Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition
❦

Discover Bengal · Unfolded

❦

১৯৪৭ সালের ব্যক্তিত্বরা

✦

দেশভাগ ও পূর্ববঙ্গ

১৯৪৭ অধ্যায়ের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্ব, শহীদ, সমন্বয়ক ও সম্মিলিত শক্তির পূর্ণ তালিকা।

Est. 1947 · Bengal✺A Bilingual Archive

পূর্ণ ব্যক্তিত্ব তালিকা

✦

60 প্রোফাইল

এ. কে. ফজলুল হক

নেতৃত্বব্যক্তি

রাজনৈতিক নেতা

১৯৪০ সালে তিনি লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং দেশভাগের পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণনেতা হিসেবে প্রদেশের ভবিষ্যৎ প্রশ্নে প্রভাব রাখেন।

ঔপনিবেশিক আমলের শেষভাগ থেকে দেশভাগ-পর্বের বাংলা রাজনীতি।

তার নেতৃত্ব কৃষকভিত্তিক রাজনীতি, মুসলিম প্রতিনিধিত্ব এবং পাকিস্তান গঠনের প্রশ্নে বাংলার অবস্থানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী

নেতৃত্বব্যক্তি

অখণ্ড বাংলার মুখ্যমন্ত্রী

অখণ্ড বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশভাগ-পূর্ব সংকটময় রাজনীতির কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং যুক্ত বাংলা প্রস্তাবের প্রধান সমর্থকদের একজন ছিলেন।

কলকাতা ও বাংলা, ১৯৪৬-১৯৪৭।

বাংলা যুক্ত থাকবে, ভাগ হবে, নাকি স্বাধীন পথ নেবে—এই বিতর্কের গতিপথ নির্ধারণে তিনি বড় ভূমিকা রাখেন।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→

খাজা নাজিমুদ্দীন

নেতৃত্বব্যক্তি

মুসলিম লীগ নেতা

বাংলায় মুসলিম লীগের অভিজাত ধারার প্রতিনিধিত্ব করে তিনি দেশভাগের আগে ও পরে পূর্ববঙ্গকে পাকিস্তানের নতুন রাষ্ট্র কাঠামোর মধ্যে নেতৃত্ব দেন।

ঔপনিবেশিক আমলের শেষভাগের বাংলা এবং পাকিস্তানের সূচনাপর্ব।

তার রাজনৈতিক ভূমিকা বাংলার দেশভাগ ও পূর্ববঙ্গের প্রারম্ভিক রাষ্ট্রীয় অবস্থানকে একসূত্রে যুক্ত করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ

নেতৃত্বব্যক্তি

সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ নেতা

পাকিস্তান দাবির প্রধান নেতা হিসেবে তিনি সেই রাজনৈতিক কাঠামো নির্মাণে নেতৃত্ব দেন যার মাধ্যমে পূর্ববঙ্গ নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের অংশ হয়।

উপমহাদেশজুড়ে সাংবিধানিক হস্তান্তর ও দেশভাগ সংক্রান্ত আলোচনা।

পাকিস্তান সৃষ্টিতে তার ভূমিকা ছিল কেন্দ্রীয়, আর পূর্ববঙ্গ সেই রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান অংশে পরিণত হয়।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

আবুল হাশিম

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলা মুসলিম লীগের সংগঠক

১৯৪৩ সাল থেকে বাংলা প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবুল হাশিম দলটি পুনর্গঠন এবং ১৯৪৬ সালের নির্বাচনের আগে বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে এর সমর্থন বিস্তারে ভূমিকা রাখেন।

তিনি মুসলিম লীগের রাজনীতির সঙ্গে আঞ্চলিক বাঙালি পরিচয়ের প্রশ্নকে যুক্ত করেন এবং ১৯৪৬-৪৭ সালের দেশভাগ বিতর্কে স্বাধীন ও অবিভক্ত বাংলার প্রস্তাব সমর্থন করেন।

তাঁর রাজনৈতিক জীবন দেখায় যে ঔপনিবেশিক বাংলার শেষপর্বে মুসলিম রাজনীতি একক অবস্থান ছিল না; পাকিস্তানের পাশাপাশি বাঙালি আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও পরিচয়ের ভিন্ন ধারণাও সক্রিয় ছিল।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→

শরৎচন্দ্র বসু

নেতৃত্বব্যক্তি

যুক্ত বাংলা প্রস্তাবের প্রবক্তা

শরৎচন্দ্র বসু ছিলেন কংগ্রেস নেতা; ১৯৪৭ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে তিনি স্বাধীন ও অবিভক্ত বাংলার প্রস্তাব নিয়ে কাজ করেন।

যুক্ত বাংলা পরিকল্পনা সাম্প্রদায়িক রেখায় দেশভাগকে প্রদেশের একমাত্র সাংবিধানিক ভবিষ্যৎ হিসেবে মানতে অস্বীকার করেছিল।

চূড়ান্ত অনুমোদন না পেলেও তার প্রচেষ্টা আন্তঃসম্প্রদায়িক রাজনৈতিক বিকল্পের ইতিহাস সংরক্ষণ করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→

কিরণশঙ্কর রায়

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলার কংগ্রেস নেতা

রায় ছিলেন বাংলা কংগ্রেস পার্লামেন্টারি পার্টির নেতা এবং ১৯৪৭ সালে অবিভক্ত, স্বাধীন বাংলা নিয়ে আলোচনায় যুক্ত ছিলেন।

ব্রিটিশ শাসনের অবসানের আগে শেষ দফার সাংবিধানিক আলোচনায় তার অবস্থান সর্বভারতীয় কংগ্রেসের কৌশল এবং সার্বভৌম যুক্ত বাংলার প্রস্তাবের মধ্যবর্তী টানাপোড়েনকে প্রতিফলিত করে।

দেশভাগ চূড়ান্ত হওয়ার আগে বাংলায় যে নানা সাংবিধানিক বিকল্প নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল, তার পরিসর তার ভূমিকা থেকে বোঝা যায়।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→

সত্যরঞ্জন বক্সী

নেতৃত্বব্যক্তি

যুক্ত বাংলার সমর্থক

বক্সী ছিলেন অবিভক্ত, সার্বভৌম বাংলার ১৯৪৭ সালের প্রস্তাবের সমর্থক একজন হিন্দু জননেতা।

যুক্ত বাংলা পরিকল্পনা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কে তিনি অংশ নেন; সেই পরিকল্পনা প্রদেশভাগ এড়াতে চেয়েছিল, যদিও কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের অবস্থান তখন কঠোর হচ্ছিল।

তার ভূমিকা দেখায়, হিন্দু বাঙালি নেতাদের মধ্যেও দেশভাগের বিরোধিতা ছিল, যদিও যুক্ত বাংলার প্রস্তাব সফল হয়নি।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→

যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল

নেতৃত্বব্যক্তি

দলিত রাজনৈতিক নেতা

জগেন্দ্রনাথ মণ্ডল ছিলেন তপশিলি জনগোষ্ঠীর প্রধান নেতা; বাংলা থেকে পাকিস্তানে রূপান্তরের সময় তিনি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক সুরক্ষার দাবি তুলেছিলেন।

তাঁর রাজনৈতিক জীবন জাতভিত্তিক রাজনীতি, সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব, সাংবিধানিক দরকষাকষি এবং দেশভাগে তৈরি নাগরিকত্বের কঠিন সিদ্ধান্তকে যুক্ত করে।

মণ্ডলের জীবন দেখায় দেশভাগ শুধু ধর্মভিত্তিক ভূখণ্ড বিভাজন ছিল না; এটি নাগরিকত্ব, জাতভিত্তিক বঞ্চনা ও সংখ্যালঘু অধিকারেরও সংকট ছিল।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

সিরিল র্যাডক্লিফ

সমন্বয়কব্যক্তি

বাউন্ডারি কমিশনের চেয়ারম্যান

সিরিল র‌্যাডক্লিফ ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা নির্ধারণকারী কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন; বাংলাকে বিভক্ত করা রেখাটিও তার কমিশনের কাজের অংশ।

ভারতে পূর্বঅভিজ্ঞতা না থাকা অবস্থায় স্বাধীনতার কয়েক সপ্তাহ আগে অত্যন্ত সংকুচিত সময়সীমায় তাকে কাজটি করতে হয়।

র‌্যাডক্লিফ রোয়েদাদ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে এমন সীমানায় পরিণত করে, যা সম্প্রদায়, বাজার, যোগাযোগপথ ও পারিবারিক নেটওয়ার্ককে ভাগ করে দেয়।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারসীমান্ত নির্ধারণ
বিস্তারিত→

লর্ড লুই মাউন্টব্যাটেন

সমন্বয়কব্যক্তি

ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয়

শেষ ভাইসরয় হিসেবে তিনি ৩ জুন পরিকল্পনা ও ত্বরিত ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান করেন, যা সরাসরি দেশভাগে গিয়ে পৌঁছায়।

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের সমাপ্তি ও ক্ষমতা হস্তান্তর।

তার তাড়াহুড়োপূর্ণ সময়সূচি বাংলার বিভাজনকে ঘিরে অনিশ্চয়তা, বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত→

জওহরলাল নেহরু

নেতৃত্বব্যক্তি

কংগ্রেস নেতা

জওহরলাল নেহরু ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় কংগ্রেসের প্রধান আলোচকদের একজন এবং ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

চূড়ান্ত সাংবিধানিক আলোচনায় তার সিদ্ধান্ত বাংলার ভবিষ্যৎ নির্ধারণকারী বিকল্পগুলোকে প্রভাবিত করে; কংগ্রেস, মুসলিম লীগ ও ব্রিটিশ কর্মকর্তারা তখন দেশভাগ ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে বিতর্ক করছিলেন।

বাংলার বিভাজন যে বৃহত্তর সর্বভারতীয় বন্দোবস্তের অংশ ছিল, যা ভারত ও পাকিস্তান সৃষ্টি করে, তার পরিপ্রেক্ষিত নেহরুর ভূমিকায় স্পষ্ট।

১৯৪৭দেশভাগকংগ্রেস রাজনীতি
বিস্তারিত→

বল্লভভাই পটেল

নেতৃত্বব্যক্তি

কংগ্রেসের কৌশলগত নেতা

বল­্লভভাই প্যাটেল ছিলেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা; ব্রিটিশ ভারতের শেষ সাংবিধানিক বন্দোবস্তে তার আলোচনামূলক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল।

তিনি কার্যকর ভারতীয় ইউনিয়নকে অগ্রাধিকার দিতেন এবং আলগা বা সার্বভৌম বাংলার প্রস্তাবকে রাজনৈতিক স্থিতি ও ভূখণ্ডগত ঐক্যের প্রশ্নে বিচার করতেন।

দেশভাগের বিকল্পগুলো কেন কংগ্রেসের প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন হারিয়েছিল, তার নেতৃত্ব-পরিপ্রেক্ষিত বোঝাতে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

১৯৪৭দেশভাগকংগ্রেস রাজনীতি
বিস্তারিত→

মহাত্মা গান্ধী

নেতৃত্বব্যক্তি

সাম্প্রদায়িকতা-বিরোধী জাতীয় নেতা

১৯৪৬ সালের শেষভাগে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পর গান্ধী নোয়াখালী ও আশপাশের এলাকায় যান, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির আহ্বান জানান।

১৯৪৬ সালের কলকাতা ও নোয়াখালীর সহিংসতার পর বাংলায় তাঁর হস্তক্ষেপ চলতে থাকে; ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা ও দেশভাগ নিয়ে আলোচনা তীব্র হওয়ার সময়ও তিনি শান্তির উদ্যোগ নেন।

এই পর্ব স্থানীয় শান্তি-উদ্যোগের সম্ভাবনা ও সীমা দুটোই দেখায়: গান্ধীর উপস্থিতি সম্প্রীতির প্রচেষ্টাকে সমর্থন করলেও বাংলা ও ভারতের চূড়ান্ত দেশভাগ ঠেকাতে পারেনি।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→

লিয়াকত আলী খান

নেতৃত্বব্যক্তি

মুসলিম লীগের রাষ্ট্রনেতা

চূড়ান্ত সাংবিধানিক সমঝোতায় তিনি মুসলিম লীগের অন্যতম প্রধান আলোচক ছিলেন এবং পরে পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন।

ক্ষমতা হস্তান্তর ও পাকিস্তানের প্রারম্ভিক রাষ্ট্রগঠন।

তার রাজনৈতিক ভূমিকা সর্বভারতীয় পাকিস্তান দাবিকে পূর্ববঙ্গ-সমেত নতুন রাষ্ট্রের প্রশাসনিক বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করে।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী

নেতৃত্বব্যক্তি

হিন্দু মহাসভা নেতা

পুরো বাংলা পাকিস্তানে চলে যাওয়া বা অনিশ্চিত স্বাধীন ব্যবস্থায় যাওয়ার বদলে তিনি বাংলাকে ভাগ করার পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন।

১৯৪৭ সালে বাংলার ভবিষ্যৎ নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক রেখায় বাংলা বিভক্ত করার প্রধান প্রবক্তাদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

বিধানচন্দ্র রায়

নেতৃত্বব্যক্তি

কংগ্রেস নেতা ও চিকিৎসক-রাষ্ট্রনায়ক

বিধানচন্দ্র রায় ছিলেন চিকিৎসক ও কংগ্রেস নেতা; দেশভাগের পর তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন।

বাংলা বিভাজনের পর উদ্বাস্তু পুনর্বাসন, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং ভারতের প্রাথমিক রাষ্ট্রগঠনের চাপের মধ্যে তাঁর জনজীবন বিকশিত হয়।

রায়ের ভূমিকা দেশভাগের মানচিত্র-নির্ধারণকে পশ্চিমবঙ্গের বাস্তব প্রশাসন ও মানবিক সংকটের সঙ্গে যুক্ত করে।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→

প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ

নেতৃত্বব্যক্তি

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী

১৯৪৭ সালে বাংলা বিভক্ত হওয়ার পর ঘোষ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হন।

দেশভাগে জনপদ উচ্ছেদ এবং প্রশাসনিক-অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কের বিপর্যয়ের মধ্যে নতুন প্রদেশের প্রতিষ্ঠান দাঁড় করানো তার সরকারের তাৎক্ষণিক কাজ ছিল।

তার সংক্ষিপ্ত প্রথম মন্ত্রিসভা যুক্ত প্রাদেশিক শাসন থেকে দেশভাগ-পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রব্যবস্থায় রূপান্তরের সূচনা চিহ্নিত করে।

১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত→

নুরুল আমিন

নেতৃত্বব্যক্তি

পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

১৯৪৮ সালে নুরুল আমিন পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন এবং পাকিস্তানি শাসনের শুরুর বছরগুলোতে প্রাদেশিক সরকারের নেতৃত্ব দেন।

তাঁর সরকার প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, প্রতিনিধিত্ব ও বাংলার মর্যাদা নিয়ে বিরোধের মধ্যে কাজ করে; একই সময়ে পূর্ববঙ্গে মুসলিম লীগের বিরোধিতাও বাড়ছিল।

বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবির বিরোধিতা ভাষা আন্দোলনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপনের অংশ হয়ে ওঠে এবং ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের আগে মুসলিম লীগের কর্তৃত্ব দুর্বল হওয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়।

১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→

তমিজউদ্দীন খান

নেতৃত্বব্যক্তি

পূর্ববঙ্গের সাংবিধানিক নেতা

ভাষা ও প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন যখন তীব্র হয়ে উঠছে, ঠিক সেই সময় পাকিস্তানের সাংবিধানিক কাঠামোয় তিনি পূর্ববঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠ ছিলেন।

পাকিস্তানের প্রাথমিক প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠানগুলো।

তার উপস্থিতি দেখায় ভাষার প্রশ্নটি আসলে ফেডারেল গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রে পূর্ববঙ্গের মর্যাদার বৃহত্তর সংকটের সঙ্গেও যুক্ত ছিল।

১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→