ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
নেতৃত্বব্যক্তি
ভাষা-অধিকার আন্দোলনের প্রবক্তা
১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি তুলে তিনি ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নেন।
দেশভাগের পর পাকিস্তানের প্রাথমিক সাংবিধানিক বিতর্ক।
তিনি ভাষাকে সাংবিধানিক অধিকারের প্রশ্নে পরিণত করেন এবং বাংলা ভাষা আন্দোলনের ভিত্তি নির্মাণে সাহায্য করেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→আবদুল হামিদ খান ভাসানী
নেতৃত্বব্যক্তি
গণরাজনৈতিক সংগঠক
দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গে তিনি জনঅসন্তোষকে বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করা অন্যতম বড় গণসংগঠকে পরিণত হন।
১৯৪০-এর শেষভাগ ও ১৯৫০-এর শুরুর দিকের পূর্ববঙ্গ।
তার নেতৃত্ব আঞ্চলিক বঞ্চনাকে সংগঠিত গণআন্দোলনের ভাষা দেয় এবং কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে।
১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত→শামসুল হক
সমন্বয়কব্যক্তি
ভাষা-দাবির প্রাথমিক কমিটির আহ্বায়ক
বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে গঠিত প্রাথমিক কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে তিনি ১৯৪৮-পরবর্তী পর্যায়ে আন্দোলনকে সংগঠিত রাখেন।
পূর্ববঙ্গে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠনিক পর্যায়।
তার ভূমিকা প্রথম দিকের প্রতিবাদ থেকে ১৯৫২-এর চূড়ান্ত পর্যায়ের মধ্যে ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→অলি আহাদ
নেতৃত্বব্যক্তি
ছাত্র ও রাজনৈতিক কর্মী
তিনি ভাষা আন্দোলনের লড়াকু তরুণ সংগঠকদের একজন ছিলেন এবং প্রাথমিক পর্যায় থেকেই আন্দোলনের ঢেউয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
পূর্ববঙ্গের ছাত্ররাজনীতি ও রাস্তাভিত্তিক প্রতিবাদ।
তার ভূমিকা ভাষার প্রশ্নকে কেবল প্রতীকি নয়, সক্রিয় রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রশ্নে পরিণত করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→আবদুল মতিন
সমন্বয়কব্যক্তি
ভাষা আন্দোলনের সংগঠক
ভাষা মতিন নামে পরিচিত তিনি ১৯৫২ সালে সরাসরি আন্দোলনের পক্ষে সবচেয়ে দৃশ্যমান ছাত্রনেতাদের একজন ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৯৪৮-১৯৫২ পর্যায়ের আন্দোলনের সমন্বয়।
তিনি বাংলা ভাষার দাবিকে সংগঠিত পথের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ দিতে সাহায্য করেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→কাজী গোলাম মাহবুব
সমন্বয়কব্যক্তি
ছাত্রনেতা ও আহ্বায়ক
৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ গঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে তিনি আন্দোলনের প্রধান সংগঠকদের একজন ছিলেন।
ঢাকার ছাত্ররাজনীতি এবং ১৯৫২ সালের আন্দোলনের সমন্বয়।
তার সংগঠকসুলভ ভূমিকা বিচ্ছিন্ন প্রতিবাদকে একটি সুস্পষ্ট ও দৃশ্যমান গণআন্দোলনে রূপ দিতে সাহায্য করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→আবদুল মালেক উকিল
নেতৃত্বব্যক্তি
ছাত্রকর্মী
ভাষা আন্দোলনের প্রাথমিক পর্যায়ের মিছিল, পিকেটিং এবং ছাত্রসমাবেশে তিনি অংশ নেন।
১৯৪০-এর শেষভাগ ও ১৯৫০-এর শুরুর ছাত্রসমাজের প্রতিবাদ।
তার মতো কর্মীরাই প্রথম দাবির পর্যায় থেকে আত্মত্যাগের পর্যায় পর্যন্ত আন্দোলনকে ধরে রেখেছিলেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→মোহাম্মদ তোয়াহা
নেতৃত্বব্যক্তি
বামপন্থী ছাত্রকর্মী
তিনি ভাষার প্রশ্নকে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক ও বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করেন এবং ১৯৪৮ সালের আন্দোলনে আহত হন।
১৯৪৭-পরবর্তী পূর্ববঙ্গের বামপন্থী ছাত্ররাজনীতি।
তার মতো কর্মীরা ভাষা আন্দোলনকে কেবল ভাষাগত নয়, গণতান্ত্রিক ও কর্তৃত্ববিরোধী সংগ্রামের অংশ করে তোলেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারকৃষক-বাম রাজনীতি
বিস্তারিত→মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
নেতৃত্বব্যক্তি
ভাষাবিদ ও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্তৃত্ব
রাষ্ট্রীয় নীতিতে বাংলা ভাষাকে খাটো করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে তিনি বাংলার ঐতিহাসিক মর্যাদা ও বৈধতার পক্ষে দাঁড়ান।
পাকিস্তানের শুরুর ভাষা ও পরিচয় বিতর্ক।
তার জ্ঞানচর্চা আন্দোলনের বুদ্ধিবৃত্তিক শক্তি ও সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাসকে দৃঢ় করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→সুফিয়া কামাল
নেতৃত্বব্যক্তি
সাংস্কৃতিক ও নাগরিক কণ্ঠ
বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও মর্যাদাভিত্তিক জনজীবনের পক্ষে তিনি শক্তিশালী নৈতিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থান নেন।
ভাষা আন্দোলনের সময় ও পরে পূর্ববঙ্গের সাংস্কৃতিক পরিসর।
তিনি ছাত্রপ্রতিবাদের সীমা ছাড়িয়ে আন্দোলনের চেতনাকে বৃহত্তর নাগরিক সংস্কৃতিতে পৌঁছে দেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→এএনএম গাজীউল হক
নেতৃত্বব্যক্তি
ভাষা আন্দোলনের নেতা
২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর ঐতিহাসিক আমতলা সভায় তিনি সভাপতিত্ব করেন, যেখানে ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-এর সিদ্ধান্তময় মুহূর্ত।
তার নেতৃত্ব আন্দোলনের ইতিহাসে সেই মুহূর্তকে চিহ্নিত করে, যখন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাস্তায় নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→আবুল মনসুর আহমদ
নেতৃত্বব্যক্তি
লেখক ও রাজনৈতিক চিন্তক
লেখালেখি ও রাজনীতির মাধ্যমে তিনি অভিজাত ক্ষমতা, মুসলিম রাজনীতি এবং বাঙালি পরিচয়ের টানাপোড়েনকে বিশ্লেষণ করেন।
ঔপনিবেশিক শাসনের শেষভাগ থেকে পাকিস্তানের শুরুর জনপরিসর।
তার রচনা ও রাজনৈতিক ভূমিকা দেশভাগ-পর্বের পরিবর্তনকে বিস্তৃত বাঙালি পাঠকের কাছে ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→আতাউর রহমান খান
নেতৃত্বব্যক্তি
বিরোধী রাজনীতিক
পূর্ববঙ্গের ওপর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে যে আঞ্চলিক রাজনৈতিক ধারা গড়ে ওঠে, তিনি তার অন্যতম অংশ হয়ে ওঠেন।
দেশভাগ-পরবর্তী পূর্ববঙ্গের রাজনীতি।
তার ভূমিকা আঞ্চলিক অধিকারভিত্তিক রাজনৈতিক কণ্ঠকে আরও দৃশ্যমান করে তোলে।
১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত→আবুল কাশেম
নেতৃত্বব্যক্তি
ভাষা আন্দোলনের সংগঠক
আবুল কাশেম বাংলাদেশের রাষ্ট্র-রাজনৈতিক গতিপথে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সময়ের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপট।
রাজনৈতিক বৈধতা, রাষ্ট্রক্ষমতা ও ঐতিহাসিক স্মৃতির আলোচনায় এই ব্যক্তিত্ব গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→কাজী মোতাহার হোসেন
নেতৃত্বব্যক্তি
শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক বুদ্ধিজীবী
পূর্ববঙ্গে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির পক্ষে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান নেন।
পাকিস্তানের প্রারম্ভিক সময়ে একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক বিতর্ক।
তার অবস্থান বাঙালি সাংস্কৃতিক আত্মপ্রত্যয়ের পক্ষে শিক্ষিত সমাজের সমর্থনকে শক্তিশালী করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→ইলা মিত্র
নেতৃত্বব্যক্তি
কৃষক আন্দোলনের কর্মী
বাংলার কৃষকসংগ্রামে তার ভূমিকা দেখায় দেশভাগ-ঘনিষ্ঠ সময়ের সামাজিক অস্থিরতা ও কৃষিভিত্তিক বঞ্চনা কত গভীর ছিল।
১৯৪০-এর দশক ও ১৯৫০-এর শুরুর গ্রামীণ বাংলা।
তার উপস্থিতি স্মরণ করিয়ে দেয় যে দেশভাগ-পর্বের বাংলা কেবল সাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে নয়, শ্রেণি-সংগ্রামেও গঠিত হয়েছিল।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারকৃষক-বাম রাজনীতি
বিস্তারিত→মওলানা আকরম খান
নেতৃত্বব্যক্তি
সাংবাদিক ও মুসলিম জননেতা
বাংলার মুসলিম জনজীবনে তিনি প্রভাবশালী সম্পাদক ও জননেতা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
ঔপনিবেশিক শাসনের শেষভাগে বাংলা মুসলিম জনমত ও রাজনীতি।
তিনি বাঙালি মুসলিম পাঠকসমাজের কাছে প্রতিনিধিত্ব, সম্প্রদায় ও রাষ্ট্র প্রশ্নকে প্রভাবিতভাবে তুলে ধরেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→মানিক মিয়া
নেতৃত্বব্যক্তি
সাংবাদিক ও জনমত নির্মাতা
সাংবাদিকতার মাধ্যমে তিনি পূর্ববঙ্গের বৈষম্য, অধিকার ও আঞ্চলিক মর্যাদার প্রশ্নকে জনপরিসরে শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করেন।
পাকিস্তানের শুরুর জনপরিসর ও সংবাদমাধ্যম।
তার কাজ ভাষার প্রশ্নকে পূর্ববঙ্গের বৃহত্তর রাজনৈতিক চেতনার অংশ করে তোলে।
১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলনবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ
নেতৃত্বব্যক্তি
বিরোধী বক্তা ও রাজনীতিক
কেন্দ্রীয় আধিপত্য ও বঞ্চনামূলক শাসনের বিরুদ্ধে পূর্ববঙ্গে তিনি এক তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক কণ্ঠ হয়ে ওঠেন।
পূর্ব পাকিস্তানের প্রাথমিক প্রাদেশিক রাজনীতি।
পূর্ববঙ্গের মর্যাদা ও অধিকারের জনভাষা গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→শেখ মুজিবুর রহমান
নেতৃত্বব্যক্তি
ছাত্রসংগঠক ও জাতীয় নেতা
“দেশভাগের প্রথম ক্ষত থেকে স্বাধীনতার শেষ লড়াই পর্যন্ত তার জনজীবন একটি দীর্ঘ সেতু।”
দেশভাগের অব্যবহিত পর থেকেই পূর্ববঙ্গে তিনি ছাত্র ও রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে উঠে আসেন; ভাষার অধিকার, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন এবং পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার দিকে যাওয়া গণআন্দোলনে তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেন।
পূর্ববঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান, ১৯৪৮-১৯৭১; ভাষা-রাজনীতির শুরু থেকে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার সংগ্রাম।
তার রাজনৈতিক পথ ১৯৪৭-পরবর্তী প্রতিনিধিত্ব ও ভাষা সংকটকে পরবর্তী আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রগঠনের দাবির সঙ্গে যুক্ত করে।
ভাষা অধিকারস্বায়ত্তশাসনজাতীয়তাবাদ
বিস্তারিত→