Historical Memory Journey

পূর্ণ টাইমলাইন

বছর, শিরোনাম ও সারাংশ ধরে সার্চ করুন

সব অধ্যায় একসাথে দেখে গুরুত্ব, পর্ব এবং বৃহত্তর ধারাবাহিকতা বোঝার জন্য এই এক্সপ্লোরার ব্যবহার করুন।

সার্চ ও ফিল্টার

কিওয়ার্ড, বছর, থিম ও গুরুত্ব দিয়ে অধ্যায় বাছাই করুন

মোট ফলাফল: 59

ঔপনিবেশিক শাসন ও প্রতিরোধ

ঔপনিবেশিক দখল ও প্রতিরোধ

১৮৩১

প্রধান

তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা বিদ্রোহ

ঔপনিবেশিক শাসন ও প্রতিরোধ

১৮৩১ সালে সৈয়দ মীর নিসার আলি (তিতুমীর) বাংলায় এমন এক সশস্ত্র বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন, যেখানে ধর্মীয় সংস্কারধারা, জমিদারি নিপীড়নবিরোধী ক্ষোভ এবং ঔপনিবেশিক শাসনবিরোধিতা একত্রিত হয়। নারকেলবেড়িয়ার বাঁশের কেল্লাকে কেন্দ্র করে এই বিদ্রোহের পরিণতিতে কোম্পানি বাহিনী আন্দোলনটি দমন করে।

১৮৫৭

প্রধান

সিপাহী বিদ্রোহ

ঔপনিবেশিক শাসন ও প্রতিরোধ

১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে এক বিশাল ঔপনিবেশিক-বিরোধী বিস্ফোরণ। এর মূল কেন্দ্র উত্তর ভারত হলেও এর রাজনৈতিক অভিঘাত পুরো উপমহাদেশে, বিশেষত বাংলার চিন্তা-রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে। সশস্ত্র প্রতিরোধ, স্থানীয় ক্ষোভ এবং স্বশাসনের কল্পনা এই অধ্যায়ে প্রথমবারের মতো বৃহৎ আকারে একত্র হয়।

১৮৭৪

উচ্চ

আসাম পুনর্গঠন ও সিলেটের প্রশাসনিক বিচ্ছিন্নতা

ঔপনিবেশিক শাসন ও প্রতিরোধ

১৮৭৪ সালে ব্রিটিশ প্রশাসন আসামকে বাংলার প্রশাসন থেকে আলাদা করে এবং সিলেট ও কাছাড়কে নতুন চিফ কমিশনারশিপ অব আসামের অধীনে আনে। প্রশাসনিক সুবিধার যুক্তি দেখানো হলেও এই পরিবর্তন ভাষা, শাসন ও আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিচয়ের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে।

দেশভাগ ও অন্তিম ঔপনিবেশিক রাজনীতি

দেশভাগ ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব

১৯০৫

ল্যান্ডমার্ক

বঙ্গভঙ্গ

দেশভাগ ও অন্তিম ঔপনিবেশিক রাজনীতি

১৯০৫ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বাংলা প্রদেশকে বিভক্ত করে ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ গঠন করে। সরকারি ব্যাখ্যায় এটি ছিল প্রশাসনিক সংস্কার, কিন্তু বাংলার বহু সমালোচকের কাছে এটি ছিল বাঙালির রাজনৈতিক প্রভাব দুর্বল করার বিভাজননীতির অংশ। এই সিদ্ধান্ত বয়কট, স্বদেশী আন্দোলন এবং আঞ্চলিক রাজনৈতিক অবস্থানগুলোর দীর্ঘমেয়াদি পুনর্গঠনকে ত্বরান্বিত করে।

১৯০৬

উচ্চ

ঢাকায় অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা

দেশভাগ ও অন্তিম ঔপনিবেশিক রাজনীতি

১৯০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে ঢাকায় মুহাম্মদান এডুকেশনাল কনফারেন্সের প্রেক্ষাপটে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সংগঠন ব্রিটিশ ভারতের সাংবিধানিক রাজনীতিতে মুসলিম প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নকে একটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে রূপ দেয় এবং পরবর্তী দেশভাগ-পর্বের আলোচনায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেয়।

১৯১১

উচ্চ

বাংলা বিভাজন রদ

দেশভাগ ও অন্তিম ঔপনিবেশিক রাজনীতি

১৯১১ সালে ব্রিটিশ সরকার ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ সিদ্ধান্ত বাতিল করে বাংলা পুনরায় একীভূত প্রদেশে রূপ দেয়। ধারাবাহিক প্রতিবাদ, বয়কট ও রাজনৈতিক সংগঠনের চাপে এই সিদ্ধান্ত আসে; একই সাথে ক্যালকাটা থেকে দিল্লিতে রাজধানী স্থানান্তরের মাধ্যমে ঔপনিবেশিক প্রশাসন নতুন কৌশলগত বিন্যাসও তৈরি করে।