাজয় বাংলার রাজনৈতিক অধীনতার ইতিহাসে এক মৌলিক মোড় তৈরি করে।
পলাশীবাংলাবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→মীর জাফর
নেতৃত্বব্যক্তি
সেনানায়ক ও পরবর্তী নবাব
সিরাজউদ্দৌলার শিবিরের উচ্চপদস্থ সেনানায়ক হিসেবে তিনি ষড়যন্ত্রে যুক্ত হন এবং পলাশীর পর কোম্পানির সমর্থনে নবাব হন।
বাংলার দরবার ও সামরিক রাজনীতি, ১৭৫৭।
তার অবস্থান-পরিবর্তন পলাশীর ফল নির্ধারণে এবং কোম্পানি প্রভাব বিস্তারে কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখে।
পলাশীবাংলা দরবারক্ষমতা পরিবর্তন
বিস্তারিত→আইয়ার কুট
সমন্বয়কব্যক্তি
কোম্পানি সামরিক কর্মকর্তা
পলাশী পর্যায় ও পরবর্তী সময়ে বাংলায় কোম্পানির সামরিক অভিযানে তিনি যুক্ত ছিলেন।
১৭৫০-এর দশকের শেষভাগে বাংলায় কোম্পানি বাহিনীর অভিযান।
তার ভূমিকা পলাশী থেকে কোম্পানি শাসন সংহতির ধারাবাহিকতাকে প্রতিফলিত করে।
পলাশী যুগকোম্পানি সেনাবাহিনীসংহতি
বিস্তারিত→ইয়ার লতিফ খান
সমন্বয়কব্যক্তি
নবাব বাহিনীর সেনানায়ক
পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার বাহিনীর প্রধান কমান্ড কাঠামোর একজন ছিলেন তিনি।
১৭৫৭ সালে নবাব বাহিনীর নেতৃত্ব ও মোতায়েন।
তার অবস্থান সেই সামরিক ভাঙনের অংশ, যা কোম্পানির বিজয়কে সহজ করে।
পলাশীনবাব সেনাবাহিনীকমান্ড
বিস্তারিত→