Discover Bengal · Unfolded
❦গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
ইলিয়াস শাহী বাংলার সুলতান
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ প্রারম্ভিক ইলিয়াস শাহী বংশের তৃতীয় সুলতান ছিলেন। তাঁর শাসনে দীর্ঘস্থায়ী বিজয়াভিযানের চেয়ে বাংলা রাষ্ট্র সংহত করার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়; তবে সূত্রে কামরূপে তাঁর একটি অভিযানের কথাও উল্লেখ আছে। পণ্ডিতদের পৃষ্ঠপোষকতা এবং শাহ মুহম্মদ সগীরের ইউসুফ-জুলেখা রচনায় সহায়তার জন্যও তিনি স্মরণীয়।
জীবনী
প্রেক্ষাপট
চতুর্দশ শতকের শেষভাগ ও পঞ্চদশ শতকের শুরুর বাংলার সুলতানি রাষ্ট্র, যখন পান্ডুয়া ও সোনারগাঁয়ের দরবারে ইসলামী জ্ঞানচর্চা, বাংলা সাহিত্য, ফারসি বিদ্যা ও আঞ্চলিক কূটনীতি পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত ছিল। প্রেক্ষাপটে গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ ইলিয়াস শাহী বাংলার সুলতান হিসেবে পরিচিত। গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ প্রারম্ভিক ইলিয়াস শাহী বংশের তৃতীয় সুলতান ছিলেন। তাঁর শাসনে দীর্ঘস্থায়ী বিজয়াভিযানের চেয়ে বাংলা রাষ্ট্র সংহত করার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়; তবে সূত্রে কামরূপে তাঁর একটি অভিযানের কথাও উল্লেখ আছে। পণ্ডিতদের পৃষ্ঠপোষকতা এবং শাহ মুহম্মদ সগীরের ইউসুফ-জুলেখা রচনায় সহায়তার জন্যও তিনি স্মরণীয়।
অবদান
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ প্রারম্ভিক ইলিয়াস শাহী বংশের তৃতীয় সুলতান ছিলেন। তাঁর শাসনে দীর্ঘস্থায়ী বিজয়াভিযানের চেয়ে বাংলা রাষ্ট্র সংহত করার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়; তবে সূত্রে কামরূপে তাঁর একটি অভিযানের কথাও উল্লেখ আছে। পণ্ডিতদের পৃষ্ঠপোষকতা এবং শাহ মুহম্মদ সগীরের ইউসুফ-জুলেখা রচনায় সহায়তার জন্যও তিনি স্মরণীয়।
প্রভাব
গিয়াসউদ্দিনের দরবার সোনারগাঁকে ফারসি জ্ঞানচর্চা ও সাহিত্যিক কর্মকাণ্ডের একটি কেন্দ্রে পরিণত করতে সাহায্য করে। তিনি ফারসি কবি হাফিজের সঙ্গে পত্রালাপ করেন এবং ১৪০৫, ১৪০৮ ও ১৪০৯ সালে চীনে কূটনৈতিক দূত পাঠান। এতে বোঝা যায়, বাংলা সুলতানি রাষ্ট্র ভারতীয় উপমহাদেশের বাইরের বৃহত্তর জ্ঞান ও বাণিজ্যিক নেটওয়ার্কের সঙ্গেও যুক্ত ছিল।
টাইমলাইন অবস্থান
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ এই টাইমলাইনে 1টি সংযুক্ত ঘটনার মাধ্যমে উপস্থিত, যা ১৪১৪ সময়জুড়ে বিস্তৃত।
প্রথম উপস্থিতি
১৪১৪
সর্বশেষ উপস্থিতি
১৪১৪
সময় বিস্তৃতি
১৪১৪
সংযুক্ত ঘটনার সংখ্যা
1
উত্তরাধিকার সারাংশ
গিয়াসউদ্দিনের দরবার সোনারগাঁকে ফারসি জ্ঞানচর্চা ও সাহিত্যিক কর্মকাণ্ডের একটি কেন্দ্রে পরিণত করতে সাহায্য করে। তিনি ফারসি কবি হাফিজের সঙ্গে পত্রালাপ করেন এবং ১৪০৫, ১৪০৮ ও ১৪০৯ সালে চীনে কূটনৈতিক দূত পাঠান। এতে বোঝা যায়, বাংলা সুলতানি রাষ্ট্র ভারতীয় উপমহাদেশের বাইরের বৃহত্তর জ্ঞান ও বাণিজ্যিক নেটওয়ার্কের সঙ্গেও যুক্ত ছিল। এই প্রভাব 1টি সংশ্লিষ্ট ঘটনার বর্ণনায় প্রতিফলিত হয়েছে।
রেফারেন্স
এই ব্যক্তিত্বকে বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সূত্রসমূহ
House of Ganesha
১৪১৪-১৪৩৬ সময়ের হাউস অব গণেশ শাসনপর্ব, উত্তরাধিকার রাজনীতি এবং বাংলা সালতানাতের অন্তর্বর্তী কাঠামো নিয়ে রেফারেন্সভিত্তিক সারসংক্ষেপ।
উল্লেখিত: 1 ঘটনা
Raja Ganesha
পঞ্চদশ শতকের শুরুতে বাংলায় রাজা গণেশের ক্ষমতা দখল ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বাংলাপিডিয়া পরিচিতি।
উল্লেখিত: 1 ঘটনা
Riyaz-us-Salatin: A History of Bengal
বাংলায় মুসলিম শাসনের এক গুরুত্বপূর্ণ ফার্সি ক্রনিকল, যা ১২০৪-০৫ থেকে ১৭৫৭ পর্যন্ত বিস্তৃত।
উল্লেখিত: 1 ঘটনা
The History of Bengal, Vol. II: Muslim Period, 1200-1757
তুর্কি বিজয় থেকে ১৭৫৭ পর্যন্ত বাংলার মুসলিম শাসনের একটি মানক সার্ভে।
উল্লেখিত: 1 ঘটনা
The Islamic Heritage of Bengal
বঙ্গ সুলতানি ও মুঘল পর্বের ইসলামী স্থাপত্য, শিলালিপি, এবং বস্তুগত সংস্কৃতি নিয়ে একটি ইউনেস্কো সংকলন।
উল্লেখিত: 1 ঘটনা
The Rise of Islam and the Bengal Frontier, 1204-1760
বাংলার ইসলাম, সীমান্তসমাজ, কৃষি সম্প্রসারণ, এবং রাষ্ট্রক্ষমতা বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আধুনিক গবেষণা।
উল্লেখিত: 1 ঘটনা