আবুল মনসুর আহমদ
নেতৃত্বব্যক্তি
লেখক ও রাজনৈতিক চিন্তক
লেখালেখি ও রাজনীতির মাধ্যমে তিনি অভিজাত ক্ষমতা, মুসলিম রাজনীতি এবং বাঙালি পরিচয়ের টানাপোড়েনকে বিশ্লেষণ করেন।
ঔপনিবেশিক শাসনের শেষভাগ থেকে পাকিস্তানের শুরুর জনপরিসর।
তার রচনা ও রাজনৈতিক ভূমিকা দেশভাগ-পর্বের পরিবর্তনকে বিস্তৃত বাঙালি পাঠকের কাছে ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→জয়নুল আবেদিন
নেতৃত্বব্যক্তি
শিল্পী ও প্রতিষ্ঠান নির্মাতা
“আধুনিক শিল্পের পথিকৃৎ ও সামাজিক সংকটের প্রত্যক্ষদর্শী শিল্পী।”
দুর্ভিক্ষের স্কেচসহ তাঁর শিল্পচর্চা আধুনিক বাংলায় সামাজিক দায়বদ্ধ ভিজ্যুয়াল ভাষা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ঔপনিবেশিক শেষপর্ব থেকে পাকিস্তান আমলের পূর্ববাংলা পর্যন্ত তিনি আধুনিক শিল্পশিক্ষা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণে সক্রিয় ছিলেন।
বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পচর্চা ও দৃশ্যমান ঐতিহাসিক স্মৃতির অন্যতম প্রধান নির্মাতা হিসেবে তিনি স্মরণীয়।
শিল্পদুর্ভিক্ষআধুনিকতাসংস্কৃতি
বিস্তারিত→মানিক মিয়া
নেতৃত্বব্যক্তি
সাংবাদিক ও জনমত নির্মাতা
সাংবাদিকতার মাধ্যমে তিনি পূর্ববঙ্গের বৈষম্য, অধিকার ও আঞ্চলিক মর্যাদার প্রশ্নকে জনপরিসরে শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করেন।
পাকিস্তানের শুরুর জনপরিসর ও সংবাদমাধ্যম।
তার কাজ ভাষার প্রশ্নকে পূর্ববঙ্গের বৃহত্তর রাজনৈতিক চেতনার অংশ করে তোলে।
১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলনবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→অলি আহাদ
নেতৃত্বব্যক্তি
ছাত্র ও রাজনৈতিক কর্মী
তিনি ভাষা আন্দোলনের লড়াকু তরুণ সংগঠকদের একজন ছিলেন এবং প্রাথমিক পর্যায় থেকেই আন্দোলনের ঢেউয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
পূর্ববঙ্গের ছাত্ররাজনীতি ও রাস্তাভিত্তিক প্রতিবাদ।
তার ভূমিকা ভাষার প্রশ্নকে কেবল প্রতীকি নয়, সক্রিয় রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রশ্নে পরিণত করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→আতাউর রহমান খান
নেতৃত্বব্যক্তি
বিরোধী রাজনীতিক
পূর্ববঙ্গের ওপর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে যে আঞ্চলিক রাজনৈতিক ধারা গড়ে ওঠে, তিনি তার অন্যতম অংশ হয়ে ওঠেন।
দেশভাগ-পরবর্তী পূর্ববঙ্গের রাজনীতি।
তার ভূমিকা আঞ্চলিক অধিকারভিত্তিক রাজনৈতিক কণ্ঠকে আরও দৃশ্যমান করে তোলে।
১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত→আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ
নেতৃত্বব্যক্তি
বিরোধী বক্তা ও রাজনীতিক
কেন্দ্রীয় আধিপত্য ও বঞ্চনামূলক শাসনের বিরুদ্ধে পূর্ববঙ্গে তিনি এক তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক কণ্ঠ হয়ে ওঠেন।
পূর্ব পাকিস্তানের প্রাথমিক প্রাদেশিক রাজনীতি।
পূর্ববঙ্গের মর্যাদা ও অধিকারের জনভাষা গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ
নেতৃত্বব্যক্তি
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যসংরক্ষক
বাংলা সাহিত্য-ঐতিহ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণে তার জীবনব্যাপী কাজ রাজনৈতিক ভাঙনের সময়েও সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতার ভিত্তি রক্ষা করে।
দেশভাগ-পর্বে স্মরণযোগ্য বৃহত্তর বাংলা সাহিত্যঐতিহ্য।
তার উত্তরাধিকার দেখায় বাঙালি পরিচয়ের ভিত গভীর এক যৌথ সাংস্কৃতিক সংগ্রহশালার ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→আবদুল মতিন
সমন্বয়কব্যক্তি
ভাষা আন্দোলনের সংগঠক
ভাষা মতিন নামে পরিচিত তিনি ১৯৫২ সালে সরাসরি আন্দোলনের পক্ষে সবচেয়ে দৃশ্যমান ছাত্রনেতাদের একজন ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৯৪৮-১৯৫২ পর্যায়ের আন্দোলনের সমন্বয়।
তিনি বাংলা ভাষার দাবিকে সংগঠিত পথের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ দিতে সাহায্য করেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→আবদুল মালেক উকিল
নেতৃত্বব্যক্তি
ছাত্রকর্মী
ভাষা আন্দোলনের প্রাথমিক পর্যায়ের মিছিল, পিকেটিং এবং ছাত্রসমাবেশে তিনি অংশ নেন।
১৯৪০-এর শেষভাগ ও ১৯৫০-এর শুরুর ছাত্রসমাজের প্রতিবাদ।
তার মতো কর্মীরাই প্রথম দাবির পর্যায় থেকে আত্মত্যাগের পর্যায় পর্যন্ত আন্দোলনকে ধরে রেখেছিলেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→আবদুল হামিদ খান ভাসানী
নেতৃত্বব্যক্তি
গণরাজনৈতিক সংগঠক
দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গে তিনি জনঅসন্তোষকে বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করা অন্যতম বড় গণসংগঠকে পরিণত হন।
১৯৪০-এর শেষভাগ ও ১৯৫০-এর শুরুর দিকের পূর্ববঙ্গ।
তার নেতৃত্ব আঞ্চলিক বঞ্চনাকে সংগঠিত গণআন্দোলনের ভাষা দেয় এবং কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে।
১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত→আবু সালেহ মোহাম্মদ আকরাম
সমন্বয়কব্যক্তি
বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য
চূড়ান্ত দেশভাগ প্রক্রিয়ায় তিনি বঙ্গ বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৪৭ সালে বাংলার সীমারেখা নির্ধারণের প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া।
তার ভূমিকা সেই প্রশাসনিক-আইনি যন্ত্রের অংশ, যার মাধ্যমে বাংলাকে চূড়ান্তভাবে ভাগ করা হয়।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারসীমান্ত নির্ধারণ
বিস্তারিত→আবুল কাশেম
নেতৃত্বব্যক্তি
ভাষা আন্দোলনের সংগঠক
আবুল কাশেম বাংলাদেশের রাষ্ট্র-রাজনৈতিক গতিপথে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সময়ের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপট।
রাজনৈতিক বৈধতা, রাষ্ট্রক্ষমতা ও ঐতিহাসিক স্মৃতির আলোচনায় এই ব্যক্তিত্ব গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→আর. সি. মজুমদার
নেতৃত্বব্যক্তি
ইতিহাসবিদ
আর. সি. মজুমদার বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।
তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধ
বিস্তারিত→ইলা মিত্র
নেতৃত্বব্যক্তি
কৃষক আন্দোলনের কর্মী
বাংলার কৃষকসংগ্রামে তার ভূমিকা দেখায় দেশভাগ-ঘনিষ্ঠ সময়ের সামাজিক অস্থিরতা ও কৃষিভিত্তিক বঞ্চনা কত গভীর ছিল।
১৯৪০-এর দশক ও ১৯৫০-এর শুরুর গ্রামীণ বাংলা।
তার উপস্থিতি স্মরণ করিয়ে দেয় যে দেশভাগ-পর্বের বাংলা কেবল সাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে নয়, শ্রেণি-সংগ্রামেও গঠিত হয়েছিল।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারকৃষক-বাম রাজনীতি
বিস্তারিত→এএনএম গাজীউল হক
নেতৃত্বব্যক্তি
ভাষা আন্দোলনের নেতা
২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর ঐতিহাসিক আমতলা সভায় তিনি সভাপতিত্ব করেন, যেখানে ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর সিদ্ধান্তময় মুহূর্ত।
তার নেতৃত্ব আন্দোলনের ইতিহাসে সেই মুহূর্তকে চিহ্নিত করে, যখন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাস্তায় নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→এস. এ. রহমান
সমন্বয়কব্যক্তি
বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য
বাংলার চূড়ান্ত বিভাজন নিয়ে কাজ করা বঙ্গ বাউন্ডারি কমিশনে তিনি অংশ নেন।
দেশভাগের সময় সীমারেখা নির্ধারণের প্রক্রিয়া।
তিনি সেই অল্পসংখ্যক আইনগত ব্যক্তিত্বের একজন, যারা বাংলাকে বিভক্ত করা রেখা নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারসীমান্ত নির্ধারণ
বিস্তারিত→কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া
সংগঠনদল
ঔপনিবেশিক ও উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারতের কমিউনিস্ট রাজনৈতিক দল
“তেভাগা-যুগসহ বাংলার শ্রমিক ও কৃষক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত প্রধান বাম দল।”
কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া শ্রমিক, কৃষক, ফ্যাসিবাদবিরোধী ও তেভাগা-যুগের সংগঠনের মাধ্যমে বাংলার বাম রাজনীতিকে প্রভাবিত করে এবং দেশভাগ-পর্বের বাম বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
শেষ ঔপনিবেশিক বাংলা, ভাগচাষি আন্দোলন, শ্রমিক রাজনীতি এবং সাংবিধানিক রূপান্তর-সংক্রান্ত কমিউনিস্ট অংশগ্রহণ।
এর বাংলা নেটওয়ার্ক শ্রেণি, জমি ও কৃষক অধিকারের প্রশ্নকে বিশ শতকের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠনের কেন্দ্রে আনে।
কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়াসিপিআইতেভাগাবাম রাজনীতি
বিস্তারিত→কাজী গোলাম মাহবুব
সমন্বয়কব্যক্তি
ছাত্রনেতা ও আহ্বায়ক
৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ গঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে তিনি আন্দোলনের প্রধান সংগঠকদের একজন ছিলেন।
ঢাকার ছাত্ররাজনীতি এবং ১৯৫২ সালের আন্দোলনের সমন্বয়।
তার সংগঠকসুলভ ভূমিকা বিচ্ছিন্ন প্রতিবাদকে একটি সুস্পষ্ট ও দৃশ্যমান গণআন্দোলনে রূপ দিতে সাহায্য করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→কাজী মোতাহার হোসেন
নেতৃত্বব্যক্তি
শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক বুদ্ধিজীবী
পূর্ববঙ্গে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির পক্ষে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান নেন।
পাকিস্তানের প্রারম্ভিক সময়ে একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক বিতর্ক।
তার অবস্থান বাঙালি সাংস্কৃতিক আত্মপ্রত্যয়ের পক্ষে শিক্ষিত সমাজের সমর্থনকে শক্তিশালী করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→কিরণশঙ্কর রায়
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলার কংগ্রেস নেতা
বাংলার সাংবিধানিক ভবিষ্যৎ নিয়ে শেষ দফার আলোচনায় তিনি যুক্ত ছিলেন এবং যুক্ত বাংলা বিতর্কেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
১৯৪৭ সালের বাংলা কংগ্রেস রাজনীতি।
দেশভাগের মুহূর্তে বাঙালি হিন্দু নেতৃত্বের জটিল সিদ্ধান্তগুলোর প্রতিফলন তার অবস্থানে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→