তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা বিদ্রোহ
ঔপনিবেশিক শাসন ও প্রতিরোধ
১৮৩১ সালে সৈয়দ মীর নিসার আলি (তিতুমীর) বাংলায় এমন এক সশস্ত্র বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন, যেখানে ধর্মীয় সংস্কারধারা, জমিদারি নিপীড়নবিরোধী ক্ষোভ এবং ঔপনিবেশিক শাসনবিরোধিতা একত্রিত হয়। নারকেলবেড়িয়ার বাঁশের কেল্লাকে কেন্দ্র করে এই বিদ্রোহের পরিণতিতে কোম্পানি বাহিনী আন্দোলনটি দমন করে।
সিপাহী বিদ্রোহ
ঔপনিবেশিক শাসন ও প্রতিরোধ
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে এক বিশাল ঔপনিবেশিক-বিরোধী বিস্ফোরণ। এর মূল কেন্দ্র উত্তর ভারত হলেও এর রাজনৈতিক অভিঘাত পুরো উপমহাদেশে, বিশেষত বাংলার চিন্তা-রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে। সশস্ত্র প্রতিরোধ, স্থানীয় ক্ষোভ এবং স্বশাসনের কল্পনা এই অধ্যায়ে প্রথমবারের মতো বৃহৎ আকারে একত্র হয়।
আসাম পুনর্গঠন ও সিলেটের প্রশাসনিক বিচ্ছিন্নতা
ঔপনিবেশিক শাসন ও প্রতিরোধ
১৮৭৪ সালে ব্রিটিশ প্রশাসন আসামকে বাংলার প্রশাসন থেকে আলাদা করে এবং সিলেট ও কাছাড়কে নতুন চিফ কমিশনারশিপ অব আসামের অধীনে আনে। প্রশাসনিক সুবিধার যুক্তি দেখানো হলেও এই পরিবর্তন ভাষা, শাসন ও আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিচয়ের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে।