Discover Bengal · Unfolded
❦খাজা উসমান
আফগান প্রধান ও মুঘলবিরোধী নেতা
উড়িষ্যা থেকে উৎখাত হওয়ার পর খাজা উসমান পূর্ব বাংলায় আফগান শক্তির ঘাঁটি গড়ে তোলেন। তিনি বকাইনগর, হাসনপুর ও এগারসিন্দুরে দুর্গকেন্দ্র স্থাপন করেন, ঈসা খানের সঙ্গে এবং পরে মুসা খানের সঙ্গে জোট বাঁধেন, এবং ব্রহ্মপুত্র ও সিলেট সীমান্তকে মুঘল নিয়ন্ত্রণে আনার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে বারবার প্রতিরোধ করেন।
জীবনী
প্রেক্ষাপট
ষোড়শ শতকের শেষভাগ ও সপ্তদশ শতকের শুরুতে মুঘল বাংলার সংহতি, যখন আফগান প্রধান, বারো ভূঁইয়া, জমিদার ও মুঘল সুবাদারেরা নদীপথ, দুর্গ ও আঞ্চলিক কর্তৃত্বের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। প্রেক্ষাপটে খাজা উসমান আফগান প্রধান ও মুঘলবিরোধী নেতা হিসেবে পরিচিত। উড়িষ্যা থেকে উৎখাত হওয়ার পর খাজা উসমান পূর্ব বাংলায় আফগান শক্তির ঘাঁটি গড়ে তোলেন। তিনি বকাইনগর, হাসনপুর ও এগারসিন্দুরে দুর্গকেন্দ্র স্থাপন করেন, ঈসা খানের সঙ্গে এবং পরে মুসা খানের সঙ্গে জোট বাঁধেন, এবং ব্রহ্মপুত্র ও সিলেট সীমান্তকে মুঘল নিয়ন্ত্রণে আনার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে বারবার প্রতিরোধ করেন।
অবদান
উড়িষ্যা থেকে উৎখাত হওয়ার পর খাজা উসমান পূর্ব বাংলায় আফগান শক্তির ঘাঁটি গড়ে তোলেন। তিনি বকাইনগর, হাসনপুর ও এগারসিন্দুরে দুর্গকেন্দ্র স্থাপন করেন, ঈসা খানের সঙ্গে এবং পরে মুসা খানের সঙ্গে জোট বাঁধেন, এবং ব্রহ্মপুত্র ও সিলেট সীমান্তকে মুঘল নিয়ন্ত্রণে আনার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে বারবার প্রতিরোধ করেন।
প্রভাব
মুসা খানের পরাজয়ের পরও উসমানের প্রতিরোধ বাংলায় মুঘল সুবাদার ইসলাম খানের বিরুদ্ধে প্রধান আফগান চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকে। ১২ মার্চ ১৬১২ সালে দৌলম্বাপুরের কাছে যুদ্ধে তিনি পরাজিত ও নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর পর ওই অঞ্চলের আফগান বাহিনী আত্মসমর্পণ করে, যা বাংলায় মুঘল সংহতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় চিহ্নিত করে।
টাইমলাইন অবস্থান
খাজা উসমান এই টাইমলাইনে 1টি সংযুক্ত ঘটনার মাধ্যমে উপস্থিত, যা ১৬১২ সময়জুড়ে বিস্তৃত।
প্রথম উপস্থিতি
১৬১২
সর্বশেষ উপস্থিতি
১৬১২
সময় বিস্তৃতি
১৬১২
সংযুক্ত ঘটনার সংখ্যা
1
উত্তরাধিকার সারাংশ
মুসা খানের পরাজয়ের পরও উসমানের প্রতিরোধ বাংলায় মুঘল সুবাদার ইসলাম খানের বিরুদ্ধে প্রধান আফগান চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকে। ১২ মার্চ ১৬১২ সালে দৌলম্বাপুরের কাছে যুদ্ধে তিনি পরাজিত ও নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর পর ওই অঞ্চলের আফগান বাহিনী আত্মসমর্পণ করে, যা বাংলায় মুঘল সংহতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় চিহ্নিত করে। এই প্রভাব 1টি সংশ্লিষ্ট ঘটনার বর্ণনায় প্রতিফলিত হয়েছে।
রেফারেন্স
এই ব্যক্তিত্বকে বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সূত্রসমূহ
Ain-i-Akbari
আবুল ফজলের প্রশাসনিক গ্রন্থ; আকবরের সাম্রাজ্যে বাংলার ভূগোল ও রাজস্ব ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
উল্লেখিত: 1 ঘটনা
Akbarnama
আকবরের রাজত্বের অফিসিয়াল ক্রনিকল; বাংলার মুঘল বিজয় ও সংহতকরণের গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
উল্লেখিত: 1 ঘটনা
Baharistan-i-Ghaybi
জাহাঙ্গীরের আমলে বাংলা, আসাম, ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের ওপর মির্জা নাথনের প্রত্যক্ষদর্শী ক্রনিকল।
উল্লেখিত: 1 ঘটনা
Baro-Bhuiyans
বারো-ভূঁইয়া জোটসমূহ এবং ষোড়শ শতকের শেষভাগ থেকে সপ্তদশ শতকের শুরু পর্যন্ত বাংলায় তাদের প্রতিরোধ ভূমিকা নিয়ে বাংলাপিডিয়া সারসংক্ষেপ।
উল্লেখিত: 1 ঘটনা
Battle of Rajmahal
১৫৭৬ সালের ১২ জুলাইয়ের রাজমহল যুদ্ধ ও দাউদ খান কররানির পরাজয় নিয়ে বাংলাপিডিয়া সারসংক্ষেপ।
উল্লেখিত: 1 ঘটনা
Mughal conquest of Bengal
বাংলায় মুঘল বিজয় অভিযানের সারসংক্ষেপ, যেখানে রাজমহল যুদ্ধ এবং ১৫৭৬-পরবর্তী সংহতি প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত।
উল্লেখিত: 1 ঘটনা
সম্পর্কিত
সম্পর্কিত ব্যক্তিত্ব
ইসলাম খান চিশতী
বাংলায় মুঘল শাসন সংহতকারী সুবাহদার
ঈসা খান
ভাটি প্রতিরোধের নেতা ও বারো ভূঁইয়ার কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব
কেদার রায়
বিক্রমপুরের জমিদার, নৌ-সেনানায়ক ও বড়-ভুঁইয়া নেতা
চাঁদ রায়
বিক্রমপুরের জমিদার ও ভাটি অঞ্চলের সামরিক নেতা
জাহাঙ্গীর
বাংলায় পুনঃসংহতি পর্বের মুঘল সম্রাট
দাউদ খান কররানি
রাজমহলে পরাজিত বাংলার শেষ প্রধান আফগান শাসক