Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition
❦

Discover Bengal · Unfolded

❦

সকল মূল ব্যক্তিত্ব

✦

অবদান, প্রেক্ষাপট ও প্রভাবভিত্তিক ডিরেক্টরি

প্রতিটি প্রোফাইলে কী করেছেন, কোথায় করেছেন, কেন গুরুত্বপূর্ণ—এই তিন স্তরে উপস্থাপন করা হয়েছে।

Est. 1947 · Bengal✺A Bilingual Archive

ফিল্টার ও সার্চ

✦

কিওয়ার্ড, সত্তার ধরন ও ভূমিকা দিয়ে তালিকা বাছাই করুন

ব্যক্তিত্ব ডিরেক্টরি

✦

552 প্রোফাইল

আবদুর রাজ্জাক

নেতৃত্বব্যক্তি

রাজনীতিক

আবদুর রাজ্জাক বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।

তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।

১৯৭১মুক্তিযুদ্ধরাজনৈতিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত→

কে. এম. ওবায়দুর রহমান

নেতৃত্বব্যক্তি

রাজনীতিক

কে. এম. ওবায়দুর রহমান বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।

তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।

১৯৭১মুক্তিযুদ্ধরাজনৈতিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত→

গিয়াসউদ্দিন আহমেদ

নেতৃত্বব্যক্তি

রাজনৈতিক সংগঠক

গিয়াসউদ্দিন আহমেদ বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।

তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।

১৯৭১মুক্তিযুদ্ধ
বিস্তারিত→

তোফায়েল আহমেদ

নেতৃত্বব্যক্তি

আওয়ামী লীগ সংগঠক

এরশাদবিরোধী সময়ে তিনি দলীয় কাঠামোকে বৃহত্তর প্রতিবাদী পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত রাখতে সাহায্য করেন।

১৯৮০-এর শেষভাগ ও ১৯৯০-এর এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তর।

তাদের ভূমিকা স্বৈরশাসনের অবসান ঘটানো গণঅভ্যুত্থানকে বিস্তৃত, বৈধ এবং কার্যকর করে তোলে।

১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→

ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি

সংগঠনদল

পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বাম-জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল

“ভাসানীর গণরাজনীতি, আইয়ুববিরোধী প্রতিবাদ ও ফারাক্কা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বাম-জাতীয়তাবাদী দল।”

ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি মওলানা ভাসানীর গণরাজনীতিকে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, স্বায়ত্তশাসনের দাবি, বাম-জাতীয়তাবাদী সংগঠন এবং পরে ফারাক্কা নদী-অধিকার প্রতিবাদের সঙ্গে যুক্ত করে।

পূর্ব পাকিস্তানের বিরোধী রাজনীতি, ১৯৬৯ গণঅভ্যুত্থান এবং স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের ফারাক্কা লং মার্চের রাজনীতি।

ন্যাপ আওয়ামী লীগের সাংবিধানিক জাতীয়তাবাদের বাইরে কৃষকভিত্তিক, বাম ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সুরকে গণআন্দোলনে দৃশ্যমান রাখে।

ন্যাপবাম রাজনীতিভাসানী১৯৬৯
বিস্তারিত→

মতিয়া চৌধুরী

নেতৃত্বব্যক্তি

রাজনীতিক

মতিয়া চৌধুরী বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।

তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।

১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→

রাশেদ খান মেনন

নেতৃত্বব্যক্তি

ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা, বামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠক, সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী

রাশেদ খান মেনন বাংলাদেশের রাজনীতির একাধিক পর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন: ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান-প্রেক্ষিতের ছাত্ররাজনীতি, বামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব, এরশাদবিরোধী আন্দোলন, সংসদীয় রাজনীতি এবং ১৪-দলীয় জোট-পর্বের জোট-রাজনীতি।

তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা পাকিস্তান আমলের প্রতিবাদ-রাজনীতি, ১৯৭১-পরবর্তী বাম দলীয় পুনর্গঠন, বিরোধী ও জোট রাজনীতি এবং পরবর্তী সময়ে নির্বাচিত সরকার ও সংসদীয় প্রতিষ্ঠানে অংশগ্রহণ পর্যন্ত বিস্তৃত।

বাংলাদেশের বাম ও জোটভিত্তিক রাজনীতিতে তাঁকে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক অভিনেতা হিসেবে আলোচিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁর নির্বাচনী ও জোটগত অবস্থান, বিশেষত সরকারে অংশগ্রহণ, বিভিন্ন মহলে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত হিসেবে বিবেচিত।

ছাত্ররাজনীতিগণঅভ্যুত্থান-১৯৬৯বামপন্থী-রাজনীতিওয়ার্কার্স-পার্টি-অব-বাংলাদেশ
বিস্তারিত→

শামসুজ্জোহা

শহীদব্যক্তি

পূর্ব-১৯৭১ প্রতিরোধ ঐতিহ্যের প্রতীক

“তার আগের আত্মত্যাগ পরবর্তী মুক্তিসংগ্রামের নৈতিক শক্তি হয়ে ওঠে।”

যদিও তিনি ১৯৬৯ সালে শহীদ হন, তার আত্মত্যাগ ১৯৭১-এর স্বাধীনতাচেতনা গঠনে গভীর প্রভাব ফেলে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৬৯ গণআন্দোলন ও পূর্ব-যুদ্ধ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট।

তার স্মৃতি গণঅভ্যুত্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধে রূপান্তরিত রাজনৈতিক ধারাবাহিকতাকে চিহ্নিত করে।

১৯৬৯ অভ্যুত্থানঐতিহ্যশহীদ
বিস্তারিত→

শামসুর রাহমান

নেতৃত্বব্যক্তি

কবি ও জনবুদ্ধিজীবী

শামসুর রাহমান বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।

তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।

১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→

ইয়াহিয়া খান

নেতৃত্বব্যক্তি

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ও সামরিক শাসক

তিনি জনসংখ্যাভিত্তিক প্রতিনিধিত্বের কাঠামোয় ১৯৭০-এর নির্বাচন তত্ত্বাবধান করেন, কিন্তু পরে আওয়ামী লীগের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সংকট আরও গভীর করেন।

১৯৬৯-১৯৭১: যুদ্ধপূর্ব পাকিস্তানের সামরিক রাষ্ট্রব্যবস্থা।

তার শাসন নির্বাচনী উন্মুক্ততা, সাংবিধানিক অচলাবস্থা এবং শেষ পর্যন্ত সামরিক দমনাভিযানকে এক সূত্রে বেঁধে পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীনতার পথে ঠেলে দেয়।

১৯৭১মুক্তিযুদ্ধসামরিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত→

জুলফিকার আলী ভুট্টো

নেতৃত্বব্যক্তি

পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রতিষ্ঠাতা; ১৯৭০-পরবর্তী সংকটে পশ্চিম পাকিস্তানের প্রধান রাজনীতিক; পরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

“১৯৭০-এর নির্বাচনী সংকট থেকে ১৯৭১-এর ভাঙনের পর্যায়ে তিনি ছিলেন কেন্দ্রীয় কিন্তু বিতর্কিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।”

তিনি ১৯৬৭ সালে পাকিস্তান পিপলস পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯৭০ নির্বাচনের পর পশ্চিম পাকিস্তানের একটি প্রধান রাজনৈতিক মুখ হয়ে ওঠেন। ইয়াহিয়া-মুজিব-ভুট্টো আলোচনার প্রেক্ষাপটে তিনি অংশ নেন এবং ১৯৭১-পূর্ব ক্ষমতা হস্তান্তর অচলাবস্থার একটি কেন্দ্রীয় অংশীদার ছিলেন।

পাকিস্তান পর্বের শেষের সাংবিধানিক ভাঙন, ১৯৭০ নির্বাচনের পরবর্তী অচলাবস্থা, এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের আগে বিতর্কিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট; পরে ১৯৭১-পরবর্তী পাকিস্তানের রাষ্ট্রপুনর্গঠন।

বাংলাদেশ-সম্পর্কিত ইতিহাসচর্চায় তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু বিতর্কিত হিসেবে বিবেচিত: তিনি সংকট-সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত ও আলোচনায় একটি প্রধান রাজনৈতিক অংশগ্রহণকারী ছিলেন, তবে ফলাফলের জন্য তার ব্যক্তিগত দায়ের মাত্রা নিয়ে ব্যাখ্যা ভিন্ন।

পাকিস্তান পিপলস পার্টি১৯৭০ নির্বাচনক্ষমতা হস্তান্তর সংকটইয়াহিয়া-মুজিব-ভুট্টো আলোচনা
বিস্তারিত→

তাজউদ্দীন আহমদ

সমন্বয়কব্যক্তি

অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী

“ফ্রন্টলাইনের বাইরে থেকেও যুদ্ধের মানচিত্র তিনি ধরে রেখেছিলেন।”

মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো, কূটনৈতিক যোগাযোগ ও যুদ্ধ-পরিকল্পনার সমন্বয় করেন। বিচ্ছিন্ন প্রতিরোধকে একটি কার্যকর রাষ্ট্র-পরিচালিত সংগ্রামে রূপ দেন।

মুজিবনগর সরকার, ১৯৭১; ভারত ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিমণ্ডল।

রাজনৈতিক বৈধতা, সামরিক সমন্বয় এবং আন্তর্জাতিক সমর্থনকে এক ফ্রেমে এনে মুক্তিযুদ্ধের কার্যকর রাষ্ট্রীয় রূপরেখা প্রতিষ্ঠা করেন।

রাষ্ট্রনীতিযুদ্ধকালীন শাসনকূটনীতি
বিস্তারিত→

পাকিস্তান পিপলস পার্টি

সংগঠনদল

পাকিস্তানের রাজনৈতিক দল

১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান পিপলস পার্টি দ্রুত পাকিস্তানের জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তিতে পরিণত হয়; ১৯৭০-১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তান ঘিরে সংকটকালেও দলটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখে।

পাকিস্তান পর্বের শেষ দিকের দলীয় প্রতিযোগিতা, কেন্দ্র-প্রদেশ ক্ষমতার টানাপোড়েন, এবং ১৯৭১-পরবর্তী রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস।

পশ্চিম পাকিস্তানে দলটির নির্বাচনী অবস্থান ও ক্ষমতার দরকষাকষি সাংবিধানিক অচলাবস্থাকে তীব্র করে, যা বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ-পূর্ব রাজনৈতিক সংকটে বড় প্রভাব ফেলে।

১৯৭১মুক্তিযুদ্ধরাজনৈতিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত→

সৈয়দ নজরুল ইসলাম

নেতৃত্বব্যক্তি

অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি

“অনিশ্চয়তার সময়ে তিনি রাষ্ট্রের ধারাবাহিক কণ্ঠ ছিলেন।”

বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানে বন্দি থাকাকালে তিনি সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ও যুদ্ধকালীন রাজনৈতিক কর্তৃত্ব বজায় রাখেন।

মুজিবনগর সরকার, ১৯৭১; নেতৃত্বের শূন্যতার সময়কাল।

তার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতিত্ব মুক্তিযুদ্ধকে বিচ্ছিন্ন বিদ্রোহ নয়, বৈধ জাতীয় সরকারের সংগ্রাম হিসেবে তুলে ধরতে সহায়তা করে।

সাংবিধানিক বৈধতানেতৃত্ব১৯৭১
বিস্তারিত→

আবদুল জব্বার

নেতৃত্বব্যক্তি

দেশাত্মবোধক সাংস্কৃতিক কণ্ঠ

“সাংস্কৃতিক প্রেরণাও ছিল প্রতিরোধের একটি শক্তি।”

দেশাত্মবোধক গানের মাধ্যমে তিনি মুক্তিযুদ্ধ-সম্পর্কিত জাতীয় চেতনা ও স্মৃতিকে শক্তিশালী করেন।

মুক্তিযুদ্ধ-পর্ব ও পরবর্তী সাংস্কৃতিক স্মৃতি।

তার গান আত্মত্যাগ ও বিজয়ের অনুভূতিকে প্রজন্মান্তরে বহন করে।

সংস্কৃতিগানস্মৃতি
বিস্তারিত→

আবদুল মান্নান

সমন্বয়কব্যক্তি

মুক্তিযোদ্ধা

“বৃহৎ ইতিহাসের পেছনে থাকে বহু স্থানীয় যোদ্ধার অবদান।”

তিনি স্থানীয় প্রতিরোধ ও সংগ্রামভিত্তিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্মরণীয়।

গ্রাসরুট অংশগ্রহণ, ১৯৭১।

তার মতো অংশগ্রহণকারীরাই মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধে পরিণত করেছে।

তৃণমূলমুক্তিযুদ্ধ যোদ্ধাস্থানীয় ইতিহাস
বিস্তারিত→

আবদুল হালিম চৌধুরী

শহীদব্যক্তি

শিক্ষাবিদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবী

“বুদ্ধিজীবী নিধনের বেদনাময় ইতিহাসে তার নাম যুক্ত।”

শিক্ষাবিদ সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি যুদ্ধকালীন দমন-পীড়নের টার্গেটে পড়েন এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতির অংশ হন।

ঢাকার একাডেমিক পরিমণ্ডল, ১৯৭১।

তার স্মৃতি স্বাধীনতার প্রাক্কালে বুদ্ধিজীবী নিধনের ইতিহাসকে স্মরণ করায়।

বুদ্ধিজীবীএকাডেমিয়াশহীদত্ব
বিস্তারিত→

ইন্দিরা গান্ধী

নেতৃত্বব্যক্তি

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তাকারী ভারতের প্রধানমন্ত্রী

“ইন্দিরা গান্ধী শরণার্থী ত্রাণ, কূটনৈতিক প্রচার ও ডিসেম্বরের সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে আন্তর্জাতিক সংকটে ভারতের ভূমিকা পরিচালনা করেন।”

১৯৭১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামকে রাজনৈতিক সমর্থন দেন, পাকিস্তানি বাহিনীর সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থীদের জন্য ভারতের সীমান্ত খুলে দেন এবং মুক্তিবাহিনীকে সহায়তা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা সমর্থন করেন। শরণার্থী সংকট ও দমন-পীড়ন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সরকার বিষয়টি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও তুলে ধরে।

১৯৭১ সালের মার্চের সামরিক দমন-পীড়ন, মুজিবনগর সরকারের গঠন এবং পশ্চিমবঙ্গসহ সীমান্তবর্তী ভারতীয় রাজ্যগুলোতে বিপুল শরণার্থীর আগমন ভারতের নীতিকে প্রভাবিত করে। গান্ধীর নীতিতে মানবিক ত্রাণ, আন্তর্জাতিক জনমত গঠন ও কৌশলগত প্রস্তুতি একসঙ্গে কাজ করেছিল; তবে বাংলাদেশের মুক্তি বাঙালির নিজস্ব গণআন্দোলন ও সশস্ত্র সংগ্রামের ফল—এটি ভারত-সৃষ্ট ঘটনা ছিল না।

ডিসেম্বরে পাকিস্তানের ভারত আক্রমণের পর ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশ বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে যুদ্ধে অংশ নেয় এবং ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর পরাজয় ও আত্মসমর্পণে ভূমিকা রাখে। ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্ব শরণার্থী, কূটনীতি ও সামরিক পদক্ষেপকে একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংকটে যুক্ত করে; যুদ্ধোত্তর শরণার্থী, যুদ্ধবন্দি ও স্বীকৃতির প্রশ্নেও এর দীর্ঘ প্রভাব পড়ে।

১৯৭১মুক্তিযুদ্ধরাজনৈতিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত→

কাজী নুরুজ্জামান

নেতৃত্বব্যক্তি

সেক্টর কমান্ডার

“যুদ্ধক্ষেত্রে কৌশলগত নেতৃত্বের জন্য তিনি স্মরণীয়।”

তিনি সেক্টর পর্যায়ে সামরিক প্রতিরোধ পরিচালনা করে যুদ্ধে কৌশলগত ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন।

সেক্টরভিত্তিক অভিযান, ১৯৭১।

তার নেতৃত্ব ফ্রন্টে স্থিতিশীল ও ধারাবাহিক লড়াই নিশ্চিত করে।

সেক্টর কমান্ডঅভিযাননেতৃত্ব
বিস্তারিত→

কামরুজ্জামান টুকু

সমন্বয়কব্যক্তি

মুক্তিযোদ্ধা

“স্থানীয় অবদান ছাড়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ পূর্ণতা পেত না।”

স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিরোধ ও সংগঠনে অংশ নিয়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রচেষ্টায় অবদান রাখেন।

স্থানীয় প্রতিরোধ প্রেক্ষাপট, ১৯৭১।

তার ভূমিকা দেখায় যে স্বাধীনতার সংগ্রাম বহু স্থানীয় ফ্রন্টের সমষ্টি।

স্থানীয় প্রতিরোধমুক্তিযুদ্ধ যোদ্ধা১৯৭১
বিস্তারিত→