Historical Memory Journey

পূর্ণ টাইমলাইন

বছর, শিরোনাম ও সারাংশ ধরে সার্চ করুন

সব অধ্যায় একসাথে দেখে গুরুত্ব, পর্ব এবং বৃহত্তর ধারাবাহিকতা বোঝার জন্য এই এক্সপ্লোরার ব্যবহার করুন।

সার্চ ও ফিল্টার

কিওয়ার্ড, বছর, থিম ও গুরুত্ব দিয়ে অধ্যায় বাছাই করুন

মোট ফলাফল: 59

স্বাধীন বাংলা সালতানাতের যুগ

১৩৫২

প্রধান

বাংলা সালতানাতের স্বাধীনতা ও একীকরণ

স্বাধীন বাংলা সালতানাতের যুগ

চতুর্দশ শতকের মধ্যভাগে, বিশেষত শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের ক্ষমতা সংহতির প্রেক্ষাপটে, বাংলা একটি একীভূত ও কার্যত স্বাধীন সুলতানি রাষ্ট্রে রূপ নেয়। বিচ্ছিন্ন আঞ্চলিক ক্ষমতা কাঠামো থেকে বেরিয়ে এই পর্যায়ে বাংলা নিজস্ব রাজনৈতিক কেন্দ্র ও দীর্ঘস্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় অর্জন করে।

১৪১৪

প্রধান

বাংলায় রাজা গণেশের ক্ষমতা দখল

স্বাধীন বাংলা সালতানাতের যুগ

১৪১৪ সালে উত্তর বাংলার প্রভাবশালী হিন্দু জমিদার রাজা গণেশ দুর্বল রাজবংশীয় পরিস্থিতির সুযোগে বাংলা সালতানাতের কার্যকর রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করেন। এর মাধ্যমে হাউস অব গণেশ পর্বের সূচনা হয়, যা ইলিয়াস শাহি শাসনের ধারাবাহিকতায় সাময়িক বিরতি এনে দরবারি রাজনীতিকে নতুনভাবে বিন্যস্ত করে।

১৪৯৪

প্রধান

বাংলায় আলাউদ্দিন হোসেন শাহের হোসেন শাহী শাসনের সূচনা

স্বাধীন বাংলা সালতানাতের যুগ

১৪৯৪ সালে আলাউদ্দিন হোসেন শাহ বাংলার ক্ষমতা দখল করে হোসেন শাহী রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর সিংহাসনारोहণ বাংলা সালতানাতের রাজবংশীয় ধারায় একটি বড় পরিবর্তন আনে এবং প্রশাসনিক সংহতি, আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার, ও পারসিক-বাংলা দরবারি পৃষ্ঠপোষকতার এক গুরুত্বপূর্ণ যুগের সূচনা করে।

মুঘল অন্তর্ভুক্তি ও সংহতি পর্ব

১৫৭৬ (১২ জুলাই)

প্রধান

রাজমহলের যুদ্ধ

মুঘল অন্তর্ভুক্তি ও সংহতি পর্ব

১৫৭৬ সালের ১২ জুলাই রাজমহলের যুদ্ধে মুঘল বাহিনী দাউদ খান কররানিকে পরাজিত করে। এই বিজয়ের মাধ্যমে কররানি শাসনের পতন ঘটে, যা স্বাধীন বাংলা সালতানাতের শেষ পর্যায়ের অবসান হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বাংলাকে মুঘল সাম্রাজ্যিক প্রশাসনিক কাঠামোয় অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া দ্রুততর করে।

১৬১২

প্রধান

বাংলায় মুঘল বিজয় পর্বের মূল সমাপ্তি

মুঘল অন্তর্ভুক্তি ও সংহতি পর্ব

১৬১২ সালের মধ্যে বাংলায় মুঘল বিজয় প্রক্রিয়ার প্রধান পর্ব কার্যত সম্পন্ন হয়; রাজমহল-পরবর্তী যুগে বারো-ভূঁইয়া-সহ আঞ্চলিক প্রতিরোধ শক্তির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের ফলেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়ভাবে কিছু ভিন্নতা থাকলেও সামগ্রিক ক্ষমতার ভারসাম্য তখন স্পষ্টভাবে মুঘল প্রাদেশিক শাসনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

১৭০৪-১৭১৭

প্রধান

মুর্শিদ কুলি খানের রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর

মুঘল অন্তর্ভুক্তি ও সংহতি পর্ব

অষ্টাদশ শতকের শুরুতে মুর্শিদ কুলি খান বাংলার কার্যকর প্রশাসনিক কেন্দ্র ঢাকার বদলে মকসুদাবাদে স্থানান্তর করেন, যা পরে মুর্শিদাবাদ নামে পরিচিত হয়। এই পদক্ষেপ রাজস্ব প্রশাসনকে আরও কেন্দ্রীভূত করে, দরবার ও ব্যাংকার নেটওয়ার্ককে নতুন কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত করে, এবং পলাশীর আগে বাংলার শাসনভৌগোলিক কাঠামো পুনর্গঠন করে।