Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

সকল মূল ব্যক্তিত্ব

অবদান, প্রেক্ষাপট ও প্রভাবভিত্তিক ডিরেক্টরি

প্রতিটি প্রোফাইলে কী করেছেন, কোথায় করেছেন, কেন গুরুত্বপূর্ণ—এই তিন স্তরে উপস্থাপন করা হয়েছে।

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

ফিল্টার ও সার্চ

কিওয়ার্ড, সত্তার ধরন ও ভূমিকা দিয়ে তালিকা বাছাই করুন

ব্যক্তিত্ব ডিরেক্টরি

552 প্রোফাইল

খাজা শাহাবুদ্দীন

নেতৃত্বব্যক্তি

মুসলিম লীগ রাজনীতিক

ঢাকার নবাব পরিবার-ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক পরিমণ্ডল থেকে উঠে এসে তিনি পাকিস্তানে উত্তরণের সময় মুসলিম লীগ রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

বাংলা ও পাকিস্তানের অভিজাত রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক।

তার রাজনৈতিক পথ দেখায় দেশভাগের পর পুরোনো জমিদার-প্রভাবিত অভিজাত শক্তি কীভাবে নতুন রাষ্ট্রে নিজেদের মানিয়ে নেয়।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত

নবাব আলী চৌধুরী

নেতৃত্বব্যক্তি

মুসলিম শিক্ষা-পৃষ্ঠপোষক ও রাজনীতিক

নবাব আলী চৌধুরী বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।

তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।

বিস্তারিত

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ

নেতৃত্বব্যক্তি

সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ নেতা

পাকিস্তান দাবির প্রধান নেতা হিসেবে তিনি সেই রাজনৈতিক কাঠামো নির্মাণে নেতৃত্ব দেন যার মাধ্যমে পূর্ববঙ্গ নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের অংশ হয়।

উপমহাদেশজুড়ে সাংবিধানিক হস্তান্তর ও দেশভাগ সংক্রান্ত আলোচনা।

পাকিস্তান সৃষ্টিতে তার ভূমিকা ছিল কেন্দ্রীয়, আর পূর্ববঙ্গ সেই রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান অংশে পরিণত হয়।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত

লিয়াকত আলী খান

নেতৃত্বব্যক্তি

মুসলিম লীগের রাষ্ট্রনেতা

চূড়ান্ত সাংবিধানিক সমঝোতায় তিনি মুসলিম লীগের অন্যতম প্রধান আলোচক ছিলেন এবং পরে পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন।

ক্ষমতা হস্তান্তর ও পাকিস্তানের প্রারম্ভিক রাষ্ট্রগঠন।

তার রাজনৈতিক ভূমিকা সর্বভারতীয় পাকিস্তান দাবিকে পূর্ববঙ্গ-সমেত নতুন রাষ্ট্রের প্রশাসনিক বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করে।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত

সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ

সংগঠনদল

ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক দল

১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দলটি মুসলিম রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের প্রধান প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয় এবং পরে পাকিস্তান দাবির নেতৃত্ব দেয়।

শেষ ঔপনিবেশিক সাংবিধানিক রাজনীতি, বঙ্গভঙ্গ-পরবর্তী সংগঠন, এবং পাকিস্তান আন্দোলন।

বাংলায় দলটির সাংগঠনিক বিস্তার নির্বাচন-রাজনীতি, সাম্প্রদায়িক সমীকরণ এবং ১৯৪৭ সালের বিভাজনের গতিপথে গভীর প্রভাব ফেলে।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত

এ. কে. ফজলুল হক

নেতৃত্বব্যক্তি

রাজনৈতিক নেতা

১৯৪০ সালে তিনি লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং দেশভাগের পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণনেতা হিসেবে প্রদেশের ভবিষ্যৎ প্রশ্নে প্রভাব রাখেন।

ঔপনিবেশিক আমলের শেষভাগ থেকে দেশভাগ-পর্বের বাংলা রাজনীতি।

তার নেতৃত্ব কৃষকভিত্তিক রাজনীতি, মুসলিম প্রতিনিধিত্ব এবং পাকিস্তান গঠনের প্রশ্নে বাংলার অবস্থানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত

জওহরলাল নেহরু

নেতৃত্বব্যক্তি

কংগ্রেস নেতা

চূড়ান্ত ক্ষমতা হস্তান্তর আলোচনায় তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রধান আলোচক ছিলেন।

১৯৪৭-এর পূর্ববর্তী সর্বভারতীয় সাংবিধানিক আলোচনা।

দেশভাগ এড়ানো সম্ভব কি না এবং নতুন ভারতীয় রাষ্ট্রে বাংলার অবস্থান কী হবে—এই প্রশ্নে তার সিদ্ধান্ত ছিল প্রভাবশালী।

১৯৪৭দেশভাগকংগ্রেস রাজনীতি
বিস্তারিত

মহাত্মা গান্ধী

নেতৃত্বব্যক্তি

সাম্প্রদায়িকতা-বিরোধী জাতীয় নেতা

বিশেষ করে নোয়াখালী ও বাংলার দাঙ্গার পর তিনি বারবার সাম্প্রদায়িক সহিংসতা থামাতে হস্তক্ষেপ করেন।

১৯৪৬-১৯৪৭ সালের বাংলা ও উপমহাদেশের সাম্প্রদায়িক সংকট।

চূড়ান্ত দেশভাগ থামাতে না পারলেও তিনি সহিংসতার বিরুদ্ধে এক নৈতিক প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে ওঠেন।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত

শরৎচন্দ্র বসু

নেতৃত্বব্যক্তি

যুক্ত বাংলা প্রস্তাবের প্রবক্তা

দেশভাগ ঘনিয়ে এলে তিনি সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে মিলে স্বাধীন ও অবিভক্ত বাংলার পক্ষে কাজ করেন।

১৯৪৭ সালে বাংলার ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা।

সাম্প্রদায়িক রেখায় বাংলা ভাগের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সবচেয়ে স্পষ্ট কণ্ঠগুলোর একজন।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত

শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী

নেতৃত্বব্যক্তি

হিন্দু মহাসভা নেতা

পুরো বাংলা পাকিস্তানে চলে যাওয়া বা অনিশ্চিত স্বাধীন ব্যবস্থায় যাওয়ার বদলে তিনি বাংলাকে ভাগ করার পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন।

১৯৪৭ সালে বাংলার ভবিষ্যৎ নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক রেখায় বাংলা বিভক্ত করার প্রধান প্রবক্তাদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত

মোহাম্মদ আলী জওহর

নেতৃত্বব্যক্তি

ঔপনিবেশিকবিরোধী গণরাজনীতিতে খিলাফত নেতা

খিলাফত রাজনীতিকে গণঔপনিবেশিকবিরোধী প্রতিবাদের সাথে যুক্ত করা প্রধান কণ্ঠ।

তাঁর নেতৃত্বে খিলাফত আন্দোলনের আহ্বান বাংলার মুসলিম জনপরিসরে শক্তিশালী সাড়া তোলে।

অসহযোগ, প্যান-ইসলামি আবেগ এবং ঔপনিবেশিকবিরোধী সংগঠনের সঙ্গে তাঁর রাজনীতি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিল।

১৯২০-এর দশকের শুরুতে মুসলিম গণসংগঠনের প্রতীকী নেতায় তিনি পরিণত হন।

খিলাফতঔপনিবেশিকবিরোধীগণরাজনীতি
বিস্তারিত

শওকত আলী

নেতৃত্বব্যক্তি

খিলাফত আন্দোলনের সংগঠক ও নেতা

খিলাফত যুগের গণরাজনীতির উল্লেখযোগ্য সংগঠক।

তিনি খিলাফত সংগঠনে সহ-নেতৃত্ব দেন, যার প্রভাব বাংলার রাজনৈতিক সংগঠনে স্পষ্ট ছিল।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ঔপনিবেশিকবিরোধী ও মুসলিম গণরাজনীতির ভেতরে তাঁর সক্রিয়তা বিস্তৃত হয়।

খিলাফত পর্বের অন্যতম প্রধান জননেতা হিসেবে তিনি স্মরণীয়।

খিলাফতগণআন্দোলনরাজনীতি
বিস্তারিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

সম্মিলিত কণ্ঠসংস্থা

ছাত্রসমষ্টি

তারা আন্দোলনের কেন্দ্রে ছিল; কৌশল নিয়ে বিতর্ক করেছে, ১৪৪ ধারা ভেঙেছে, এবং প্রতিবাদকে রাস্তায় নামিয়েছে।

বিশেষ করে ১৯৪৮-১৯৫২ সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

তাদের সম্মিলিত পদক্ষেপই আন্দোলনকে সাহস, শৃঙ্খলা এবং ইতিহাসবদলানো মুহূর্ত এনে দেয়।

বিস্তারিত

প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার

শহীদব্যক্তি

চট্টগ্রামের সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনের কর্মী

বাংলার বিপ্লবী ইতিহাসে নারী নেতৃত্বের উজ্জ্বল নাম।

চট্টগ্রামের বিপ্লবী অভিযানে অংশ নিয়ে তিনি পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ দলে নেতৃত্ব দেন।

যে সময়ে নারীর সশস্ত্র অংশগ্রহণ বিরল ছিল, সে সময়ে তিনি বিপ্লবী রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নেন।

তাঁর আত্মত্যাগ বাংলার ঔপনিবেশিকবিরোধী সংগ্রামে নারীর সাহসের এক স্থায়ী প্রতীক।

চট্টগ্রামবিপ্লবনারীশহীদ
বিস্তারিত

বিনোদ বিহারী চৌধুরী

নেতৃত্বব্যক্তি

চট্টগ্রাম বিদ্রোহের অংশগ্রহণকারী

বিনোদ বিহারী চৌধুরী বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।

তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত

সুভাষচন্দ্র বসু

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলা-নির্ভর রাজনৈতিক শিকড়সম্পন্ন জাতীয়তাবাদী নেতা

সাম্রাজ্যের শেষ পর্বে বাংলা থেকে উঠে আসা এক শক্তিশালী জাতীয় কণ্ঠ।

ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে তিনি সশস্ত্র ও দৃঢ় রাজনৈতিক কৌশলকে সামনে আনেন এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলেন।

কলকাতাকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে সর্বভারতীয় পর্যায়ে তাঁর উত্থান উপনিবেশিক সময়ের আদর্শগত দ্বন্দ্বকে স্পষ্ট করে।

সার্বভৌমত্ব, প্রতিরোধ ও নেতৃত্ব নিয়ে বাংলা ও উপমহাদেশের রাজনৈতিক স্মৃতিতে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব।

ঔপনিবেশিকবিরোধীজাতীয়তাবাদনেতৃত্ববাংলা-রাজনীতি
বিস্তারিত

সূর্য সেন

নেতৃত্বব্যক্তি

চট্টগ্রাম বিদ্রোহের বিপ্লবী সংগঠক

মাস্টারদা বিপ্লবী শৃঙ্খলাকে জনআন্দোলনের শক্তিতে পরিণত করেন।

চট্টগ্রাম বিপ্লবী সংগঠন গড়ে তুলে তিনি ১৯৩০ সালের অস্ত্রাগার আক্রমণের নেতৃত্ব দেন।

বঙ্গভঙ্গ-পরবর্তী স্বদেশি ও যুগান্তর ধারার বিপ্লবী রাজনীতি থেকে তাঁর সংগঠক-নেতৃত্ব তৈরি হয়।

বাংলার জনস্মৃতিতে তিনি সশস্ত্র ঔপনিবেশিকবিরোধী প্রতিরোধের অন্যতম প্রতীক।

চট্টগ্রামবিপ্লবঔপনিবেশিকবিরোধী১৯৩০
বিস্তারিত

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী

নেতৃত্বব্যক্তি

অখণ্ড বাংলার মুখ্যমন্ত্রী

অখণ্ড বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশভাগ-পূর্ব সংকটময় রাজনীতির কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং যুক্ত বাংলা প্রস্তাবের প্রধান সমর্থকদের একজন ছিলেন।

কলকাতা ও বাংলা, ১৯৪৬-১৯৪৭।

বাংলা যুক্ত থাকবে, ভাগ হবে, নাকি স্বাধীন পথ নেবে—এই বিতর্কের গতিপথ নির্ধারণে তিনি বড় ভূমিকা রাখেন।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত

কৃষক প্রজা পার্টি

সংগঠনদল

বাংলার কৃষকভিত্তিক রাজনৈতিক দল

এ. কে. ফজলুল হকের নেতৃত্বে দলটি কৃষিভিত্তিক দাবিকে রাজনৈতিক এজেন্ডায় নিয়ে আসে এবং ১৯৩০-এর দশকে বাংলার প্রাদেশিক রাজনীতিকে নতুনভাবে বিন্যস্ত করে।

শেষ ঔপনিবেশিক নির্বাচন-রাজনীতি, কৃষক সংগঠন, এবং ১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক সরকার গঠনপর্ব।

দলটি গ্রামীণ ভোটভিত্তিকে রাজনীতির কেন্দ্রে আনে এবং দেশভাগ-পূর্ব বাংলার জোট-রাজনীতির চরিত্র বদলে দেয়।

বিস্তারিত

মাতঙ্গিনী হাজরা

নেতৃত্বব্যক্তি

তৃণমূল ঔপনিবেশিকবিরোধী আন্দোলনকর্মী

বাংলার ঔপনিবেশিকবিরোধী গণমোবিলাইজেশনের এক প্রতীকী নারী মুখ।

গণআন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি ঔপনিবেশিকবিরোধী সংগ্রামে নারীর ভূমিকাকে দৃশ্যমান করেন।

ঔপনিবেশিক শাসনের শেষপর্বে বাংলার অসহযোগ ও ভারত ছাড়ো-পর্বের গণমোবিলাইজেশনের সঙ্গে তিনি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন।

ঔপনিবেশিকবিরোধী আন্দোলনে নারীর আত্মত্যাগ ও নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে তিনি গণস্মৃতিতে স্থায়ী স্থান পেয়েছেন।

ঔপনিবেশিকবিরোধীনারী-ইতিহাসগণরাজনীতিবাংলা
বিস্তারিত