Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition
❦

Discover Bengal · Unfolded

❦

শাহ এ. এম. এস. কিবরিয়া

✦

কূটনীতিক ও অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিক, জাতিসংঘের আঞ্চলিক কর্মকর্তা ও বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী, যিনি ২০০৫ সালের হত্যাকাণ্ডের পর স্মরণীয় হয়ে আছেন।

Est. 1947 · Bengal✺A Bilingual Archive

জীবনী

✦

প্রেক্ষাপট

১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সার্ভিসে যোগ দিয়ে কিবরিয়া বিভিন্ন কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৮১ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের নির্বাহী সচিব ছিলেন। পরবর্তী রাজনৈতিক জীবন আন্তর্জাতিক প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাকে বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার, মন্ত্রিসভার নীতি এবং ২০০১ সালের বাংলাদেশ–ভারত সীমান্ত সংকট ঘিরে আঞ্চলিক কূটনীতির সঙ্গে যুক্ত করে। প্রেক্ষাপটে শাহ এ. এম. এস. কিবরিয়া কূটনীতিক ও অর্থমন্ত্রী হিসেবে পরিচিত। অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিক, জাতিসংঘের আঞ্চলিক কর্মকর্তা ও বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী, যিনি ২০০৫ সালের হত্যাকাণ্ডের পর স্মরণীয় হয়ে আছেন।

অবদান

শাহ আবু মুহাম্মদ শামসুল কিবরিয়া (১৯৩১–২০০৫) ছিলেন অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিক, জাতিসংঘের আঞ্চলিক কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ রাজনীতিক। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী হিসেবে তিনি সামাজিক সুরক্ষা, কৃষিঋণ, আবাসন, যুব কর্মসংস্থান ও আর্থিক খাতের বিভিন্ন উদ্যোগে যুক্ত ছিলেন।

প্রভাব

কিবরিয়ার জীবন বাঙালি পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক প্রশাসন ও জাতীয় রাজনীতির মধ্যে চলাচলের একটি উদাহরণ। তাঁর অর্থমন্ত্রিত্ব কল্যাণ ও ঋণ কর্মসূচির বিস্তারের সঙ্গে যুক্ত; ২০০৫ সালে হবিগঞ্জে রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় তাঁর মৃত্যু তাঁকে বিরোধী রাজনীতিতে সহিংসতার একটি প্রতীকে পরিণত করে। তবে হামলার দায় ও আইনি জবাবদিহির প্রশ্নকে তাঁর জীবনী থেকে পৃথকভাবে বিবেচনা করা উচিত।

আওয়ামী-লীগকূটনীতিঅর্থনীতি-নীতিজাতিসংঘরাজনৈতিক-সহিংসতা

টাইমলাইন অবস্থান

✦

শাহ এ. এম. এস. কিবরিয়া এই টাইমলাইনে 2টি সংযুক্ত ঘটনার মাধ্যমে উপস্থিত, যা ১৯৯১ - ২০০১ সময়জুড়ে বিস্তৃত।

প্রথম উপস্থিতি

১৯৯১

সর্বশেষ উপস্থিতি

২০০১

সময় বিস্তৃতি

১৯৯১ - ২০০১

সংযুক্ত ঘটনার সংখ্যা

2

উত্তরাধিকার সারাংশ

✦

কিবরিয়ার জীবন বাঙালি পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক প্রশাসন ও জাতীয় রাজনীতির মধ্যে চলাচলের একটি উদাহরণ। তাঁর অর্থমন্ত্রিত্ব কল্যাণ ও ঋণ কর্মসূচির বিস্তারের সঙ্গে যুক্ত; ২০০৫ সালে হবিগঞ্জে রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় তাঁর মৃত্যু তাঁকে বিরোধী রাজনীতিতে সহিংসতার একটি প্রতীকে পরিণত করে। তবে হামলার দায় ও আইনি জবাবদিহির প্রশ্নকে তাঁর জীবনী থেকে পৃথকভাবে বিবেচনা করা উচিত। এই প্রভাব 2টি সংশ্লিষ্ট ঘটনার বর্ণনায় প্রতিফলিত হয়েছে।

রেফারেন্স

✦

এই ব্যক্তিত্বকে বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সূত্রসমূহ

2001 Bangladesh-India border skirmishes

পাদুয়া/পিরদিওয়াহ ও বড়াইবাড়ি সংঘর্ষের টাইমলাইন, হতাহত ও উত্তেজনা প্রশমন নিয়ে একটি সারাংশভিত্তিক রেফারেন্স।

উল্লেখিত: 1 ঘটনা

A History of Bangladesh

দীর্ঘ ইতিহাস, ঔপনিবেশিক সংঘর্ষ, পূর্ব পাকিস্তান, যুদ্ধ, এবং স্বাধীন বাংলাদেশের একটি সমন্বিত ইতিহাস।

উল্লেখিত: 1 ঘটনা

India-Bangladesh Cease-Fire Holding (April 21, 2001)

সংঘর্ষ-পরবর্তী যুদ্ধবিরতির অবস্থা, স্থানীয় লড়াইয়ের প্রেক্ষাপট ও তাৎক্ষণিক কূটনৈতিক বার্তা নিয়ে সমসাময়িক প্রতিবেদন।

উল্লেখিত: 1 ঘটনা

ইতিহাস

এরশাদের ক্ষমতাদখল ও আশির দশকের কর্তৃত্ববাদী পর্বের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা বোঝার জন্য সহায়ক সাধারণ বাংলাদেশ-ইতিহাস রেফারেন্স।

উল্লেখিত: 1 ঘটনা

ঘটনাসমূহে অংশগ্রহণ

✦

ঘটনাপঞ্জি ভিউ