Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition
❦

Discover Bengal · Unfolded

❦

কেদার রায়

✦

বিক্রমপুরের জমিদার, নৌ-সেনানায়ক ও বড়-ভুঁইয়া নেতা

কেদার রায় শ্রীপুরের নৌবহর ও পরিবর্তনশীল জোট ব্যবহার করে বিক্রমপুরকে মুঘল বিস্তারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধকেন্দ্রে পরিণত করেন।

Est. 1947 · Bengal✺A Bilingual Archive

জীবনী

✦

প্রেক্ষাপট

কেদার রায়ের ক্ষমতা ষোড়শ শতকের শেষভাগের ভাটির পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক জগতের অংশ ছিল, যেখানে নদীভিত্তিক জমিদারেরা যথেষ্ট স্বায়ত্তশাসনে কাজ করতে পারতেন। ১৫৯৩ সালে তিনি খাজা সুলেমান লোহানির সঙ্গে ভুষণার মুঘল দুর্গ দখল করেন; ১৫৯৬ সালের পাল্টা অভিযানে সুলেমান নিহত এবং কেদার আহত হন, পরে তিনি সোনারগাঁয়ে ঈশা খানের আশ্রয় নেন। ঘটনাপ্রবাহটি জোটের পরিবর্তনশীলতাও দেখায়: ১৬০২ সালে তিনি আকবরের প্রতি আনুগত্যের প্রতিশ্রুতি দিলেও শিগগির আবার সশস্ত্র বিরোধিতায় ফেরেন। প্রেক্ষাপটে কেদার রায় বিক্রমপুরের জমিদার, নৌ-সেনানায়ক ও বড়-ভুঁইয়া নেতা হিসেবে পরিচিত। কেদার রায় শ্রীপুরের নৌবহর ও পরিবর্তনশীল জোট ব্যবহার করে বিক্রমপুরকে মুঘল বিস্তারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধকেন্দ্রে পরিণত করেন।

অবদান

যাদব রায়ের পুত্র কেদার রায় বিক্রমপুর ও শ্রীপুরের জমিদার ছিলেন; শ্রীপুরের রাজধানী কালীগঙ্গার তীরে অবস্থিত ছিল। তাঁর বড় যুদ্ধনৌবহর ছিল এবং কারভালোসহ কয়েকজন পর্তুগিজ অভিযাত্রীকে নৌযানের অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন। নদীনির্ভর এই শক্তির সাহায্যে তিনি ঈশা খান ও অন্যান্য ভাটি-প্রধানের সঙ্গে মুঘল বিস্তারের বিরুদ্ধে জোট গড়েন।

প্রভাব

১৬০৩ সালে কেদার রায় আরাকানের মগ নৌবহরের সঙ্গে যোগ দিয়ে শ্রীনগরের মুঘল ঘাঁটিতে আক্রমণ করেন। বিক্রমপুরের কাছে সংঘর্ষে তিনি আহত ও বন্দি হন এবং রাজা মানসিংহের কাছে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান। তাঁর জীবন দেখায়, পূর্ববাংলায় মুঘল বিজয় কতটা নৌযুদ্ধ, পর্তুগিজ সামরিক শ্রম, আরাকানি জোট ও স্থানীয় জমিদারি শক্তির জটিল সম্পর্কের মুখোমুখি হয়েছিল।

বিক্রমপুরশ্রীপুরবড়-ভুঁইয়ানৌযুদ্ধঈশা-খানমুঘল-বাংলা

টাইমলাইন অবস্থান

✦

কেদার রায় এই টাইমলাইনে 3টি সংযুক্ত ঘটনার মাধ্যমে উপস্থিত, যা ১৫৯৯ (প্রায়) - ১৬১২ সময়জুড়ে বিস্তৃত।

প্রথম উপস্থিতি

১৫৯৯ (প্রায়)

সর্বশেষ উপস্থিতি

১৬১২

সময় বিস্তৃতি

১৫৯৯ (প্রায়) - ১৬১২

সংযুক্ত ঘটনার সংখ্যা

3

উত্তরাধিকার সারাংশ

✦

১৬০৩ সালে কেদার রায় আরাকানের মগ নৌবহরের সঙ্গে যোগ দিয়ে শ্রীনগরের মুঘল ঘাঁটিতে আক্রমণ করেন। বিক্রমপুরের কাছে সংঘর্ষে তিনি আহত ও বন্দি হন এবং রাজা মানসিংহের কাছে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান। তাঁর জীবন দেখায়, পূর্ববাংলায় মুঘল বিজয় কতটা নৌযুদ্ধ, পর্তুগিজ সামরিক শ্রম, আরাকানি জোট ও স্থানীয় জমিদারি শক্তির জটিল সম্পর্কের মুখোমুখি হয়েছিল। এই প্রভাব 3টি সংশ্লিষ্ট ঘটনার বর্ণনায় প্রতিফলিত হয়েছে।

রেফারেন্স

✦

এই ব্যক্তিত্বকে বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সূত্রসমূহ

Baharistan-i-Ghaybi

জাহাঙ্গীরের আমলে বাংলা, আসাম, ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের ওপর মির্জা নাথনের প্রত্যক্ষদর্শী ক্রনিকল।

উল্লেখিত: 3 ঘটনা

Baro-Bhuiyans

বারো-ভূঁইয়া জোটসমূহ এবং ষোড়শ শতকের শেষভাগ থেকে সপ্তদশ শতকের শুরু পর্যন্ত বাংলায় তাদের প্রতিরোধ ভূমিকা নিয়ে বাংলাপিডিয়া সারসংক্ষেপ।

উল্লেখিত: 3 ঘটনা

The History of Bengal, Vol. II: Muslim Period, 1200-1757

তুর্কি বিজয় থেকে ১৭৫৭ পর্যন্ত বাংলার মুসলিম শাসনের একটি মানক সার্ভে।

উল্লেখিত: 3 ঘটনা

The Rise of Islam and the Bengal Frontier, 1204-1760

বাংলার ইসলাম, সীমান্তসমাজ, কৃষি সম্প্রসারণ, এবং রাষ্ট্রক্ষমতা বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আধুনিক গবেষণা।

উল্লেখিত: 3 ঘটনা

Ain-i-Akbari

আবুল ফজলের প্রশাসনিক গ্রন্থ; আকবরের সাম্রাজ্যে বাংলার ভূগোল ও রাজস্ব ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

উল্লেখিত: 2 ঘটনা

Akbarnama

আকবরের রাজত্বের অফিসিয়াল ক্রনিকল; বাংলার মুঘল বিজয় ও সংহতকরণের গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

উল্লেখিত: 2 ঘটনা

ঘটনাসমূহে অংশগ্রহণ

✦

ঘটনাপঞ্জি ভিউ