Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

গুলাম হুসেন সলিম

স্রষ্টা/অবদানকারী

এই নামের সাথে যুক্ত সব রিসোর্স একসাথে দেখুন।

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

সম্পর্কিত ইভেন্ট

১২০৪-১২০৫

বখতিয়ার খলজির নদীয়া বিজয়

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজির নদীয়া দখল (সাধারণভাবে ১২০৪-১২০৫ হিসেবে ধরা হয়) বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বড় মোড়। সেন শাসনের রাজধানীকেন্দ্র ভেঙে পড়া এবং পরে গৌড়/লখনৌতিমুখী ক্ষমতা পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে বাংলায় নতুন তুর্কি-নেতৃত্বাধীন রাষ্ট্রগঠনের ধাপ শুরু হয়।

১৩৫২

বাংলা সালতানাতের স্বাধীনতা ও একীকরণ

চতুর্দশ শতকের মধ্যভাগে, বিশেষত শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের ক্ষমতা সংহতির প্রেক্ষাপটে, বাংলা একটি একীভূত ও কার্যত স্বাধীন সুলতানি রাষ্ট্রে রূপ নেয়। বিচ্ছিন্ন আঞ্চলিক ক্ষমতা কাঠামো থেকে বেরিয়ে এই পর্যায়ে বাংলা নিজস্ব রাজনৈতিক কেন্দ্র ও দীর্ঘস্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় অর্জন করে।

১৪১৪

বাংলায় রাজা গণেশের ক্ষমতা দখল

১৪১৪ সালে উত্তর বাংলার প্রভাবশালী হিন্দু জমিদার রাজা গণেশ দুর্বল রাজবংশীয় পরিস্থিতির সুযোগে বাংলা সালতানাতের কার্যকর রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করেন। এর মাধ্যমে হাউস অব গণেশ পর্বের সূচনা হয়, যা ইলিয়াস শাহি শাসনের ধারাবাহিকতায় সাময়িক বিরতি এনে দরবারি রাজনীতিকে নতুনভাবে বিন্যস্ত করে।

১৪৯৪

বাংলায় আলাউদ্দিন হোসেন শাহের হোসেন শাহী শাসনের সূচনা

১৪৯৪ সালে আলাউদ্দিন হোসেন শাহ বাংলার ক্ষমতা দখল করে হোসেন শাহী রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর সিংহাসন গ্রহণ বাংলা সালতানাতের রাজবংশীয় ধারায় একটি বড় পরিবর্তন আনে এবং প্রশাসনিক সংহতি, আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার, ও পারসিক-বাংলা দরবারি পৃষ্ঠপোষকতার এক গুরুত্বপূর্ণ যুগের সূচনা করে।

১৫৭৬ (১২ জুলাই)

রাজমহলের যুদ্ধ

১৫৭৬ সালের ১২ জুলাই রাজমহলের যুদ্ধে মুঘল বাহিনী দাউদ খান কররানিকে পরাজিত করে। এই বিজয়ের মাধ্যমে কররানি শাসনের পতন ঘটে, যা স্বাধীন বাংলা সালতানাতের শেষ পর্যায়ের অবসান হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বাংলাকে মুঘল সাম্রাজ্যিক প্রশাসনিক কাঠামোয় অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া দ্রুততর করে।

১৬১২

বাংলায় মুঘল বিজয় পর্বের মূল সমাপ্তি

১৬১২ সালের মধ্যে বাংলায় মুঘল বিজয় প্রক্রিয়ার প্রধান পর্ব কার্যত সম্পন্ন হয়; রাজমহল-পরবর্তী যুগে বারো-ভূঁইয়া-সহ আঞ্চলিক প্রতিরোধ শক্তির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের ফলেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়ভাবে কিছু ভিন্নতা থাকলেও সামগ্রিক ক্ষমতার ভারসাম্য তখন স্পষ্টভাবে মুঘল প্রাদেশিক শাসনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

১৭০৪-১৭১৭

মুর্শিদ কুলি খানের রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর

অষ্টাদশ শতকের শুরুতে মুর্শিদ কুলি খান বাংলার কার্যকর প্রশাসনিক কেন্দ্র ঢাকার বদলে মকসুদাবাদে স্থানান্তর করেন, যা পরে মুর্শিদাবাদ নামে পরিচিত হয়। এই পদক্ষেপ রাজস্ব প্রশাসনকে আরও কেন্দ্রীভূত করে, দরবার ও ব্যাংকার নেটওয়ার্ককে নতুন কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত করে, এবং পলাশীর আগে বাংলার শাসনভৌগোলিক কাঠামো পুনর্গঠন করে।

১৭৫৭

পলাশীর যুদ্ধ

১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধ বাংলার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বদলে দেয়। স্বল্পস্থায়ী সামরিক সংঘর্ষটি দরবারি ষড়যন্ত্র, সামরিক পক্ষত্যাগ, এবং আর্থিক জোটের মধ্য দিয়ে সিরাজউদ্দৌলার অবস্থান ভেঙে দেয় এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্ষমতা মজবুত করে। এর পরিণতিতে শাসন, রাজস্ব আহরণ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে গভীর পরিবর্তন আসে।