শেখ হাসিনা
নেতৃত্বব্যক্তি
আওয়ামী লীগ নেতা ও ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের সময়ের প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি জুলাই-আগস্ট ২০২৪ দমন-পীড়নের সময় আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্ব দেন এবং ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থান চূড়ান্ত রূপ নেওয়ার পর ৫ আগস্ট ২০২৪ পদত্যাগ করেন।
এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও পদত্যাগ-পরবর্তী রূপান্তর পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনীতি।
তার পদত্যাগ প্রতিবাদকে রাষ্ট্রীয় রূপান্তরের মুহূর্তে পরিণত করে এবং দমন-পীড়নের জবাবদিহিকে জনআলোচনার কেন্দ্রে আনে।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→খালেদা জিয়া
নেতৃত্বব্যক্তি
৭-দলীয় জোটের নেত্রী
বিএনপির চেয়ারপারসন হিসেবে তিনি এরশাদবিরোধী এমন এক প্রধান জোটের নেতৃত্ব দেন, যা আন্দোলনকে সত্যিকার অর্থে জাতীয় মুখোমুখিতে রূপ দেয়।
১৯৮০-এর শেষভাগ ও ১৯৯০-এর এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তর।
তাদের ভূমিকা স্বৈরশাসনের অবসান ঘটানো গণঅভ্যুত্থানকে বিস্তৃত, বৈধ এবং কার্যকর করে তোলে।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→এ. এল. এম. ফজলুর রহমান
নেতৃত্বব্যক্তি
পরবর্তী স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রধান
“এ. এল. এম. ফজলুর রহমান পিলখানা-পরবর্তী একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।”
সাক্ষ্য, তদারকি, তদন্ত বা রাজনৈতিক সংযোগের মাধ্যমে ২০০৯ সালের পিলখানা মামলার আলোচনায় এই ব্যক্তিত্ব যুক্ত ছিলেন।
বিডিআর বিদ্রোহ/হত্যাকাণ্ড-পরবর্তী বিচার, জবাবদিহি ও পুনঃতদন্তভিত্তিক জনআলোচনা।
পিলখানা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি ও প্রতিদ্বন্দ্বী বয়ানের কাঠামো গঠনে প্রভাব ফেলেছেন।
পিলখানাবিডিআর-বিচ্যুতি২০০৯তদন্ত
বিস্তারিত→শাহ এ. এম. এস. কিবরিয়া
নেতৃত্বব্যক্তি
কূটনীতিক ও অর্থমন্ত্রী
“অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিক, জাতিসংঘের আঞ্চলিক কর্মকর্তা ও বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী, যিনি ২০০৫ সালের হত্যাকাণ্ডের পর স্মরণীয় হয়ে আছেন।”
শাহ আবু মুহাম্মদ শামসুল কিবরিয়া (১৯৩১–২০০৫) ছিলেন অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিক, জাতিসংঘের আঞ্চলিক কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ রাজনীতিক। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী হিসেবে তিনি সামাজিক সুরক্ষা, কৃষিঋণ, আবাসন, যুব কর্মসংস্থান ও আর্থিক খাতের বিভিন্ন উদ্যোগে যুক্ত ছিলেন।
১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সার্ভিসে যোগ দিয়ে কিবরিয়া বিভিন্ন কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৮১ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের নির্বাহী সচিব ছিলেন। পরবর্তী রাজনৈতিক জীবন আন্তর্জাতিক প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাকে বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার, মন্ত্রিসভার নীতি এবং ২০০১ সালের বাংলাদেশ–ভারত সীমান্ত সংকট ঘিরে আঞ্চলিক কূটনীতির সঙ্গে যুক্ত করে।
কিবরিয়ার জীবন বাঙালি পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক প্রশাসন ও জাতীয় রাজনীতির মধ্যে চলাচলের একটি উদাহরণ। তাঁর অর্থমন্ত্রিত্ব কল্যাণ ও ঋণ কর্মসূচির বিস্তারের সঙ্গে যুক্ত; ২০০৫ সালে হবিগঞ্জে রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় তাঁর মৃত্যু তাঁকে বিরোধী রাজনীতিতে সহিংসতার একটি প্রতীকে পরিণত করে। তবে হামলার দায় ও আইনি জবাবদিহির প্রশ্নকে তাঁর জীবনী থেকে পৃথকভাবে বিবেচনা করা উচিত।
আওয়ামী-লীগকূটনীতিঅর্থনীতি-নীতিজাতিসংঘ
বিস্তারিত→