খাজা শাহাবুদ্দীন
নেতৃত্বব্যক্তি
মুসলিম লীগ রাজনীতিক
ঢাকার নবাব পরিবার-ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক পরিমণ্ডল থেকে উঠে এসে তিনি পাকিস্তানে উত্তরণের সময় মুসলিম লীগ রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।
বাংলা ও পাকিস্তানের অভিজাত রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক।
তার রাজনৈতিক পথ দেখায় দেশভাগের পর পুরোনো জমিদার-প্রভাবিত অভিজাত শক্তি কীভাবে নতুন রাষ্ট্রে নিজেদের মানিয়ে নেয়।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→হুমায়ুন কবির
নেতৃত্বব্যক্তি
বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিক
সাংবিধানিক ও শিক্ষাবিষয়ক বিতর্কে তিনি বাঙালি উদারবুদ্ধিজীবী ধারার প্রতিনিধিত্ব করেন।
ঔপনিবেশিক শাসনের শেষভাগ ও স্বাধীনতাত্তোর জনজীবন।
তার চিন্তাধারা সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বাইরে বহুত্ববাদী, নাগরিক ও শিক্ষাভিত্তিক ভবিষ্যতের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঙালি ধারা তুলে ধরে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→মুজাফফর আহমদ
নেতৃত্বব্যক্তি
বামপন্থী রাজনৈতিক চিন্তক
বাংলার এক প্রভাবশালী বামপন্থী চিন্তক হিসেবে তিনি সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বাইরে শ্রেণি ও শ্রমের প্রশ্নকে সামনে আনেন।
দেশভাগের আগে ও পরে বাংলার বাম রাজনীতি।
তার উপস্থিতি দেখায় দেশভাগকে শ্রম, শ্রেণি ও ঔপনিবেশিকতাবিরোধী সংগ্রামের বড় ইতিহাসের মধ্যেও পড়তে হয়।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারকৃষক-বাম রাজনীতি
বিস্তারিত→সোমনাথ লাহিড়ী
নেতৃত্বব্যক্তি
কমিউনিস্ট আইনপ্রণেতা
স্বাধীনতা-উত্তর রূপান্তরকালে তিনি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা, অধিকার ও সাংবিধানিক কর্তৃত্বের বিষয়ে বামপন্থী সমালোচনা সামনে আনেন।
বাংলা ও ভারতের সাংবিধানিক ও বাম রাজনীতি।
তার রাজনীতি দেখায় সাম্প্রদায়িকতা ও কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রগঠনের সমান্তরাল সমালোচনাও বাংলায় শক্তিশালী ছিল।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারকৃষক-বাম রাজনীতি
বিস্তারিত→জসীমউদ্দীন
নেতৃত্বব্যক্তি
পল্লীকবি
তার কবিতা সেই ভাষা, স্মৃতি ও গ্রামীণ সামাজিক জগতকে ধারণ করে, যাকে দেশভাগ নির্মমভাবে ভেঙে দেয়।
দেশভাগের আগে-পরে বাংলার সাংস্কৃতিক স্মৃতি।
তার সাহিত্য মনে করিয়ে দেয় রাজনৈতিক সীমারেখা টানলেও বাংলার সাংস্কৃতিক আবেগকে সম্পূর্ণ ভাগ করা যায়নি।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ
নেতৃত্বব্যক্তি
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যসংরক্ষক
বাংলা সাহিত্য-ঐতিহ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণে তার জীবনব্যাপী কাজ রাজনৈতিক ভাঙনের সময়েও সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতার ভিত্তি রক্ষা করে।
দেশভাগ-পর্বে স্মরণযোগ্য বৃহত্তর বাংলা সাহিত্যঐতিহ্য।
তার উত্তরাধিকার দেখায় বাঙালি পরিচয়ের ভিত গভীর এক যৌথ সাংস্কৃতিক সংগ্রহশালার ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→আবু সালেহ মোহাম্মদ আকরাম
সমন্বয়কব্যক্তি
বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য
চূড়ান্ত দেশভাগ প্রক্রিয়ায় তিনি বঙ্গ বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৪৭ সালে বাংলার সীমারেখা নির্ধারণের প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া।
তার ভূমিকা সেই প্রশাসনিক-আইনি যন্ত্রের অংশ, যার মাধ্যমে বাংলাকে চূড়ান্তভাবে ভাগ করা হয়।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারসীমান্ত নির্ধারণ
বিস্তারিত→বিজন কুমার মুখার্জি
সমন্বয়কব্যক্তি
বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য
বাংলা বিভাজনের সময় তিনি বঙ্গ বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য ছিলেন।
দেশভাগকালে সীমারেখা নির্ধারণ বিষয়ক আনুষ্ঠানিক আলোচনা।
তার ভূমিকা দেখায় কীভাবে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব শেষ পর্যন্ত একটি নতুন মানচিত্রে রূপ নেয়।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারসীমান্ত নির্ধারণ
বিস্তারিত→এস. এ. রহমান
সমন্বয়কব্যক্তি
বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য
বাংলার চূড়ান্ত বিভাজন নিয়ে কাজ করা বঙ্গ বাউন্ডারি কমিশনে তিনি অংশ নেন।
দেশভাগের সময় সীমারেখা নির্ধারণের প্রক্রিয়া।
তিনি সেই অল্পসংখ্যক আইনগত ব্যক্তিত্বের একজন, যারা বাংলাকে বিভক্ত করা রেখা নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারসীমান্ত নির্ধারণ
বিস্তারিত→সি. সি. বিশ্বাস
সমন্বয়কব্যক্তি
বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য
দেশভাগ পুরস্কার ঘোষণার আগে শেষ সপ্তাহগুলোতে তিনি বঙ্গ বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য হিসেবে কাজ করেন।
১৯৪৭ সালে বাংলার দেশভাগের আইনগত ও কারিগরি প্রক্রিয়া।
তার ভূমিকা মনে করিয়ে দেয় দেশভাগ শুধু গণরাজনীতি নয়, দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলা এক আইনি-প্রশাসনিক প্রক্রিয়াও ছিল।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারসীমান্ত নির্ধারণ
বিস্তারিত→সুভাষচন্দ্র বসু
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলা-নির্ভর রাজনৈতিক শিকড়সম্পন্ন জাতীয়তাবাদী নেতা
“সাম্রাজ্যের শেষ পর্বে বাংলা থেকে উঠে আসা এক শক্তিশালী জাতীয় কণ্ঠ।”
ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে তিনি সশস্ত্র ও দৃঢ় রাজনৈতিক কৌশলকে সামনে আনেন এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলেন।
কলকাতাকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে সর্বভারতীয় পর্যায়ে তাঁর উত্থান উপনিবেশিক সময়ের আদর্শগত দ্বন্দ্বকে স্পষ্ট করে।
সার্বভৌমত্ব, প্রতিরোধ ও নেতৃত্ব নিয়ে বাংলা ও উপমহাদেশের রাজনৈতিক স্মৃতিতে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব।
ঔপনিবেশিকবিরোধীজাতীয়তাবাদনেতৃত্ববাংলা-রাজনীতি
বিস্তারিত→সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ
সংগঠনদল
ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক দল
১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দলটি মুসলিম রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের প্রধান প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয় এবং পরে পাকিস্তান দাবির নেতৃত্ব দেয়।
শেষ ঔপনিবেশিক সাংবিধানিক রাজনীতি, বঙ্গভঙ্গ-পরবর্তী সংগঠন, এবং পাকিস্তান আন্দোলন।
বাংলায় দলটির সাংগঠনিক বিস্তার নির্বাচন-রাজনীতি, সাম্প্রদায়িক সমীকরণ এবং ১৯৪৭ সালের বিভাজনের গতিপথে গভীর প্রভাব ফেলে।
১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস
সংগঠনদল
ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক দল
কংগ্রেস ছিল উপনিবেশবিরোধী রাজনীতির অন্যতম প্রধান দল; বাংলা ও সর্বভারতীয় পরিসরে সাংবিধানিক দরকষাকষি, গণআন্দোলন ও প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে দলটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখে।
স্বদেশি যুগের আন্দোলন, শেষ ঔপনিবেশিক প্রাদেশিক রাজনীতি, এবং ক্ষমতা হস্তান্তর আলোচনা।
বাংলা ও সর্বভারতীয় পর্যায়ে দলটির কৌশল বিভাজন-বিরোধী অবস্থান ও ১৯৪৭-এর সাংবিধানিক নিষ্পত্তির গতিপথে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারকংগ্রেস রাজনীতি
বিস্তারিত→আর. সি. মজুমদার
নেতৃত্বব্যক্তি
ইতিহাসবিদ
আর. সি. মজুমদার বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।
তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধ
বিস্তারিত→নিহাররঞ্জন রায়
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলা সভ্যতার ইতিহাসবিদ
নিহাররঞ্জন রায় বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।
তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→বিনোদ বিহারী চৌধুরী
নেতৃত্বব্যক্তি
চট্টগ্রাম বিদ্রোহের অংশগ্রহণকারী
বিনোদ বিহারী চৌধুরী বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।
তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→মেঘনাদ সাহা
নেতৃত্বব্যক্তি
পদার্থবিজ্ঞানী ও জনবুদ্ধিজীবী
মেঘনাদ সাহা বাংলা ও বাংলাদেশের বৌদ্ধিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশিয়ার বৌদ্ধিক ও সাংস্কৃতিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপট।
আধুনিক বাঙালি পরিচয়, জ্ঞানচর্চা ও জনজীবন বোঝার ক্ষেত্রে তাঁর কাজ এখনও গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→