কিরণশঙ্কর রায়
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলার কংগ্রেস নেতা
বাংলার সাংবিধানিক ভবিষ্যৎ নিয়ে শেষ দফার আলোচনায় তিনি যুক্ত ছিলেন এবং যুক্ত বাংলা বিতর্কেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
১৯৪৭ সালের বাংলা কংগ্রেস রাজনীতি।
দেশভাগের মুহূর্তে বাঙালি হিন্দু নেতৃত্বের জটিল সিদ্ধান্তগুলোর প্রতিফলন তার অবস্থানে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→জসীমউদ্দীন
নেতৃত্বব্যক্তি
পল্লীকবি
তার কবিতা সেই ভাষা, স্মৃতি ও গ্রামীণ সামাজিক জগতকে ধারণ করে, যাকে দেশভাগ নির্মমভাবে ভেঙে দেয়।
দেশভাগের আগে-পরে বাংলার সাংস্কৃতিক স্মৃতি।
তার সাহিত্য মনে করিয়ে দেয় রাজনৈতিক সীমারেখা টানলেও বাংলার সাংস্কৃতিক আবেগকে সম্পূর্ণ ভাগ করা যায়নি।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→তমিজউদ্দীন খান
নেতৃত্বব্যক্তি
পূর্ববঙ্গের সাংবিধানিক নেতা
ভাষা ও প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন যখন তীব্র হয়ে উঠছে, ঠিক সেই সময় পাকিস্তানের সাংবিধানিক কাঠামোয় তিনি পূর্ববঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠ ছিলেন।
পাকিস্তানের প্রাথমিক প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠানগুলো।
তার উপস্থিতি দেখায় ভাষার প্রশ্নটি আসলে ফেডারেল গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রে পূর্ববঙ্গের মর্যাদার বৃহত্তর সংকটের সঙ্গেও যুক্ত ছিল।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
নেতৃত্বব্যক্তি
ভাষা-অধিকার আন্দোলনের প্রবক্তা
১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি তুলে তিনি ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নেন।
দেশভাগের পর পাকিস্তানের প্রাথমিক সাংবিধানিক বিতর্ক।
তিনি ভাষাকে সাংবিধানিক অধিকারের প্রশ্নে পরিণত করেন এবং বাংলা ভাষা আন্দোলনের ভিত্তি নির্মাণে সাহায্য করেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→নুরুল আমিন
নেতৃত্বব্যক্তি
পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী
দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গের শাসনকাঠামোতে তিনি কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন।
পাকিস্তানের অধীনে পূর্ববঙ্গের সূচনাপর্ব।
তার শাসনকাল পাকিস্তানের ভেতরে পূর্ববঙ্গের প্রতিনিধিত্ব, ভাষা ও শাসন সংকটকে স্পষ্ট করে তোলে।
১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ
নেতৃত্বব্যক্তি
পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী
দেশভাগের পর পশ্চিমবঙ্গের প্রথম প্রাদেশিক সরকার পরিচালনা করেন তিনি।
১৯৪৭-এর অব্যবহিত পরবর্তী প্রশাসনিক পুনর্গঠন।
তার শাসনকাল দেখায় কীভাবে বাংলা বিভাজনের পর খুব দ্রুত নতুন প্রশাসনিক কাঠামো দাঁড় করাতে হয়েছিল।
১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত→ফরওয়ার্ড ব্লক
সংগঠনদল
সুভাষচন্দ্র বসুর সঙ্গে যুক্ত ঔপনিবেশিকতাবিরোধী রাজনৈতিক দল
“সুভাষচন্দ্র বসুর দল এবং বাংলার র্যাডিকাল ঔপনিবেশিকতাবিরোধী রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স।”
ফরওয়ার্ড ব্লক কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সুভাষচন্দ্র বসুর আরও র্যাডিকাল ঔপনিবেশিকতাবিরোধী ধারাকে সংগঠিত করার প্রচেষ্টাকে প্রতিনিধিত্ব করে।
শেষ ঔপনিবেশিক বাংলা, কংগ্রেস রাজনীতি, যুদ্ধকালীন ঔপনিবেশিকতাবিরোধী সংগঠন এবং বসুর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার।
বাংলায় এর গুরুত্ব সুভাষচন্দ্র বসুর গণআকর্ষণ, বাম-জাতীয়তাবাদী রাজনীতি এবং সংগ্রামী ঔপনিবেশিকতাবিরোধী কৌশল বিতর্কের সঙ্গে যুক্ত।
সুভাষচন্দ্র-বসুঔপনিবেশিকতাবিরোধীবাম-জাতীয়তাবাদদেশভাগ
বিস্তারিত→বল্লভভাই পটেল
নেতৃত্বব্যক্তি
কংগ্রেসের কৌশলগত নেতা
দেশভাগ প্রশ্নে কংগ্রেসের কৌশল নির্ধারণে তিনি বড় ভূমিকা রাখেন এবং ভারতীয় ঐক্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ মনে হওয়া ব্যবস্থার বিরোধিতা করেন।
ব্রিটিশ শাসনের শেষভাগে কংগ্রেসের নীতিনির্ধারণ।
তার কঠোর রাজনৈতিক অবস্থান বাংলার জন্য বিকল্প সাংবিধানিক পথগুলোর কিছু প্রত্যাখ্যানে প্রভাব ফেলে।
১৯৪৭দেশভাগকংগ্রেস রাজনীতি
বিস্তারিত→বিজন কুমার মুখার্জি
সমন্বয়কব্যক্তি
বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য
বাংলা বিভাজনের সময় তিনি বঙ্গ বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য ছিলেন।
দেশভাগকালে সীমারেখা নির্ধারণ বিষয়ক আনুষ্ঠানিক আলোচনা।
তার ভূমিকা দেখায় কীভাবে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব শেষ পর্যন্ত একটি নতুন মানচিত্রে রূপ নেয়।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারসীমান্ত নির্ধারণ
বিস্তারিত→বিধানচন্দ্র রায়
নেতৃত্বব্যক্তি
কংগ্রেস নেতা ও চিকিৎসক-রাষ্ট্রনায়ক
দেশভাগের সময় ও পরে পশ্চিমবঙ্গে তিনি গুরুত্বপূর্ণ জননেতা হিসেবে উঠে আসেন এবং পুনর্বাসন ও প্রাদেশিক প্রশাসন গঠনে ভূমিকা রাখেন।
অখণ্ড বাংলা থেকে পশ্চিমবঙ্গে রূপান্তরের সময়কাল।
তার কাজ দেশভাগজনিত প্রশাসনিক ও মানবিক পুনর্গঠনের কঠিন বাস্তবতাকে সামনে আনে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→মওলানা আকরম খান
নেতৃত্বব্যক্তি
সাংবাদিক ও মুসলিম জননেতা
বাংলার মুসলিম জনজীবনে তিনি প্রভাবশালী সম্পাদক ও জননেতা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
ঔপনিবেশিক শাসনের শেষভাগে বাংলা মুসলিম জনমত ও রাজনীতি।
তিনি বাঙালি মুসলিম পাঠকসমাজের কাছে প্রতিনিধিত্ব, সম্প্রদায় ও রাষ্ট্র প্রশ্নকে প্রভাবিতভাবে তুলে ধরেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→মানিক মিয়া
নেতৃত্বব্যক্তি
সাংবাদিক ও জনমত নির্মাতা
সাংবাদিকতার মাধ্যমে তিনি পূর্ববঙ্গের বৈষম্য, অধিকার ও আঞ্চলিক মর্যাদার প্রশ্নকে জনপরিসরে শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করেন।
পাকিস্তানের শুরুর জনপরিসর ও সংবাদমাধ্যম।
তার কাজ ভাষার প্রশ্নকে পূর্ববঙ্গের বৃহত্তর রাজনৈতিক চেতনার অংশ করে তোলে।
১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলনবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
নেতৃত্বব্যক্তি
ভাষাবিদ ও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্তৃত্ব
রাষ্ট্রীয় নীতিতে বাংলা ভাষাকে খাটো করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে তিনি বাংলার ঐতিহাসিক মর্যাদা ও বৈধতার পক্ষে দাঁড়ান।
পাকিস্তানের শুরুর ভাষা ও পরিচয় বিতর্ক।
তার জ্ঞানচর্চা আন্দোলনের বুদ্ধিবৃত্তিক শক্তি ও সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাসকে দৃঢ় করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→মোহাম্মদ তোয়াহা
নেতৃত্বব্যক্তি
বামপন্থী ছাত্রকর্মী
তিনি ভাষার প্রশ্নকে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক ও বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করেন এবং ১৯৪৮ সালের আন্দোলনে আহত হন।
১৯৪৭-পরবর্তী পূর্ববঙ্গের বামপন্থী ছাত্ররাজনীতি।
তার মতো কর্মীরা ভাষা আন্দোলনকে কেবল ভাষাগত নয়, গণতান্ত্রিক ও কর্তৃত্ববিরোধী সংগ্রামের অংশ করে তোলেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারকৃষক-বাম রাজনীতি
বিস্তারিত→যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল
নেতৃত্বব্যক্তি
দলিত রাজনৈতিক নেতা
বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক সুরক্ষার প্রশ্ন তুলে তিনি বাংলা থেকে পাকিস্তান-পর্বে তপশিলি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান নেতা হয়ে ওঠেন।
বাংলার জাতভিত্তিক রাজনীতি ও পাকিস্তান সৃষ্টির রূপান্তরকাল।
তার জীবনপথ দেখায় দেশভাগ ছিল শুধু সাম্প্রদায়িক নয়, নাগরিক অধিকার ও জাতভিত্তিক বঞ্চনারও গভীর সংকট।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→লর্ড লুই মাউন্টব্যাটেন
সমন্বয়কব্যক্তি
ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয়
শেষ ভাইসরয় হিসেবে তিনি ৩ জুন পরিকল্পনা ও ত্বরিত ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান করেন, যা সরাসরি দেশভাগে গিয়ে পৌঁছায়।
১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের সমাপ্তি ও ক্ষমতা হস্তান্তর।
তার তাড়াহুড়োপূর্ণ সময়সূচি বাংলার বিভাজনকে ঘিরে অনিশ্চয়তা, বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত→শামসুল হক
সমন্বয়কব্যক্তি
ভাষা-দাবির প্রাথমিক কমিটির আহ্বায়ক
বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে গঠিত প্রাথমিক কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে তিনি ১৯৪৮-পরবর্তী পর্যায়ে আন্দোলনকে সংগঠিত রাখেন।
পূর্ববঙ্গে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠনিক পর্যায়।
তার ভূমিকা প্রথম দিকের প্রতিবাদ থেকে ১৯৫২-এর চূড়ান্ত পর্যায়ের মধ্যে ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→শেখ মুজিবুর রহমান
নেতৃত্বব্যক্তি
ছাত্রসংগঠক ও জাতীয় নেতা
“ছয় দফা, ১৯৭০-এর ম্যান্ডেট ও ৭ মার্চের ভাষণ তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক কণ্ঠে পরিণত করে।”
ছয় দফা স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনী ম্যান্ডেট এবং ১৯৭১ সালের মার্চের গণমোবিলাইজেশনের মাধ্যমে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সাংবিধানিক সংকটকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে রূপ দেন।
পূর্ববঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান, ১৯৪৮-১৯৭১; ভাষা-রাজনীতির শুরু থেকে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার সংগ্রাম।
ভাষার অধিকার, নির্বাচনী প্রতিনিধিত্ব ও স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে তিনি বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রগঠনের গণদাবিতে পরিণত করেন।
ভাষা অধিকারস্বায়ত্তশাসনজাতীয়তাবাদ
বিস্তারিত→সত্যরঞ্জন বক্সী
নেতৃত্বব্যক্তি
যুক্ত বাংলার সমর্থক
অবিভক্ত বাংলার পক্ষে যে কটি হিন্দু জননেতা সক্রিয় ছিলেন, তিনি তাদের অন্যতম ছিলেন।
১৯৪৭ সালের যুক্ত বাংলা-সংক্রান্ত নাগরিক ও রাজনৈতিক বিতর্ক।
তার ভূমিকা দেখায় যে দেশভাগের বিরোধিতা সাম্প্রদায়িক সীমারেখা ছাড়িয়েও ছিল, যদিও তা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→সি. সি. বিশ্বাস
সমন্বয়কব্যক্তি
বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য
দেশভাগ পুরস্কার ঘোষণার আগে শেষ সপ্তাহগুলোতে তিনি বঙ্গ বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য হিসেবে কাজ করেন।
১৯৪৭ সালে বাংলার দেশভাগের আইনগত ও কারিগরি প্রক্রিয়া।
তার ভূমিকা মনে করিয়ে দেয় দেশভাগ শুধু গণরাজনীতি নয়, দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলা এক আইনি-প্রশাসনিক প্রক্রিয়াও ছিল।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারসীমান্ত নির্ধারণ
বিস্তারিত→